মোবাইল ফোনে ভয়ঙ্কর বিপদ!

মোবাইল ফোন বন্ধ্যাত্বের সৃষ্টি করতে পারে। মোবাইলের বিকিরণ থেকে ক্যান্সারও হয়। তাই মোবাইল ফোন যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। একান্তই ব্যবহার করতে হলে, তাকে এমনভাবে রাখুন যাতে শরীরের কাছাকাছি না থাকে। মোবাইল ফোন পকেটে রাখবেন না, বেল্টের সঙ্গে আটকাবেন না বা অন্তর্বাসের ভিতর রাখবেন না। সেই সঙ্গে ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন অফ করে রাখুন।

মোবাইল ফোন পুরুষদের ক্ষেত্রে বীর্যের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। কথা বলার সময় ফোন যদি পুরুষাঙ্গের কাছাকাছি থাকে, তবে তা বীর্য উৎপাদনকারী কোষের মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে। এতে পরিমাণ মতো বীর্য তৈরি হতে পারে না। এতে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত বীর্যের কারণে সন্তান দুর্বল এবং শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মাতে পারেন। যে সকল পুরুষ কানে ফোন ব্যবহার বা করে হেড সেট ব্যবহার করেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল ফোন পকেটে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা সবথেকে বেশি থাকে।

মোবাইল ফোন থেকে ক্যান্সারের সম্ভাবনা রয়েছে। মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণে নানা ধরণের ক্যান্সার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। এর বড় কারণ হল, মোবাইল ফোনের ক্ষতিকারক বিকিরণ। এই ক্ষতিকারক বিকিরণের কারণে নারী এবং পুরুষ দুইই দারুণভাবে শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হন। ফলে, আশঙ্কা বাড়ে স্তন ক্যান্সার সহ অন্যান্য ক্যান্সারের। মোবাইল ফোন সহ বিভিন্ন ওয়্যারলেস ডিভাইস যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গকে ব্যবহার করে, যা মানুষের মধ্যে ক্যান্সারের প্রবণতা বৃদ্ধি করতে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করে। মোবাইল, ক্যান্সার হওয়ার অবশ্যম্ভাবী কারণ হিসাবে কাজ করে।

স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। যে সমস্ত পরিবারে পূর্বে কোনও ক্যান্সারের ইতিহাস নেই বা আক্রান্তের কোনও তথ্য নেই, সেই পরিবারেও এখন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চল্লিশ বছরের মধ্যে যে সকল মহিলা রয়েছেন, তাদের ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা সব থেকে বেশি। যে সকল নারী অন্তর্বাসের ভিতরে মোবাইল ফোন রাখেন, তাদের প্রত্যেকের বুকের কোনও না কোনো স্থানে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল এবং এদের সকলের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

কানে হেড সেট ব্যবহার করুন। এতে শরীর থেকে দূরে ফোন থাকতে পারবে। ফোনে কথা বলার সময় আমাদের শরীর এবং মস্তিষ্ক প্রচুর পরিমাণে বিকিরণের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা আমাদের খুবই ক্ষতি করে। তাই কথা বলার সময় হেড ফোন ব্যবহার করুন এবং ফোন কে একটি নির্দিষ্ট দুরত্বে রাখুন। কথা কম বলুন, মেসেজ করুন- যতটা সম্ভব ফোনে কথা কম বলে মেসেজের মাধ্যমে জরুরি কথা বলুন। সিগনাল ভাল থাকলে কথা বলুন। ফোনে যদি নেটওয়ার্কের পরিমাণ কম দেখায়, তাহলে সেই সময় কোনোভাবেই ফোনে কথা বলবেন না। কারণ, ফোনের সিগন্যাল বার কম দেখানো মানেই ফোন নিজের থেকে সিগন্যাল খোঁজার চেষ্টা করছে। এই সময়ে বিকিরণের মাত্রা খুব বেশি থাকে। পকেটে বা বালিশের নিচে ফোন রাখবেন না- যদি ফোন নির্দিষ্ট কিছু সময়ে ব্যবহার না করতে চান, তাহলে ফোন থেকে দূরে থাকুন। এছাড়া, কোনও সময় ফোন বালিশের নীচে নিয়ে শোবেন না। ফোন ব্যবহার না করলেও শুধু অন থাকলে, তখনও প্রচুর পরিমাণে বিকিরণ ছড়াতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *