সুশিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, সুশিক্ষিতরাই আলোকিত মানুষ

আনিসুর রহমান এরশাদ

জাতি হিসেবে শিক্ষিত হচ্ছি কিন্তু সুশিক্ষিত হতে পারছি না। অথচ শিক্ষা নয়, সুশিক্ষার বড় প্রয়োজন। সুশিক্ষাই জাতির জন্য বড় শক্তি; যা জীবনের দুঃসময়ে প্রাণের পরশ জাগায়। সামাজিক উৎপাদনের লক্ষ্যে সঙ্ঘবদ্ধ ও অবিচ্ছিন্ন শ্রমের মাধ্যমে যুগযুগ ধরে সঞ্চিত যে মূল্যবান মানবিক অভিজ্ঞতাকেই সুশিক্ষা বলে। সুশিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এখন আর ‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড’ নয় বরং ‘সুশিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’।

সুশিক্ষতরাই সুনাগরিক

সুশিক্ষতরাই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের নিকট সমাদৃত হন, তাদেরকেই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা হয়। তারা সর্বদা সত্যকথা বলেন, সহজ-সরল পথে চলেন, মানুষের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করেন, অন্যায় কোনো কাজ করলে নিজেই তা স্বীকার করেন। যে শিক্ষায় আত্মবিকাশ হয় না, মানুষ পাল্টে যায় না, গভীর জীবনবোধ-মানবিক-নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করে না, বিবেকের জাগরণ সৃষ্টি করে না, সুস্থ ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটায় না- তা সুশিক্ষা নয়।

সুশিক্ষা অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখে, লোভ-লালসা-স্বার্থ চরিতার্থ থেকে মুক্ত রাখে, নৈতিকতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে, স্বশিক্ষায় রূপান্তর করে, প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন আনে, মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করে, মানবিক মূল্যবোধে দীক্ষিত করে, বিবেকবোধ জাগ্রত করে, খাঁটি দেশপ্রেমিক বানায়। সুশিক্ষা মানুষকে স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে রাখে; কর্মক্ষেত্রে নীতিবান হতে সাহায্য করে, দুর্নীতিমুক্ত রাখে, সৎপথে উপার্জনে উদ্বুদ্ধ করে, অমঙ্গলকর কাজ থেকে বিরত রাখে, মঙ্গলজনক কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে, কল্যাণবোধ জাগ্রত করে, ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝতে এবং মন্দকে পরিহার করে ভালোকে গ্রহণ করতে শেখায়।

সুশিক্ষার আলোয় আলোকিত নাগরিকেরা স্ব স্ব অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন, কঠোর পরিশ্রমী কর্মঠ, লোভ-লালসা চরিতার্থে অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করেন না এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য সর্বজনীন বস্তুনিষ্ঠ মানদন্ড তথা বিবেক থাকে তাদের। কুশিক্ষায় অপরাধবোধ জন্মে, নীতির বিরুদ্ধাচরণের প্রবণতা বাড়ে, নিজের ক্ষতি সাধন হয়, অশুদ্ধ বিবেক অর্জিত হয় ও দায়িত্ববোধ জন্ম নেয় না। এই জন্যেই কথায় বলে- মানুষ তার জন্মের জন্য দায়ী নয়, কিন্তু কর্মের জন্য দায়ী না হয়ে পারে না। ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা, পাপ-পুণ্য, অন্যায়-অসত্য এসবের ধারণা সর্বজনীন। পরোপকার করা, মানুষের কল্যাণে জীবন নিবেদন করা সদা-সর্বত্র প্রশংসনীয়।

সুশিক্ষিতরাই সুখী

মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ প্রকাশিত ও বিকশিত হয় অন্যদের সাহচর্যে। প্রকৃত শিক্ষাদান ও শিক্ষাগ্রহণের জন্য চাই উপযুক্ত পরিবেশ ও ব্যবস্থা। শিক্ষাদানের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ জীবনের ভিত্তি হিসেবে গড়ে উঠল কিনা তা মূল্যায়ন করা জরুরি। শিক্ষিতরা  যদি লোভ-লালসার বশবর্তী হয়ে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়, ফাঁকি দেয়, দায়িত্বে অবহেলা করে, বক্র  কৌশল ব্যবহার করে লাভবান হতে চেষ্টা করে; সেই শিক্ষিত আসলে জ্ঞানপাপী।

এরা পরিবার ও সমাজের দায় বা বোঝাস্বরূপ, সম্পদ নয়। শিক্ষিত মানুষ যদি চোর হয়, ঘুষখোর হয়, সুদখোর হয়, সন্ত্রাসী হয়- তাহলে সেতো অনেক বেশি ভয়ানক।  সার্টিফিকেট দিয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায় না, প্রকৃত অর্থে সুখী হওয়া যায় না। সার্টিফিকেট ক্যারিয়ার-উপার্জনে সহায়ক, মানুষ হবার নিশ্চয়তা দেয় না। দায়িত্বে অবহেলা না করা, ঘুষের পয়সা দিয়ে সন্তানদের খাদ্যের সংস্থান না করা, সৎভাবে উপার্জিত পয়সা দিয়ে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করতে সচেষ্ট হতে হবে।

যারা সুশিক্ষিত হতে পারেনি, তারা শিক্ষার মাধ্যমে সুকুমারবৃত্তির পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারেনি। সুশিক্ষিতরা শিক্ষাকে সৎ আর ন্যায়ের পথে কাজে লাগান, অপরের দোষ খুঁজে বেড়ান না, যৌক্তিকতাকে আমলে নেন, আকাক্সিক্ষত বস্তুটি যেকোনো উপায়েই পাওয়ার জন্য মরিয়া হন না, নিজ স্বার্থের দিকে নজর না দিয়ে অযৌক্তিকতাকে দূরে ঠেলেন, একরোখা আচরণ বা গোঁয়ারতুমি করেন না এবং সুন্দরকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ব্রতী হন। যিনি যত সুশিক্ষিত তিনি তত উন্নত ও মহৎ মানুষ।

সুশিক্ষিত মানুষ মাত্রই স্বশিক্ষিত, তাদের  সমাজ-দেশ-জাতিকে কিছু দেয়ার মন-মানসিকতা থাকে, তারা নিজেকে চিনতে পারে, সুপথে চলে, সুকাজ করে, সুন্দর নৈতিক চরিত্র গঠন করে, সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলে। সুশিক্ষিতরা প্রকৃত জীবন যাপনের উপযোগী হয়, সঠিকভাবে শরীর প্রতিপালন করে সুস্থ-সবল হয়, মনের উৎকর্ষ সাধনে নিয়োজিত হয়ে সচেতন মানুষ হয়,  নৈতিকভাবে সবল ও উপযুক্ত সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

সংস্কৃতিমান ও দক্ষ

সুশিক্ষা মানুষকে সংস্কৃতিমান করে তোলে, নিজেকে চিনতে-জানতে-আবিষ্কার করতে সক্ষম করে। সুশিক্ষিতরা অপরের দোষ খুঁজে বেড়ায় না, অপরের দোষ দেখলে তাকে আড়ালে সংশোধন হওয়ার পরামর্শ দেয়, কোনোরকম অন্যায় ও নিষ্ঠুরতায় আগ্রহী নয়, অন্যায় ও নিষ্ঠুরতাকে মনে প্রাণে ঘৃণা করে। সুশিক্ষার কাজ হলো বুদ্ধির উৎকর্ষতা বৃদ্ধি।

আমাদের সমাজে বুদ্ধির উৎকর্ষতায় শীর্ষে এমন লোকের সংখ্যা হাতেগোনা। বেশি বুদ্ধির লোকদের বলা হয় চতুর, আর বুদ্ধির উৎকর্ষ সাধন করে যে এদের বলা হয় মনীষা। সৈয়দ আবুল মকসুদের১০৮ ভাষায় বলতে হয়: ‘মেধাবীরা যদি শুধু বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করাকেই জীবনের ধ্রুবতারা মনে করে; গাড়ি পাবে, ফ্ল্যাট কিনবে অভিজাত এলাকায়-এসবই হয় তাদের লক্ষ্য, তাহলে তাদের থেকে জাতি কিছু পায় না।’

সুশিক্ষায় ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন থাকতে হবে। সুশিক্ষার মাধ্যমে মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও উদারতা শেখার সংস্কৃতি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনতে হবে; নিজস্ব সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। সুশিক্ষা মানেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়। সুশিক্ষা আসলে মানুষকে দক্ষ করে এবং অনুকূল অথবা প্রতিকূল পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয়ার শক্তি জোগায়। তার ভেতরের সৃজনশীলতা ও গুণাগুণ বাড়িয়ে দেয়। মন ও আত্মার সমন্বিত বিকাশ নিশ্চিত করে।

জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালে

সুশিক্ষা শরীর-মন-আত্মার সমন্বিত বিকাশ ও ব্যক্তির মধ্যে নিহিত থাকা যুক্তিসিদ্ধ ভাবধারাগুলোর যথার্থ বিকাশ নিশ্চিত করে। কুশিক্ষা সেটাই যা অন্তর থেকে ন্যায়-নিষ্ঠা, দয়া-মমতা, প্রেম-ভালোবাসা, ক্ষমা-সহিষ্ণুতা, সত্য-অহিংসা, পরোপকার, উদারতা প্রভৃতি সদগুণের মহাপ্রয়াণ ঘটায়।  সুশিক্ষা প্রদানে, সুকোমল মনোবৃত্তিকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে, মনোজগতের অন্ধকার বিদূরিত করে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালাতে এবং অন্তর্নিহিত সদগুণের সঠিক প্রকাশে ভূমিকা রাখতে সুশিক্ষা প্রয়োজন। সুশিক্ষা অজ্ঞানতা ও কুসংস্কার দূর করে। সুশিক্ষায় আলোকিত ব্যক্তির প্রতি বিমুগ্ধ শ্রদ্ধা, তার মুখ-নিঃসৃত বাণী মনে আনে গভীর প্রশান্তি। ভুবন-বিজয়ী বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট১০৯  বলেছিলেন ‘আমাকে তোমরা শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের শিক্ষিত জাতি দেব।’

মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত

বাবা-মা চায় তাদের সন্তানরা ইভটিজিং করবে না, এসিড নিক্ষেপ কিংবা ধর্ষণের মতো অমানবিক কাজে যুক্ত হবে না, উগ্রপন্থী হয়ে মানুষের গলা কেটে রক্তের লাল বন্যা দেখে জীবনের সার্থকতা খুঁজবে না।  আর এজন্য দরকার সঠিক পারিবারিক শিক্ষা। পারিবারিক শিক্ষা সঠিক হলে সে রাজনীতি করলেও গাড়ি পুড়াবে না, পদোন্নতির জন্য অন্যায়কে ন্যায় বলবে না, সাফল্যের জন্য মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নিবে না; অশ্লীলতা-মাদক-নৃশংসতাকে ঘৃণা ভরেই প্রত্যাখ্যান করবে। সুশিক্ষিত-ভদ্র-নম্র-বিনয়ী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। নৈতিকতা ও মূল্যবোধ ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমেই জাগ্রত হয়।

মানুষের বিবেককে জাগানো, অচেতন মনে চেতনা জাগানো, হৃদয়কে আলোকিত করা, অন্তরে যা কিছু সুন্দর-ভালো-কল্যাণকর তার প্রতি আকর্ষণবোধ তৈরি করা, পুণ্যের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং পাপ-পঙ্কিলতা বর্জন করার মানসিকতা তৈরি হয় ধর্মীয় জ্ঞান থেকে। যদিও বর্তমানে ধর্মীয় জ্ঞানে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জকারীদের মধ্যেও জ্ঞানীর চেয়ে জ্ঞানপাপীদের সংখ্যাই বেশি দেখা যায়।

তোতা পাখির মত মুখস্থ করে ধর্মীয় গভীর জ্ঞান উপলব্ধি হয় না। ধর্মের সুস্পষ্ট ধারণা থাকলে ধর্মের যে দাবি-বক্তব্য-দৃষ্টিভঙ্গি সেটি স্পষ্ট রূপে না বুঝায় অনেক ধরণের কুসংস্কার ও গোঁড়ামি মিলে তৈরি হয় ধর্মান্ধতা। নানা অন্ধবিশ্বাস আর অস্পষ্টতার সমন্বয়ে অপ্রয়োজনীয় বিষয়কে প্রয়োজনীয় মনে করে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে গুরুত্বহীন মনে করে, অনাকাক্সিক্ষত বিপর্যয় ডেকে আনে, অপ্রত্যাশিতভাবে বয়ে আনে অভিশাপ ও সৃষ্টি হয় নানা বিভ্রান্তির।

জ্ঞানার্জনকে গুরুত্ব দিন

বিদ্যান্বেষণ মহৎ কাজ। জগতের সবচেয়ে পবিত্র বস্তু জ্ঞান আহরণ করে জ্ঞানী ব্যক্তি সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হতে পারে। বিদ্যা অর্জনের মাধ্যমে অমরত্ব লাভ হয়। জ্ঞানের শক্তিই সকল শক্তির সেরা।  সব শক্তির উপরই প্রভাব বিস্তার করতে পারে জ্ঞানের শক্তি। তাই অজ্ঞতা মানেই সমস্যা প্রতিবন্ধকতা। সমস্যার সমাধানে শিক্ষা অর্জন ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তবে হ্যাঁ সুশিক্ষাই শ্রেষ্ঠত্ব পরিমাপের অন্যতম মানদণ্ড হতে পারে, কুশিক্ষা নয়।

কাজের মধ্যেই মানসিক তৃপ্তি খুঁজে নেয়া, ব্যক্তিগত যোগ্যতার বিকাশ, নিজের প্রতি পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, উচ্চ আশা, বিশাল স্বপ্ন, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও দূরদর্শিতা এগুলো সাফল্য অর্জনে ভূমিকা রাখে। বাস্তবতা উপলব্ধি করার ক্ষেত্রে প্রজ্ঞা গুরুত্বপূর্ণ। যৌথ উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন  চাই। প্রত্যেককেই দক্ষ হতে হবে। উৎসাহ-উদ্দীপনা, আবেগ-উচ্ছ্বাস আর প্রাণচঞ্চলতা ও প্রাণোচ্ছলতায় পরিপূর্ণ মনের অধিকারী হতে হবে।

আলোকিত মানুষ গড়ুন

শিক্ষকগণের অশিক্ষক সুলভ আচরণের কারণে শিক্ষার্থীকে কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট টিউটর এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ার উপর ভরসা করতে হয়। যে যত বেশি এগুলোর পেছনে টাকা ও  সময় ব্যয় করতে পারবে সে তত বেশি শিখতে পারবে। এমন অনেক বিদ্যা বিক্রেতা আছেন যারা তাদের কাছে যেসব শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়ে না, তাদেরকে পরীক্ষায় নম্বর কম দেন, বিনাকারণে খারাপ আচরণ করেন এবং যারা পড়ে তাদের পরীক্ষার প্রশ্ন আগেই জানায়ে দেন।

টাকার জন্য নয় আলোকিত মানুষ গড়ার জন্য শিক্ষাদান-পাঠদান-জ্ঞান বিতরণের সাথে যুক্ততা দরকার। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, হলে নকল করার সুযোগ দেয় ও সহায়তা করা, সঠিকভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন না করায় শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় হচ্ছে ব্যাপকভাবে। এমতাবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক বাছাইয়ে অভিভাবকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

পরিবার.নেট

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *