কমনসেন্সের উন্নতি পরিবার থেকেই

আনিসুর রহমান এরশাদ

ইংরেজিতে ‘কমন সেন্স’-ই বাংলায় ‘কাণ্ডজ্ঞান’ ‘আক্কেল’ বা ‘সাধারণ জ্ঞান’। কমনসেন্স হচ্ছে- ব্যক্তিত্ব-সংশ্লিষ্ট সক্ষমতা; যার ফলে কেউ বিরক্তবোধ করে না, বিপত্তিতে ফেলে না বা বিব্রত হতে হয় না। দৈনন্দিন বিষয়ে প্রজ্ঞাপূর্ণ বাস্তব বিচারবুদ্ধি, কোনো বিষয় সম্পর্কে প্রায় সব মানুষের বিচারবোধ, বাস্তবজীবনে সিদ্ধান্ত নেয়ার একটি অবস্থা এবং কোনো কাজ করলে তার পরিণতি কী হতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা করতে পারার সক্ষমতা কমনসেন্স। মানব জীবনে প্রতিনিয়ত অভ্যাসের মতো ব্যবহার ও প্রয়োগ করতে হয় বা করা উচিত এমন জ্ঞান-শিক্ষা কমনসেন্স। কমনসেন্সের উন্নতি হয় পরিবার থেকেই।

প্লেটো বলেছেন- সফলতার জন্য একটি শব্দই যথেষ্ট, ‘কমন সেন্স’ বা ‘সাধারণ জ্ঞান’। কমনসেন্স সময়ের সাথে সাথে উন্নতি লাভ করে। কমনসেন্সের মাত্রা কম থাকলে অন্যদের সাথে মানায়ে চলা কঠিন হয়, কর্মক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করা কঠিন হয়, পরিবারকে ছোট হতে হয় কিংবা ব্যক্তিজীবনেও হাসি-ঠাট্টা-কৌতুকের পাত্র হতে হয়। যার কমনসেন্স যত কম সামাজিক পরিসরে তার গুরুত্বহীন হয়ে পড়ার ঝুঁকি তত বেশি; কারণ কমনসেন্সই অযৌক্তিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখে, আমরা কখন কী করব সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়াটা সহজ করে দেয়, অন্যের চাওয়া সম্পর্কে ধারণা দেয়, সমাজের অন্য ব্যক্তিবর্গের চাহিদা বা চাওয়া-পাওয়া সম্পর্কে সচেতন করে, মানুষ পরিচালনা করা সহজ করে, পুরো টিমকে সুন্দরভাবে সাপোর্ট দিতে সক্ষম করে এবং সব কাজ সহজ করে দেয়।

কমনসেন্স ও ম্যানার

দিন শেষে ঘরে ফিরে পরিবারকে অবশ্যই সময় দিবেন, খোঁজখবর নিন, গল্প করুন, মোবাইল নিয়ে বসবেন না। খাবার খাওয়ার সময় সবার খাবার পরিবেশনের পরে খাওয়া শুরু করা, চাবির গোছা-সানগ্লাস-ছোট ব্যাগ-মোবাইল ফোন টেবিলের ওপর না রাখা, মোবাইলে মেসেজিং-ফেসবুকিং-ছবি দেখা-ছবি তোলা পরিহার, লেবু চিপার সময় হাত দিয়ে ঢাকা যাতে অপরের গায়ে না ছিটকায়, মুখ বন্ধ করে খাবার চিবানো, মুখে খাবার নিয়ে কথা না বলা, খাবারের সামনে হাঁচি কাশি না দেয়া, রুমাল বা টিস্যুতে মুখ মুছে পানি পান করা, খুব তাড়াহুড়া না করা বা অতিরিক্ত খাবার না নেয়া ইত্যাদি।

খাওয়ার টেবিলে

পানি-শরবত-দুধ পানে ঢগঢগ কিংবা চা পান করতে গিয়ে চুমুকে শব্দ না করা, মুড়ি-চিপস খাওয়া বা হাড় চিবানোর কড়কড়ে-মুচমুচে-কচকচে শব্দ কমাতে মুখ বন্ধ করে ধীরস্থিরভাবে শব্দ না করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। খাবারের টেবিলে জোর করে কাউকে খাবার প্লেটে তুলে দেবেন না। চুইংগাম খাওয়া শেষে যেখানে-সেখানে না ফেলে কাগজে বা টিস্যুতে মুড়িয়ে ডাস্টবিনে ফেলুন। যেখানে বেসিনের ব্যবস্থা আছে সেখানে প্লেটে পানি ঢেলে হাত না ধোয়া ভালো। প্রয়োজনে হোস্টের অনুমতি নিন।

মাছের কাঁটা কিংবা মাংস খেলে হাড়গোড় বা ময়লা টেবিলে না ফেলে নির্ধারিত প্লেটে রাখুন। প্রয়োজনে কাগজ বা টিস্যু দিয়ে রাখতে পারেন। কোনো কিছু অর্ধেক বা সামান্য খেয়ে রেখে দেবেন না। কারণ আপনার খেয়ে রাখা জিনিস অন্যরা খেতে পছন্দ না করাই স্বাভাবিক। একত্রে খেতে বসলে অন্যদের দিকে খেয়াল রাখুন। নিজেই সব সাবাড় করবেন না। ভাত বা তরকারির বাটি এগিয়ে দিয়ে সহায়তা করুন।

ওয়াশরুমে

জুতা ব্যবহার করুন। পানি আছে কি-না দেখে নিন। টয়লেটে শেষে পর্যাপ্ত পানি ঢালুন। উঁচু কমোড হলে উপরে উঠে বসবেন না। ওযু বা হাতমুখ ধোয়ার সময় কফ বা নাকের ময়লা মগ বা বালতিতে ফেলবেন না। ব্যবহার শেষে মগ বা বালতির পানি ফেলে দিন। কোনোভাবেই ভর্তি করে রেখে বের হবেন না। বের হয়ে অবশ্যই বাথরুমের লাইট বন্ধ করুন।

বিছানায়

শোয়ার আগে বিছানা অবশ্যই ঝেড়ে নিন। নাহলে পোকামাকড় বা ধুলাবালিতে নাস্তানাবুদ হতে পারেন। নিজের পোশাকের দিকে খেয়াল রাখুন। কাপড়ের ব্যাপারে হুঁশ না থাকলে প্রয়োজনে লুঙ্গিতে গিরা দিয়ে রাখুন। পাশে স্বামী/স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ থাকলে পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রাখুন। ঘুম থেকে উঠে অবশ্যই বিছানা বা মশারি গুছিয়ে রাখুন।

রাস্তায়

রাস্তার ডান দিক দিয়ে চলার চেষ্টা করুন। সে ব্যবস্থা না থাকলে ফুটপাথ দিয়ে হাঁটুন। ফুটপাথে পরস্পর হাত ধরাধরি করে হাঁটবেন না। চলার সময় নিজের ব্যাগ-বস্তার দিকে খেয়াল রাখুন। সেগুলো যেন অন্যকে ধাক্কা না দেয়। দেখে-শুনে পথ চলুন। তাড়াহুড়া করবেন না।

গাড়িতে

ধীরে-সুস্থে গাড়িতে উঠুন। তাড়াহুড়া ও ধাক্কা-ধাক্কি করে উঠতে গিয়ে নিজের জীবনটাকে হারাবেন না। সিট খালি পেলে বসে পড়ুন। কারো পাশে দাঁড়িয়ে থেকে অহেতুক কাউকে বিরক্ত করবেন না। বয়স্ক বা নারীদের যথাসম্ভব বসতে অগ্রাধিকার দিন। নারীদের সংরক্ষিত সিটে পুরুষরা বসবেন না। পাশে কেউ বসা থাকলে বগল উচু করে বসবেন না। জানালা দিয়ে বাইরে হাত বা মাথা রাখবেন না। জানালা খুলে মোবাইল ফোনে কথা বলবেন না। এতে যেকোনো সময় আপনার ফোনটি হারানোর আশঙ্কা আছে। বন্ধু-বান্ধব বা কলিগ নিয়ে পাবলিক গাড়িতে উঠলে অযথা চিৎকার-চেঁচামেচি করবেন না। মোবাইলে জোরে গান বাজাবেন না। ফোনে দীর্ঘ আলাপ করবেন না। দরকারে হেডফোন ব্যবহার করুন। পাশের যাত্রীর সাথে পরিচিত হতে পারেন। তবে তিনি ভালো সাড়া না দিলে অযথা বিরক্ত করবেন না। পাশের যাত্রীর ফোনের ডিসপ্লের দিকে লুকিয়ে লুকিয়ে তাকাবেন না। কেউ কোনো খাবার অফার করলে সযত্নে এড়িয়ে চলুন। নামার সময় অবশ্যই বাম পা আগে দিয়ে নামুন।

অফিসে

আপনার ডেস্ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। কাজের সময় অন্যকে আলাপে জড়াবেন না। ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না। প্রয়োজনীয় ফোনালাপ সংক্ষেপে সেরে নিন। আস্তে কথা বলুন। অন্যদের যেন সমস্যা না হয়; সেদিকে খেয়াল রাখুন। ব্যক্তিত্ব বজায় রেখে চলুন। অতিমাত্রায় হাস্যরস বা গম্ভীরভাব পরিত্যাগ করুন। কাউকে ফোন করলে আগে নিজের পরিচয় দিন। আপনাকে ফোন করলে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে নিন। মোবাইলে নিচুস্বরে কথা বলুন। পাশের লোকটি যাতে বিরক্ত না হয়, খেয়াল রাখুন। কাউকে বসিয়ে রেখে দীর্ঘক্ষণ ফোনালাপ করবেন না। আপনার চেয়ে অপেক্ষাকৃত সিনিয়র বা বিশিষ্ট কেউ ফোন করলে নিজে আগে কাটবেন না। কথা শেষ করার আগে ফোন কেটে গেলে ব্যাক করে কথা শেষ করুন। গাড়ির মধ্যে ফোনালাপ দ্রুত শেষ করুন। পাশের ব্যক্তির দিকে খেয়াল রাখুন। অফিসে আপনার কাছে অতিথি কিংবা কেউ এলে তার সঙ্গে হাসাহাসি কিংবা জোরে চিৎকার করে কথা বলবেন না।

কথা বলায়

রেস্টুরেন্টের ওয়েটার, লিফটম্যান কিংবা শপিংমলের সেলসম্যান বা গাড়ির চালকদের সাথেও মার্জিত ভাষায় কথা বলুন। অন্যকে কথার মধ্যে থামিয়ে না দিয়ে তার কথা শেষ হলে পরে চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। প্রকাশ্যে মুঠোফোনের লাউডস্পিকারে কথা বলা কিংবা গান শুনা ঠিক না। কেউ আপনাকে কোনো সহযোগিতা করলে ধন্যবাদ বলুন। ধন্যবাদ ও দুঃখিত বলার চর্চা করুন। কাউকে তার বয়স কত, বিয়ে করেছেন কি না,  বেতন কত পান- এমন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে বিব্রত করবেন না।

চলাচলে

সাইকেল পার্কিংয়ে কখনোই অন্যের সাইকেলের সঙ্গে নিজের সাইকেলের তালা বা লক আটকাবেন না। শপিংমলে এসকেলেটর সিঁড়িতে পাশাপাশি দুজন দাঁড়াবেন না। এসকেলেটর সিঁড়িতে স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে ডানপাশের চলাচলের পথ খালি রাখুন, যেন কেউ হেঁটে উঠতে চাইলে যেতে পারে। অন্যের জন্য দরজা খুলে ধরে রাখা কিংবা চেয়ার টেনে দেওয়ার সৌজন্য চর্চা করুন। ব্যাংকে কিংবা অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে কখনোই কোনো ধরনের লাইন অমান্য করবেন না। আপনার আগে যিনি এসেছেন, তাকে সেবা নেওয়ার সুযোগ দিন। কারও বাড়িতে বেড়াতে গেলে তার ব্যক্তিগত ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার, মুঠোফোন ধরবেন না। এমনকি বেড়াতে গেলে অন্যের বেডরুমে উঁকি দেবেন না। অন্যের বাড়িতে বেড়াতে গেলে বাথরুম ব্যবহারের প্রয়োজন হলে পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি খেয়াল রাখুন। পথরোধ করে আড্ডা দিবেন না। রাস্তা পার হবার আগে দুই দিকে ভালোভাবে দেখে নিন।

আচরণে

ছোট শিশুদের আদর করার ক্ষেত্রে বাবা-মা কিংবা অভিভাবকের অনুমতি চেয়ে নিন।  নবজাতককে স্পর্শ করতে চাইলে হাত জীবাণুমুক্ত করে নিন।  প্রত্যেক মানুষেরই একটি ব্যক্তিত্বের বলয় থাকে, তার প্রতি সম্মান দিন।  অন্যের ব্যক্তিগত ডায়েরি কখনোই পড়বেন না। সকাল বেলায় হেঁটে হেঁটে দাঁত ব্রাশ করবেন না। কেউ খেতে বসলে তার সামনে দাঁত ব্রাশ করবেন না। প্রকাশ্যে দাঁত খোঁচাবেন না। যেখানে-সেখানে ময়লা, আবর্জনা, প্লাস্টিকের বোতল, চিপস এর প্যাকেট, ফ্লোরেন্স লাইট বাল্ব  ফেলবেন না। প্লাস্টিক আবর্জনার জন্য আলাদা ডাস্টবিন রাখুন। বাইরে বৃষ্টি শুরু হলে দ্রুত শুকনো কাপড়গুলো ঘরে নিয়ে আসুন। ঘর থেকে বের হওয়ার আগে মোমবাতি-কয়েল নিভিয়ে দিন বা লাইট-ফ্যান বন্ধ করুন। গুরুত্বপূর্ণ কাজ কমগুরুত্বপুর্ণ কাজের আগে সম্পন্ন করুন। থুথু বা কাশি ফেলার কাজটি অত্যন্ত সতর্কতা ও গোপনীয়তার সাথে করুন।

সুস্থতার জন্য কমনসেন্স

সুস্থ থাকলেও প্রতি তিন মাসে একবার ডাক্তারের কাছে গিয়ে চেক-আপ করানো। মেডিসিনের কোনো কোর্স শুরু করলে ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া মাঝ পথে খাওয়া ছেড়ে না দেয়া। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে রোগীর পরিবারকে ডাক্তারদের সাথে ভালো ব্যবহার করা। নার্স আর মেডিকেল স্টাফদের সাথে ভালো ব্যবহার করা। এক রোগীর সামনে অন্য রোগীর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা না করা। হাঁটা চলা করতে পারলে রোগীকে সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা করা। কেউ কোনো জটিল রোগে পতিত হলে ডাক্তারের কাছ থেকে রোগের নামটা জেনে সেই রোগ নিয়ে নিজে একটু অনলাইনে পড়াশুনা করা। রক্তের প্রয়োজন হলে রক্ত দিতে আগ্রহীদের নাম, কোন জায়গা থেকে আসবেন, আসতে কেমন সময় লাগবে, ফোন নাম্বার- একটা রেজিস্টার খাতায় লিখে রাখা। অনেকের থেকে সময়ের প্রয়োজনে নেয়া ধারগুলো লিখে রাখা। গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট আর প্রেসক্রিপশনের সফটকপি স্ক্যান অথবা ভালো রেজুল্যুশনে ছবি তুলে পিডিএফ করে একটা সিংগেল ফাইল বানিয়ে রাখা। অনেক বেশি রিপোর্ট থাকলে ১/২ পেজের একটা কেস সামারিও নিয়ে রাখা।

বিদেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে- ভালো ইংরেজি পারে এমন কাউকে সাথে রাখা, পরিবারের কেউ ডাক্তার থাকলে সাথে রাখার চেষ্টা করা। রাস্তায় চলার সময় কোনো অ্যাম্বুলেন্স দেখলে সাইড দেয়া। রোগী সুস্থ হবার পর রক্তদাতা- ডাক্তার আর নার্সদের সাথে দেখা করে ধন্যবাদ দেয়া। সুস্থ হয়ে কেন আপনি রোগে পড়েছিলেন; আর কী কী করলে এই রোগ থেকে আপনি বেঁচে থাকতে পারতেন, এটা অন্যদের সাথে শেয়ার করা।

কমনসেন্সে ঘাটতি

কমনসেন্স না থাকলে শিক্ষা-দীক্ষা বা দক্ষতার কোনো মূল্য নেই, কর্মীর কমনসেন্স ঘাটতি থাকলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে। ডিগ্রির চেয়েও কমনসেন্স বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কমনসেন্সবিহীন সুন্দর চেহারার কেউ চাকরিতে অনুপযুক্ত, বন্ধুত্বে অযোগ্য এবং সম্পর্ক রক্ষায় ব্যর্থ। কমনসেন্স বাড়াতে হলে- কোনো কিছু করা বা বলার আগে ভাবুন- বিষয়টি আপনার সাথে হলে কেমন লাগত? অনর্থক বা বেহুদা কথাবার্তা থেকে দূরে থাকুন। প্রচুর পড়াশোনা করুন। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনী জানুন। তাদের আচরণগুলো অনুসরণ করুন। সাড়া দিন, প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না। আশপাশের দিকে সচেতনভাবে চোখ রাখুন। বেশি বেশি দেখুন, শুনুন। কথা বলুন কম। অযৌক্তিক বিষয়গুলো ছেড়ে দিন।

 

পরিবার.নেট

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *