`শরীরের কাছে হেরে যাওয়া মানুষগুলো ধর্ষক হয়’

সানি সানোয়ার

সমরেশ মজুমদার ‘গর্ভধারিণী’ উপন্যাসের এক জায়গায় বলেছিলেন – “মানুষ তার মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, কিন্তু দেহকে নয়।”

দেহকে বাগে আনা অতটা সহজ কাজও নয়। মনের শক্তি দিয়ে দেহকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়। ছোট মনের মানুষ তার দেহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সে দেহের চাহিদা পূরণেই ব্যাকুল। মানুষের শারিরীক অপরাধ তার মানসিক দৈন্যতাকে স্পষ্টতর করে। অনেক বড় মাপের মানুষরাও তাদের দেহকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না।

যার মন যত বড় তার দেহ তত নিয়ন্ত্রিত। সত্য বলতে, মন আর দেহের সমন্বনয় ছাড়া কোন অপরাধ সম্ভব নয়, ধর্ষণ তো নয়-ই।

অপরাধবিজ্ঞানে একটা টার্ম আছে- Mena rea (মেন্স রিয়া)
Guilty knowledge and wilfulness. A fundamental principle of Criminal Law is that a crime consists of both a mental and a physical element. Mens rea, a person’s awareness of the fact that his or her conduct is criminal, is the mental element, and actus reus, the act itself, is the physical element.

তাই নিয়ন্ত্রিত মন, দৈহিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পূর্বশর্ত। সামাজিক আর পারিবারিক বোধ সৃষ্টি ছাড়া শুধু হামলা, মামলা আর শাস্তি দিয়ে ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। শাস্তির ভয় আর বোধ – দু’টাই সৃষ্টি করা খুব জরুরী। মনে হচ্ছে এসবের একটু ঘাটতি পরেছে।

লেখকঃ বাংলাদেশ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের এডিসি সানি সানোয়ার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *