অপরাধীকে সমর্থন নয়, বয়কট করুন

চোখ দুটি বন্ধ করে একটু গভীরভাবে ভাবুনতো- সেই মেয়েটির কথা বখাটেদের ক্রমাগত উৎপাত ও ইভটিজিংয়ের কারণে যার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়েছে, সেই মায়ের কথা যার ঘরে গণধর্ষিতা মেয়েটির বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে, সেই কিশোরটির কথা যে পরকীয়াসক্ত বাবা-মায়ের বিবাদে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মহত্যা করতে গিয়ে চিরপঙ্গুত্ব বরণ করেছে, সেই বাবার কথা যে চরম দরিদ্রতার কারণে নিজের সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছে। নিরিবিলি বসে একটু চিন্তা করতে পারেন- বাবা-মাকে খুন করে নিজের ফাঁসির আদেশ শুনার অনুভূতির কথা, নির্যাতনে মুমূর্ষু হয়ে হাসপাতালে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কাতরানো গৃহকর্মী মেয়ের মাথায় হাত বুলায়ে মায়ের অশ্রুপাতের কথা, পেটে-ভাতে দিন-রাত খেটেও মালিকের কাছ থেকে শারীরিক নির্যাতনে ব্যথায় ঘুমাতে না পারা ফুটপাথে শুয়ে থাকা শিশুটির কথা। কী ভাবতে পারছেন! ভাবতে খুব কষ্ট হচ্ছে? অথচ অহরহ এমন অসংখ্য ঘটনা ঘটছে! এমন ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য পারিবারিকভাবে অপরাধকে না বলুন।

মূল্যবোধ তলানিতে

ছেলে বৃদ্ধা মাকে রাস্তায় ফেলে দিচ্ছে, চিকিৎসা দূরে থাক বাবার মৃত্যুর পর দাফন-কাফন-জানাযার প্রয়োজনও মনে করছে না উচ্চশিক্ষিত- প্রতিষ্ঠিত সন্তান। আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম কিংবা অনেক বৃদ্ধাশ্রম গড়ে উঠছে এসব কারণেই। নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ তলানিতে! চিন্তা করুন- যেই এতিম শিশুটি শ্রম বিক্রি করে অসুস্থ মায়ের মুখে অন্ন জোগায়, যেই মেয়েটি দেহ বিক্রি করে হাসপাতালে বাবার চিকিৎসা করায়, নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত পরিবারের যে কর্তা ব্যক্তিটি দালালের খপ্পরে পড়ে ঋণের টাকায় বিদেশ যেয়ে ফেরত এসে পাওনাদারের তাগাদায় অতিষ্ঠ হয়- তাদের জীবনের কথা। যেই মায়ের সন্তান মারা গেছে সড়ক দুর্ঘটনায় কিংবা রাজনৈতিক সহিংসতায়, নিঃস্ব বাবার আশা-ভরসার প্রাণপ্রদীপ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেধাবী ছেলেটি যখন পঙ্গুত্ব বরণ করেছে ছাত্রসংগঠনের সহিংসতায়- তখন অসহায় মানুষদের হাসিমুখ দেখবেন কী করে!

পশুর চেয়েও নিৎকৃষ্ট

যেই স্ত্রী মাদকাসক্ত স্বামীর মারের ভয়ে ঠিকমত ঘুমাতে পারে না, যেই ছেলে বাবা ফেরার অপেক্ষায় ক্লান্ত হয়ে ঘুমালেও স্বপ্নের ঘোরে বাবা-বাবা বলে চিৎকার করে উঠে, মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকা যেই কয়েদি ন্যায়বিচার পেয়ে মুক্তির আশায় যৌবনের দিন-রাত পার করে বার্ধক্যের দিকে ধাবিত হতে থাকে, প্রেমিকার সুখের সংসার গড়ার স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসে তবু প্রেমিকের চাকরি মিলে না, বোনের চোখের পানি শুকিয়ে যায় তবু ভাই ফেরত আসে না- তাদের কেমন জীবন!

যেই মা-বাবা নিজের সন্তানের রক্তে হাত রঞ্জিত করতে পারে, যে সন্তান  নিজের মা-বাবাকে হত্যা করতে পারে, যে ভাই-বোন নিজের ভাই-বোনকে খুন করতে পারে- তাদের কাছে কেউ নিরাপদ নয়। তাদের হিংস্রতা ও নিষ্ঠুরতা পশুকেও ছাড়িয়ে যায়। ধর্ষিতার জন্য পরিবার যতটা বিড়ম্ভনার শিকার হয়, ধর্ষকের পরিবার কি ঠিক ততটা হয়? ধর্ষকেরও তো মা আছে, বোন আছে; ফলে ধর্ষককে তো তার নিজ পরিবারেরই সবার আগে বয়কট করা উচিত। পরিবারের অন্য সদস্যদের কোনো অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া বা অপরাধকে আড়াল করার মানে তারাও অপরাধী। অপরাধীর কোনো সমাজ নেই, কোনো পরিবার নেই; শাস্তিযোগ্য অপরাধ করলে তার শাস্তি হওয়া উচিত।

অপরাধীকে সমর্থন

নারী শুধু ঘরের বাইরে অপরিচিতদের দ্বারাই কি শুধু নির্যাতনের শিকার হয়? মোটেই না। নিকটাত্মীয়দের দ্বারাও ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষণের চেষ্টা, উত্ত্যক্তকরণ ও যৌন হয়রানি সবই হয়। ফলে পারিবারিক কলহ, হত্যা ও শিশু অপহরণের মতো ঘটনায় কেউ জড়ালে সে কাছের বলে তাকে সমর্থন দেয়ার মানসিকতা বন্ধ করতে হবে। আদুরীর মতো অনেক গৃহকর্মী নির্যাতিত হচ্ছে, ধর্ষিত হচ্ছে, আহত হচ্ছে, নিহত হচ্ছে, ছুড়ে ফেলা হচ্ছে বহুতল ভবনের ছাদ থেকে। গৃহকর্মীদের ‘মানসিক রোগী’ বলা হচ্ছে, নির্যাতনমূলক মৃত্যুকে ‘অপমৃত্যু’ আর হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার প্রবণতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক-দেড় হাজার টাকা মজুরি দিয়ে নয় ঘণ্টা থেকে অনির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত খাটানো হচ্ছে, ঠিকমতো খাবার-পোশাক দেয়া হয় না।

গৃহকর্মে নিয়োজিত ৪৫ শতাংশ শিশুকে তাদের শ্রমের যথাযথ মূল্য পরিশোধ করা হয় না।  সিলেটের শিশু রাজন হত্যা এবং খুলনায় রাকিব হত্যা বহুল আলোচিত ঘটনা, এমন ঘটনা কত ঘটছে তার ইয়ত্তা নেই। এসব ঘটনার ভিলেনদের গালেও মমতায় চুমু খাচ্ছে সন্তান, প্রেম-ভালোবাসার রসে সিক্ত করছে স্ত্রী, মা-বাবা মমতায় হাত বুলাচ্ছে মাথায়! যদি সন্তান বলতো ঘুষ খাওয়া না ছাড়লে বাবা ডাকবো না; স্ত্রী বলতো দামি গয়না-প্রসাধনী-বিলাসী সামগ্রীর দরকার নেই, প্রয়োজনে ডাল-মোটা চালের ভাত খাবো তবুও সুদ ছেড়ে দাও, নতুবা এক বিছানায় ঘুমাতে দিব না; বাবা-মা বলতো জীবন মানে দামি গাড়ি-বাড়ি-সম্পদ-ব্যাংক ব্যালান্স নয়, সাফল্যের চেয়ে সার্থকতা বেশি প্রয়োজন। তাহলে চিত্রটা ভিন্ন হতো!

পরের অধিকার হরণ

প্রত্যেক মেয়ের একজন বাবা আছেন, প্রত্যেক ছেলের একজন মা আছেন; সব স্বামীর আছেন স্ত্রী। তাহলে মেয়ে, মা ও স্ত্রী হিসেবে নারীদের পাশে কেন সবাই দাঁড়াচ্ছে না! যৌতুক, পৈতৃক সম্পত্তি, স্বামীর সম্পত্তির কারণে পারিবারিক নির্যাতনে পুরুষের সহযোগী হচ্ছে নারীরাও। রাস্তায়, বাসে, কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন নিপীড়নের ঘটনা ও ভয়াবহতা বাড়ছে। প্রেমের নামে জনসমাগমস্থল বা পাবলিক প্লেসে ছেলেদের হাতে উত্যক্ত বা হয়রানির শিকার হয়ে যেসব মেয়ে আত্মহত্যা করেছে তাদের বাবার খালি বুক কখনো পূরণ হবে না। কিন্তু উত্ত্যক্তকারীতো কোনো পরিবারের সদস্য, কেন বখাটেদের পরিবারের সদস্যরা তাদের এই দৌরাত্ম্য থামাতে উদ্যোগী হচ্ছে না।

পরিবারের মুরুব্বির হাতে তসবিহ থাকে, জায়নামাজে বসে অশ্রুপাত করেন; অথচ ছেলেকে জিজ্ঞেস করেন না তুমি এতগুলো ফ্ল্যাট কিনলে কিভাবে? আপনি দামি পোশাক-বিলাসী জীবনোপকরণও চাইবেন, কয়েকদিন পরপর সিঙ্গাপুর-থাইল্যান্ড-নেপাল ঘুরতে চাইবেন, চাইনিজে-বুফেতে খাইতে চাইবেন, অসুস্থ হলেই বিদেশে চিকিৎসা করাতে বলবেন; আবার সন্তানকে স্মরণ করিয়ে দিবেন- ঘুষ দেওয়া ও খাওয়া দু’টাই হারাম, সুদ দেয়া-নেয়া-লেখা-সাক্ষী হওয়ায় কবিরা গুনাহ, পরের অধিকার হরণে জাহান্নাম! ছেলের আয়-ব্যয়ের সামর্থ্য বিবেচনা না করে চাহিদা বাড়িয়ে চলবেন আর চাইবেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সৎ-নীতিবান হোক! মানে তেঁতুল গাছ লাগিয়ে আম খাওয়ার স্বপ্ন আর কী!

বন্ধনে শিথিলতা

পরিবারে দ্বন্দ্ব সন্তানদের মাদকের প্রতি বেশি আসক্ত করছে। অথচ পারিবারিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে মাদক প্রবেশের কোনো সুযোগ পাওয়ার কথা নয়। পারিবারিক বন্ধনের শিথিলতার কারণে উচ্চশিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানেরাও জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। আপনি অবসর সময় কাটাবেন অনলাইনে-গেমস খেলে-উৎসবে-পার্টিতে; আর সন্তানকে সময় না দিয়েই আশা করবেন সে মানুষের মতো মানুষ হবে! টাকা দিলে-লেখাপড়া করালে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-পাইলট হয়তো পাওয়া যায়; কিন্তু সন্তানকে সময় না দিলে, নৈতিক-মানবিক মূল্যবোধ না শিখালে সে মানুষ হয় না।

অভিভাবকরা যদি প্রথমে সন্তানকে মানুষ বানিয়ে পরে অন্যকিছু বানানোর চেষ্টা করতেন; তাহলে পেশায় ডাক্তার হয়েও ব্যবহার কসাইয়ের মতো কিংবা পেশায় শিক্ষক হয়েও ছাত্রীদের সাথে উচ্ছৃঙ্খল-বখাটেদের মতো ব্যবহার দেখতে হতো না। যে শিখেছে ক্যারিয়ারই জীবনের সবকিছু, জনপ্রিয়তা-খ্যাতিই সবচেয়ে মূল্যবান; তার কাছে মানুষের আবেগ-অনুভূতির চেয়ে অর্থ-বিত্ত-ক্ষমতাই গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক।

অপরাধীর সংশোধন

অপরাধীরাও সাধারণত নিজ পরিবারের আশ্রয়-প্রশ্রয়-সমর্থন পায়; এই প্রবণতা দূর করতে হবে। সাপ পুষলে সাপের ফণায় জীবন দিতে হয়। অপরাধীকে সংশোধনের চেষ্টা পরিবারে হতেই পারে; তবে তাতে কাজ না হলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তুলে দেয়ার মানসিকতাও তৈরি করতে হবে। একটি অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার আন্দোলন পরিবার থেকেই শুরু হতে হবে। অপরাধী যদি সহযোগিতা-সহমর্মিতা-সমর্থন না পায় তবে সে সংগঠিত অপরাধ করতে পারবে না।

অপরাধকে ঘৃণা করা এবং অপরাধকে প্রতিরোধ করার মানসিকতা বাড়াতে হবে। অন্যায়-নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে হবে; শুধু নীরবে সহ্য করে গেলে হবে না। অপরাধ যে করে সে সাধারণত মানসিকভাবে দুর্বল থাকে, তাই শক্ত প্রতিবাদে সে অনেক সময় দমে যাবে। বড় কথা হচ্ছে সচেতন না হলে, প্রতিবাদ না করলে, প্রতিরোধ না গড়লে- প্রতিকার হবে না। যে সমাজের শত্রু সে কখনো পরিবারের বন্ধু নয়। তাই প্রতিটি পরিবার হোক অপরাধীর সংশোধানাগার ও দূর হোক অপরাধপ্রবণতা।

দায় এড়ানো

যখন জানাজানি হচ্ছে- তখন বলা হচ্ছে আগে জানেনি-বুঝেনি। পরিবারই ভালো জানে একজন কয়টায় ঘর থেকে বের হয়, কয়টায় ফিরে, কী ধরণের জীবন-যাপন করে। একজন চাকরি-ব্যবসা কিছু করে না; অথচ বউয়ের জন্য দামি গিফট আনে, সন্তানকে সচিব বাবার চেয়েও বেশি হাতখরচ দেয়। তাদের মনে কেন প্রশ্ন জাগে না অর্থের উৎস নিয়ে! চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই-চাঁদাবাজির মতো এমন কিছু অপরাধ আছে যার জন্য পরিবারকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায়!

কারণ মানুষ রূপী অমানুষরাও পরিবারেই বসবাস করেন। পুলিশের খাতায় ২০০২ থেকে ২০১৫ সাল অবধি ক্রাইমের সংখ্যাটা-খুন ৫৫৮২৫, দাঙ্গা ৫৩১৫, অপহরণ ১১৮৮৭, নারী নির্যাতন ২৪৩৩৭৩, মাদক অপরাধ ৩৪১১৭৭, স্মাগলিং ৮১৫৩৫, মোট অপরাধ সংখ্যা- ২১৫৭২৫৬। দেশে প্রতি মিনিটে ১৩৮৯ ইয়াবা মাদক হিসেবে গ্রহণ করছে বিপথগামী তরুণ সমাজ।

এমনও অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে যেখানে ব্যক্তি নয় গোটা পরিবারই দায়ী, অপরাধ জেনে গোপন করা কিংবা সুবিধাভোগী হওয়াও তো অপরাধ। কারো আচরণে গোটা সমাজ আতঙ্কিত অথচ নিজ পরিবারে সে কোনো বাধাই পাচ্ছে না- এটা কেমন কথা! অপরাধে পরিবারের দায় এড়ানোর প্রচেষ্টার কারণে সামাজিক বন্ধন ক্রমশ আরো দুর্বল হচ্ছে।

নিৎকৃষ্ট কর্ম

যে মনের দিক থেকে পরিশুদ্ধ নয়, সাবান-শ্যাম্পু তাকে পরিশুদ্ধ করতে পারবে না। একটি শান্ত এবং পরিচ্ছন্ন জীবন অনেকগুলো নোংরা হাত ও অভিশপ্ত প্রাণের চেয়ে শক্তিশালী।  তাই অপরাধীর ওপর ভরসা না করে নিজের হাত ও পায়ের ওপর ভরসা করার অনুশীলন করতে হবে, সংসারে নৈতিকতার জাগরণ ঘটাতে হবে। খারাপ আনন্দের চেয়ে পবিত্র কষ্ট অনেক বেশি মর্যাদার। মহৎঅন্তর কখনো ক্ষণিকের ভোগ-বিলাসী জীবনের জন্য অপরাধের বীজ বপন করে না। নিৎকৃষ্ট কর্ম থেকে উৎকৃষ্ট ফলাফল আশা করলে জীবন হয় স্থবির-অবাঞ্ছিত। সুকর্মই জীবনে আনে প্রকৃত অগ্রগতি, দুষ্কর্ম জীবনকে দুঃসহ করে তোলে।

সমাজের শত্রু

অপরাধীর সাথে উৎসব করাটাও অনেকের অনুতাপের কারণ হয়। যে পরিবারের বন্ধু নয় সে সমাজেরও শত্রু। একজন অপরাধীর কারণে অনেকের হৃদয় আহত হয়, বিশ্বাসে চিড় ধরে, মূল্যবান অনেককিছুই মূল্যহীন জিনিস দ্বারা পরিবর্তিত হয়ে যায়, মনের চেয়ে চোখ সবল হয়ে যায়, সুখ-পরিতৃপ্তি সুদূরে হারিয়ে যায়। অপরাধীকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়ার জন্যও প্রয়োজন হয়- কুৎসিত মন, নারকীয় চিন্তার, শয়তানি বুদ্ধির ও বিকৃত রুচিবোধের।

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *