নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণকারীরা আইনের ঊর্ধ্বে নয় : পলাশ মাহমুদ

খাদ্যে ভেজালবিরোধী আন্দোলনের নেতা পলাশ মাহমুদ। কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক। কনজুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি) নির্বাহী পরিচালক। ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সোসাইটি (আইওয়াইএস) এর কান্ট্রি ডিরেক্টর। থাইল্যান্ডের ও-ইয়েস ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি কোঅর্ডিনেটর। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করা যুক্তরাজ্যভিত্তিক ‘থিংক ট্যাংক’ প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোবাল পিস ইনস্টিটিউট’ (জিপিআই) এর কান্ট্রি কোঅর্ডিনেটর।

সুইডেনভিত্তিক ওয়ার্ল্ড পিস কনফারেন্সের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর। ২০১৮ সালে নেপালের পর্যটন শহর পোখরায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল ইয়ুথ সামিট-২০১৮’-তে আফগানিস্তান পার্লামেন্টারি দল কর্তৃক বিশেষ আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেয়েছেন । গ্লোবাল  বাজারে প্রচলিত মানহীন ও ভেজাল পণ্য নিয়ে ব্যাপকভাবে মানুষকে সচেতন করার কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বাংলাদেশে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখায় দিল্লিতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন।

ভেজালবিরোধী আন্দোলনের নেতা পলাশ মাহমুদ

পলাশ মাহমুদের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানায়। তবে,ছোটবেলা বাবা মারা যাওয়ায় তার শৈশব-কৈশর কেটেছে খুলনা জেলার কয়রা থানায়। সেখান থেকেই উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ২০০৫-০৬ শিক্ষা বর্ষে ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন।

ক্যাম্পাস জীবনে বেশ সাংগঠনিক ও সংগ্রামী ভূমিকা ছিল পলাশ মাহমুদের। প্রথম বর্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত হলেও দুই গ্রুপের এক সংঘর্ষ দেখে আর রাজনীতিতে অগ্রসর হননি। ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। একই সঙ্গে, বিভাগের ছাত্র সংসদে সক্রিয় হন।

ছাত্র সংসদে একাধারে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন ও স্নাতক শ্রেণিতে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন। অন্যদিকে সাংবাদিক সমিতিতে ২০১০ সালে যুগ্ম-সম্পাদক ও ২০১১ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। ক্যাম্পাস জীবনে তিনি ছাত্রদের স্বার্থে বলিষ্ট ভূমিকা রাখেন।

কনশাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) প্রতিষ্ঠা

পলাশ মাহমুদ ২০১৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নিয়ে শুরু করেন সামাজিক সংগঠন ‘কনশাস কনজুমার্স সোসাইটি’ (সিসিএস)। ওই বছরের মার্চ মাসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ-তরুণীকে নিয়ে তিনি যাত্রা শুরু করে সংগঠনটি।

এদিকে চলতে থাকে ভোক্তা অধিকার ও ভেজালবিরোধী আন্দোলন। কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা ছাড়াই পলাশ মাহমুদ ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী এবং এর সদস্যদের স্বেচ্ছাশ্রম ও অর্থে এগোতে থাকে সিসিএস।

রাজধানীর গ্রিন রোডে ছোট্ট একটি অফিস নিয়ে চলছে সিসিএস। তাও একজন শুভাকাঙ্ক্ষীর দেয়া। পরে সিসিএসের যুব শাখাকে আলাদা করে নাম দেয়া হয় ‘কনজুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ’ (সিওয়াইবি)। পলাশ মাহমুদ সিওয়াইবির বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি।

সাংবাদিক পলাশ মাহমুদ

পলাশ মাহমুদ ২০১৩ সালে ক্যাম্পাস ছেড়ে দিয়ে ঢাকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক বণিকবার্তা, দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক যুগান্তরে খুবই সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। ২০১৮ সালে দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন বিভাগে টানা ৮ মাস সেরা কর্মী পুরস্কার ও বর্ষসেরা পুরস্কার পান।

বেসরকারি টেলিভিশন সময় টিভির অনলাইন বিভাগে সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে সময় টিভির জয়েন্ট নিউজ এডিটর ও অনলাইন বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত আছেন।

পলাশ মাহমুদ বলেন, দিন দিন দেশে মুক্ত সাংবাদিকতার সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসছে। সুস্থ প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে নানা কারণে। ফলে মত প্রকাশ স্বাধীনতাও দিন দিন হারাচ্ছে।

 খাদ্যে ভেজালে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে চিন্তিত পলাশ

পলাশ বলেন, ‘দেশে বর্তমানে ২ কোটির বেশি মানুষ কিডনি রোগী। প্রায় দেড় কোটি হৃদরোগী। ক্যান্সারে প্রতি বছর ৩ লাখ মানুষ মরছে। কিডনি রোগে প্রতি ঘণ্টায় মরছে ৬ জন। ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সার রোগী হবে প্রায় ২ কোটি। তার মানে কয়েক বছরের মধ্যে ক্যান্সার, কিডনি ও হার্টের রোগী হবে প্রায় ৭ কোটি।

বিষয়টি চিন্তা করলে তো ঘুম আসে না। আমরা কোথায় যাচ্ছি? কী হচ্ছে দেশে? দেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি কোথায় যাচ্ছে চিন্তা করে দেখুন। এজন্য আমরা ব্যাপকভাবে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছি।’

 দুর্গতদের পাশে সিসিএস স্বেচ্ছাসেবীরা

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট মহামারিতে দুর্গতের পাশে দাঁড়াতে পাঁচ উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) ও এর যুব শাখা কনজুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ১১ হাজার স্বেচ্ছাসেবী দেশের ৫৫টি জেলায় কাজ করে যাচ্ছেন।

সিসিএস ও সিওয়াইবির সদস্যরা ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এই নামে গ্রুপ করে সদস্য সংগ্রহ করা হয়েছে।  ৬৪ জেলাকে ১৪টি অঞ্চলে ভাগ করে ১৪ জন অঞ্চল সমন্বয়ক এবং জেলা ও থানায় একজন করে সমন্বয়কের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবী টিম কাজ করছে। ‘করোনায় খাদ্য সহায়তা’ প্রোগ্রামে কোনো এলাকা ধরে বা গোষ্ঠী ধরে নয়, স্বেচ্ছাসেবকদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রকৃত বিপদে থাকা বা না খেয়ে থাকা মানুষকে বাজার করে দেয়া হচ্ছে।

মানুষকে সহায়তার এসব উদ্যোগের অর্থায়নের বিষয়ে সিসিএসের নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেন, সিসিএসের নিজস্ব কোনো তহবিল নেই। বিভিন্ন মানুষ যে অনুদান দিচ্ছে, আমরা সেটি পৌঁছে দিচ্ছি। কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যেমন; ই-ভ্যালি ও ব্রান্ডবাই.এক্সওয়াইজেড ও বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটি কিছু অনুদান দিয়েছে। এছাড়া ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকে অনুদান দিয়েছে। তবে স্বেচ্ছাসেবীরা স্থানীয় পর্যায়ে অনুদান সংগ্রহ করে বণ্টন করছে। আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে যেটুকু পারছি সহায়তা করছি। কিন্তু সারা দেশের স্বেচ্ছাসেবীরা খুব ভালো কাজ করছে।

 অসাধু ব্যবসায়ীরা ভোক্তাকে জিম্মি করছে

পলাশ মাহমুদ বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা সব সময় পণ্যের দাম বাড়াতে নানা ধরনের সুযোগ খোঁজে। দেশে করোনার প্রকোপের শুরুতেই অসাধুরা চালসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়েছিল।

বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভোক্তাকে জিম্মি করে ফেলেছে। সব সময় তারা বাজার অস্থিতিশীল করলেও সরকারের পক্ষ থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় না।

ফলে তারা সুযোগ বুঝে একেক সময় একেক পণ্যের দাম বাড়ায়। এ ধরনের ব্যবসায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা হলে অনৈতিকভাবে মুনাফার প্রবণতা কমবে।’

জনস্বার্থ সুরক্ষায় সচেষ্ট পলাশ

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সিসিএস এর নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেন, কোভিড-১৯’র মধ্যে সাধারণ মানুষের উপার্জন কমেছে। লাখ লাখ মানুষ কর্ম ও আয়হীন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে চালডালসহ নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়েছে। বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলের খড়গও সইতে হচ্ছে জনসাধারণকে। ইতিমধ্যে বহু বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কমানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাস ভাড়া বৃদ্ধির যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে তা জনসাধারণের ওপর মারাত্মক জুলুম ও অবিচারের সামিল।

তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাস-মিনিবাস পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবহন মালিকদের ন্যয়সঙ্গত স্বার্থ সুরক্ষার দায়িত্ব সরকারের। পরিবহন মালিকরা যেন ক্ষতির মুখে পড়ে সেজন্য বিকল্প হিসেবে বিষয়টিকে সরকারের প্রণোদনার আওতাভুক্ত করা যেতে পারে। কিন্তু বিকল্প কোনো উপায় না খুঁজে বিআরটিএ’র ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটি সরাসরি জনস্বার্থবিরোধী সুপারিশ করেছে। ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটির ৮০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির সুপারিশের মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটি বাস মালিকদের অনৈতিক স্বার্থ রক্ষার তল্পিবাহকে পরিণত হয়েছে।

নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে পলাশের লড়াই

২০১৯ সালে মে মাসে ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে সিসিএসের পক্ষে পলাশ মাহমুদ রিট পিটিশন দায়ের করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে নামিদামি কোম্পানির ৫২টি পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তা বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তখন বিষয়টি দেশে ব্যাপক আলোচিত হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও খবর প্রকাশিত হয়।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি শাস্তিযোগ্য

পলাশ মাহমুদ বলেন, অসহায় ও অভুক্ত মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিতে বহু মানুষ নিত্যপণ্য কেনার এই সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়িয়েছেন। বিষয়টি চরম অমানবিক এবং মানুষের মৌলিক অধিকার পূরণে বাধা দেওয়ার শামিল। এমন অপতৎপরতা রাষ্ট্রকে জিম্মি করার সমতুল্য। কতিপয় সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী দীর্ঘ দিন ধরে অজুহাত পেলেই রাষ্ট্র ও মানুষকে জিম্মি করার এ অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণকারীরা আইনের ঊর্ধ্বে নয় উল্লেখ করে পলাশ মাহমুদ বলেন, “মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সরকারের একাধিক আইন রয়েছে। সিন্ডিকেটের কারসাজিকারীরাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ দেখা যায় না। ফলে তারা রাষ্ট্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অনৈতিক মুনাফা অর্জন অব্যহত রাখে। করোনাভাইরাসের মতো দুর্যোগের সময়ে যারা অনৈতিকভাবে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

নিঃসন্তান দম্পতিকে স্বপ্ন কুটির

করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন নিত্য আয়ের মানুষ। কর্মহীন ৭০ বছর বয়সী দিন মজুর আব্দুল গফফারও। ৬৫ বছর বয়সী স্ত্রী জাহিমাকে নিয়ে চলছে নিঃসন্তান দম্পতির বাঁচার লড়াই। বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের বাগডোকরা গ্রামে। লকডাউনের শুরুতে পাটশাক খেয়ে পার করেছে কয়েকটি দিন।

এমন পরিস্থিতিতে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিল ঝড়। গত এপ্রিল মাসের প্রথমে ঝড়ে ভেঙে যায় এই দম্পতির একমাত্রা ছনের ঘর। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছিলেন কয়েকদিন। নিঃসন্তান এই দম্পতির কাছে নিজের একটি স্থায়ী ঘর যেন স্বপ্নের মতো। তাদের সেই স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে আসে ভোক্তা অধিকার সংস্থা সিসিএসের স্বেচ্ছাসেবীরা। ‘স্বপ্ন কুটির’ নামে একটি স্থায়ী ঘর করে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তারা।

তথ্যসূত্র

www.jagonews24.com
www.jugantor.com
www.ekushey-tv.com
bangla.dhakatribune.com
www.prothomalo.com
somoynews.tv

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *