কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের আকর্ষণীয় গন্তব্য

প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্যে ভরপুর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নৈসর্গিক সৌন্দর্য বিশ্বের সকল দেশের অধিবাসীর কাছে প্রিয়। অনিন্দ্য সুন্দর সৌন্দর্যের টানে প্রচুর পর্যটকের আগমন অফুরন্ত সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে এ স্পটকে কেন্দ্র করে হোটেল ব্যবসা লাভজনক হবার নিশ্চয়তা প্রমাণ করেছে।

সৌন্দর্যপিয়াসী আর আরামপ্রিয় পর্যটকদের চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখে পাঁচ তারকা হোটেলে বিনিয়োগ অন্যান্য শিল্পে বিনিয়োগের তুলনায় অধিক আকর্ষণীয় ও ঝুঁকিমুক্ত। সৈকত নন্দিনী কক্সবাজারের নয়ন ও মন জুড়ানো জীবন্ত প্রকৃতির বিচিত্রতা ও স্বতন্ত্রতার কারণেই এখানে বিনিয়োগকারী বর্ণিল স্বপ্নের জগতে প্রবেশ করে সৌন্দর্য সাগরে আকণ্ঠ ডুবে থেকে রূপ সুধা পান করাই নয় প্রচুর অর্থনৈতিক মুনাফা অর্জন করায় সময়ের শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগকারী হিসেবে হৃদয়ে প্রশান্তি লাভ করবে।

রচনার শিরোনাম বিশ্লেষণ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ বেলাভূমি উচ্ছ্বসিত সমুদ্র তরঙ্গ, দিগন্ত প্রসারী ঝাউবন, উঁচু পাহাড়ের চূড়া, সুদৃশ্য প্যাগোডা, বৌদ্ধ মন্দির ইত্যাদি দৃশ্যপট নিয়ে পৃথিবীর দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকত। অফুরন্ত শোভা ও প্রাকৃতিক নির্জনতায় তুলনাহীন এ সৈকতের সঙ্গে সমুদ্রের তীর ঘেষে রয়েছে সংরক্ষিত বনভূমি পরিবেষ্টিত ৯৬ কি.মি. পাহাড়ের সারি।

বাংলাদেশের পর্যটনের রাজধানী কক্সবাজারের ১৫৫ কি.মি. দীর্ঘ এ সৈকত জুড়ে থাকা সোনালী বালুকা রশ্মি, আছড়ে পড়া ফেনিল ঢেউ এবং বিকালে সূর্যাস্তের আকর্ষণীয় সৌন্দর্য দারুণ উপভোগ্য। কাদামুক্ত, মসৃণ ও সমতল বেলাভূমির অপরূপ এ সৈকতটির বালুকাবেলায় চোখে পড়া কাঁকড়ার শৈল্পিক কারুকার্য স্বপ্ন আর রহস্যে ঘেরা। পাহাড় আর সাগরের সহাবস্থানের এমন সমন্বয় প্রকৃতি পৃথিবীতে বিরল।

পাঁচ তারকা হোটেল

Business dictionary. com- এ আছে, 5-star hotel offers most luxurious premises, widest range of guest services, as well as swimming pool and sport and exercise facilities.

Wiki-Answers com- এ বলা হয়েছে, The term five star hotel is always associated with the ultimate luxury (and, by implication, expense)

স্টুডিও ফ্ল্যাট

UK তে Studio flat বলা হয় আর টঝ-এ US-G  Studio apartment বলা হয় যে, Studio is a euphemism for sleeping in the living room, also known as a bachelor suite, yet the implication is it is somehow roomier There’s no separate bedroom, just a general living space, you wake up looking over at yours store.

বিনিয়োগ

Oxford Advanced Learner’s Dictionary তে আছে, বিনিয়োগ মানে, To by properly, shares in a company, etc. in the hope of making a profit.

Cambridge Advanced Learner’s Dictionary তে আছে, বিনিয়োগ মানে, to put money, effort, time etc. into something to make a profit or get an advantage.

সময়ের শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ; কেন, কীভাবে

Woody Allen বলেছেন, Life is full of misery, Loneliness suffering and it’s all over much too soon. এ জীবনে সুখ-শান্তির জন্য প্রয়োজন অর্থ। জীবনকে অর্থপূর্ণ, তাৎপর্যময় করতে অর্থের বিকল্প নেই।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিনিয়োগ এ সময়ের শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ। কেননা এতে মুনাফার সম্ভাবনা বেশি, ঝুঁকি কম। নিশ্চিত লাভ বলেই অন্য খাতগুলোর চেয়ে এটি অগ্রাধিকার পাবে নিঃসন্দেহে। অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক, সাফল্যের স্বর্ণালী সিঁড়ি হিসেবে বিবেচিত হবার যোগ্য।

বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে গুরুত্ব দিয়ে নানান উপযোগী নীতি গ্রহন করছে। এছাড়া দেশের বাইরেও ব্যাপক প্রচারণার ফলে বর্হিবিশ্বের অনেকেই আগ্রহী হচ্ছে এখানে বেড়াতে। কক্সবাজার এলাকায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজমান। ফলে বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তাহীনতায় কোনো কারণ নেই; দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা মুক্ত থাকা যায়।

প্রাচ্যের সৌন্দর্যের রাণী আর বিশ্বের সর্ববৃহৎ পর্যটন স্বাস্থ্য নিবাস এই সৈকতটির খ্যাতি দিন দিন বাড়বে। এছাড়া কক্সবাজার বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী। সাইদুজ্জামান ( ১৯৮৬)-এর গবেষণায় কক্সবাজারকেই দেশের একমাত্র পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন।

Bangladesh Tourism vision ২০২০ তে বলা হয়েছে ‘‘Golden sands-miles after miles, overlooked by genteel cliffs and awash with foaming waves, colorful conch shells, ponderous pagodas, delicious seafood-this is cox’s Bazar. The sea-side tourist township of Bangladesh boasting the world’s longest unbroken beach sloping gently down into the blue water of the Bay of Bengal, Cox’s Bazar is one of most at attractive tourist sport of the country.”

কেন দেশীয় বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হবে?

এর মাধ্যমে শুধু নিজেই নয়, কখনো পরোক্ষ কিংবা প্রত্যক্ষভাবে অনেকেরই উপকার সম্ভব হবে। আন্তরিকতা ও দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ কেবল কাগজে-কলমে, লিফলেটে, বইয়েই নয় দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে এমন খাতটিতে বিনিয়োগ করে তার প্রমাণ দেওয়া সম্ভব।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত জাতি হিসেবে আমাদের জন্য গর্বের, গৌরবে। এটিই পারে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিতে। সুতরাং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা, সুন্দর-সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনের প্রয়াসে দেশের প্রয়োজনকে বিবেচনায় আনলেও এক্ষেত্রে বিনিয়োগ গুরুত্ব পাবার দাবি রাখে।

কক্সবাজার সৈকতের পাঁচ তারকা হোটেলে স্টুডিও ফ্ল্যাট কেনার মাধ্যমে পর্যটন শিল্প বিকাশের প্রচেষ্টায় অংশীদার হওয়া দেশের নাগরিক হিসেবে সৌভাগ্যের ব্যাপার। অনেকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াস মিলেই একটি বৃহৎ লক্ষ হাসিল হবে।

কেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হবে?

কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে নয়ন মুগ্ধ হবে। অবারিত উত্তাল তরঙ্গমালা, বৈচিত্রমণ্ডিত সাংস্কৃতিক জীবনের কাছাকাছি থেকে নয়ন মুগ্ধ হবে। এখানকার অপরূপ দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য নেশাধরায় চোখে। মনে ছড়িয়ে দেয় মনোহরী রং। চোখ এবং মনের এমন দু’ধারী তীব্র প্রেরণায় একজন নির্বিকার বিমর্ষ লোকও সহজে হয়ে উঠতে পারে আনন্দময়। তাই মানসিক প্রশান্তি লাভের জন্যে, অবকাশ যাপনের জন্যে এটি হতে পারে বিশ্বের সেরা একটি স্পট।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত হওয়ায় দেশ-বিদেশের নানান সংস্কৃতির মানুষ আসে। মনকে নতুনত্বের ছোঁয়ায় উৎফুল¬ করতে, বাস্তব ও ভৌগোলিক জ্ঞানের প্রসার ঘটাতে, ক্লান্তির অবসাদ ঘটিয়ে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করতে এর কোনো বিকল্প নেই।

সাগর জলের স্পর্শ নিয়ে আসা শীতল বাতাস শরীর ও মনে নির্মল সুখানুভূতি ও সৃষ্টি করবে, হৃদয়ে দারুণ শিহরণ জাগাবে। সৌন্দর্য পিপাসু সুন্দর মনের সেই মানুষটি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান নিঃসন্দেহে যার বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকতের মত চমৎকার জায়গায় পাঁচ তারকা হোটেলে আপন ঠিকানা থাকবে।

যখন সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গমালার ঢেউ গর্জন করে আসবে তখন বারান্দায় বসে কিংবা জানালার ফাঁক দিয়ে হৃদয়গ্রাহী সেই দৃশ্য অবলোকনে পরম প্রাপ্তির অনুভূতি লাভ হবে। যখন আলোয় সমুদ্রের জলের রঙ বদলানোর বহুরূপী সৌন্দর্য দারুণ উপভোগ্য।

সাগরের অভিব্যক্তিকে নির্জনে কোলাহলহীন পরিবেশে উপভোগে আগ্রহী প্রকৃতিপ্রেমী মানুষটির নিজের কাছের কেউ কিংবা পরিবার পরিজনকে নিয়ে প্রকৃতিকে উপভোগ করার স্বাদ মেটাতে কক্সবাজার অতুলনীয়। সেখানে পাঁচ তারকা হোটেলে নিজস্ব ফ্ল্যাট থাকা গর্বের ব্যাপার হবে।

তরঙ্গায়িত বিশাল সমুদ্রের মৃদু-সফেন ঢেউ, আকাশ আর সাগরের দৃশ্যগুলো হৃদয়ে প্রশান্তির পরশ বুলিয়ে দেবে। প্রকৃতি যেন কুমারী রমনীর বক্ষে পড়িয়ে দিয়েছে মূল্যবান এক নেকলেস। সেই নেকলেসটি হলো, চিত্তবিনোদন এবং জ্ঞানার্জনের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এক স্বপ্নভূমি।

এটিই তো নির্দ্বিধায় বলা যায়- If Bangladesh be the lovely damsel of Nature. Cox’s Bazar is an impeceable dimple on her rosy cheek.

তাই অর্থনৈতিক মুনাফা বিবেচনাস এসব দিক বিশে¬ষণের মাধ্যমে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা হোটেল ব্যবসার বিশেষত্ব ও স্বকীয়তা ফুটায়ে তোলা সম্ভব। এ স্বতন্ত্রতাকে মাথায় রেখে পাঁচ তারকা হোটেলে স্টুডিও ফ্ল্যাট কেনার মাধ্যমে বিনিয়োগ করাকে সময়ের শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ বলা যায়।

লাভজনক বিনিয়োগের সম্ভাবনা; বিকাশে করণীয়

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের আগমন দিন দিন বাড়ছে। দেশি-বিদেশিদের আগ্রহ বাড়ছে। কেননা এখানে গোধূলীর অস্তমান সূর্যের অনিন্দ্য লালিমা যখন সাগরের জলে প্রতিফলিত হয়ে লাল হয়ে উঠে সে দৃশ্য আক্ষরিক অর্থেই চোখ জুড়ানো, মন ভরানো।

দিনের আলো-নিভে গেলে যখন পায়ে পায়ে সন্ধ্যার আঁধার নেমে আসে তখন চমৎকার রূপে আত্মপ্রকাশ করে সমুদ্র সৈকত চারদিকে নিঝুম আঁধারের সাথে ঢেউয়ের শব্দ একাকার হয়ে মনোমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি করে। ভরা পূর্ণিমায় রীতিমতো বাঁধভাঙা সুন্দরে প¬াবিত হয় সমুদ্রবক্ষ।

আঁধার জলে পূর্ণিমার রূপালি আলো যখন লুকোচুরি খেলায় মগ্ন হয় তখন হৃদয়-মনেও বসত গড়ে মায়াময় জোছনা। এমন সৌন্দর্য এ স্পটে পাঁচ তারকা হোটেলে বিনিয়োদগের ক্ষেত্রে সম্ভাবনার ঢালি নিয়ে হাজির হয়েছে।

পর্যটন আধুনিক বিশ্বে অন্যতম বৃহৎ শিল্প। এশিয়ারও কয়েকটি দেশের আয়ের প্রধান উৎস। সিঙ্গাপুরের জাতীয় আয়ের ৭০ ভাগ, তাইওয়ানের ৬৫ ভাগ, হংকং এর ৫৫ ভাগ, ফিলিপাইনের ৫০ ভাগ এবং থাইল্যাণ্ডের ৩০ ভাগ পর্যটন থেকে আসে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের আশেপাশেও পর্যটকদের আকর্ষণ করার মত অনেক কিছুই রয়েছে। এটি শুধুমাত্র বিনোদন নয় এর মাধ্যমে সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি, স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সে সাথে আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশে পাঁচ তারকা হোটেলে পর্যটক থাকবে না। শুধু সীচ দেখা নয়দ, কক্সবাজারে অন্যান্য আকর্ষণীয় স্থানেও বিষয়ের মধ্যে রয়েছে কলাতলী বীচ, বীচ সংলগ্ন এনজেল ড্রপ রেস্টুরেন্ট, রং বেরঙয়ের প্যাগোডা, বৌদ্ধবিহার, রাখাইন সম্প্রদায়ের বৈচিত্রময় জীবনচিত্র, ঝিনুক মার্কেট, সার্কিট হাউস, বার্মিজ মার্কেট, মেরিন ড্রাইভ রোড, গলফ মাঠ, হিমছড়ির ঝর্না, দরিয়া নগর, অগগ্য মেধা ক্যাং, পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালীর আদিনাম মন্দির, পূরাকীর্তি আর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জাদুঘর রামু, সোনাদিয়া দ্বীপ প্রভৃতি।

যদি সমুদ্র সৈকতে হালকা বিনোদনমূলক খেলাধুলা যেমন বীচ ভলিবল, বিভিন্ন ধরনের ওয়াটার স্পোর্টস, ওয়াটার স্কি, স্কাই ডাইভিংয়ের আয়োজন থাকে, অফবিচ সময়ে পর্যটকদের বিনোদনের জন্য সার্কাস, যাত্রা, নাটক, থিয়েটার, শিশুপার্ক, স্থানীয় ও উপজাতীয় সংস্কৃতি প্রদর্শনের আয়োজন থাকে, বিদেশি পর্যটকদের জন্য ক্যাসিনো, ডিসকো, গলফ মাঠ, শপিংমলের সুব্যবস্থা থাকে; পর্যটকদের হাঁটার জন্য প্রশস্ত ও পাকা ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও এতে পর্যাপ্ত আলো এবং সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলে দেশের বিদেশের বহু পর্যটক এখানে আসবে, প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

আমাদের দেশের অনেকেই অবকাশকালীন সময়ে বিদেশে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে গমন করেন। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে, পাঁচ তারকা হোটেল থাকলে তাদের অনেকেই এখানেই বেড়াবে। ফলে দেশের টাকা দেশেই থাকবে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বালিভাস্কর্য নির্মাণ, প্রশিক্ষিত ট্যুর গাইড ও প্যাকেজ ট্যুরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। অমিত সম্ভাবনাময় এ সৈকত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে উন্মোচিত হতে পারে। পাঁচ তারকা হোটেলে স্টুডিও ফ্ল্যাট অন্যতম বিনিয়োগ ও আয়ের মাধ্যম হতে পারে।

সীমান্তে দাঁড়িয়ে

কক্সবাজারের চমৎকার সমুদ্র সৈকতের পাঁচ তারকা হোটেলের স্টুডিও ফ্ল্যাট রুচিশীল, মননশীল ও বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারীদের মনের কড়া ঠিকই নাড়ে। তবে লোভনীয় ও সম্ভাবনাময় এক্ষেত্রটি। সচেতন সৌভাগ্যবানরাই কেবল বিনিয়োগে সক্ষম হবে।

যেখানকার পথভুলা বাতাস ভাবুক করে তুলে, ভাবনার আবেশে জড়িয়ে ফেলে, মন নিমিষেই প্রশান্তিতে ভরে তোলে। মনের গহীন কোণ থেকে উপচে উঠে আবেগ, ভালবাসা। উপরে অনিঃশেষ নীল কিংবা মেঘমেদুর আকাশ, নিচে থৈ থৈ জলরাশি, জলের বুকে আকাশের বর্ণিল প্রতিবিম্ব, বাতাসের অদ্ভূত শীতলতা গায়ে মাখার চমকপ্রদ এক রোমাঞ্চ, অনাবিল ভালোলাগা অস্তিত্বকে আচ্ছন্ন করে রাখে। সেখানে যদি বিনিয়োগ থাকে নিশ্চিত লাভের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তাহলে তো আর কথাই নেই।

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: [email protected]

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published.