আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস

আনিসুর রহমান এরশাদ

জেফ বেজোস বিশ্ববিখ্যাত কর্পোরেট জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা। অনলাইনে কেনাবেচার প্রতিষ্ঠান আমাজন.কম এর চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী। প্রযুক্তি নির্ভর এক বিশ্বের সূতিকাগার। সবসময় নিজের শক্তি ও মনোযোগ নতুন পণ্য এবং নতুন উদ্যোগে খরচ করেন তিনি। আমাজনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম এবং ব্যক্তিগত প্রকল্পে তার মনোযোগ তীক্ষ্ণ।

তিনি ভোক্তার জীবনকে সহজ করতে চেয়েছেন। চেয়েছেন হাতের মুঠোতে থাকা ফোনটা দিয়েই দ্রুত গতিতে কেনাকাটা করা সহজ করতে। চেয়েছেন বিশ্বের প্রতিটা মানুষ কিছু না কিছু পাবে এমন কিছু তৈরি করতে। তিনি যা চেয়েছেন তা করেও দেখিয়েছেন। আজ জানাব তিন দশক আগে অনলাইনে বই বিক্রির চিন্তা শুরু করে আজকের সফল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ডটকমের মাধ্যমে এ টু জেড শপ এর স্বপ্ন বাস্তবায়নকারী মানুষটি সম্পর্কে।

মার্কিন ইন্টারনেট উদ্যোক্তা, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারী বেজোস ১৯৬৪ সালের ১২ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের আলবুকাকে জন্মগ্রহণ করেন। ছোট্ট বয়স থেকেই তার আগ্রহ দেখা যায় বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং এর দিকে। তিন বছর বয়েসেই তিনি স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে তার খেলনা খুলে ফেলতে শিখেছিলেন। তিনি রিভার ওয়াকস এলেমেন্টারি স্কুলে পড়াশুনা করেন।

১৯৮২ সালে মিয়ামি পালমেট্টো সিনিয়র হাইস্কুল থেকে পাস করেন। ছোটবেলা থেকেই জেফ বেজোসের ছিল উচ্চাভিলাষ, অন্তর্দৃষ্টি আর ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি বুঝতে পারার ক্ষমতা। তিনি হাইস্কুলে পড়ার সময় এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, আমি এমন এক অনাগত সময়কে দেখতে পাচ্ছি- যখন মানুষ মহাশূন্যে উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করবে। ১৯৬০-এর দশকের জনপ্রিয় সায়েন্স ফিকশন সিরিজ ‘স্টার ট্রেক’-এর বিশেষ ভক্ত তিনি। স্কুলে পড়ার সময়েই শুধু স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে নিজের সবকিছুকে খুলে বাসা থেকে আলাদা করে রাখার ব্যবস্থা করেছিলেন।

হাইস্কুলে প্রবেশের পর নিজেদের বাড়ির গ্যারেজে নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রতিভার বিকাশে তৈরি করেন একটি ছোট গবেষণাগার। বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি কীভাবে কাজ করে তার খুঁটিনাটি জানতে দিনের বেশির ভাগ সময় ওই গ্যারেজেই পড়ে থাকতেন তিনি। তিনি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে তড়িৎ প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞান এ ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে প্রিন্সটোন থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৬৪ সালে জেফ বেজোস যখন জন্মগ্রহণ করেন তখন তার মা জ্যাকলিনের বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। ওই সময় তিনি জুনিয়র হাইস্কুলের শিক্ষার্থী। স্কুল শেষ করার পর জেফ বেজোসের জন্মদাতা পিতা টেড জর্জেনসেনকে ডিভোর্স দেন জ্যাকলিন। টেড জর্জেনসেন একটি সার্কাস দলের পারফরমার ছিলেন। ওই সময় জেফ বেজোসের বয়স ছিল মাত্র এক বছর। এরপর নতুন একটি কলেজে ভর্তি হন জ্যাকলিন।

নতুন ওই কলেজে শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাস করতেন তিনি। সেখানেই কিউবার নাগরিক মাইক বেজোসের সঙ্গে জ্যাকলিনের পরিচয় হয় এবং পরে তারা বিয়ে করেন। তিনি বেজোসকে দত্তক নিয়েছিলেন। মাইক বেজোসের নামের সঙ্গে মিল রেখে অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতার নামের সঙ্গে বেজোস যুক্ত হয়। বেজোসের মা জ্যাকলিন বেজোস ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষিকা। খুব দ্রুতই তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ৭১ বছর বয়সে মারা যান টেড জর্জেনসেন। বিচ্ছেদের পর জেফ বেজোস বড় হন তার মা জ্যাকি আর দ্বিতীয় স্বামী মাইক বেজোসের ঘরে। মাইক বেজোস একসময় চাকরি করতেন কিউবায় এক্সন কোম্পানিতে, কিন্তু ফিদেল কাস্ত্রো ক্ষমতায় আসার পর তিনি পালিয়ে চলে আসেন আমেরিকায়।

স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর নিউ ইয়র্কে গিয়ে চাকরি করেন কয়েকটি ফিনান্স কোম্পানিতে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক খাতের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ওয়াল স্ট্রিটের তিনটি কোম্পানিতে কাজ করেন। ডিই শ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় তাঁর মাথায় ঘুরতে থাকে ইন্টারনেটের অপার সম্ভাবনার কথা। ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে নতুন কী ব্যবসা দাঁড় করানো যায়, তখন সেটিই ছিল তাঁর মূল ভাবনা।

৩০ বছর বয়সে একটা পরিসংখ্যান চোখে পড়ে তার – যাতে বলা হয়েছিল ইন্টারনেটের দ্রুত বৃদ্ধির কথা। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, চাকরি নয়, নিজেই কিছু একটা করবেন। বেজোস ১৯৯৪ সালে ডিই শ-এর চাকরি ছেড়ে চলে গেলেন আমেরিকার পশ্চিম প্রান্তের শহর সিয়াটলে। তার নিজের জমানো কিছু টাকা, আর পরিবারের কিছু সাহায্য – সব মিলিয়ে এক লাখ ডলারের কিছু বেশি অর্থ, এই ছিল তার বিনিয়োগ। বিশ্বের সেরা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের পরিকল্পনা নিউইয়র্ক থেকে সিয়াটলে গাড়ি চালানোর সময় করেছিলেন বেজোস।

হেজ ফান্ড ডি. ই-তে কাজ করার সময় জেভ বেজোস ও ম্যাকেনজির পরিচয়। বেজোসের দাম্পত্য সঙ্গী ম্যাকেঞ্জি স্কটের সাথে বিয়ে হয় ১৯৯৩ সালে। ২৫ বছর একসঙ্গে সংসার করার পর দম্পতির বিচ্ছেদ হয় ২০১৯ সালে। এই সংসারে ৪ সন্তান রয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল তালাকের একটি বেজোসের তালাক। এরপর ম্যাকেনজি বেজোস হয়ে যান বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী। ভাগ হয়ে যায় তাদের ১৪ হাজার কোটি ডলারের সম্পত্তি। বিচ্ছেদের পর জেফ বেজোস তার বান্ধবী সাবেক টিভি অভিনেত্রী লরেন সানচেজের সাথে ঘনিষ্ঠ সময় কাটাচ্ছেন।

এক বছর গবেষণার পর ১৯৯৫ সালের ১৬ জুলাই নিজের বাড়ির গ্যারেজে স্বল্প পরিসরে প্রতিষ্ঠা করেন আমাজন। কোম্পানিটি ছিল অনলাইনে পুরোনো বই বিক্রির। মাত্র এক মাসের মধ্যেই বেজোসের প্রথম ব্যবসা হু হু করে বাড়তে লাগলো। এক মাসের মধ্যে অ্যামাজন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের সবগুলোতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ৪৫টি দেশে অর্ডার পাঠালো।

প্রথম মাসেই অনলাইনে ২০ হাজার ডলার বা ১৬ লাখ টাকার বই বিক্রি করে আমাজন। সে সময় অনলাইনে বইয়ের এমন বিক্রি ছিল অনেকটা অভাবনীয়। পাঁচ বছর পর অ্যামাজনের ক্রেতার এ্যাকাউন্টের সংখ্যা ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে বেড়ে দাঁড়ালো ১ কোটি ৭০ লাখে। বিক্রি শুরুতে ছিল ৫ লাখ ১১ হাজার ডলার, আর পাঁচ বছর পর তা দাঁড়ালো ১৬০ কোটি ডলারে। বড় বড় কোম্পানি আমাজনের দরজায় ছুটে আসতে শুরু করলো।

১৯৯৭ সালে অ্যামাজন পাবলিক কোম্পানিতে পরিণত হলো, আর অর্থ উঠলো ৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বয়স ৩৫ হবার আগেই বেজোস হয়ে গেলেন পৃথিবীর শীর্ষ ধনীদের একজন। ১৯৯৮ সালে বইয়ের বাইরে গান ও সিনেমার সিডি বিক্রি করতে শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। অনলাইনে মিউজিক, ইলেকট্রনিকসসামগ্রী বিক্রি করেই বাজিমাত করে এ অনলাইন জায়ান্ট। এরপর শুরু করে পোশাক আর খেলনা বিক্রি। এরপর শুরু করে গৃহস্থালি পণ্য বিক্রি।

এরপর তিনি হোলসেল ফুড মার্কেট, অডিও বুক পাবলিশার অডিবল ডট কম ও লাইভ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম টুইচ এর মালিক হন। ১৯৯৯ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে আখ্যা দিলো ‘কিং অব সাইবার-কমার্স’ আর মনোনীত করলো পৃথিবীর সবচেয়ে কমবয়স্ক ‘পিপল অব দি ইয়ারের’ একজন হিসেবে।

২০০০ সালে মহাকাশ গবেষণা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিন প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য মহাকাশে পর্যটন ব্যবস্থা সম্প্রসারিত করা। ২০০৭ সালে ডিজিটাল মাধ্যমে বই পড়ার যন্ত্র ‘কিন্ডেল’ বাজারে নিয়ে আসেন বেজোস। বর্তমানে আমাজনের পণ্যসম্ভারে ৪০ কোটি পণ্য আছে।

নিত্যনতুন উপায়ে আমাজনের ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে ২৫ কোটি ডলারে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকাটি কিনে নেন তিনি। বেজোস দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় প্রভাবশালী মার্কিন পত্রিকাটি। বেজোস এক্সপেডিশন নামে ব্যক্তিগত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড থেকে বিনিয়োগ করেন বেজোস।

গুগলে প্রথম দিককার বিনিয়োগকারী হিসেবেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও নিয়েছেন জেফ। ২০১৬ সালে স্টার ট্রেক বিওয়াইন্ড-এ অভিনয় করেন। ২০১৮ সালে তার মোট সম্পদ হয় ১১ হাজার ২০০ কোটি ডলার।

জেফ বেজোস ই-কমার্সের বৃদ্ধিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেই চলছেন। তার নেতৃত্বে আমাজন.কম ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর বৃহত্তম খুচরা বিক্রেতায় পরিণত হয়। মাত্র দুই দশক আগেও বেজোস ছিলেন সাধারণ এক উদ্যোক্তা। কিন্তু তিনি দেখতে পেয়েছিলেন এমন এক যুগ আসছে – যখন কম্পিউটারের এক ক্লিকে যে কোন জিনিস কেনা যাবে, শপিংমলের জনপ্রিয়তা কমে যাবে, দোকানগুলো ব্যবসায় টিকে থাকার জন্য নানা রকমের অফার দিতে বাধ্য হবে। তাইতো এখন ১৯৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সম্পত্তির মালিক। চারবছর তিনি বিশ্বের শীর্ষ সম্পদশালী হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি অ্যামাজন পৃথিবীর প্রথম ট্রিলিয়ন-ডলার কোম্পানি।

এখন জেফ বেজোসের প্রতিষ্ঠিত অ্যামাজন ডটকম যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম কোম্পানি। যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম নিয়োগকর্তা কোম্পানি। গোটা বিশ্বে অ্যামাজনের কর্মী সংখ্যা ১৩ লাখ। অ্যামাজনই প্রথম এক্সপ্রেস ডেলিভারি পরিষেবা চালু করে। যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ কোটি মানুষ অ্যামাজনের প্রাইম সেবা বেছে নেয়। এর অর্থ হলো কোনো খরচ ছাড়া দুদিনের মধ্যে পণ্য পেয়ে যাওয়া। এখন বিশ্বজুড়ে অনলাইনের কেনাকাটায় এই ধরনের সার্ভিস দেওয়া হয়।

অ্যামাজনে কেনা যায় না – বোধ হয় সারা দুনিয়ায় এমন কিছুই এখন নেই। আপনার পোষা বেড়ালের খাবার থেকে শুরু করে বহুম্ল্যূ ক্যাভিয়ার পর্যন্ত সব কিছুই কেনা যায় অ্যামাজনে – বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে। অ্যামাজনের আছে স্ট্রিমিং টিভি, এমন কি নিজস্ব এ্যারোস্পেস কোম্পানি – যাতে শিগগীরই মহাশূন্য ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে।

অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস এক ধরনের ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম। ক্লাউড সার্ভিস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহক অন ডিমান্ড সার্ভার, ডেটাবেইস, কনটেন্ট ডেলিভারি, রাউটিং, লোড ব্যালেন্সিং সহ একটা লার্জ স্কেল অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য যা যা জরুরি সবই খুব সহজেই স্থাপন করতে পারেন। ‘ক্লাউড কম্পিউটিং বিভাগ’ অসংখ্য বড় বড় কোম্পানির জন্য অনলাইন ডেটা স্টোরেজ সুবিধা দিচ্ছে – যা এখন পৃথিবীর বৃহত্তম।

প্রায় ৩০ বছর ধরে অ্যামাজনের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জেফ বেজোসের ব্যবসার ক্ষেত্রে কৌশল হচ্ছে, তিনি অর্থ আয় করার জন্য অর্থ ব্যয় করতে পিছপা হন না। অ্যামাজনে পণ্য বিক্রির জন্য তিনি ফ্রি শিপিং সুবিধা দিয়েছেন, দাম কম রেখেছেন ২৩ বছরের মধ্যে ১০ বছর ধরে – বার্ষিক লাভের কথা না ভেবে।

কিন্ডল ই-বুক রিডারের মতো যন্ত্র তৈরির জন্য বছরের পর বছর সময় ব্যয় করেছেন। তারা খাদ্যপণ্যের কোম্পানি গোল ফুডস কিনে নিয়েছে, অনলাইন ফার্মেসি কিনেছে। অন্যদিকে আবার অ্যামাজন যেখানে যেভাবে সম্ভব – টাকা বাঁচিয়েছেও। অ্যামাজনের হেড অফিসে কর্মীদের গাড়ি পার্ক করার জন্য পয়সা দিতে হয়েছে। অ্যামাজন সবসময় নতুন নতুন উদ্যোগ হাতে নেবার উৎসাহ দেখিয়েছে।

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *