এক সঙ্গে যে খাবারগুলো খাবেন না

বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু ফুড কম্বিনেশনের কথা জানিয়েছেন, যেগুলো একেবারেই এক সঙ্গে খেতে যাবেন না। সেগুলো হচ্ছে, পেট ভর্তি খেয়েই ফল, শর্করা জাতীয় খাবারের সঙ্গে মাংস, লেবুর আর সর্দি-কাশির ওষুধ, পিৎজার সঙ্গে টমেটো, মিল্ক প্রোডাক্টের সঙ্গে ফল, ওয়াইন এবং পুডিং, বার্গার আর পটেটো ফ্রাই, মাফিন আর ফলের রস ইত্যাদি।

পেট ভর্তি খেয়েই ফল নয়: ফল সহজপাচ্য। খেতে খেতে বা খাওয়া মাত্রই ফল খাওয়া উচিত নয়। কারণ, খাবার পর যে কোনো খাবার খাদ্যনালীতে অনেক ক্ষণ থেকে যায়। কিন্তু ফলের গুণাগুন শোষিত হয়। ফলে অ্যাসিড থাকায় যা খাদ্যনালীর ক্ষতি করতে পারে।

শর্করা জাতীয় খাবারের সঙ্গে মাংস: শর্করা জাতীয় খাবারের (ভাত, রুটি, নুডলস ইত্যাদি) সঙ্গে প্রাণীজ প্রোটিন মিশে নেগেটিভ প্রভাব ফেলে শরীরে। উভয় প্রকার খাবার হজমের উৎসেচক একে অপরের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। যার ফলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, আমাশয় হতে পারে।

লেবুর আর সর্দি-কাশির ওষুধ: লেবু এই ওষুধের কার্যকারিতা নাশ করে। এমনকি এই দু’য়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অনেকের মাথাব্যাথা, চোখে ভুল দেখা ও অনিদ্রা হতে পারে।

পিৎজার সঙ্গে টমেটো নয়: টমেটো অ্যাসিডিক। পিৎজা শর্করাজাতীয়। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দু’য়ের মেলবন্ধন নাকি ভীষণ ক্ষতিকর। শুধু পিৎজাই নয়, শর্করা জাতীয় যে কোনো খাবারের সঙ্গেই টমেটো খাওয়া উচিত নয়।

মিল্ক প্রোডাক্টের সঙ্গে ফল নয়: এই দুই খাবার ভুলেও কখনও এক সঙ্গে খাবেন না। কারণ, মিল্ক প্রোডাক্ট এমনিতেই অ্যালার্জিটিক। এর সঙ্গে ফল মিশলে তা নাকি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে।

ওয়াইন এবং পুডিং: অ্যালকোহল রক্তে ইনসুলিন ক্ষরণ বাড়তি করে তোলে। অন্য দিকে পুডিংয়ে রয়েছে অত্যধিক পরিমাণে সুগার। ইনসুলিন সেই সুগারকে লিভারে ফ্যাট হিসাবে সঞ্চয় করে যা ক্ষতিকর।

বার্গার আর পটেটো ফ্রাই: এই কম্বিনেশনটি কারও অচেনা নয়। বার্গার শরীরে ক্ষতিকারক চারকোল-জাতীয় উপাদান তৈরি করে। যার সঙ্গে আলুতে থাকা সুগার মিশে সাইটোকাইন তৈরি হয়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এজিং ত্বরান্বিত করতে সাইটোকাইনের জুড়ি মেলা ভার।

মাফিন আর ফলের রস: দুটোই হাই-সুগার। যা এক দিকে যেমন নিমেষের মধ্যে ব্লাড সুগার বাড়িয়ে তোলে, আবার খুব দ্রুত হজমও হয়ে যায়। পাশাপাশি কোনও প্রোটিন এবং ফাইবার থাকে না। স্ট্রেস বাড়াতে সহায়ক।

সূত্র: আনন্দবাজার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *