স্মৃতিতে কামালিয়া চালা আলিম মাদ্রাসা

তখন আমি ছোট। বাবা প্রবাসী হওয়ায় মায়ের সাথেই বাড়িতে থাকি। পাখির কিচির-মিচির আওয়াজে মনকে শীতল করি। বাড়ির দক্ষিণ পাশের বাঁশঝাড়ের নিচে দাঁড়িয়ে ক্লান্তি ভাব কাটাই। তখন খেলতে খেলতে আঘাত পেলে কেটে যাওয়া জনিত রক্তপাত বন্ধে দুর্বা ঘাস কিংবা কচুর ডাটার কষ লাগানোই যথেষ্ট হতো।

টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানার হাতীবান্ধা গ্রামের হানারচালায় সবুজ-শ্যামলে ঘেরা পরিবেশ। যেখানে আম গাছের ডালে ঝোলানো দড়িতে বাধা পিঁড়িতে তৈরি দোলনায় বসেই দোল খাওয়া যেতো। খড় ও ছনের ছাউনিতে তৈরি মাটির দেয়ালের ঘরে ঢুকলেই মনে বয়ে যেতো শীতল পরশ।

আমি কামালিয়া চালা আলিম মাদরাসাতে ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৯ সালে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছি। তবে শিক্ষার্থী হবার আগেও বড় ফুফু ও ছোট ফুফুর সাথে প্রতিষ্ঠানটিতে বেড়াতে গিয়েছি; উনারা সেখানে পড়ালেখা করতেন।

তখন মাসে মাসে ফি দিতে হতো না, মাইনে দিতে হতো না; মানে বিনা পয়সায় পড়ানো হতো। তারপরও অনেকেই ঝরে পড়তো, পড়াশোনা ছেড়ে দিতো। শিক্ষার্থীদের সিংহভাগই ছিল খুব গরিব। পোশাক- আশাকে ছিল দারিদ্র্যের ছাপ। প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত কোনো জামা-কাপড় বা জুতো তথা ইউনিফর্ম ছিল না।

অনেকেই বাবা বা বড় ভাইয়ের সাথে ক্ষেতে-দোকানে কাজ করতেন। তখন অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ঘরবাড়িতে কোনো আভিজাত্যের ছাপ ছিল না। দামি দামি ফার্নিচার ছিল না। ঘরে ঘরে টেলিভিশন ছিল না। হাতে হাতে মোবাইল ফোন ছিল না। তখন কলাগাছের ভেলায় চড়ে পানি পারাপার হতাম, ঘাটে গোদারা ( খেয়া) নৌকার জন্য দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতাম।

মেয়েদের ক্ষেত্রে অল্প বয়সে বিয়ে দেয়ার প্রবণতা ছিল। যেমন আমাদের সহপাঠী কুলসুমকে ২য় শ্রেণিতে বিয়ে দেয়া হয়েছিল। আর ছেলেদেরকে একটু বড় হলেই বিদেশে পাঠানোর একটি প্রবণতা তৈরি হতে দেখেছিলাম।

মসজিদে চট বিছিয়ে শিশু শ্রেণির ক্লাস নেয়া হয়েছিল। ব্যাপারটি তখন সেই বয়সে আমার ভালোলাগেনি। দু-একটি ক্লাস করেই আর ঐ ক্লাসে কন্টিনিউ করিনি। পরে মাটির কোঠা ঘরে ১ম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে ক্লাস শুরু করেছিলাম। তৃতীয় শ্রেণিতে মাটির ওয়াল এমনভাবে ভেঙ্গে পড়েছিল যে সেখান দিয়ে বাইরে আসা যাওয়া করতো।

ছোটবেলায় আমি একটু রাগী ছিলাম, তবে সহপাঠীরা আমাকে যথেষ্ট ভালোবাসতো। আমার ১ম শ্রেণিতে ভর্তি রোল নাম্বার ছিল ১১, ২য় শ্রেণিতে বার্ষিক পরীক্ষা দিয়ে আমার রোল নাম্বার হয় ৩। ৩য় শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত আমি ফার্স্টবয় ছিলাম।

আমার সাথে আমার চেয়েও অনেক মেধাবী সহপাঠী ছিল। তবে তাদের অনেকে সংসারে দারিদ্র্য বিমোচনে কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা করতেন। ফলে ওরা ছিল বলতে গেলে পার্ট টাইম স্টুডেন্ট। আমাদের ব্যাচ থেকে বানিজ ও আমি সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি। আরো কেউ করেছে কিনা জানা নেই।

সাত্তারের লেখাপড়া হয়নি- মা-বাবার মৃত্যু, ভাই-বোনদের দায়িত্ব নেয়ার কারণে। জয়নাল জনি বড়ভাইয়ের সাথে ব্যবসায় জড়ান, পরে প্রবাস জীবন শুরু করেন। আব্দুল্লাহেল মিন্টুর গাছ থেকে ঢাল ভেঙ্গে টিনের চালে পড়ে গিয়েছিলেন, সে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। লোকমান লিটন প্রবাসজীবন শুরু করেন। সালমা আপু, নাজমা, রোমেলাসহ মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। কালাম, জাকির, আলিম, নজরুলও পড়াশোনা ছেড়ে দেন। নবম শ্রেণিতে ঢাকায় চলে আসায়, এবং বাসা হানারচালা থেকে তক্তারচালায় স্থানান্তরিত হওয়ায় সহপাঠীদের সাথে যোগাযোগ কমে যায়!

বাড়িতে আমাকে বাংলা, ইংরেজি, গণিত সবই পড়াতেন শামছুজ্জামান কাকা; আমি মৌলভী কাকা বলে সম্বোধন করতাম, এখনও করি। লিটন বিএসসি স্যার অংক পড়াতেন, উনি ইন্তেকাল করেছেন। শাহজাহান সিরাজ স্যারের কাছে কিছুদিন ইংরেজি পড়ার সুযোগ পেয়েছিলাম, ভালো পড়াতেন, পরে উনি চলে যান। রাকিব স্যার কিছুদিন ইংরেজি পড়িয়েছিলেন; উনি অসুস্থ হলে সবাই মিলে উনার বাড়িতে গিয়েছিলাম।

কুদ্দুস হুজুর আরবী ব্যাকরণ পড়াতেন। জাহিদ হুজুর দরাজ গলায় পড়াতেন, উনার হাতের লেখা আরবী খুব চমৎকার ছিল। আহম্মদ হুজুরের তেলাওয়াত ছিল খুবই শ্রুতিমধুর ও হৃদয়গ্রাহী; তিনি রস সংগ্রহের জন্য খেজুর গাছ কাটতে গিয়ে উপর থেকে নীচে পড়ে গিয়েছিলেন, তখন হুজুরের ভীষণ কষ্টকর অবস্থা ভুলতে পারিনি।

মজিদ স্যার কিছুদিন পড়িয়েছিলেন, পরে উনি বিদেশ চলে যান। সিদ্দিক হুজুর কিছুদিন পড়িয়েছিলেন। বেলায়েত হুজুর ছিলেন খুবই আন্তরিক শিক্ষক, আমাকে খুবই আদর করতেন। সামাদ হুজুরকে তখন খুবই রাশভারী মনে হতো, যদিও তিনি দিলখোলা মানুষ।

নাজিম স্যার আমাকে খুব আদর করতেন; রাস্তায় কাদা থাকায় কোলে নিয়ে রাস্তা পার করিয়ে দিয়েছেন। শামসুদ্দিন হুজুর জোর শব্দে হাঁচি দিতেন, ছোটরা ভয় পেয়ে যেতো। শফি হুজুর আমাকে ক্ষেপাতে বলতেন, এরশাদ জেলের ডালভাত কেমন লাগে- তিনি আর ইহজগতে নেই।

মাহবুব হুজুর বৃত্তি পরীক্ষায় ভালো করতে পরীক্ষার খাতায় কিভাবে লিখতে হবে, কিভাবে মার্জিন টানতে হবে তা বলেছিলেন। নরেশ স্যার ছিলেন, মোটরসাইকেলে আসতেন; কালাচানে (ভূতে) ধরার পর সুন্দরী মেয়ে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা করাতেন। দিদার নামে একজন বাংলার স্যার এসেছিলেন, উনার পড়ানো ভালোই লাগতো; তবে তিনি কিছুদিন পর চলে যান।

জুনিয়রদের সাথে বেশ সুসম্পর্ক ছিল। ইবরাহিম কাকা আমাদের বাসায় থাকতেন। মালেক বেশ মেধাবি ছিল। বারেক ভালো ফুটবল খেলতো। আলমগীর খুবই ভদ্র ছিল। জাহাঙ্গীর খুবই বিনয়ী ছিল। সুমন মাঝে মাঝে আমার কাছে পড়তো। রতনপুরের মানিক ছিল। লিয়াকত, আনোয়ার, শরীফ, মোস্তাক, আবুতাহের, মানিকসহ আরো অনেকের কথা মনে আছে। অনেকের সাথে যোগাযোগও আছে।

সিনিয়রদের সাথেও খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল। রতনপুরের জাহাঙ্গীর ভাই, মোশাররফ ভাই, সাখাওয়াত হোসেন মিজান আংকেল ছোটমামা নবীর হোসেনের ব্যাচ ছিল। ইবরাহিম ভাই, আবু হানিফ ভাই, মতিয়ার ভাই, ফজলু ভাই, বাছেদ ভাই, হাছেন ভাই ছিলেন। বোরহান কাকা, চান মিয়া ভাই, সালাম ভাই, মাহমুদ ভাই ছিলেন।

বাকি ভাই আমাকে খুব আদর করতেন, তিনি না ফেরার দেশে চলে গেছেন। আমার ছোটফুপু মালেকা, বড়ফুপু মাজেদা, রাবিয়া ফুপু, মনোয়ারা ফুপু, রহিমা ফুপু, আকলিমা ফুপু ছিলেন। আমজাদ সোহান ভাই, হালিম বেয়াই, হৃদয় ভাই ছিলেন। আরো অনেকে ছিলেন।

সেই সময় বড় দারুণ সময় ছিল, সুখের সময় ছিল। তবে আতঙ্কজনক ও ভীতিকর কিছুই যে ঘটতো না এমনটি নয়। দুই বেত একসাথে করে পেটানো বা পিটাতে পিটাতে বেত ভেঙে ফেলার দৃশ্য দেখেছি। সাধারণত পড়া না পারা, হোমওয়ার্ক না করা, কোনো দুষ্টুমি বা অপরাধের শাস্তি হিসেবে সংশোধনের উদ্দেশ্যে এই বেত্রাঘাত করা হতো। তবে কারোরই শিক্ষকের প্রতি ক্ষোভ, অশ্রদ্ধা দেখিনি; ব্যক্তিগত আক্রোশ বা রেষারেষিও তৈরি হতো না।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য সখিপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকায় মৌলভী কাকা (মাও. ক্বারী মো. শামছুজ্জামান) ও করিম হুজুর (মাও. আবুল ফজল মো. আব্দুল করিম) আমাকে নিয়ে যেতেন। থানা-জেলা-বিভাগীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত-বিজয়ী হলে আমার শিক্ষকদেরও অনেক খুশি হতে দেখতাম।

টাঙ্গাইলে বৃত্তি পরীক্ষা দিতে বড় ফুফা নিয়ে যেতেন। ৫ম শ্রেণিতে বৃত্তি পাওয়ায় আত্মীয় স্বজনদেরও আনন্দিত হতে দেখতাম। অর্থাৎ তখন অন্যের সাফল্য-অর্জনেও খুশি হবার মতো মানসিক উদারতা বেশ ছিল। অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা দেয়ার সময় নলুয়ার মনির কাকার আন্তরিকতা, দাদা-দাদির ভালোবাসাময় সান্নিধ্য দারুণভাবে উপভোগ করেছিলাম।

কামালিয়া চালা আলিম মাদরাসাতে রয়েছে অনেক স্মৃতি। কত স্মৃতি হাসির, কত স্মৃতি আনন্দের, কত স্মৃতি ভালোলাগার। সেখানকার স্মৃতি কোনো কোনো সময় হঠাৎ করেই মনে চলে আসে। স্মৃতিতে কত কথাই তো থাকে, কত দৃশ্যই তো থাকে, কত ঘটনাই তো থাকে।

শত ব্যস্ততার মাঝেও ফেলে আসা দিনগুলো আজও ভাবায়। ব্যক্তিগত কত উচ্ছ্বাস, বন্ধুবান্ধবের সাথে কত স্মৃতি, শিক্ষকদের কত স্নেহ। প্রতিষ্ঠানের চেয়ার-টেবিল থেকে শুরু করে প্রতিটি দেয়ালে, মাঠে, সামনের পুকুর পাড়ে, গাছে গাছে নানান স্মৃতি জড়ায়ে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রতি মায়ামমতা, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা কাজ করে। ইচ্ছা করে ফিরে যেতে পুরানো সময়ে, যদিও তা কখনো সম্ভব নয়।

প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই হাতীবান্ধাতে শিক্ষায়, জ্ঞান চর্চায়, সচেতনতার দীক্ষায় আর সামাজিক জাগরণে উদ্বুদ্ধ করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন মাদ্রাসাটির আলোকিত শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দ। এখানকার শিক্ষার্থীরা সমাজের প্রয়োজনে ও সংকটকালে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, পথ দেখিয়েছেন এবং সাহস জুগিয়েছেন। সফলদের ভূমিকায় উজ্জীবিত ও মহিমান্বিত হয়েছে এই সমাজ ও গ্রামীণ জনপদের অনেকে।

প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় সমাজ ও দেশকে উপহার দিয়েছে কিছু শ্রেষ্ঠ মানুষের, যারা সততা এবং নিষ্ঠার সাথে সমাজের সেবা করে যাচ্ছে৷ নিজের দায়িত্ববোধ থেকে অর্জিত জ্ঞান সমাজ বিনির্মানের মাধ্যমে দেশের উন্নতি সাধনের জন্য ব্যবহার করছে।

টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর, বাসাইল ও মির্জাপুরে শিক্ষার বিস্তারের অভিযাত্রায় কামালিয়া চালা আলিম মাদ্রাসা এক অনন্য ও পথিকৃত প্রতিষ্ঠান। গ্রামের পিছিয়ে পড়া জনপদে মেধা, মনন ও মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি নিরন্তর ভূমিকা রেখে চলেছে।

এলাকার আর্থসামাজিক ও সাংষ্কৃতিক বিকাশের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি জড়িত থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিজেই হয়ে উঠেছে হাতীবান্ধার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। যোগ্য ও দক্ষ অনেক শিক্ষক যেমন প্রতিষ্ঠানটিকে আলোকিত করেছেন, তেমনি এখানকার শিক্ষার্থীদের অনেকেও বৃহত্তর অঙ্গনে রেখেছেন কৃতীত্বের স্বাক্ষর।

গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারায় গ্রামের মানুষের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে মাদ্রাসার সাথে সংশ্লিষ্টরা নিরলসভাবে কাজ করছে। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় এই প্রতিষ্ঠানের সাবেকদের অনেকে দেশে-বিদেশে সেরা সেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন, কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। দেশে-বিদেশে সুনামের সাথে বহুবিধ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। সবাই গুরুত্বপূর্ণ, সবাই মূল্যবান; ঠিক শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো কিংবা বাগানের বিভিন্ন ফুলের মতো।

সোস্যাল মিডিয়ায় দেয়া কয়েকটি বক্তব্যের সমন্বয়ে অনুলিখন করে প্রকাশিত

 

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: [email protected]

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published.