স্বাধীনতাই আমাদের এগিয়ে চলার শক্তি

‘এ দেশ কে যে নিজের দেশ বলে ভাববে এদেশ তার।
এদেশের কল্যাণ দেখে যার মন আনন্দে ভরে উঠবে এ দেশ তার।
এ দেশের দুঃখে কাদঁবে যে এদেশ তার।
আর তার এবং তাদের এদেশ যারা এদেশের সাধারণ মানুষের
স্বাধীনতার জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছে ও ভবিষ্যতেও দেবে।’
– শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ২০২১ সালের ২৬ মার্চ সেই রক্তে কেনা স্বাধীনতার অর্ধশত বছর পূর্ণতা পায়। স্বাধীনতা হলো এমন একটি অধিকার যা মানুষকে সঠিক চিন্তা ও তার উপযোগী কর্মের পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং এর প্রতিবন্ধকতা সমূহকে দূর করে।

স্বাধীনতা শুধু ঘোষণা দিয়েই হয়নি। অত্যাচারীর রক্তে সঞ্জীবনী লাভ করেছে স্বাধীনতার বৃক্ষ। স্বাধীনতা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এসেছে। স্বাধীনতার ৫১ বছরেও প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যকার অনাকাংখিত ব্যাবধান কমিয়ে আনতে দরকার সম্মিলিত প্রয়াস ।

স্বাধীনতা

স্বাধীনতার ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘Liberty’। এটি ল্যাটিন শব্দ ‘Liber’ থেকে এসেছে। ‘Liber’ শব্দের অর্থ স্বাধীন বা মুক্ত। শব্দগত অর্থে স্বাধীনতা বলতে ব্যক্তির ইচ্ছেমত কাজ করাকে বুঝায়। রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্বাধীনতা বলতে অন্যের কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে নিজের কাজ করাকে বুঝায়।

অধ্যাপক লাস্কির মতে, স্বাধীনতা বলতে বুঝায় সেসব সামাজিক অবস্থার উপর থেকে বাধানিষেধের অপসারণ, যা আধুনিক সভ্য জগতে মানুষের সুখী জীবনযাপনের জন্য অত্যবশ্যক।

স্বাধীনতার প্রকারভেদ

স্বাধীনতাকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়-
১. ব্যক্তিগত স্বাধীনতা
২. সামাজিক স্বাধীনতা
৩. রাজনৈতিক স্বাধীনতা
৪. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা
৫. ধর্মীয় স্বাধীনতা

অর্থবহ স্বাধীনতা

‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে কে বাঁচিতে চায়?
দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে কে পরিবে পায়?’
– রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়

স্বাধীনতাই আমাদের শক্তি, সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান বস্তু। স্বাধীনতা জন্মগত অধিকার, আজন্ম সাধ, উন্নতির শ্বাস- প্রশ্বাস। আলো ব্যতীত পৃথিবী জাগে না, স্রোত ব্যতীত নদী টেকে না, স্বাধীনতা ব্যতীত তেমনি জাতি বাঁচে না।

তাই শৃঙ্খল স্বর্ণ নির্মিত হলেও কেউ বরণ করতে চায় না। সকল প্রকারের স্বাধীনতা একটা রাষ্ট্রে বলবৎ থাকলেই তা হবে অর্থবহ স্বাধীনতা। মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতা বিহীন সমাজ পঙ্গু ও পঁচা সমাজ।

স্বাধীনতার ফসল কার ঘরে?

কথা ছিলো একটি পতাকা পেলে
আমি আর লিখবো না বেদনার অঙ্কুরিত কষ্টের কবিতা
-হেলাল হাফিজ

১৯৭১ সালে বাঙালি একটি স্বাধীন পতাকা পেল। কিন্তু কষ্টের কবিতা আর যেন শেষই হচ্ছে না। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের  বিনিময়ে অর্জিত রাষ্ট্র তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে কিনা। নাগরিক হিসেবে আমরা কী স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারছি?

সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১১ তে আছে- ‘প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে। এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে।’ অনুে চ্ছদ-২৭ এ আছে- ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।’

৩০, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদেও আইনের আশ্রয় লাভের নিরঙ্কুশ অধিকার, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির রক্ষাকবচ সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া আছে। এনকাউন্টার, ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধ কিংবা গুম সম্পর্কে কোনো অনুমোদনমূলক কথা তো দূে রর কথা, ওই শব্দগুলোই সংবিধানে নেই। তাহলে স্বাধীনতার ফসল কার ঘরে?

আমাদের প্রত্যাশা

আজ নেই বর্গী, নেই ইংরেজ, নেই পাকিস্তানী হানাদার
আজ তবু কেন আমার মনে শূণ্যতা আর হাহাকার
আজ তবু কি লাখো শহীদের রক্ত যাবে বৃথা
আজ তবু কি ভুলতে বসেছি স্বাধীনতার ইতিকথা
-কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেন

একাত্তরের প্রত্যাশা

লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার আসল উদ্দেশ্য ছিল সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রে যে চারটি মূলনীতির কথা বলা হয়েছিল তাহলো ‘জাতীয়তাবাদ’, ‘সাম্য’, ‘মানবিক মর্যাদা’ ও ‘সামাজিক ন্যায়বিচার’। এই মূলনীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ হতো বিশ্বের উন্নত দেশের মধ্যে একটি।  কিন্তু স্বাধীনতার ৫১ বছরে এসেও সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

আগামীর প্রত্যাশা

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে। ব্যাপক শিল্পায়ন হবে। প্রতিষ্ঠানসমূহের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। গবেষণা বৃদ্ধি ও গবেষণা খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়বে। শ্রমিকের অধিকার, মানবাধিকার, জলবায়ুজনিত নিরাপত্তা এবং সুশাসন কায়েম ও বাস্তবায়ন হবে।

দেশের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। সরকার অনেক বেশি সহনশীল, গণতান্ত্রিক ও উদার হবে। নির্বাচন ব্যবস্থা সকলের জন্য গ্রহণযোগ্য করে সাজানো হবে। নানা রকমের সুবিধা নেয়ার জন্য দক্ষতার সঙ্গে দর কষাকষির যোগ্যতা অর্জন করবে। রপ্তানি পণ্যের নানা চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। নতুন নতুন পণ্য রপ্তানির উদ্যোগ গ্রহণ হবে। নতুন নতুন রপ্তানি বাজার তৈরির চেষ্টা হবে। সুশাসন ও জনগণের সব ধরনের অধিকার নিশ্চিত হবে। গণতান্ত্রিক চর্চার ও মানুষের মানবিক অধিকারকে ন্যায্যভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

কী পেলাম আমরা?

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ এক দুর্দান্ত অর্জন। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিসহ আর্থ-সামাজিক প্রতিটি সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ। উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি আসবে ২০২৪ সালে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এসে আমাদের প্রাপ্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো-

অবকাঠামোগত উন্নয়ন

এশিয়ান ইনফ্রাস্টাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) অগ্রাধিকার তালিকায় আছে বাংলাদেশ। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, স্যাটেলাইট, ফ্লাইওভার, মেট্রো রেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নদীর তলদেশে টানেল ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব, এলএনজি টার্মিনাল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের মতো মেগাপ্রজেক্ট বাস্তবায়নের সাফল্য উল্লেখযোগ্য।

জীবনমান উন্নয়ন

শিশুমৃত্যুর হার, মাতৃমৃত্যুর হার, গড় আয়ুষ্কাল ইত্যাদি মানব উন্নয়ন সূচকের  ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়েছে।

দারিদ্র্যের চাপ অনেক কমেছে। দেশে প্রায় শতভাগ শিশু এখন প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। ৭০ বছরের ওপরের বয়স্ক নাগরিকদের সাক্ষরতার হার এখন শতভাগ। ২০০৬ সালে গড় আয়ুকাল যেখানে ছিল ৬৪.৪, ২০১৯ সালে তা বেড়েছে ৭২.৪ ভাগ।

১৯৭২-৭৩ সালে মাথাপিছু আয় ছিল ১২৯ ডলার, ২০১৯-২০ সালে তা বেড়েছে ২০৭৯ ডলারে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২.৭৫ ভাগ (১৯৭২-৭৩), সেখানে ২০১৮-১৯ সময়সীমায় উন্নীত হয়েছিল ৮.১৫ ভাগে।

রপ্তানিমুখী শিল্প বৃদ্ধি

পোশাক শিল্প, ওষুধ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, মাছ, সবজি, ফুল ইত্যাদি পণ্য সারা দুনিয়ায় রপ্তানি হচ্ছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের রিজার্ভের পরিমাণ যেখানে ছিল মাত্র ৪২.৫ মিলিয়ন ডলার, সেখানে ফেব্রুয়ারি (২০২১) মাসে এসে রিজার্ভের পরিমাণ ৪৪ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

নেতিবাচক প্রাপ্তি

আমরা আমাদের শিক্ষাহীনতার কথা বলবো
আমরা আমাদের চিকিৎসাহীনতার কথা বলবো
আমরা আমাদের গৃহহীনতার কথা বলবো
আমরা আমাদের ক্ষুধা ও মৃত্যুর কথা বলবো।
-রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

ইতিবাচক প্রাপ্তিগুলো ম্লান হয়ে যায় নেতিবাচক দিকগুলোর ভিড়ে। যেমন-

  • দুর্নীতি বৃদ্ধি
  • বাক স্বাধীনতার অভাব
  • রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বৃদ্ধি
  • মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ
  • গুম
  • ক্রসফায়ার
  • প্রতিপক্ষকে দমনে মামলা
  • ভোটাধিকার হরণ
  • নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস
  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ
  • সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বৃদ্ধি
  • সাংস্কৃতিক আগ্রাসন
  • অনিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থা
  • রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা
  • নৈতিক চরিত্রের চরম অবক্ষয়
  • নতজানু পররাষ্ট্রনীতি

আমাদের করণীয়

অযোগ্য নেতৃত্ব, নীতিহীন নেতা ও কাপুরুষ রাজনীতিবীদদের সাথে
কোনোদিন একসাথে হয়ে দেশের কাজে নামতে নেই।
তাতে দেশসেবার চেয়ে দেশের ও জনগণের সর্বনাশই বেশি হয়।
-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের সাথে সাথে ঘুরে দাঁড়াতে হবে বাংলাদেশকে। সময় এসেছে সরকারের কঠিন পদক্ষেপ নেয়ার। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে মানুষকে সম্পদে পরিণত করতে হবে। উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।  বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে হলে শুধু সরকারের প্রচেষ্টাই যথেষ্ট নয়। সরকারের সাথে সাথে এসব ক্ষেত্রে অবস্থার উন্নতির জন্য সমন্বিত প্রয়াস চালাতে হবে।

উপসংহার

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে নতুন আশায় বুক বাঁধতে চাই, লজ্জা-অপমান মুছে, দুর্যোগ কাটিয়ে বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ডিগনিটি অব লাইফ- জীবনের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। ৯০ ভাগ মুসলমানের এদেশে জুলুম, শোষণ, নির্যাতনের পরিবর্তে ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সকলের জন্য কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। যেখানে সবাই তার ন্যায্য অধিকার নিয়ে সম্মানজনক জীবনযাপন করবে। পৃথিবীর উন্নত দেশের তালিকায় স্থান করে নেবে বাংলাদেশ।

সাবাশ বাংলাদেশ,
এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়
জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার
তবু মাথা নোয়াবার নয়।
-সুকান্ত ভট্টাচার্য

তথ্যসূত্র

স্বাধীনতার অর্থ ও মানঃভবক মর্যাদা, সৈয়দ আবুল মকসুদ, প্রথম আলো, ২১ মার্ ২০১৭
স্বাধীনতা জন্মগত অধিকার, ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান, প্রথম আলো, ২৮ মার্চ ২০১৪

পাঁচ দশকের বাংলাদেশ : প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা, ড. তারেক শামসুর রেহমান, ১২ মার্চ ২০২১
বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিলের যাত্রা শুরু, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ১৫ মার্চ ২০২১

অবকাঠামো উন্নয়ন বাড়ছে বাংলাদেশের : এআইআইবি, ২৯ জানুয়ারি ২০১৯
www.ceicdata.com
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: [email protected]

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published.