ঘরে ঘরে পৌঁছে যাক স্বাধীনতার সুফল

কী দেখার কথা কী দেখছি!
কী শোনার কথা কী শুনছি!
কী ভাবার কথা কী ভাবছি!
কী বলার কথা কী বলছি!
৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি…।
জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেন তার এ গানে দেশ স্বাধীন হওয়ার ৩০ বছর পরেও স্বাধীনতা খুঁজেছেন। তবে কি স্বাধীনতা তা নয় যা আমরা অর্জন করেছি? স্বাধীনতা মানে কি শুধু ‘স্বাধীন’ নামটি বয়ে বেড়ানো? আজ স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও স্বাধীনতাকে খুঁজছে দেশের অনেক মানুষ!

স্বাধীনতা কী?

স্বাধীনতা হলো- সামাজিক জীবনের তেমন পরিবেশ, যার ফলে মানুষ তার ব্যক্তিত্বের বিকাশের সব-রকম সুযোগ তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত অল্পায়াসে লাভ করে এবং কোনো রূপ অন্যায়ের সম্মুখে সাহসের সাথে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করার মনোবল লাভ করে। নিয়ন্ত্রণ সমাজ জীবনে থাকবে নিশ্চয়ই, কিন্তু নিয়ন্ত্রণসমূহ ব্যক্তির নৈতিক উন্নতির সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে।

স্বাধীনতার ধরন

স্বাধীনতার ধরনের মধ্যে রয়েছে- ১. ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ২. সামাজিক স্বাধীনতা ৩. রাজনৈতিক স্বাধীনতা ৪. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ৫. জাতীয় স্বাধীনতা ৬. প্রাকৃতিক স্বাধীনতা ৭. ধর্মীয় স্বাধীনতা ৮. চলাফেরার স্বাধীনতা ৯. সমাবেশের স্বাধীনতা ১০. সংগঠনের স্বাধীনতা ১১. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ১২. পেশা ও বৃত্তির স্বাধীনতা

প্রকৃত স্বাধীনতা কী?

প্রকৃত স্বাধীনতা হচ্ছে- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। সঠিক আইন ও যথাযথ প্রয়োগ। আইনের শাসন। ন্যায়বিচার। চিন্তার-বলার ও লেখার স্বাধীনতা। আবেগ-অনুভূতি ও মতামত ব্যক্ত করার বাধাহীনতা। জনগণের স্বার্থরক্ষায় দায়িত্বশীল সরকার। জান-মাল ও সম্মানের নিরাপত্তা। সুস্থ-সুন্দর-শান্তিময়-অর্থবহ জীবন ও সম্মানজনক জীবিকার নিশ্চয়তা। খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থান-চিকিৎসা ও শিক্ষা প্রভৃতি জীবনযাত্রার মৌলিক অধিকার লাভ। শিরদাঁড়া উচুঁ করে আত্মমর্যাদা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা।

অস্তিত্ব রক্ষা, ক্ষমতার বিকাশ এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুবিধা। সামাজিক ক্ষেত্রে প্রকৃত কল্যাণ প্রতিষ্ঠা। রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা-সাম্য, সুশাসন ভিত্তিক সমাজ ও নিজ সংস্কৃতির সুস্থ বিকাশ। ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ। স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ। সংবিধানে মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভূক্তি। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। নাগরিত সচেতনতা ও শিক্ষার ব্যাপক প্রসার। সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক। সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। সুসংগঠিত দলব্যবস্থা।

স্বাধীনতার সুফল পেয়েছে কারা?

এখনো মানুষ মরে পথের ধারে, এখনো আসেনি সুখ ঘরে ঘরে। এখনো বস্তা কাঁধে কাগজ কুড়ায়। স্কুলবয়সী ছেলে বাজারে মুরগি কাটে, পালক ছাড়ায়। রেস্তোরাঁতে ধোয় থালা-গ্লাস-বাটি। সারাজীবন খায় লাথি-কিল-চড় ও চাঁটি! এখনো অনেক মেয়ে মায়ের সাথে কাজে যায়, পরের বাড়ি কাপড় কাচে, বাসন মাজে, গোবর কুড়োয়, ঘুঁটেও দেয়, কয়লা বাছে, ইট ভাঙ্গে। পায় না আদর সারাজীবন কারোই কাছে! যারা রাস্তা-ঘাটে করে পালিশ পরের জুতো, হকার হয়ে খাচ্ছে রোজই লোকের গুঁতো। দুমুঠো অন্নবস্ত্রের জন্যে সারাক্ষণ খায় বসের ঝাড়ি।

এখনো যাদের বিনাবিচারে জেলখানায় বন্দী জীবন। সাজানো নাটকের মতো বিচারের মঞ্চে অবিবেচকদের উল্লাস। অন্যায়ভাবে গুম হয়েছে যারা, ক্রসফায়ারের শিকার যারা- তাদের স্বজনদের চোখে শুধুই পানি। প্রিয়জন হারানোর বেদনা নিয়ে, অন্যায়-অসত্যের দাপটে মুখ বন্ধ করে রেখেছেন যারা। বেকার যারা বড় অসহায়, ভিন্ন মতাদর্শের হওয়ায় জীবিকা হারায়। কৃষক-চাষি যারা ন্যায্য মূল্য পায় না। ফুটপাথে-পার্কে ঘুমায় যারা।

নিরাপত্তাহীনতার কারণে নিজ বাসার বাইরে ঘুমায় যারা। যাদের কথা বলার স্বাধীনতা নেই, দু’মুঠো খেয়ে পরে বেঁচে থাকার স্বাধীনতা নেই। স্বাধীনতার সুফল মিলেনি তাদের। এখনো রাস্তায় ভিক্ষুক! দ্বারে দ্বারেও ভিক্ষা করে। জাকাতের কাপড়ের জন্য, কাজের জন্য ও দুটো ভাতের জন্য গরিব মানুষের ভিড়! মানুষের গায়ে জামা নেই, পায়ে জুতা নেই, চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই, ছনের ঘর, মাটির ঘর। দুর্নীতিবাজদের মুখে থাকলে হাসি, অর্থ পাচারকারীদের সুখ থাকলে বেশি, নীতিভ্রষ্ট রাজনীতিবিদদের গলা চড়া হলে, অপসংস্কৃতির দৌরাত্ম বেড়ে গেলে- স্বাধীনতা হয় না অর্থবহ।

১৯৭১ থেকে ২০২২: অর্জন ও অগ্রগতি

উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেরই রয়েছে
অর্থনৈতিক উন্নয়নের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা।
-প্রয়াত অর্থনীতিবিদ মাহবুবুল হক

বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচকের মানদণ্ডে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। একসময় অনেক দেশ বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ দিত! বিদ্রুপ করে বলত-স্বাধীন হলে তোমরা খাবে কী! অথচ পাকিস্তান ১৫০ পাকিস্তানি রুপি দিয়ে এক ডলার ক্রয় করে। আমরা ৮৫ টাকা দিয়ে তা ক্রয় করি। স্বাধীনতার পরপর ভারতীয় ৩০-৪০ রুপি ক্রয় করতে লাগত ১০০ টাকা। এখন ১০০ টাকা দিয়ে ভারতীয় রুপি পাওয়া যায় ৮০-৮৫।

ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ তাদের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবল-২০২১’  রিপোর্টে পূর্বাভাস দিয়েছে যে বাংলাদেশ এখন যে ধরনের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশটি হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতি। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ নির্মাণে সমুদ্র সম্পদ তথা সুনীল অর্থনীতি এক বিরাট ভূমিকা রাখবে।

১৯৭১ থেকে ২০২২: ব্যর্থতা

তালি জোড়া দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।
চাই সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেম ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ।
– নোবেল বিজয়ী অর্মত্য সেন

ব্যর্থতাও কম নয়। দুর্নীতি-লুটপাট-চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজির ক্যাসিনো-জুয়া-ব্যাংকলুট চলছেই। রাষ্ট্রীয় সব প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণ বাড়ছে, দলাদলি চলছে। সরকার কিংবা জনগণ কারোরই নিয়ম মেনে চলার মানসিকতা নেই। গুম-খুন-ক্রসফায়ারসহ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডও চলছে। বিরোধী দলের ওপর দমন-নিপীড়ন-মিথ্যা মামলা-হয়রানি চলছে।

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও একজন নাগরিক তার ভোট স্বাধীনভাবে দিতে পারে না এর চেয়ে লজ্জার আর কি হতে পারে! স্বাধীন দেশে শুধু ভোটাভুটি বা ভোটারবিহীন নির্বাচন মেনে নেওয়াই গণতন্ত্র নয়। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব, হরণ করা নয়। মানবিক মর্যাদা রক্ষার জন্য দরকার হয় কার্যকর গণতন্ত্র।

পর্দা-বালিশ-চেয়ার কেলেংকারী চলমান, উন্নয়ন প্রকল্প প্রাক্কালিক ব্যয় ও সময়ে শেষ হচ্ছে না, ব্যাংক জালিয়াতি ও শেয়ার ধস ঘটছে, সিন্ডিকেট বাজার নিয়ন্ত্রণ নষ্ট করছে, আলু চাষ-পুকুর কাটা-গ্রাম উন্নয়ন প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ ভ্রমণ চলছে, কমিশন বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে। দেশের অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে। এখনো দারিদ্র্যতা রয়েই গেছে।

আমাদের প্রত্যাশা

সর্বত্র বিধিবদ্ধ আইনের অনুসরন। সবার মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা। নাগরিক অধিকার পূরণের সুযোগ লাভ। আত্ম-নির্ভর হয়ে ওঠা। সকল সম্ভাবনার বিকাশ। সত্য ও সুস্থ চিন্তার জয়জয়কার। অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা বা সহমর্মিতা। নায্যতা ও শান্তি। নিরাপদে নারীদের চলাফেরা।

স্বাধীকার, নিরাপত্তা ও স্বীকৃতি। সম্মানের সঙ্গে জীবন-যাপন। খেটে খাওয়া মানুষের মুক্তি, শোষণের অবসান। সকল অত্যাচারনির্যাতন-জুলুমের অবসান। সার্বিক মুক্তি। বঞ্চিত মানুষও প্রাপ্য পাওনাটুকু বুঝে পাবে। দেশের সব মানুষের শিক্ষা, অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা ও বাসস্থান নিশ্চিত হোক। স্বাধীনতাহীনতায় কেউ থাকবে না। সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে যাক স্বাধীনতার সুফল, সুষমভাবে।

আমরা চাই সবার মৌল-মানবিক চাহিদা পূরণ হোক। বৈষম্যহীন হোক সমাজ। পুরো জাতির জন্য প্রাপ্য আলোটুকু নিশ্চিত হোক। সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি মিলুক। বিশ্ব মানচিত্রে লাল-সবুজ পতাকার মান সমুন্নত থাকা। জাতি হিসাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। গণমানুষের জীবনমানের উন্নতি। সাধারণ মানুষের কল্যাণ। গণমুখী আধুনিক আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি। সামষ্টিক উন্নয়নে অব্যাহত অগ্রগতি। গ্রামীণ সমাজের উন্নয়ন। টেকসই উন্নয়ন। পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান। অনিয়ম ও অধিকারহীনতা থেকে মানুষ মুক্ত হোক।

আমাদের প্রাপ্তি

ইতিবাচক প্রাপ্তি

কৃষির উন্নতি। ভোগ বৃদ্ধি। আয়-রোজগার বৃদ্ধি। চাহিদা বৃদ্ধি। শিল্পের প্রসার। প্রবৃদ্ধির চাঙ্গা ভাব। সরকার, ব্যক্তি খাত ও বেসরকারি সংগঠনগুলোর সমন্বিত অনেক উদ্যোগ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষার ওপর তারা বিনিয়োগ বৃদ্ধি। মাছে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ, চালে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। স্বাধীনতাপূর্বকালের তুলনায় চালের উৎপাদন চারগুণ বেড়েছে। শাকসবজি, ফলমূলের অভাব নেই।

নেতিবাচক প্রাপ্তি

কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি। বিদ্বেষ ছড়ানো। অস্ত্রের আঘাতে চুপ করানো। মতাদর্শের অমিলের কারণে হুমকি। অর্থনৈতিক বৈষম্য। অন্যের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করা। রাজনৈতিক দলগুলোর লেজুড়বৃত্তি। সীমাহীন দুর্নীতি। উদগ্র ভোগবাদী মানসিকতা। শক্তিশালী বিরোধী দলবিহীন সংসদ। ক্ষমতাসীন রাজনীতিবিদগণ জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া। সংবিধান লংঘন। মানবাধিকার লংঘন। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ও রক্ষকদের ভক্ষকে পরিণত হওয়া।

উপসংহার

স্বাধীনতা লাভ করা যেমন কঠিন, স্বাধীনতা রক্ষা করাও তেমনি কঠিন।
মুক্তির সংগ্রামের চেয়েও দেশ গড়ার সংগ্রাম কঠিন।
তাই দেশ গড়ার কাজে আমাদের সর্ব শক্তি নিয়োগ করতে হবে।
-শেখ মুজিবুর রহমান

প্রশ্ন হচ্ছে- যে রাষ্ট্রে আমরা বাস করছি, এটি দেশের সংবিধান যে অঙ্গীকার করেছে, সেই রকম রাষ্ট্র কি না। সংবিধান নাগরিকদের যেসব অধিকার দিয়েছে, সেসব অধিকার তারা ভোগ করছেন কি না। সংবিধান যে রকম শাসনব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছে, ঠিক সেই রকম শাসনব্যবস্থায় দেশ পরিচালিত হচ্ছে কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বাচক হলে রাষ্ট্রের নাগরিকরা ভালো আছেন আর না-বাচক উত্তর হলে বলা যাবে তারা ভালো নেই।

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার শপথকে বুকে আঁকড়ে ধরে ১৯৭১ সালে অর্থনৈতিক শোষণের নাগপাশ ছিন্ন করে চিরস্থায়ী মুক্তির এক আলোকযাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ৫১ বছর বয়সী বাংলাদেশের অবস্থান আজ ঠিক কোথায়, এই মূল্যায়ন তৈরি হওয়া দরকার।

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: [email protected]

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published.