শিশুকে খাওয়ানোর সময় আনন্দপূর্ণ করে তুলুন

শিশুকে জোর করে খাওয়ানোয় ভয়াবহ পরিণতি তৈরি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এসব শিশুর বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশে সমস্যা হয়, কখনওবা তারা ওজন হারাতে থাকে। তাই যতটা সম্ভব শিশুকে খাওয়ানোর সময় আনন্দপূর্ণ করে তুলুন। যখনই শিশু খাবারপাত্র থেকে মাথা ঘুরিয়ে নেয়, তখন থেকে তাকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা পরিহার করুন। কারণ, সে ইঙ্গিতে যা বুঝিয়ে দিয়েছে, তার ভাষা হল, ‘আমার ভরপেট অবস্থা, এর বেশি আমি চাই না।’ আপনার চঞ্চল বাচ্চার মধ্যেও পছন্দের খাবার বাছাইয়ের মানসিকতা গড়ে উঠেছে। আপনার মনে রাখা উচিত, এ শিশু শুধু আপনার ছায়াই নয়, তার স্বকীয়তা আছে, স্বাধীনতা আছে। সুতরাং, তার পছন্দের মূল্য দিন।

শিশুর সামনে সব ধরনের স্বাভাবিক খাবারের পদ রেখে দেয়া হলে তারা খুশিমতো যেসব খাবার গ্রহণ করে, তা যথার্থই সুষম মানের; যদিও খাওয়ার সময় অনুযায়ী এবং একদিন থেকে অন্য দিনে এই পছন্দের তালিকায় বেশ প্রভেদ দেখা যায়। শিশুর মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে এমন এক সত্তা দেয়া আছে, কোনটা পুষ্টিকর, কোনটা পুষ্টিকর নয় এসব ধারণা না পেয়েও শিশু নিজের বৃদ্ধি ও বিকাশের সঙ্গে সংগতি রেখে খাবার গ্রহণ করে। শিশু যে খাবার পছন্দ করছে না, তা তার পাত থেকে সরিয়ে নিন। এতে সে স্বস্তি পায়। জোর করে গলাধঃকরণ করানো শিশু লালন-পালনের অনেক সমস্যার জট পাকানো এক নষ্ট ফল, ফিডারে বা বোতলে করে শিশুকে খাওয়ানো দিয়ে যা শুরু হতে পারে। এতে মা ও শিশুর মধ্যে আত্মিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *