পরিবারে অশ্লীলতাকে না বলুন

অশ্লীলতাকে না বলুন। পর্নোগ্রাফি, প্রকাশ্যে যৌনতা উৎপাদন ও প্রদর্শন করাসহ অশ্লীলতা এদেশের সংস্কৃতি, প্রচলিত মূল্যবোধ ও ধর্মীয় বিধি-নিষেধ দ্বারা সমর্থনযোগ্য নয়। অশ্লীল গান-সিনেমা-নাটক শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষদের আকৃষ্ট করে  সমাজে বিষাক্ত দূষণ ছড়াচ্ছে। অশ্লীল ভিডিও-বই-ম্যাগাজিন-অডিও কোমলমতি শিশুদের সুন্দর মনকে বিষিয়ে তুলছে। এসবের প্রভাবে ধর্ষণ, যৌন অপরাধ ও পুরুষ-নারীর বিপথগামী আচরণ বাড়ায়, নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে এবং বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে ও সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানব সমাজকে পূতঃপবিত্র এবং বিশৃঙ্খলামুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে সকল প্রকার অশ্লীলতাই নিষিদ্ধ।

দৃষ্টি অবনত রাখুন

অশ্লীল ছবি-ভিডিও-সিনেমা-স্থিরচিত্র দেখা, এরূপ গান শুনা কিংবা গাওয়া, কারো হাত-পা এরূপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার মতোই অপরাধ; কারণ ব্যভিচারের চূড়ান্ত কাজটি এসবের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। কম্পিউটারে-ট্যাবে-মোবাইলে অশ্লীলতা ছড়ায় এমন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা নিষিদ্ধ।

কেননা দৃষ্টি অবনত করার আদেশ করা হয়েছে যেন অন্য কারো গোপন অঙ্গ দেখা থেকে বিরত থাকে। নারী-পুরুষকে পরস্পরের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি দান ও সকল প্রকারের অবৈধ দৈহিক সংস্পর্শ থেকেও বিরত থাকার মানে দুর্ঘটনা ঘটার আগেই পথগুলো বন্ধ করা।

অশ্লীলতার সকল দুয়ার উন্মুক্ত রেখে শুধু আইন করে অশ্লীলতাকে রোধ করা যায় না। ব্যক্তির মননে নৈতিক মূল্যবোধ অভাবনীয় প্রভাব ফেলতে পারে, মহামারী থেকে সমাজকে রক্ষা করতে পারে এবং মানুষকে সকল প্রকার অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখতে পারে।

নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করুন

অশ্লীল দৃশ্যের প্রতি আসক্তি মাদকাসক্তির মতোই। যতই দেখবে ততই দেখতে ইচ্ছা হবে। সাময়িক সুখের বিনিময়ে বিষণ্ন এবং নিঃসঙ্গ মানুষে পরিণত করবে। যা স্ত্রী, সন্তান এবং পরিবার থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। স্ত্রীর সাথে শারীরিক মিলনের আগ্রহ হারায়, ক্ষমতা ধীরে ধীরে লোপ পায় তথা যৌন অক্ষম করে তোলে। আসক্তির মাত্রা বাড়লে তা ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং অনভিপ্রেত ঘটনার জন্ম দেয়; যৌনতা নিয়ে মস্তিষ্ক বিকৃতি দেখা দেয় এবং কামশক্তি বা যৌন চেতনা লোপ পেতে থাকে, তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়।

ফলে অশ্লীলতা সমাজের একটি ভয়াবহ ক্যান্সার যা নৈতিক মূল্যবোধকে নিয়ে যায়  নিম্নস্তরে, চিন্তা-ভাবনাকে পুরোটাই যৌনতায় ঘিরে ফিলে, অন্তরকে ধবংস করে যৌন-বিকারগ্রস্ত করে, মনকে দূষিত করে মেরে ফেলে, বড় ধরনের অপরাধের সাথে জড়িয়ে ফেলে, মানুষের প্রতি মানুষের সম্মান দেওয়ার প্রবণতা কমে যায় এবং এলোমেলো করে দেয় সব স্বাভাবিক চিন্তাকে। যা ভয়াবহ সামাজিক ও মানসিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত।

চিন্তাধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনুন

অশ্লীলতা অজান্তেই মস্তিষ্ক বিকৃত করে দিচ্ছে। আরো বেশি উত্তেজনা পাবার জন্য আরো এক্সট্রিম ভিডিওর দিকে ঝুঁকতে থাকার ফলে ক্ষতি হচ্ছে ব্রেইনের। যৌন অনুভূতিকে স্ক্রিনে দেখার সাথে সংযুক্ত করানোয় ব্রেইন ব্যস্ত থাকার ফলে পুরুষরা স্ত্রীর যৌন আবেদনে সাড়া দেয় না, যৌন চিন্তাধারায় পরিবর্তন আসে এবং নারীদের সাথে বেশি প্রতারণা করে।

২০১৫ সালে ৭টি দেশে ২২টি ভিন্ন ভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, যারা অতিরিক্ত পর্নে বুদ হয়ে থাকে, তাদের কেউ কেউ যৌন নির্যাতনকে সমর্থন করে, এমনকি নিজেরাও যৌন নির্যাতন করে থাকে। যারা পরকীয়ায় যুক্ত তারা ২১৮ শতাংশ বেশি পর্ন দেখেন। যারা যৌনকর্মীদের সাথে যৌন মিলন করেন তারা ২৭০ শতাংশ বেশি পর্ন দেখেন।

পর্নোগ্রাফি ভূমিকা রাখছে পরিবার ভাঙ্গার কারণ হিসেবে। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব ম্যাটরিমোনিয়াল লইয়ার্স এক প্রতিবেদনে বলেছে, বৈবাহিক সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার পিছনে ৫৬ শতাংশই থাকে পর্নোগ্রাফি আসক্তি।

মানসিক বিকৃতি রোধ করুন

মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে ডোপামিন নিঃসরণ কমিয়ে দিলে খুব তীব্র উত্তেজক ভিডিও দেখার  ইচ্ছে বাড়ে, মস্তিষ্কে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, স্ত্রীর সাথে অনুত্তেজক সম্পর্ক তৈরির কারণে বিষণ্নতা বাড়ে, সহজেই মনোযোগ হারায় এবং উত্তেজনা ফিরে আসে না। এছাড়া অক্সিটোসিন এবং ভেসোপ্রসিন নামক দুইটি হরমোন এসময় নিঃসৃত হয়ে সর্বোচ্চ সুখের অনুভূতিকে মেমোরিতে জমা রাখে এবং সেই সুখের অনুভূতির দিকে ধাবিত করায় আবার অশ্লীল ভিডিও দেখতে ইচ্ছা হয় কিংবা শারীরিক মিলনে ইচ্ছুক করে। এছাড়াও শারীরিক উত্তেজনাকে চরমে নিতে এন্ডোরফিন নামক হরমোনের নিঃসরণ ঘটে। মিলনের শেষ মুহূর্তে সেরাটোনিন নিঃসৃত হয়।

মস্তিষ্ককে অস্বাভাবিকভাবে উত্তেজিত করে তোলে, কামশক্তি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে। ভালোবাসার অন্তরায় এসব ভিডিওতে পেশাদার শিল্পী-মডেল অভিনেত্রীদের শারীরিক সৌন্দর্যের কালোজাদুর মোহে অভিভূতরা সঙ্গিনী কিংবা স্ত্রীর শারীরিক সৌন্দর্যের সাথে তাদের তুলনা করেন। এতে হতাশা বাড়ে, সঙ্গী-সঙ্গিনীর মনে বিরূপ প্রভাব ফেলে, সম্পর্ক ভাঙ্গনের দিকে গড়ায়, সম্পর্কে অবিশ্বাস-অনাস্থা দেখা যায়, বিষণ্নতা বাড়ে এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ও বহুগামিতাও বৃদ্ধি পায়।

আসক্তরা ঘোরের মাঝে সময় কাটায়, তাদের মস্তিষ্ক ভার্চুয়াল উত্তেজনায় অভ্যস্ত হওয়ায় সঙ্গীর সাথে শারীরিক মিলন বিরক্তকর হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের ক্ষেত্রে মানসিক বিকৃতি দেখা যায়, নারী মাত্রই ভোগ্যবস্তু মনে করে, চিন্তা-ভাবনা নিম্নস্তরে নেমে যায়, নারীদের নিয়ে বিকৃত ধারণা পোষণ করে।

ব্যস্ত থাকুন, ব্যস্ত রাখুন

অশ্লীলতা থেকে মুক্তি পেতে- নিজেকে নিজের প্রতি সৎ থাকতে হবে, সংগ্রহে থাকা অশ্লীল ভিডিওগুলো ডিলিট করতে হবে, সাইটগুলো ব্লক করতে হবে। কম্পিউটার টেবিল বাসার এমন জায়গায় সেট করবেন যেখান থেকে মনিটর সহজেই দেখা যায়। পিসি বা ল্যাপটপ রুমের এমন একটা পজিশনে রেখে ইউজ করুন, যেন সেটা রুমে ঢুকলে সবার দৃষ্টিগোচর হয়।

রুমের দরজা খোলা রেখে কম্পিউটার ব্যবহার করাটা বেশ জরুরি। টিনএজ বয়সী সন্তানকে ল্যাপটপ নয় ডেস্কটপ কিনে দিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিছানাতে নিয়ে ল্যাপটপে কাজ করার সম্ভাবনা থাকায় সে আদৌ কাজ করছে নাকি পর্ন সাইট ব্রাউজ করছে তা মনিটর করা অসম্ভব হবে।

ভালো কোনো সখ বা বিনোদনের উৎস খুঁজে বের করতে হবে। নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। কাজের মাঝে মাঝে সেই পছন্দের কাজ করুন কিংবা গান শুনতে পারেন অথবা ৫ মিনিট হেঁটে আসতে পারেন। এসব থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রথমে অশ্লীল ভিডিও দেখা পুরোপুরি ছাড়তে মনস্থির করা, নিজের সাথে আর না দেখার প্রতিজ্ঞা দরকার।

মোবাইলের মেমরি কার্ড, পিসি, ল্যাপটপ, ট্যাব থেকে যত খারাপ ছবি ও ভিডিও আছে তা ডিলিট করুন। ইউটিউবে বেশি সময় না কাটিয়ে প্রয়োজনীয় ভিডিওটা দেখেই বেরিয়ে আসুন। মনকে শান্ত-পরিশুদ্ধ রাখতে এবং মনের উপরে নিজের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে প্রার্থনা বা মেডিটেশন করুন। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে খারাপ আসক্তি থেকে দূরে থাকুন।

আউটডোরে সময় কাটান

কম্পিউটার এবং মোবাইলের স্ক্রিনের সামনে সময় কমিয়ে আউটডোর লাইফে সময় বেশি দিন। খেলাধুলা করুন। কাজের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। অশ্লীল ভিডিওর উপর নির্ভরশীলতা তৈরি হয়ে গেলে কয়েক বছর পর অবস্থা হয় ভয়াবহ। ভয়াবহ স্লো পয়জন শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিকভাবে তিলে তিলে শেষ করে দিবে, ব্রেইনকে ভুল পথে নিয়ে ড্যামেজ করে শারীরিক অক্ষমতা সৃষ্টি করবে, সোশ্যাল এনগেজমেন্টকে ব্যাহত করবে, পারিবারিক জীবনে নানা সমস্যার সৃষ্টি করবে।

অশ্লীল ভিডিও ড্রাগের মতোই আমাদের ডোপামিনার্জিক সিস্টেমকে ট্রিগার করে ডোপামিন রিলিজ করার জন্য।ডোপামিনার্জিক সিস্টেমের উপর ফোর্স তৈরি হয়ে যে ম্যাসিভ এ্যামাউন্ট ডোপামিন রিলিজ হচ্ছে; তা শর্ট টার্ম মেমরিতে না গিয়ে সরাসরি লং টার্ম মেমরিতে গিয়ে স্টোর হচ্ছে। এ কারণে এসব আইটেম চোখের সামনে থেকে দূর করা হলেও লং টার্ম মেমরিতে তা গেঁথে যাওয়ায় তা ব্যক্তির চাহিদানুযায়ী কল্পনা করলেই রিপ্লে মোডে ফিরে আসে।

মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখুন

অশ্লীল ভিডিওতে নতুন নতুন ভঙ্গিমা আর কলাকৌশলের সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্স দেখতে দেখতে ব্রেইনটাও সেভাবে প্রোগ্রামড হয়ে যায়। রিয়েল লাইফে স্বামী-স্ত্রী সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সে অংশ নিতে গিয়ে যখন ভিডিওতে দেখা পুরুষ-নারীর মত আকর্ষণীয় ফিগার, মোহনীয় শরীর, আর্টিফিশিয়াল সাউন্ড-চিৎকার, আচরণ, যৌন আবেদন পায় না এবং সেসব ছলা-কলা-কৌশল জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর উপর প্রয়োগ করতে পারে না, দেখার সাথে বাস্তবের অমিলেই শুরু হয় বিপত্তি। নিয়মিত এসব দেখলে সেক্সুয়াল অর্গান পর্ন দেখার সময়ই পুরোপুরি ইরেক্ট হয়, বাস্তবে সেক্সুয়াল অর্গান সেভাবে সাড়া দেয় না। কারণ এক্সপেক্টেশন পরিপূর্ণ না হওয়ায় অনুভূতিতে সেই আনন্দটা আর জাগে না।

মস্তিষ্কে রাসায়নিক ভারসাম্য নষ্ট করে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন রোগের সৃষ্টির  ফলে এসবে আসক্ত ব্যক্তি অপছন্দকারীর কাছে রুচিহীন, হীনমন্য ও  চরিত্রহীন মানুষ হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। মাত্রাতিরিক্ত দেখলে পুরুষদের নারীদের প্রতি আর নারীদের পুরুষদের প্রতি বিতৃষ্ণা চলে আসে। অতি আক্রমণাত্মক, বদমেজাজি ও খিটখিটে করে তোলে। মাস্টারবেশন অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায়, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং পরবর্তীতে যৌন জীবনে নানা ধরণের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, ওরা হয়ে পড়ে নিঃসঙ্গ এবং অসুখী। পরবর্তীতে সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সে অংশ নেবার সময় ব্রেইন তার সেক্সুয়াল অর্গান এবং ফিলিংকে কমান্ড দেয় দ্রুত অর্গাজম প্রাপ্তির জন্য।

সর্বনাশা মরণফাঁদের এই নেশার প্রকোপ জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ থেকে বিচ্যুত করে। লিঙ্গ উত্থান ও বীর্যপাতের সময় সমস্যা দেখা দেয় অথবা স্বাভাবিক যৌন জীবন যাপন ব্যাহত হয়, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা অথবা পারিবারিক সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেয়ে পর্ন দেখে বেশি আনন্দ পান, ক্লান্তি-বিষন্নতা-বিরক্তি দূর করতে পর্নকেই একমাত্র বিনোদন হিসেবে বেছে নেন। ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন অফ করার পরেও মনের মধ্যে যৌন উত্তেজক দৃশ্য ঘুরতে থাকার ফলে মানসিক পরিশ্রম বাড়ে।

রূচিবোধ উন্নত করুন

পর্নগ্রাফি আসক্তির ভয়াল নেশায় মত্তদের রূচিবোধের অধঃপতন হয়। বাস্তব জগৎ ছেড়ে ফ্যান্টাসি দুনিয়াতে চলে যাওয়ায় সাধারণ নারী-পুরুষদের প্রতি বিতৃষ্ণা চলে আসে। স্ক্রিনে দেখা মেকআপ, লাইট ও ক্যামেরার কারসাজিতে দেখানো আকর্ষণীয় দেহ ও ফটোশপ ও কসমেটিক সার্জারির চেহারার মতো সঙ্গী বাস্তব জীবনে খোঁজে না পেয়ে হতাশ হয়।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিঃসঙ্গ থাকে, সংসারে অসুখী হয়, হস্তমৈথুনের অভ্যাসে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বাড়ে, পরিবারের সাথে সম্পর্ক খারাপ হয়, সমাজের মানুষজন ও রুচিশীল বন্ধু-বান্ধবের  কাছে হেয় হতে হয়, মনোযোগ না বসায় পড়াশোনায় ক্ষতি হয়, নিজের মধ্যেও হীনমন্যতার তৈরি হয়, নষ্ট হয় স্বাভাবিক যৌনজীবন, পরিবারের কাছেও ছোট হতে হয় অর্থাৎ সামাজিক, মানসিক, শারীরিক, আনুভূতিক, অর্থনৈতিক এবং  মারাত্মক আসক্তি ব্যক্তিগত অনেক সমস্যা তৈরি করে।

মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক ‘ফিল গুড’ রাসায়নিকের পরিমাণ বেড়ে যায়। অলীক ফ্যান্টাসির জগতে চলে যাবার ফলে বাস্তবের সম্পর্কগুলো সুখ দিতে পারে না, সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। অপরাধ বোধ থেকে মানসিক রোগের জন্ম দেয়, মনে ভাবনার সাম্যতা নষ্ট করে।

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *