জীবন পথের গান গাবো ভাই ভালোবাসার গান

জাকারিয়া হাবিব পাইলট : মানুষের জীবন চলার পথ খুবই অল্প সময়ের, কিন্তু এই অল্প সময়কেই মানুষ তার ইচ্ছেমতো কাজে লাগাতে পারে। ইচ্ছেমতো মানে কিন্তু যা ইচ্ছে তা-ই নয়, কারণ শুধু মানুষেরই আছে ন্যায়-অন্যায়বোধ। গরু-ছাগল, পশু-পাখিও কিন্তু তার ইচ্ছেমতো চলতে পারে কিন্তু ইচ্ছের লাগামকে টেনে ধরতে পারে না, যা শুধু মানুষকেই পারে।

মানুষের জীবন অনেকটা পেনসিলে জীবনের মতো। পেনসিলে প্রথম বৈশিষ্ট হচ্ছে এটি বাইরে দেখতে যেমনই হোক না কেন, এর আসল বৈশিষ্ট হচ্ছে এর ভেতরটা।  মানে পেনসিলের ভেতরের যে শীস আছে তার উপরই পেনসিলের মান নির্ভর করে। তেমনি মানুষের বাইরের চেহারা যেমনই হোক না কেন, সে কেমন তা নির্ভর করছে তার ভেতরটা দিয়ে। মানে পেনসিলে লেখা যেকোন কিছু রাবার বা ইরেজার দিয়ে সহজেই মুছে ফেলা যায়। তেমনি মানুষও পারে তার দ্বারা সংঘঠিত যে কোন ভূল শুধরে আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে। পেনসিলের তৃতীয় বৈশিষ্ট হচ্ছে পেনসিলকে যত ব্লেড বা শার্পানার দিয়ে ধারালো করা হবে পেনসিল ততো ভালো লিখবে, তেমনি মানুষও সাফল্য লাভ করে অনেক বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে, কষ্ট, সমস্যা, বেদনা, দুঃখ পেরিয়েই মানুষ সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছতে পারে।

আবার সব মানুষের ইচ্ছে একরকম নয়, হওয়ার কথাও নয়, কিন্তু যারা সমাজ নিয়ে ভাবে, দেশ নিয়ে ভাবে, মানুষ ও মানবতা নিয়ে ভাবে তাদের ভাবনাচিন্তা ার ইচ্ছে গুলো একটু অন্য রকম হবে এটাই স্বাভাবিক। তাদেও স্বার্থপর হলে হয় না, তাদের হতে হয় অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম, তাদের মাথায় রাখতে হয় যে তাদের নেতৃত্ব দিতে হবে, সামনে এগিয়ে যেতে হবে আবার অন্যদের পেছনেও ফেলে রেখে আসা চলবে না। তাই জ্ঞানে, কর্মে ও আচার-ব্যবহারে তাদের হতে হবে অনন্য। আর এজন্য কিছূ বিষয় একবারেই ভূলে যাওয়া চলবে না।

সবসময় মনে রাখতে হবে

 আমরা কোথায় আছি?

অর্থাৎ আমার চার পাশের পারিপার্শ্বিকতা মাথায় রাখতে হবে। সবাই আমরা কি কালের স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়েছি? অপসস্কৃতি, লোভ আর যান্ত্রিক অসভ্যতা কি আমাদের গ্রাস করেছে? আমাদের ভাবনাচিন্তায় কি ঘুন ধরেছে? যেটুকু ভালো তাকে ধঅরণ করে খারাপের বিরুদ্ধে আমরা কতটুকু সোচ্চার?

কী কাজ করছি?

অর্থাৎ আমা কি আমাদের কাজের ব্যাপারে সচেতন? যে যে কাজই করি না কেন ছাত্র হিসেবে কিংবা শিক্ষক হিসেবে, বাবা হিসেবে বা ছেলে হিসেবে, চাকরিজীবী হিসেবে অথবা ব্রবসায়ী, আর সবাই একজন নাগরিক এবং মানবতার অংশ হিসেবে আমরা কতটুকু দায়িত্ববান ও আনরিক এ নিয়ে আমরা কি ভাবি? ঐদি না ভাবি তবে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার ঝাড়ুদার থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি, একবার নাসার এক ঝাড়ুদারকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল “আপনি নাসাতে কী করেন?” জবাবে তিনি বলেছিলেন “মহাকাশ যান বানানো এবং তা মহাশূন্যে প্রেরণের কাজ করি”। মহাকাশ যান বানানো এবং তা মহাশূন্যে প্রেরণের কাজ কিংবা যেকোন বড় ও মহৎ কাজ কেউ একা করতে পারে না, সবাই মিলেই করতে হয়। নাসার ঝাড়ুদার থেকে প্রধান বিজ্ঞানী সবাই একই উদ্দেশ্যে নিয়ে কাজ করে বলেই নাসা একটি সফল প্রতিষ্ঠান।

 চারদিকে কি হচ্ছে?

অর্থাৎ আমরা নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে আছি বলে সবাই নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে এমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই। অন্যরা কত দূও এগোলো কিংবা কী ভাবনার প্রতিফলন ঘটছে চারিদিকে তা দেখার জন্র সবসময় চোখ খোলা রাখতে হবে।

আমি কতটুকু প্রস্তুত?

গব কিছুর সাথে নিজের মূল্যায়নটাও করতে হবে ক্ষণে ক্ষণে। জ্ঞানে-গুনে সমৃদ্ধ করতে কতটুকু সচেষ্ট তার মূল্যায়নের পাশাপাশি নেতৃত্বদানের যোগ্যতা অর্জিত হয়েছে তার খবরও রাখতে হবে। নিজেকে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। আর নিজেকে গড়তে চাই ইচ্ছা, প্রচেষ্টা, পরিশ্রম আর ধৈর্য্য।

কিছু বিষয় ভুলে গেলে চলবে না

দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক রাখতে হবে

ইংরেজিতে বলা হয় আসলেই কি বা দৃষ্টিভঙ্গিই সব? একটি মজার বিষয় লক্ষ করা গেছে যে, আমরা যদি ইংরেজী বর্ণমালার সংখ্যামান দিই অর্থাৎ =১, =২, =২৬ তবে এর সংখ্যা মান হয় ১০০। তার মানে জীবনকে ১০০ ভাগ সফল করতে বা দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক না করার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু কেমন হওয়া উচিত আমাদের বা দৃষ্টিভঙ্গি ? এর উত্তর হচ্ছে সামগ্রিকভাবে ও তাৎক্ষনিকভাবে ঠিক করা উচিত দৃষ্টিভঙ্গিতবে সামগ্রিকভাবে দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক করতে দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে। একটি হচ্ছে সবসময় পজিটিভ হতে হবে, আরেকটি হচ্ছে প্রোঅ্যাকটিভ হবে হবে রিঅ্যাকটিভ হওয়া যাবে না। অর্থাৎ বুঝে-শুনে যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, হুজুগে বা অন্যেও কথায় প্রভাবিত হয়ে নয়।

একবার এক ধোপা তার গাধা হাটে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাচ্ছে। সাথে আছে তার ছেলে। কিছূ দূর যাওয়ার পর রাস্তার লোকজন বলাবলি করতে লাগল, ‘আরে দেখ কী রকম বোকা বাবা-ছেলে, গাধা নিয়ে যাচ্ছে অথচ দুজনই পায়ে হেটে যাচ্ছে, অন্তত একজন চড়লেও তো কষ্টটা কম হয়’। বাবা লোকদের কথা শুনে ভাবল তাই তো অন্তত একজন তো গাধার পিঠে চড়তে পারি। যেই ভাবা সেই কাজ ছেলেকে তুলে দিলো গাধার পিঠে। এভাবে এগোলো কিছুটা পথ। কিন্তু কিছুদূও যাওয়ার পর রাস্তার লোকজন আবার বলাবলি করতে লাগলো ‘আওে দেখো কি রকম নিষ্ঠুর ছেলে, নিজে গাধার পিঠে চড়ে যাচ্ছে অথচ বুড়ো বাপ হেঁটে যাচ্ছে’। বাবা তখন ছেলেকে নামিয়ে দিয়ে নিজে গাধার পিঠে চড়ে বসল।

কিছু দূর যাওয়ার পর লোকজন আবার বলাবলি করতে লাগলো, ‘দেখো কি রকম নিষ্ঠুর বাবা, নিজে গাধার পিঠে চড়ে আছে অথচ ছোট ছেলেটা কষ্ট করছে।’ বাবা কী ভেবে ছেলেকেও গাধার পিঠে তুলে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকলো, কিন্তু লোকজন আবার বলাবলি করতে লাগলো, ‘আহ! কী রকম নিষ্ঠুর বাবা-ছেলে, বুড়ো গাধার পিঠে দুজন চড়ে গাধাকে কষ্ট দিচ্ছে’। বাবা তখন মনের দুঃখ ভাবতে লাগল কী বিপদ! গাধার পিঠে কেউ না চড়লেও দোষ, একজন চড়লেও দোষ, আবার দুজন চড়লেও দোষ, তবে উপায় কি?

অনেক ভেবেচিন্তে গাধার পা দড়ি দিয়ে বেধেঁ তার মধ্যে বাঁশ ঢুকিয়ে বাব-ছেলে গাধাকে কাঁধে করে নিয়ে যেতে লাগল। পথিমধ্যে পড়ল একটা খাল, সাঁকো দিয়ে খাল পার হবার সময় গাধা তার প্রতিচ্ছবি খালের পানিতে দেখে দিলো লাফ, বাবা-ছেলে আর গাধা পড়ল খালে, বাবার ভাঙলো পা, ছেলের ভাঙলো হাত আর পা বাধাঁ থাকায় গাধা গেল মরে। লোকের কথা শুনতে গিয়ে বাবা-ছেলে হলো আহত, হারাতে হলো গাধা। এ গল্পের শিক্ষা হচ্ছে অন্যেও কথা শোনার আগে ভঅলো করে বিবেচনা করতে হয়।

জ্ঞানপিপাসা থাকতে হবে

আইনস্টাইন বলেছেন, ‘মানুষ ততক্ষণ জীবিত যতক্ষণ তার মধ্যে প্রশ্ন করার আকাঙ্খা থাকে’। আমরা ছোটবেলায় অনেক প্রশ্ন করি, কিন্তু যত বড় হই তত প্রশ্ন করার আকাঙ্খা কমতে থাকে। কিন্তু এর উল্টোটা হওয়ার কথা ছিল কারণ জ্ঞান অর্জন প্রশ্ন করার আকাঙ্খা কমায় না বরং বাড়ায়। তাই ক্লাসের বই কিংবা অন্য বই পড়ার ব্যাপারে কোনো কার্পণ্য করা যাবে না। পড়তে হবে আর পড়তে হবে। পাশাপাশি জ্ঞান বাড়াতে হলে শিখতে হবে শিশুদের কাছ থেকে আর ভুল করা থেকে । কারণ শিশূরা যা করে বা বলে তা সরল মনে করে বা বলে আর ভূল করার মাঝেই অর্জিত হয় প্রকৃত অভিজ্ঞতা। তাই ভুল করলে ভেঙে পড়া চলবে না, দ্বিগুণ উৎসাহে কাজ করতে হবে।

স্বপ্ন দেখতে হবে এবং দেখাতে হবে

মার্টিন লুথার কিং- এর নাম আমরা সবাই জানি, তিনি বিখ্যাত হয়েছিলেন স্বপ্ন দেখে। হয়তো তাকে এজন্য জীবন দিতে হয়েছিল কিন্তু তিনি স্বপ্ন দেখা ভুলে যাননি, তিনি তার স্বপ্ন অন্যদের মাঝেও বপন করতে পেরেছিলেন, তাই তোর তার মৃত্যুর অনেক বছর পরে হলেও তার স্বপ্ন সত্যি হয়েছিল, আমেরিকায় সাদা আর কালোয় বৈষম্য বন্ধ হয়েছিল, কালো মানুষকে হোইট হাইসে পাঠিয়েছিল সাদা মানুষেরাই। মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়, তাই স্বপ্ন দেখা বন্ধ করলে চলবে না, স্বপ্ন দেখতে হবে আবার অন্যদেরও দেখাতে হবে।

 সততা ও ধৈর্য থাকতে হবে

নিজকে গড়তে হলে সততার গুণ অর্জতের কোনো বিকল্প নেই, কারণ ‘সততাই মহৎ গুণ’। একবার এক ব্যক্তি খুব ক্ষুধার্ত অবস্থায় নদীতে ভেসে যাওয়া একটি আপেল খেয়ে ফেলে, খাওয়ার পর তার মনে হয় যে এটি তো অন্যায়, তাই সে নদীর স্রোতের উল্টা দিকে হাঁটতে থাকে, অনেক দূর যাওয়ার পর নদীর পাড়ে আপেল বাগান দেখে এর মালিকের সাথে দেখা করে আর মাফ চায়। মালিক লোকটির সততা দেখে অভিভূত হয়ে যায় কিন্তু মালিক তাকে শাস্তিরূপে তার বাগানে সাত বছর বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে বললে লোকটি মেনে নেয় এবয় সাত বছর ওই বাগানে বিনা পারিশ্রমিকে সততার সাথে কাজ করে এবং কোনো অনুযোগ করে না।

মালিক লোকটির সততা দেখে মুগ্ধ হেয় তার পুরো বাগানটিই লোকটির নামে লিখে দেয়, আর তার মেয়ের সাথে লোকটির বিয়ে দেয়। এই লোকটির ঘরে যে পুত্রসন্তানের জন্ম হয় তিনি আর কেউ নন তিনি হলেন সবার শ্রদ্ধেয় বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী (র:)। সততা আর ধৈর্য্য মানুষকে নিয়ে যেতে পারে এত দূর যে মানুষ তা কল্পনাও করতে পারে না। রবিনসন ক্রুসের কথা আমরা সবাই জানি পরাজয় আর ব্যর্থতায় ধৈর্য্যহারা না হয়ে বারবার চেষ্টার মাধ্যমে হারানো রাজ্য উদ্ধার করেন তিনি। ধৈর্য্য, ধৈর্য্য আর ধৈর্য্য। অবশ্যই ধৈর্য্যরে ফল অনেক মিষ্টি।

 ক্ষমা করা ও ক্ষমা চাওয়া শিখতে হবে

ক্ষমা চাওয়া আর ক্ষমা করার মতো মহৎ কাজ মনে হয় পৃথীবিতে অন্যটি নেই। যে যত ক্ষমা করতে পারে সে তত বড় হতে পারে। ক্ষমা চাওয়ার মধ্যে যেমন ছোট হওয়ার কিছূ নেই তেমনি ক্ষমা করা মতো বড় মনের কাজও নেই। আমাদের রাসুল (স.) ছিলেন ক্ষমা করার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, তিনি কি তায়েফবাসীকে, কি উয়াহুদিদেরকে, কি মক্কাবাসীকে কেউ তার ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হয়নি। ক্ষমা না চাওয়া আর ক্ষমা না করা এক দিকে যেমন শারীরিক ক্ষতি তেমনি ক্ষতি মনেরও, তাই শরীর আর মনকে সুস্থ রেখে নিজকে গড়ে তুলতে হলে ক্ষমা চাওয়া আর ক্ষমা করার চর্চা বাড়াতে হবে।

ভালোবাসা জানতে হবে

মানুষের মন জয় কিংবা বিশ্ব জয়। কোনোটাই অর্থ, শক্তি ক্ষমতা, অস্ত্র কিংবা প্রলোভন দিয়ে সম্ভব নয় একমাত্র ভালোবাসাই দিয়ে সম্ভব। পৃথীবির ইতিহাসের মহান ব্যক্তিরা তাদের অফুরান ভালোবসার শক্তি দিয়েই মানুষের হৃদয় জয় করেছেন, করেছেন বিশ্বজয়। ছোটদের কিংবা বড়দের, আপন কিংবা পর সবাইকে ভারোবাসার বাঁধনে বাঁধতে পারাই সবচেয়ে বড় সফলতা। তাই নেজকে গড়তে হলে, জীবন চলা পথে নেতৃত্ব দিতে হলে ভালোবাসতে জানতে হবে। যারা চায় তাদের জন্মটা মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে যাবে না, তাদের আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে হবে নিজকে গড়ার আর দেখতে হবে, দেখাতে হবে স্বপ্ন, ভালোবাসা দিয়ে করতে হবে বিশ্বজয়।

সেই সঙ্গে আরেকটি কথা মনে রাখতে হবে, তাও ওই পেনসিলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট, তাহলো পেনসিল যতই সুন্দর আর ভালো কর্ম করুক না কেন, প্রত্যেক কাজের পেছনে রয়েছে একজনের হাত। ওই হাতছাড়া পেনসিল কোনো কিছুই করতে হপারে না। তেমনি মানুষ যা কিছুই করুক না কেন এর পেছনে রয়েছে সৃষ্টিকর্তার হাত, তাঁর ইচ্ছা ছাড়া মানুষ কিছুই করতে পারে না। তাই আমরা যেন সৃষ্টিকর্তাকে ভূলে না যাই, ভুলে না যাই তাঁর কাছ সাহায্য চাইতে। তবেই সফল হবে আমাদের মনোবাসনা, পূর্ণ হবে জীবনপথের গান গাওয়া।

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: [email protected]

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published.