সামাজিক পরিবর্তনের সাথে পরিবারে পরিবর্তন

আনিসুর রহমান এরশাদ

মানব সমাজে পরিবারের ভূমিকার পরিধি ব্যাপক এবং এর কার্যাবলি বহুমাত্রিক। সন্তান প্রজনন থেকে শুরু করের লালন পালন এবং তার সুষ্ঠু বিকাশে পরিবারের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। পৃথিবীর সকল দেশের পরিবার কাঠামোতেই এ ধরণের ভূমিকা পালন দেখা যায়। সামাজিক পরিবর্তনের সাথে পরিবারের ভূমিকারও পরবর্তন ঘটেছে। তবে পরিবারের কতোগুলো মূল কাজ রয়েছে, যা বিশ্বের সব সমাজের পরিবার পালন করে থাকে।

মানব বংশ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ

পরিবারের মাধ্যমেই মানব বংশ বৃদ্ধি পায় এবং রক্ষা হয়। পরিবারের কল্যাণে সদস্যদের মধ্যে স্নেহ-মায়া-মমতা, সম্প্রীতি-সদ্ভাব তৈরি হয়। তাদের পরস্পরের মধ্যে গড়ে ওঠে সুসম্পর্কের সেতুবন্ধন। কারণ সেখানে থাকে পিতামাতা, ভাইবোন, সন্তান-সন্ততি, অনেক ক্ষেত্রে দাদাদাদী, পৌত্র-পৌত্রি প্রমুখ। পরিবারে পিতামাতা সন্তানকে শৈশবে লালন-পালন করেন। তেমনি সন্তান বড় হবার পর তার পিতামাতাকে দেখাশোনা করে। পৌত্ররাও দাদাদাদীর সেবা যত্ন করে থাকে।

মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েই মানব বংশ বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং তা সুরক্ষিত হয়। সবচেয়ে অসহায় সদ্যোজাত শিশুও জন্মের পর থেকেই নিরাপত্তার জন্য পুরোপুরিভাবে বাবা-মায়ের উপর নির্ভর করে। অপরিচিত কাউকে দেখলে ভয় পেয়ে যাওয়ার বয়সে বাবা-মায়ের হাত চেপে ধরে নিরাপদবোধ করা, বাবা-মায়ের ভালোবাসা-উৎসাহে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য লাভ, বাবা-মার ভালোবাসা উপলব্ধির মাধ্যমে নিরাপদে থাকা নিশ্চিত হওয়া, বাবা-মা ভালো করছি বলায় আত্মবিশ্বাস বাড়ায় আরো উন্নতি করা, বাবা-মার সান্নিধ্যে স্বস্তি অনুভব করার ঘটনা ঘটে।

শিক্ষা প্রদান

মানুষের বহুমুখী মৌলিক প্রয়োজন মিটিয়ে সুন্দর ও নিরাপদ জীবনব্যবস্থা গঠনের জন্য পরিবার অনেক শিক্ষামূলক কাজ সম্পাদন করে। পরিবার মানবজীবনের প্রাথমিক শিক্ষালয়, কেননা জীবনের প্রথম শিক্ষা পরিবারেই শুরু হয়। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের কাছ থেকে শিশুরা বিভিন্ন বিষয়ে জানবার কৌতূহল নিবারণ করে থাকে। পরিবারেই পুঁথিগত শিক্ষার হাতেখড়ি হয়।

শিশুদের বর্ণ পরিচয় সাধারণত পরিবারেই হয়ে  থাকে এবং যার মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষার পথ সুগম হয়। পরিবারই একজন মানুষকে ধাপে ধাপে তৈরি করে। একটা মানুষ সেভাবেই বেড়ে উঠে পরিবার তাকে যেভাবে গড়ে তুলে। পরিবার এক অনন্য শিক্ষাগার, পাঠশালা ও বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে পিতা-মাতা সন্তানকে সুশিক্ষিত করে তোলে। পরিবার থেকেই শুরু হয় টেকসই শিক্ষা ও সুস্থ সমাজ গঠনের প্রক্রিয়া।

সুনাগরিক তৈরি

পিতা-মাতার নিকট থেকে শিক্ষা লাভ করেই সন্তান সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। সৎ ও চরিত্রবান নাগরিক গড়ার প্রথম ভিত্তি হচ্ছে পরিবার; কারণ নাগরিক গুণাবলির বিকাশ সাধন হয় পরিবারে। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, শিষ্টাচার প্রভৃতি নাগরিক গুণাবলি মানুষ পরিবার থেকে অর্জন করে থাকে। পরিবারই নাগরিক গুণাবলির প্রাথমিক শিক্ষাগার। পরিবার থেকে মানুষ যে শিক্ষা গ্রহণ করে সেটিই পরবর্তী নাগরিক জীবনের পাথেয় স্বরূপ। সন্তান উৎপাদন প্রতিপালন এবং স্নেহ, মায়া-মমতার বন্ধন, মূল্যবোধ, চরিত্র গঠন অধিকার সচেতনতা সৃষ্টি প্রভৃতি পরিবারের মধ্যেই ঘটে।

একটি সর্বাঙ্গ সুন্দর-সচ্ছল ও সমৃদ্ধ পরিবারই একটি সুস্থ সমাজ ও সভ্যতার জন্ম দেয়। পারিবারিকভাবে যদি একটি শিশু সঠিকভাবে গড়ে ওঠে ওই শিশু বড় হয়ে সঠিক পথেই থাকবে। তাই  পরিবার প্রথা ব্যক্তির পাশাপাশি সমাজ এবং রাষ্ট্রে শান্তি নিশ্চিত করে। আসলে মানবতার ভবিষ্যৎ রচিত হয় পরিবারকে কেন্দ্র করেই। সুনাগরিকরা সমাজের, দেশের এবং সমগ্র বিশ্বের সম্পদ। এরা যথাসময়ে কর প্রদান করেন, একাগ্রতা ও নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব বা রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করেন। জাতীয় সংগীত, জাতীয় ইতিহাস, জাতীয় বীর ও মনীষীদের অবদানকে স্মরণ করেন। সুনাগরিক অপরকে সহ্য করার ক্ষমতা রাখেন, ভিন্নমতকে মূল্যায়ন ও সম্মান  করেন, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান, যেকোনো বেআইনি  কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান, আইন নিজের হাতে তুলে নেন না।

একজন আইনজীবী সুনাগরিক হলে তিনি নিরপেক্ষ ও ন্যায়পরায়ণতার কারণেই ন্যায়বিচার-সু বিচার করবেন, অপরাধীকে নিরপরাধী আর নিরপরাধীকে অপরাধী বানাবে না। একজন ডাক্তার সুনাগরিক হলে তিনি জনগণকে চিকিৎসা প্রদানই প্রধান কর্তব্য বলে বিবেচনা করবেন, রোগীর প্রতি যত্নশীল থাকবেন, চিকিৎসায় অবহেলা করবেন না, অর্থের চেয়েও রোগীর প্রশান্তি হবে মূখ্য। সুনাগরিক শিক্ষকের প্রধান উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদেরকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলা, সব শিক্ষার্থীকেই সমানভাবে দেখা, শুধু অর্থের জন্য বা পরীক্ষায় পাসের জন্য শিক্ষাদান না করে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। একজন সুনাগরিক ব্যবসায়ীর ব্যবসা জনসেবার জন্য হওয়ায় মুনাফার একটা সীমা থাকে, খদ্দেরকে ঠকায় না, ক্ষতিকারক দ্রব্য মিশায় না, দ্রব্য গুদামজাত করে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে না, অহেতুক মূল্য বৃদ্ধি করে না ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব বজায় রেখে চলে। এমনিভাবে সফল পেশাজীবী বা বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের চেয়ে সমাজকে বাসযোগ্য করে তোলায় সচেষ্ট হওয়ার মানসিকতাসম্পন্ন সুনাগরিক হওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পেশাজীবীরা সৎ, পরিশ্রমী, বুদ্ধিদীপ্ত, কর্তব্যপরায়ণ, শিক্ষিত হলে এবং তাদের প্রধান উদ্দেশ্য মানুষের সেবা হলে সমাজ খুব দ্রুত উন্নতি লাভ করবে।

সুনাগরিক রাষ্ট্রের কল্যাণে চিন্তা-ভাবনা করেন, বুদ্ধি-আত্মসংযম-বিবেক-সংযমের অধিকারী এবং প্রয়োজনীয় কর্তব্য সম্পাদন করেন, অন্যের সমঅধিকার ভোগের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করেন না, নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে দেশ ও দশের স্বার্থে আত্মনিয়োগ করেন, আপস ও সমঝোতামূলক মনোভাবের অধিকারী হন, নিজের চিন্তা ও কাজে ন্যায় ও অন্যায় সম্পর্কে সচেতন থাকেন। সকলকে শ্রদ্ধা করেন, কাউকেও ছোট মনে করেন না, শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান হন; রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেন; ব্যক্তি স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সজাগ ও সচেতন থাকেন; শৃঙ্খলাবোধ ও সময়ানুবর্তিতার প্রতি অনুরাগী হন; বলিষ্ঠ ও স্বাধীন মনোভাব পোষণ করেন; সংবেদনশীল হন এবং সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠার অধিকারী হন।

সুনাগরিক দলীয় মনোভাবের কারণে বিরোধী দলের ভালো কাজকে সমালোচনা করে বর্জন করে না, উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, ধর্মের প্রতি বিদ্বেষী বা ধর্মান্ধ হয় না, দেশের সংহতি-উন্নতি-প্রগতিকে রক্ষা করে, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয়, নিজেকে বড় করে দেখে না, নিজের মতামত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় না, দাম্ভিকতার মতো নেতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থাকে না, নিজের স্বার্থকে দেশের স্বার্থের চেয়ে বড় করে দেখে না, দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি-পক্ষপাতিত্ব-আর্থিক অনিয়ম করে না, অলসতা করে না, কাজে অনীহা থাকে না এবং উদার মনোভাবের অধিকারী হয়। এদের ভালো-মন্দের ও দায়িত্ব-কর্তব্যের জ্ঞান তথা বিবেক থাকে, অন্যায় কাজ ও দলীয় স্বার্থপরতা থেকে বিরত থাকে এবং রাষ্ট্রের সার্বিক মঙ্গলের জন্য কাজ করে।

শান্তি লাভ ও ভালোবাসা সৃষ্টি

পরিবারেই  মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করে এবং পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। পরিবারে পিতা-মাতা, ভাই-বোন, সন্তান-সন্ততি একত্রে বসবাস করেন। একসাথে থাকার ফলে একে অপরের সুখে সুখী হয়, একে অপরের দুঃখে দুঃখী হয় ও সমব্যথী হয়। পরিবার পাশে থাকে বলেই ব্যক্তি রোগ-ব্যাধির কষ্ট বরদাশত করতে পারে, দুঃখ-বেদনায় ভেঙে পড়ে না, অনভিপ্রেত কথা ও আচরণে উত্তেজিত হয় না, পাপের পথে গিয়ে লাভবান হওয়ার চেয়ে পুণ্যের পথে থেকে ক্ষতিকেও মেনে নেয়, মিথ্যা প্রচারণার মুখেও অবিচলিত থাকে, ভীতিপ্রদ পরিস্থিতিতেও সঠিক পথে দৃঢ়পদ থাকে, লক্ষ্য হাসিলের জন্য দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে, লক্ষ্য অর্জন বিলম্বিত হলেও হতাশ বা নিরাশ হন না, বিরোধিতার বীরোচিত মোকাবেলা করার হিম্মত অর্জন করেন।

জৈবিক চাহিদা পূরণ

পারিবারিক ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের স্বভাবসিদ্ধ জৈবিক চাহিদা বৈধপথে পূরণ করার সুযোগ হয়। আর এই বৈধপন্থায় নারী পুরুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে উভয়ে নৈতিক স্খলন থেকে বেঁচে যায়, পাপাচার থেকে পরিত্রাণ পায়। সংসার ব্যক্তির জীবনকে সুখী করে, সারাদিন কাজ করে ঘরে ফেরার পরে মনে শান্তি আনে। ঘরের শান্তির জন্য স্বামীকে স্ত্রীর এবং স্ত্রীকে স্বামীর মন জয় করতে হয়। একজনের জৈবিক চাহিদা পূরণ করা আরেকজনের দায়িত্ব। এর জন্য নির্ধারিত সময় ধার্য নেই; বরং চাহিদা, শারীরিক সক্ষমতা ইত্যাদি অনুপাতে করতে হবে।

মৌল মানবিক গুণাবলীর বিকাশ

FAMILY শব্দে ৬টি বর্ণ আছে। Forgiveness (ক্ষমাশীলতা), Acknowledgement (স্বীকার), Motivation (প্রণোদনা), Inspiration (প্রেরণা), Love (ভালোবাসা), within Yourself. আদর্শ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এ ছয়টি গুণ থাকে। ধৈর্য, বিনয় ও মনুষ্যত্ববোধ বিকশিত হয় পরিবারেই। পরিবার শুধু শিশু উৎপাদনের কারখানা নয়, সমাজের সবচেয়ে অপরিহার্য অংশ। নৈতিক মূল্যবোধ, অধ্যবসায়, সহিষ্ণুতা, শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস, সদাচার, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, নান্দনিকতাবোধ, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও ন্যায়বিচারবোধ সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করা যায় পরিবারেই। প্রাচীনকাল থেকেই বিপদ-মুসিবতে পরিবারের সদস্যরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে, পরিবারের সাথে পূর্ণমাত্রায় জড়িত ও একাত্ম হয়ে থেকেছে।

একতার শিক্ষা

ঐক্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে পরিবার। পরিবাবের সদস্যরা একত্রে সদ্ভাব বজায় রেখে বসবাস করে। ফলে তাদের মাঝে একতার অভাব দেখা যায় না। জাতীয় স্বার্থে ব্যক্তিগত স্বার্থ জলাঞ্জলি দেবার শিক্ষা তারা পরিবারে পায়; যে শিক্ষা সুনাগরিকের জন্য অপরিহার্য। পরিবার রাজনৈতিক আদর্শও শিখায়। পরিবারের বয়স্ক সদস্যরা রাজনীতি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে থাকে। ফলে শিশুরা রাজনীতির মূলকথা, আদেশ ও আনুগত্যের শিক্ষা পরিবার থেকে পেয়ে থাকে। অজ্ঞতা, আত্মম্ভরিতা, দাম্ভিকতা, ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা এবং অর্থনৈতিক অসাম্য, নির্লিপ্ততা, ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা এবং দলীয় মনোভাব বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক বিকশিত হওয়ার ক্ষেত্রকে সংকুচিত করে। তাই পরিবার হোক সম্মিলিত কর্ম প্রয়াসের মিলনকেন্দ্র।

পরিবার.নেট

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *