তেলবাজির রকমফের ও তেলের তেলেসমাতি

লেখক হুমায়ূন আজাদ বলেছিলেন, ‘মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে।’ তিনি যে কথাটি বলেছেন- তা চারপাশে তেলবাজির রকমফের ও তেলের তেলেসমাতি খেয়াল করলে যে কারো কাছেই স্পষ্ট হয়। তেলবাজরা ব্যস্ত থাকেন- বিশেষ ব্যক্তির সুদৃষ্টি পেতে। সত্যকে আড়াল করে তৈল মর্দনে।

তেলবাজি বিনা পুঁজির শক্তিশালী ব্যবসা। এতে কে বেশি তৈল মর্দন করতে পারে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা চলে। যে যত বেশি তৈলমর্দন করতে পারে তার অবস্থা তত বেশি ভালো। সমাজের প্রায় সব ধরনের সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান এ ব্যবসায় জড়িয়ে আঁতেল নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। আঁতেলদের বাজার সব চেয়ে বেশি জমজমাট। যারা তৈল মর্দনে ব্যস্ত থাকেন তারা সাধারণত কাজে ফাঁকি দেন।

অযোগ্য, নেশাখোর, মাতাল, চরিত্রহীন শ্রেণির লোকজনের সামর্থ্যই তেলবাজি। টাকা থাকলেই ক্ষমতা দেওয়ার জন্যে আঁতেলরা রাজি হয়ে যায়। অন্যের কথায় যাকে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত করা হচ্ছে সে কে তা ভেবে দেখা হয় না। কি তার পরিচয়? কি তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট? কি তার যোগ্যতা? দায়িত্বহীন লোককে দায়িত্ব দেওয়ার চরম দায়িত্বহীনতা দেখানোর পর হা-হুতাশ করে লাভ হয় না।

অফিসে বসদের আশে-পাশে অপ্রিয় সত্য কথা বলা লোক খুব একটা খুঁজে পাওয়া যায় না। তেলবাজ মানুষ সাফল্য পেতে চায় বসদের ভালোবাসা-প্রশংসা করেই; কষ্ট করে কর্মক্ষমতা-দক্ষতা-সততা দিয়ে নয়। তৈল মর্দনের মত কুৎসিত পথ হচ্ছে- কথায় কথায় বুঝে না বুঝে জ্বি স্যার, হ্যাঁ স্যার, ইয়েস স্যার অথবা জ্বি ভাই, হ্যাঁ ভাই, ইয়েস ভাই বলতে থাকা।

এরা উর্ধ্বতনের তোষামোদ করেই চাকরিতে টিকে থাকে। বস্ কোনো আইডিয়া শেয়ার করলে তা ঠিকমতো না শুনে, না বুঝেই বলে উঠে দারুন স্যার, অসাধারণ আইডিয়া। বসের সন্তুষ্টিই এদের সব। তারা বলে দ্য বস ইজ অলওয়েজ রাইট, কর্তার ইচ্ছায় কর্ম। বসের কোনো সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হবে বুঝলেও প্রকাশ করে না।

প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হলেও তাদের কিছু যায় আসে না। ফলে তেলবাজি আখেরে সর্বনাশই ডেকে আনে। তেলবাজির কারণে সৎ, দক্ষ ও কর্মক্ষম মানুষদের বাদ দিয়ে আঁতেলদের দৌরাত্মে দায়িত্ব চলে যাচ্ছে অযোগ্যদের হাতে। চারিত্রিক ও যোগ্যতার মানদন্ডে যাচাই করে দায়িত্ব প্রদানেই নিশ্চিত হয় কল্যাণ।

যারা ভালো-মন্দ সব কাজেই প্রশংসা করে তারা শুধু নিজের ভালো চায়। তাদের কাজই হচ্ছে তেল মেরে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করা। স্বার্থের জন্যে আজ যাকে তেল মারছে কাল আরেকজনকে মারবে। আজ যার প্রশংসা করছে কাল  তাকে থু থু দিতেও বুক কাঁপবে না তার। তাই তেলবাজ আঁতেলদের হতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।

তেলবাজি না করে সঠিক সমালোচক হলে, সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বললে, প্রতিবাদী হলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালে ব্যক্তিগত সুবিধা পাবেন না, পকেটটাও গরম হবে না; তবে অযোগ্যদের হাতে ক্ষমতা থাকবে না বরং যোগ্যরাই প্রতিষ্ঠিত হবে। তেলবাজিকে পরিহার করেই এগোতে হবে। যারা তেল প্রয়োগ করা নিয়েই সদা ব্যস্ত তারা তেল মারার নতুন নতুন জায়গার সন্ধানেই থাকেন, কারণ তারাও ভালো করেই জানেন তেলে প্রতিষ্ঠানের শেষ রক্ষা হয় না।

তেলবাজরা দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নেতা ও বসদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়। শতভাগ নিশ্চিত না হয়েও তাদের পক্ষে প্রচার-প্রচারণাও চালান।  স্বার্থপর তেলবাজরা অন্যের স্বপ্নকে নির্দ্বিধায় হত্যা করেন। অনেকেই সেলফিবাজির মাধ্যমে তেলবাজির প্রকাশ ঘটায়! তেলবাজি করে যারা বড় পদ পান, তারা দলকেই কলংকিত করেন। সুবিধাবাদি তেলবাজরা নিজের আখের গোছাতে গিয়ে, পকেট ভারি করতে গিয়ে দলের সুনাম নষ্ট করেন।

তেল দেওয়া চাকরিতে উন্নতির অব্যর্থ ফর্মুলা। তেল নিয়ে তেলবাজদের তেলেসমাতি কাণ্ড চলে। পুরো বিষয়টাকে তৈলাক্ত করে দেয়ার মাধ্যমে তেলবাজরা অবস্থার উন্নতি ঘটান। চাকরিজীবীরা দেখেছেন তেল খুবই কাজের জিনিস। বসদের তেল দিলেই ওপরে ওঠা যায়। বড় চেয়ার পাওয়া যায়। ধরাকে সরা বানিয়ে ফেলা যায়। তেলের মর্যাদা এমন যিনি তা দিতে পারেন তিনি মর্যাদা পান, আর যিনি দিতে পারেন না তিনি মর্যাদা হারান।

যাদের সমাজে তেল ও তেলবাজির কুপ্রভাব দেখতে দেখতে তেলের প্রতিই বিতৃষ্ণা তৈরি হয়ে গেছে তারা অনাদরে পড়ে থাকে, অবহেলায় গড়াতে থাকে। তেলে তেলে তৈরি সিঁড়িতে তেলবাজরা দাপিয়ে বেড়ান! অন্যরা কী কী অপরাধ করেছেন সেই ফিরিস্তি প্রকাশে ব্যস্ত থাকেন। কেউ যখন তাকে তারই অপরাধের কথা মনে করিয়ে দেয় তখন গলা নেমে গেলেও থামেন না, যুক্তি-কুযুক্তিতে চালিয়ে যান। তেলবাজিতে পুরস্কার যতটা সহজ, সৎ থেকে দায়িত্বকে বড় মনে করে কাজ করে তিরস্কার-তিক্ততা এড়ানো ততটাই কঠিন।

তেল মারা বা তোষামোদী নিয়ে খুবই বিখ্যাত একটা গল্প হলো বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক ডায়োজেনেসের। রাজা ডেনেসের তোষামোদ করতেন না বলে তাঁকে খুব কষ্ট করে দিন কাটাতে হতো, যখন অ্যারিস্টোপাস নামে আরেকজন দার্শনিক রাজাকে খুশি করে খুবই আরামে-আয়েশে ছিলেন। তো একদিন অ্যারিস্টোপাস বাড়িতে এসে দেখলেন ডায়োজেনেস শাক দিয়ে ভাত খাচ্ছেন। অ্যারিস্টোপাস ঠাট্টা করে বললেন, ‘একটু তোষামোদী শিখলে তোমাকে শাক দিয়ে ভাত খেতে হতো না।’ ডায়োজেনেস উত্তরে বললেন, ‘আর তুমি যদি কষ্ট করে শাক দিয়ে ভাত খাওয়াটা শিখতে তাহলে তোমাকে অমন তোষামোদী করতে হতো না।’

শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত সবজায়গা তেলবাজদের উপস্থিতি দৃশ্যমান। তেলবাজ ও চাটুকাররা যে করেই হোক বিচার মানলেও তাল গাছটি তার দখলে রাখতে চায়। চাটুকারদের চামড়া এত পুরু যে কোনো সমালোচনাই তাদেরকে স্পর্শ করতে পারে না।  সমাজের মানুষজন বিব্রত হলেও তারা তেল দেয়ার কাজ দিব্যি করে যায়। তাদের কাছে সুবিধা উপভোগ করাই শেষ কথা, কে কী বললো তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই। দলে বা প্রতিষ্ঠানের দুঃসময়ে ত্যাগী ও দক্ষ জনবলের প্রয়োজন হয় কিন্তু সুসময়ে হাইব্রিড-তেলবাজ-চাটুকারদের ভিড়ে তারা হারিয়ে যায়।

তেলবাজদের সরব উপস্থিতি সর্বত্র। পেশাগত জীবনে যাদের মোটামুটি ব্যক্তিত্ব আছে, স্পষ্টবাদী, সৎ ও  কাজপাগল তারা নানাভাবে নিগৃহীত ও অবহেলার শিকার হয়। চাটুকারিতায় লিপ্তরাই ভালো পদ-পদবী পান, নির্বাচনে ভালো প্রার্থী হন, নানাজনের নেক নজরে পড়েন, অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক জায়গায় পদায়ন হয় এবং কর্মজীবনেও অন্যদের চেয়ে নানাবিধ সুযোগ লাভ করেন।

চাটুকারদের ধূর্ততা বুঝতে  সময় লাগে। এরা খুব চালাক হওয়ায় অন্যের আবেগকে পুঁজি করে। অন্যের পেছনে লেভেলিং দৃষ্টিভঙ্গির চর্চা অব্যাহত রেখে  সামনে  আগায়। তাদের আচরণে কে বিব্রত হলো বা কে লজ্জিত হলো তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। সম্মোহনী ক্ষমতা ও  শক্তির বদৌলতে অর্পিত দায়িত্ব বেশিরভাগ সময় ফাঁকি দিয়েও ত্যাগী স্বীকৃতি পেতে পারে। চাটুকারদের ভেল্কিবাজির রহস্য উন্মোচন হলে  তাদের কাছের মানুষরা আফসোস করে এতদিন কেন তাদের ভালোবাসলাম বা শ্রদ্ধা করলাম।

শিক্ষিত সমাজে চাটুকার বা তেলবাজ শ্রেণি বেশ সক্রিয়। নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করার জন্য সর্বদাই নানা অকামে ব্যস্ত থেকে নিজেদের বিখ্যাত প্রমাণের  ঘৃণ্য প্রয়াস চালায়।যাদের থাবায় নিরীহরা অনিরাপদ হয়ে পড়ে। তারা দেখে সমাজে সবাই তেল চায়- তেলের সাগরে  ভাসছে সমাজ। তাই তারা তেল মেরে স্বার্থ আদায়ে আরো বেশি পরিপক্কতা অর্জনের চেষ্টায় থাকে। যেসব বড় পদবীধারী তেল পেলে খুব পুলকিত হন; তারা যোগ্যতমকে পিছিয়ে দিয়ে তৈলবাজকে এগিয়ে রাখেন।

তাইতো হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছিলেন, ‘বাস্তবিক তৈল শক্তিমান, যাহা বলের অসাধ্য, যাহা বিদ্যায় অসাধ্য, যাহা ধনের অসাধ্য, যাহা কৌশলের অসাধ্য- তাহা কেবল তৈল দ্বারা সিদ্ধ হইতে পারে। যে তৈল দিতে পারিবে তাহার বিদ্যা না থাকিলেও প্রফেসর হইতে পারে। আহাম্মক হইলেও ম্যাজিস্ট্রেট হইতে পারে, সাহস না থাকলেও সেনাপতি হইতে পারে এবং দুর্লভ রাম হইয়াও উড়িষ্যার গভর্নর হইতে পারে।’

খেটে বড়ো হওয়ার চেয়ে পা চেটে বড় হওয়ার লোক বেশি হওয়ার কারণ- ব্রিটিশ উপনিবেশিককালের পা চাটাদের পেত্নারা এখনো রয়ে গেছে। এদের তৈল ভর্তি ড্রাম কখনো শুকাবার নয়। যুগে যুগে এরা তেল দিয়ে মাথায় তুলেছে, আবার মাথা থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে। সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে কিছু লোকের অতিরিক্ত তাঁবেদারি।

তবে আশার আলো হচ্ছে- কিছু লোক জানেন এক তৈলে চাকাও ঘোরে আর তৈলে মনও ফেরে; তারপরও তারা তেল দেন বা তেল নেন না। তোতা পাখির দৌরাত্ম্য পছন্দও করেন না। তেলবাজদের তেলেসমাতিতে সমাজে বিচূর্ণ হয়েও ব্যক্তিত্ব ভুলেন না। সাধারণত তেলবাজরা হয় অনেক লোভী, অনেক চালাক ও ভয়ংকর চতুর। প্রকৃত দুঃসময়ের মানুষগুলোও তেলবাজদের ভীড়ে ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। তেলবাজরা তোতা পাখীর মতো সর্বময় সুবিধা নিয়ে চলে। অথচ ইতিহাসে মরে যায় তেলবাজরাই।

তেলবাজরা ভুলকেও সত্য নামের আয়নায় জায়গা করে দেয়ায় অনেকে ছদ্মবেশী শুদ্ধ মানবে পরিণত হচ্ছে। সর্বত্র তেলের ছড়াছড়ি! সমাজ তেলবাজরা এতটাই পিচ্ছিল করে দিচ্ছে যে, আত্মসম্মান নিয়ে যারা চলতে চায় তারা পিছলে পড়ছে। মধ্যস্বত্ত্বভোগি সুবিধাবাদীরা তেল থেরাপি দিতে দিতে বলে, যা করেছেন ঠিক করেছেন। যা করবেন তাও ঠিকই করবেন। যা করবেন না ভাবছেন তাও করুন।

তেল ইচ্ছা করলেই যে কেউ মারতে পারেন না। তেল মারার জন্য বিশেষ যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। যেমন: তেলবাজ হওয়ার প্রথম শর্ত সম্মানবোধ থাকতে পারবে না। লজ্জা শরমের মাথা পানি দিয়ে ধুয়ে খেয়ে ফেলতে হবে। হয়ত টয়লেট পরিষ্কার করে দিতে হতে পারে এতে পিছপা হলে চলবে না। যাকে তেল মারবে তার যতটা সম্ভব কাছাকাছি থাকতে হবে।

যত কষ্টের কাজই হোক করতে হবে কারন তার পরেই সফলতা অপেক্ষা করছে। মাঝে মাঝে নিজের প্রশংসাও করতে হবে। অনেক কিছুই না পারলেও আমি এটা পারি, সেটা পারি ইত্যাদি বলতে হবে।  অন্যদের দোষগুলো তুলে ধরে নিজেকে দুধে ধোঁয়া তুলসী পাতা হিসেবে জাহির করতে হবে। অন্য কেউ এসে যেন নিজের জায়গা দখল করতে না পারে সেজন্য এমন কিছু ফর্মূলা এপ্লাই করতে হবে যাতে অন্যরা খারাপ বলে চিহ্নিত হয়।

তেলবাজির তেলেসমাতি এমন যে- যে তেলবাজি করতে পারেন না, তার অর্ধেক যোগ্যতা নেই। নিজের সুনাম-প্রশংসা শুনতে চায় এমন বড়কর্তাকে গুছিয়ে গুছিয়ে তেল মারতে পারলেই সিংহভাগ কাজ আদায় হয়ে যায়। তেলবাজি করে অনেকে সমাজে বেশ দ্রুততার সাথে উন্নতি করতে পারে আবার অতিরিক্ত তেলবাজি করে কখনো কখনো তলিয়েও যায়।

অনেকে তেলবাজদের পক্ষে নেই, অথচ নিজে তেলবাজি করেন। তেলবাজিতে তিনিই সিদ্ধহস্ত, যিনি জায়গা মত তেল মারতে পারেন। এমনো তেলবাজ-চাপাবাজ মানুষ আছে যাদের কর্মে দক্ষতা নেই কিন্তু মুখের ভাষা দিয়েই বুঝান তার চেয়ে বড়  শুভাকাঙ্ক্ষী আর কেউ নেই। অথচ তেলবাজরা নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়া আর কোনো কিছু দেখতে না পাওয়ায় মাঝে-মধ্যে নিজের মালিককেই অতিরিক্ত তেলে ডুবিয়ে মারে।

তেলবাজরা যে সমাজের নীতিনির্ধারক- সে সমাজ হয়ে পড়ে মেধাশূন্য, ভেংগে পড়ে শিষ্টাচার, শিক্ষিত মানুষের মূল্যায়ন হয় প্রশ্নবিদ্ধ। তাই তেলবাজি দিয়ে নয় কর্ম দক্ষতা দেখে সবাইকে মূল্যায়ন  করা উচিত। বিত্তশালী-প্রভাবশালীরা তেলবাজ-চাটুকার হতে সাবধান হোন। তেলবাজির ভয়ানক ব্যাধি থেকে সমাজকে মুক্ত করুন।

চারপাশের পোষা তেলবাজগুলো অজান্তেই ক্ষতি করছে কি-না খেয়াল করুন। তেল মারার উপায়ে কেউ কামিয়াবি হতে চাইলে তাকে ফেরান, পরিশ্রম ও প্রতিযোগিতায় আগ্রহী করুন। ব্যর্থতা আড়াল করতে নিজেদের মতো করে তৈলাক্ত ইতিহাস রচনাকারী তেলবাজদের রুখে দিন।

 

 

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *