সঠিক যত্নে বড় হোক প্রতিটি শিশু

মার্শিয়া খান মিথুন

আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। বাচ্চারা খুব বেশি বিরক্ত করছে। প্রচন্ড জেদ কান্নাকাটি, খেতে না চাওয়া, কাপড়-চোপড় পরতে না চাওয়া, ঘুমাতে না চাওয়া এই ধরনের কাজ করছে।  সেক্ষেত্রে আমরা কি কি করতে পারি বা আমি কি কি করছি তা একটু লেখার চেষ্টা করেছি। সবার উপকারে আসতে পারে। যত্নে বড় হোক প্রতিটি শিশু।

শিশুদের যত্নের কৌশল

মায়েদের প্রতিটা কাজ একদম পার্ফেক্ট হতে হবে এমনটা কিন্তু নয়, এমনটা আশা করাও ঠিক না। বাচ্চা অনেক খাবার আছে যা খেতে চায় না,  খাবার নিয়ে টেনশন না করাই ভালো। আমার মেয়েও অনেক খাবার খেতে চায় না অনেক কিছুই খায় না পরিমাণে অনেক কম খায় কিন্তু কোনদিনও আমি বলিনি আমার বাচ্চা কিছুই খায় না। আর দুষ্টামি করাটাই স্বাভাবিক, না করাটাই অস্বাভাবিক। এজন্য অবশ্যই যত্ন নিতে হবে বাচ্চাদের। 

জায়গার পরিবর্তন

সাধারণত বাচ্চারা জায়গার পরিবর্তন করলে দুষ্টামি কম করে। আমি সাধারনত সপ্তাহের কিছুদিন বাপের বাড়ি কিছুদিন শ্বশুরবাড়ি বা নিজের বাড়ি থাকি। এক্ষেত্রে আমার বাচ্চা একটু হলেও দুষ্টামি কম করার সুযোগ পায়।

বাইরে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া

বাচ্চারা সাধারণত বাইরে ঘুরতে পছন্দ করে। মাঝেমধ্যে বাসা থেকে একটু বাইরে ঘুরতে যাওয়া যায়। একেবারেই সম্ভব না হলে অন্তত পক্ষে বাসার নিচে একটু হাঁটানো যায় সাইকেল চালানো বল নিয়ে খেলা করা যায় এক্ষেত্রে বাচ্চাদের দুষ্টুমি কম হবে এবং তারা ক্লান্ত হবে এজন্য তারা ঘুমাবে।

নিজের হাতে খেতে দেওয়া

বাচ্চাদের অনেক সময় রুচি কমে বা বাড়ে। বড়দেরও হয় হতেই পারে। এটা যদি পিতামাতারা মেনে নেয়, মেনে নিয়ে বাচ্চাদের নিজের হাতে খেতে দেয় বা জা খাবে খাক কোনো অসুবিধা নেই। মায়েদের স্ট্রেস কম হবে শিশুরা ও ভালো থাকবে।

দায়িত্ব ভাগ করে নেয়া

সন্তানের বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব যদি পিতারাও একটু নেয় তাহলে একটু কষ্ট কম হয় কিছু কিছু কাজ মাকেই করতে হয় সেটা আমি জানি এবং মানি তবে পিতা কিছু কাজ করতে পারে। যদি কাজটা ভাগ করে দেওয়া হয় তাহলে শিশুরাও একটু পরিবর্তন পছন্দ করে।

কথার গুরুত্ব দেওয়া

আমরা যদি আমাদের সন্তানকে কোন ব্যাপারে জিজ্ঞেস করি বা জানতে চাই তুমি কি চাও বা তুমি এটা নেবে নাকি ওটা নেবে তাহলে সে মনে করবে যে তার কথার গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সে ক্ষেত্রে তার জিদটা একটু হলেও কম হবে বলে আমি মনে করি।

জোর না করা

যেমন অনেক সময় কোন খাবার খেতে চাচ্ছে না বা কোন জামা পড়তে চাচ্ছে না সে ক্ষেত্রে যদি আমরা জোর না করে বা তাকে সেভাবেই ছেড়ে দেই বা জানতে চাই তুমি কি চাও। এই খাবারটি আমরা কিছুদিন পরে আবার ট্রাই করতে পারি। সেক্ষেত্রে সে আবারও খাওয়া শুরু করবে বা ওই জামাটি না হয় নাই বা পড়ালাম বা একটু বাইরে নিয়ে গেলাম এভাবে কিন্তু তাদের জিদটা আমরা কমাতে পারি।

 সবার সহযোগিতা

একটা বাচ্চাকে বড় করার দায়িত্ব শুধুমাত্র মায়ের নয় পরিবারের সবাই যদি দায়িত্ব নেয় অথবা মাকে সাহায্য করে সে ক্ষেত্রে শিশুদের জিদটা কিন্তু একটু কম থাকবে কারণ অনেক সময় মায়ের কাছে সব কাজ করতে কতটা বিরক্ত হতে পারে। দাদা-দাদী নানা-নানি খালা মামা চাচা চাচি সবাই মাকে সাহায্য করতে পারে বাচ্চাকে বড় করতে।

ব্যালেন্স ডায়েট

আজকে আমি বলব আমি আমার বাচ্চাকে কিভাবে যত্ন নেই। প্রথমে খাবারের কথা বলি। আমি চেষ্টা করি তাকে ব্যালেন্স ডায়েট দেওয়ার। কিন্তু ছোট বাচ্চা তো সবসময় এভাবে চিন্তা করে হয় না। এক বেলা খায় তো এক বেলা খায় না। তারপরও চেষ্টা করি প্রতিদিন ডিম দুধ দিতে। ঘি মাখন রেগুলার রাখি। আমি ভিটামিন সি জাতীয় খাবার যেমন বাতাবি লেবু, কমলা লেবু, কাগজি লেবু দেই নিয়মিত। আমার মেয়ে মাছের থেকে মাংস খেতে বেশি পছন্দ করে আলু খেতে পছন্দ করে। সে ক্ষেত্রে আমি মাংসের ভিতরে পেঁপে দিয়ে দিই বা কোন সবজি দিয়ে দিই তাহলে মাংসের সঙ্গে তার সবজি ও খাওয়া হয়ে যায়। এতে তার পটি কষা হয় না। আল্লার রহমতে জন্মের পর থেকে তার কোনদিন পটি কষা হয় নাই। পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করি যতটুকু প্রয়োজন হয়।

ডিম খেতে না চাইলে সেদ্ধ ডিম ভাতের সঙ্গে মেখে সবজি দিয়ে খাইয়ে দেই অথবা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের সঙ্গে অনেক সময় ডিম দিয়ে দেই বা কোন চপ বানিয়ে দেই এভাবে তার ডিম খাওয়া হয়ে যায়। এভাবে চেষ্টা করি সব রকমের খাবার খাওয়াতে। খিচুড়ির সঙ্গে ঘি দিয়ে দেই। ডাল খেতে দেই। এতে তার প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। নিয়মিত ঘি খাওয়ালে মুখে ঘা এর সমস্যা হয় না। ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খাওয়ালে সর্দি কাশি হবার সম্ভাবনা নাই। আমার মেয়ের সর্দি-কাশি-জ্বর খুব একটা হয় না বলতে গেলে। সে লাবু খেতে খুবই পছন্দ করে। অসুখ-বিসুখ হলে কিন্তু বাচ্চারা খেতে চায় না। ওজন কমে যায় এবং বাচ্চারা অনেক দুর্বল হয়ে যায়। তাই চেষ্টা করতে হবে যাতে অসুখ-বিসুখ কম হয়। খাবার এর ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয় নিয়মিত ঘি মাখন মাছ সবজি এগুলো খাওয়ালে এমনিতেই ভেতর থেকে তক গ্লো করে।

আরামদায়ক পোশাক

পোশাকের ক্ষেত্রে বলব তাকে সবসময় গেঞ্জি প্যান্ট বা সুতি ধরনের কাপড় পরানোর চেষ্টা করি সে ক্ষেত্রে সে আরাম পায়। গরমের সময় বেশিরভাগ সময় এসির ভিতরে থাকে। শীতের সময় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখি এক্ষেত্রে ঘর গরম থাকে তাই খুব বেশি কাপড় পরানোর প্রয়োজন হয় না। ঢাকা শহরে শীত পড়ে খুবই কম। সাধারণত জ্যাকেট পরাই খুব বেশি শীত পড়লে। চুলায় পানি গরম করে রাখি সে ক্ষেত্রে ঘর গরম থাকে কারণ রুম হিটার ব্যবহার করলে শিশুদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় কিন্তু পানি গরম করলে ঘর গরম থাকে কিন্তু ত্বক শুষ্ক হয় না।
শিশুদের শরীর বড়দের তুলনায় গরম থাকে তাই আমি মনে করি আমার যত টুকু শীত লাগছে তার আমার থেকে কম লাগবে। তাই আমি যতটুকু শীতের কাপড় পড়বো তাকে তার থেকে কম পরাবো। তাহলে সে ভালো থাকবে আর ঘেমে যাবে না।

চুল ও দাঁতের যত্ন

চুলের যত্নে প্রতিদিন ২ বার চুল আচরে দেই। সপ্তাহে ৫ দিন শ্যাম্পু দেই। চিরুনি আলাদা এবং পরিস্কার থাকে। তোয়ালে আলাদা। বছরে ২-৩ বার ছেটে দেই। তেল দিলে খাঁটি নারকেলের তেল দেই তবে ইদানিং তেল বেশি দেওয়া হয় না কারণ সে গোসলের সময় ঝামেলা করে। তেল দিলে গোসল করাতে সময় বেশি লাগে তাই খুব একটা তেল দেওয়া হয় না। প্রতিদিন রাতে একবার ব্রাশ করাই। ওর আলাদা ছোটদের পেস্ট এবং ব্রাশ আছে। কিছুদিন পরপর পেস্ট এবং ব্রাশ পরিবর্তন করি। সকালে দাঁত ব্রাশ করাতে পারি না কারণ সে ব্রাশ করাতে ঝামেলা করে। আবার সকালে অফিসে যাওয়ার সময় অনেক কান্না করে তাই ব্রাশ করানো সম্ভব হয়না তাই রাতেই করাই।

আনন্দের সাথে পড়াশোনা

বাচ্চারা সাধারণত বই নিয়ে খেলবে, আঁকা আঁকি করবে, পেন্সিল ধরবে , মুখে মুখে পড়বে, কবিতার বই পড়বে, বিভিন্ন ছবি দেখবে এবং লেখার চেষ্টা করবে বা লেখা শুরু করতে পারে। কোনোমতে তাদেরকে চাপ দেওয়া যাবে না। তারা শুধুমাত্র খেলার ছলে শিখবে। মেয়েকে আমি প্রতিদিনই বই নিয়ে বসাই। চেষ্টা করি বইটাকে খেলনা হিসেবে দিতে। অন্ততপক্ষে সে বোঝে বই পড়তে হয়। আনন্দের সাথে পড়ে খেলার ছলে পড়ে। বই নিয়ে দাগাদাগি করে, ছুড়ে ফেলে দেয়, রং করে, লেখে এভাবে তার পড়াশোনা চলে। 

গোসলে সতর্কতা

গোসলের সময় তাকে মাদার কেয়ার কদমো এই ধরনের বডি ওয়াশ শ্যাম্পু ব্যবহার করি। গোসলের পরে তেমন কিছুই লাগাই না। কারন বেশিরভাগই ভেজাল। আবার ও ঘেমে যায়। আমি গোসলের সময় ঠোঁটের চামড়া যখন নরম হয়ে যায় হালকা করে চামড়া ঘসা দিলে উঠে যায় সে ক্ষেত্রে ওই চামড়া উঠে গেলে ত্বক বা ঠোঁট শুষ্ক হবার কিন্তু হবার সম্ভাবনা থাকে না। মূলত মরা চামড়া বা ডেড সেল থেকেই ঠোঁট এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। আর ঠোঁটে কিছু লাগালে বাচ্চারা খেয়ে ফেলতে পারে তাই এটা বেশ ক্ষতিকর। তাকে নিয়মিত গোসল করাই। গোসল সাধারণত বাদ দেই না। ধুলাবালি এভয়েড করি। সাধারনত গোসল না করালে মরা চামড়া থেকে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। শীতকালে গোসল করানো প্রয়োজন কারণ তখন শরীরে ঘাম হয় না তাই ত্বকের ময়লা বের হতে পারে না তাই গোসল করালে ত্বক ভালো থাকে।

শরীর চর্চা

আমার মেয়ে শুধু বাইরে যেতে চায়। তাকে বাইরে নিয়ে খেলতে নিয়ে যেতে হয় সেক্ষেত্রে আমি বাসার সামনে নিয়ে যাই। বাইরেও নিয়ে যাই। তার অনেক খেলনা আছে। তাকে দিয়ে অনেক খেলা করাই। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করে, বল নিয়ে খেলি। এক্ষেত্রে তার এক্সারসাইজ হয়ে যায়। আমি খুব একটা কোলে রাখি না, ইচ্ছা করে কোলে রাখি না। হাঁটিয়ে নিয়ে যাই। সে ক্ষেত্রে তার এক্সেসাইজ হয় বা অকারণে কোলে রাখাও বাচ্চাদের ঠিক না। 

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা

সাধারণত ১৫ দিন পর পর হাত পায়ের নখ কেটে দেই। মাঝে মাঝে তাকে রোদে নিয়ে যাই। সে ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি এর অভাব থাকে না। তার কাপড় চোপড় নিয়মিত পরিষ্কার করে দেই। প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার কাপড় পরিবর্তন করে দেই। ঘুমাতে যাওয়ার আগে নতুন কাপড় পরিয়ে ঘুমাতে দেই। ঘুম থেকে উঠলে পানি পান করাই চুল আচরে দেই। গোসলের পূর্বে পানি পান করাই।

সচেতনতা শেখানো

তার অনেক খেলনা আছে অনেক। কোনো কিছুর অভাব নেই। তারপরও তাকে বুঝিয়েছি যে কোনো কিছু চাইলেই পাওয়া যায় না। কষ্ট করে অর্জন করতে হয়। আমি সাধারণত তার হাতে চুমু খাই। খুব বেশি হাতে চুমু খাই। গলায় কপালে চুমু খাই। গায়ে হাত দেওয়া সে পছন্দ করে না তাই তাকে এটাই বোঝাই যে কেউ যেন তোমার গায়ে টাচ না করে। বাইরে কোথাও গেলে সে রিয়্যাক্ট করে যাতে তার গায়ে কেউ হাত দেবে না বা মাথায় হাত দিতে না পেরে তাকে সেভাবেই শিক্ষা দিয়েছি।

ঘুম

যদি ঘুমের ক্ষেত্রে বলি আমার মেয়ের ঘুম কম। জন্মের পর প্রথম তিন মাসে সারারাত ঘুমাই নি। তারপরও চেষ্টা করি সে যেন ১০ ঘন্টা ঘুমায়। আমার অফিসের কারণে তার ঘুমের সমস্যা হয়। আমি চলে যাব তাই সে ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। তবে আমি চলে যাওয়ার পর আবার একটু ঘুমায়।

চুমু দেওয়ায় সতর্কতা

ছোট শিশুদের মুখে ঠোটে চুমু দেওয়া উচিত নয়। নবজাতকের ইমিউনিটি সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে। তারা সহজেই যে কোনো ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। যে তাকে চুমু দিচ্ছে তার মুখের লালা বাচ্চাটির শরীরে প্রবেশ করে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হতে পারে যদি সেই মানুষ কোনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এটা শিশুর মৃত্যু ও কারণ হতে পারে অথবা শিশুটি যদি বেঁচেও যায় সেই ভাইরাস তার মস্তিষ্কেও প্রবেশ করতে পারে, আজীবন থাকতে পারে। তাই পিতামাতার উচিত নবজাতককে কেউ ধরার সময় তার হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ধরা এবং কখনো চুমু দেওয়া এলাও করা উচিত নয়।
নবজাতককে চুমু দেওয়া একেবারে স্বাস্থ্যকর নয়। ই বি ভি এক ধরনের হারপিস ভাইরাস যেটা চুমুর মাধ্যমে ছড়ায়। এটি মানুষের শরীরে আজীবন ও থেকে যেতে পারে। বড়দের কোন সমস্যা না হলেও সেই আক্রান্ত ব্যক্তি যদি নবজাতককে চুমু দেয় তার লালার মাধ্যমে ওই বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করতে পারে যা শিশুর মৃত্যুর কারণ হতে পারে!! চুমু দেওয়ার পরে ইনফ্লুয়েঞ্জার মত জীবানু ছড়িয়ে যেতে পারে যার জন্য শিশুদের জ্বর সর্দি গলা ব্যথা হতে পারে। এরকম কোন উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
বাচ্চাদের আদর দেখানোর আরো অনেক উপায় আছে। হাতে চুমু দেওয়া যেতে পারে গলায় দেওয়া যেতে পারে অথবা মাথায়। যদি আরও একটু বড় বাচ্চাদের ধরি ৪ থেকে ১০ বছর। এই বাচ্চারা কিন্তু অনেক সময় যৌন হয়রানির শিকার হতে পারে তাই শিশুদের ব্যাডটাচ এবং গুড টাচ সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে যেন তারা নিজেরাই রিয়েক্ট করে এবং পিতা-মাতাকে এসে বলে। ছোটবেলার কোনো খারাপ আচরণের কথা কেউ কোনদিনও ভুলতে পারে না।

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: [email protected]

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published.