ফুটপাথের দোকানি থেকে দেশের প্রেসিডেন্ট হালিমা

আনিসুর রহমান এরশাদ

হালিমা ইয়াকুব নগর রাষ্ট্র সিঙ্গাপুরের ৮ম প্রেসিডেন্ট। দেশটির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তিত্ব। ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশ সিঙ্গাপুরে স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট তিনি। হিজাবি এই মুসলিম নারীই প্রথম মুসলিম নারী প্রেসিডেন্ট।

নারীর জন্য আইকন

সারা বিশ্বের মুসলিম নারীসহ সারা পৃথিবীর সব নারীর জন্য তিনি একটি আদর্শের নাম। একটি আইকন। মুসলিম উম্মাহর গর্ব। সামান্য একটি দরিদ্র পরিবার থেকে বিশ্বের সর্বাধুনিক একটি দেশের সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থানে অধিষ্ঠিত হন তিনি। এরজন্য হালিমা কখনো তার ব্যক্তি স্বত্তা এবং মুসলিম ঐতিহ্যকে বিসর্জন দেননি। তার এই আদর্শিক অবস্থান প্রমাণ করেছে- কারো কোনো ব্যক্তি স্বত্তা বা জাতিগত আদর্শ কোনো সম্মান অর্জনের পথে অন্তরায় নয় বরং সহযোগি।

উৎসাহ জাগানিয়া

ঘাত-প্রতিঘাত আর সমস্যা সঙ্কুল পথ পাড়ি দিয়ে চলা অটল অস্তিত্বের অধিকারীনী একজন নারী তিনি। বিশিষ্ট এই রাজনীতিবিদের জীবনসংগ্রাম অনেকের জন্যই শিক্ষণীয় এবং উৎসাহ জাগানিয়া। তিনি সকল আঘাতকে শক্তির উৎস হিসেবে গ্রহণ করে সবসময় নতুন উদ্দোমে এগিয়ে চলেন।

জন্ম ও বংশ

হালিমা ইয়াকুব এক সংগ্রামী নারীর প্রতিচ্ছবি। পুরো নাম হালিমা বিনতে ইয়াকুব অর্থাৎ ইয়াকুব তার পিতার নাম আর তিনি ইয়াকুবের কন্যা হালিমা। কুইন স্ট্রিটে ১৯৫৪ সালের ২৩ আগস্ট তার জন্ম। হালিমা ইয়াকুব বাবার সূত্রে ভারতীয় বংশদ্ভূত এবং মায়ের সূত্রে মালয় বংশদ্ভূত।

পিতার মৃত্যু

মুসলিমরা যেহেতু বাবা বা পিতার বংশের হিসেবে বংশ পরম্পরা বিবেচনা করে সেহেতু হালিমা ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম নারী। তার ৪ বছর বয়সে তার পিতা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনিসহ তার চার ভাইবোন পরবর্তীতে মায়ের কাছে বড় হন। পরিবারের পাঁচ সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ তিনি।

নিঃস্ব-রিক্ত

১৯৬২ সালে তার বাবা যখন মারা যান, তখন তার বয়স মাত্র ৮ বছর। তার পিতা একজন পাহারাদার ছিলেন এবং বহু বছর ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এরপরও তিনি জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত পরিবার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। বাবা সন্তানদের জন্য তেমন কিছু রেখে যেতে পারেননি।

খাদের কিনারে সংসার

বাবার মৃত্যুর পর সংসার সামলাতে হালিমার মাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। উপার্জন করা একমাত্র মানুষটি চলে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই সংসারটি চলে যায় খাদের কিনারে। আর মা ছিলেন পুরো সংসারের ভরসা। সন্তানদের নিয়ে জীবন চালায়ে পরিবারটিকে রক্ষা করতে হিমশিম খেতেন তিনি। তখন উপায়ন্তর না পেয়ে হালিমার মা রাস্তার পাশে অবৈধভাবে দোকান দিয়ে খাবার বিক্রি করতেন।

চরম দারিদ্রতা

লাইসেন্স পাওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে ব্যবসা চালাতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় এভাবে চলতে তাদের খুব কষ্ট হয়েছে কিন্তু কখনো কারও কাছ থেকে ধার করতেন না। পরে অবশ্য হকার লাইসেন্স জোগাড় করে নিয়েছিলেন। প্রতিদিন তিনি সকাল ৪টায় খাবারের স্টলে কাজে যেতেন এবং রাত ১০টায় ফিরতেন। সবমিলিয়ে হালিমার পরিবারের সদস্যরা চরম দারিদ্রতার মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করে।

উচ্ছিষ্ট দিয়ে আহার

ছোট্ট হালিমা বিভিন্ন সময় তৎকালীন সিঙ্গাপুর পলিটেকটিকের সামনে এবং প্রিন্স এডওয়ার্ড সড়কের কাছে নাসি পেডং বিক্রিতে তার মাকে সাহায্য করতেন। ১০ বছর বয়স থেকে হালিমা স্কুলে আসা যাওয়ার পথে তার মাকে স্টলটি পরিষ্কার করা, বাসনপত্র ধোয়া, টেবিল পরিষ্কার, দোকানে ক্রেতাদের খাবার পরিবেশন প্রভৃতি কাজে মায়ের সঙ্গে হাত লাগাতেন। চোখের সামনে অনেক ভালো ভালো খাবার সাজানো থাকলেও খেতে পারতেন না। রাতে হোটেলের উচ্ছিষ্ট দিয়েই আহার করতেন মা ও মেয়ে।

ফুটপাতে খাবার বিক্রেতা

নানা কষ্ট এবং সমস্যা আর ভোগান্তিকে নিত্যসঙ্গী করে হালিমার এই সময়গুলো কেটেছে। ফুটপাতে খাবার বিক্রেতা তথা ফুটপাতের দোকানি থেকে দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়া চাট্টিখানি ব্যাপার নয়! প্রতিকুল পরিবেশে থেকেও যারা বড় হতে চায়, পারিবারিক ও সামাজিক নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়েও যারা পৃথিবীকে চমকে দিতে চায়, স্বীয় যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে রেখে অনন্য সম্মানের উচ্চতায় নিজেকে অধিষ্ঠিত করতে চায়- তাদের জন্য তিনি অনুপ্রেরণার অসাধারণ উৎস।

আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত

জীবনের এই কষ্ট-যন্ত্রণার সময়গুলো নিয়ে স্মৃতিচারণ করে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, আরো কিছুটা বড় হওয়ার পর যখন আমার ভেতর অভিমান জন্ম নেয়, তখন আমি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। জীবনের এই সময়গুলোতে অনেকবার নিজেকে আত্মহত্যার হাতে সঁপে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু যখনি ভেবেছি আমি একজন মুসলিম তখনি আবার ফিরে এসেছি এবং নতুন করে জীবন সাজাতে শুরু করেছি। তারপরও ক্ষুধা আর দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে একদিন সত্যিই আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছি, কিন্তু মৃত্যু তার ললাটে লেখা ছিল না। লেখা ছিল, আমি একদিন দেশের রাষ্ট্রপতি হবো!

পড়াশোনা

ক্ষুধার তীরে বিদ্ধ হতে থাকলেও পড়াশোনা বাদ দেননি হালিমা। ছোটবেলায় যখন ক্লাসরুমের একদম শেষ বেঞ্চটাতে গিয়ে হালিমা বসতেন তখন কি ভেবেছিলেন জীবনের ইঁদুর দৌড়ে এতদূর এগিয়ে যাবেন? সিঙ্গাপুরের একটি পত্রিকা ‘দ্য নিউজ পেপার’ এর এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি কখনো ঠিকমতো হোমওয়ার্ক করে স্কুলে যেতাম না। তা ছাড়া ক্লাসে বসলেই আমার খুব ঘুম পেত’। ১৯৬০-এর শেষের দিকে হালিমা সিঙ্গাপুর চায়নিজ গার্লস স্কুলে ভর্তি হন।

তিনি ছিলেন সিঙ্গাপুর চাইনিজ গার্লস স্কুলের সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীদের একজন। ১৯৭০ সালে তিনি তানজং ক্যানটং গার্লস কলেজে পড়াশুনা শেষ করেন। কলেজ শেষে একসময় ভর্তি হন সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়ায় বৃত্তিতেই লেখাপড়ার খরচ মিটে যেতো। ১৯৭৮ সালে সিঙ্গাপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী এলএলবি অর্জন করেন।

কর্মজীবন

১৯৭৮ সালে ন্যাশনাল ট্রেডস ইউনিয়ন কংগ্রেসে (এনটিইউসি) একজন আইন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তার জীবন থেকে স্থায়ীভাবে বিদায় নেয় দারিদ্র্য। তিনি সেখানে ৩০ বছর কর্মরত ছিলেন। বিচক্ষণতার সাথে দায়িত্ব পালনের পর কর্মদক্ষতার গুণে ১৯৯২ সালে হালিমা ইয়াকুব লিগ্যাল সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টরে উপনীত হন। ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবেও নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৯ সালে সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজে ডিরেক্টর হিসেবে যোগদান করেন।

ঠিক এই অবস্থান থেকে শুরু হয় তার নতুন পথচলা। জীবনের জন্য স্বার্থকতার জগতে প্রবেশ করার একটি উন্মুক্ত দরজা খুঁজে পান তিনি। চাকরিরত অবস্থায় ২০০১ সালে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর থেকে আইনে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তথা এলএলএম ডিগ্রি নেন। দীর্ঘ বিরতির পর ২০১৬ সালের ৭ জুলাই এনইউএস থেকে অনারারি ডক্টর অব ল ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রেসিডেন্ট টনি তান কেং ইয়ামের কাছে থেকে তিনি সম্মাননা নেন।

রাজনীতি

১৯৮১ সালে তিনি সিঙ্গাপুর বারে যোগদান করেন। ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গোহ চোক টংয়ের অনুরোধে রাজনীতিতে আসেন হালিমা ইয়াকুব এবং ধারাবাহিকভাবে ৪টি সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করেন। ২০০১ সালের ৩ নভেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত তিনি সংসদে জুরং দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং ২০১৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৭ সালের ৭ আগস্ট পর্যন্ত মার্সিলিং ইউ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। সবার মন জয় করে ২০১১ সালে তিনি সামাজিক উন্নয়ন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। গৌরবোজ্জ্বল ক্যারিয়ারে একে একে যুক্ত হতে থাকে আরও পদ ও পদবি।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের পূর্বে ২০১৩ সালের ১৪ জাুনয়ারি থেকে ২০১৭ সালের ৭ আগস্ট পর্যন্ত তিনি সিঙ্গাপুরের সরকারি দল পিপল’স একশন পার্টির মনোনীত হিসেবে আইনসভার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। সিঙ্গাপুরের সংসদে প্রথম নারী স্পিকার নিযুক্ত হওয়ার মাধ্যমেই তিনি বিশ্বময় আলোচনায় চলে আসেন এবং বিশ্বময় পরিচিতি অর্জন করেন।

২০১৭ সালের ৭ই আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তিনি সংসদের এমপি ও স্পিকার হিসেবে এবং তার দল পিএপি থেকে পদত্যাগ করেন। ২০১৭ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন যেহেতু সেসময় তার প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থী ছিল না। মালয় জাতিভুক্ত হিসেবেই সংরক্ষণ নীতির আওতায় সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি। পরের দিন তিনি সিঙ্গাপুরের সর্বপ্রথম নারী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতির বাসভবন হচ্ছে ইস্তানা।

প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট

নারী জাগরণের এই যুগেও হালিমা ইয়াকুবের প্রেসিডেন্ট হওয়াটা মোটেই সহজ ছিল না। তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এত এত সাফল্যের স্বাক্ষর থাকলেও প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশটি একজন নারীকে কেন যেন মেনেই নিতে পারছিল না। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মাধ্যমে যখন সিঙ্গাপুরের নির্বাচন বিভাগ হালিমার নাম ঘোষণা করল তখন দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেল।

স্পষ্টতই দেশটিতে জনমত ভাগ হয়ে গেল দুই ভাগে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো সরব থাকল ১১ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তাদের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করে দেখা গেল হালিমার বিপক্ষে ৮৩ শতাংশ এবং পক্ষে ১৭ শতাংশ অনুভূতি প্রকাশ হয়েছে।  কিন্তু তারপরেও যোগ্যতা বিচারে তিনিই শেষ দৌড়ে টিকে থাকলেন প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে। এই গুণী নারীর কাজের সফলতা হিসেবে অর্জনের ঝুলি বেশ ভারী।

কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি

কর্মময় জীবনের কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি স্বরুপ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন তিনি। ২০০১ সালে ম্যাক ডোনাল্ড অ্যাচিভার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড, ২০০৩ সালে হার ওয়ার্ল্ড ওম্যান অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড, ২০১১ সালে দ্য অ্যাওয়ার হিরোইন অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৪ সালে সিঙ্গাপুর কাউন্সিল অব ওমেন্স অর্গানাইজেন্স পুরস্কার লাভ করেন।

বিয়ে ও পরিবার

১৯৮০ সালে হালিমা ইয়াকুব বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-হাবসিকে বিয়ে করেন। বর্তমানে পাঁচ ছেলেমেয়ের জনক-জননী তারা। যে মায়ের সীমাহীন সংগ্রামে হালিমা ইয়াকুব আজকের রাষ্ট্রপতি, সেই মা পরপারে চলে যান ২০১৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বও সাধারণ নির্বাচনের দিন। মাকে হারানোর পর প্রচন্ড রকম মানসিক আঘাত আসে হালিমার জীবনে। কারণ এই জীবনের পথচলায় তার মা-ই ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি। অথচ মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য মেয়ে হালিমার বিজয় দেখে যেতে পারেননি মা, দেখতে পারেনি রাষ্ট্রপতি মেয়েকেও।

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *