সেন্টমার্টিন দ্বীপ : সম্পদ, সমস্যা ও সম্ভাবনা

এম আবু বকর সিদ্দিক এবং মো. আশরাফুল ইসলাম : নামে বিদেশি গন্ধ থাকলেও প্রাচীনকাল থেকেই যে দ্বীপটি বাংলাদেশের আওতাধীন ছিল তা হলো প্রকৃতির খেয়ালের নিদর্শন বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রধান দ্বীপ সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমাদের সেন্টমার্টিন দ্বীপ। সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার সবার নিকট পরিচিত নারকেল জিঞ্জিরা বা জ্বীনের দ্বীপ নামে। অবিশ্বাস্য হলেও ধ্রুব সত্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ চারদিকেই সমুদ্রে ঘেরা কিন্তু এ পর্যন্ত জলোচ্ছাস বা ঘুর্ণিঝড়ে তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।

সেন্টমার্টিনের অবস্থান ও আয়তন

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে মিয়ানমার এর অতি নিকটে সেন্ট মার্টিনস দ্বীপটি অবস্থিত। আয়তন ২০.৮ বর্গ কিলোমিটার বা ৮ বর্গ মাইল। দ্বীপটি উত্তরে দক্ষিণে বিস্তৃত। মধ্যভাগ কিছুটা সংকুচিত। লম্বা প্রায় ৮.০৫ কিলোমিটার এবং প্রশস্ত গড়ে ১ কিলোমিটার । টেকনাফ উপজেলা শহর থেকে ২০.৮ কিলোমিটার এবং টেকনাফ সমুদ্র উপকূল থেকে আনুমানিক ১২ কিলোমিটার থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরে এ দ্বীপটির অবস্থান। এ দ্বীপের আরেকটি আকর্ষণ হচ্ছে ছেঁড়া দ্বীপ। মূল ভূখন্ডের সর্ব দক্ষিণে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। এ অংশই বাংলাদেশের স্থলভাগের শেষ অংশ।

সেন্টমার্টিনের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস

আধুনিক ভূতাত্ত্বিকদের মতে মায়োসিনকালে এ দ্বীপটির উদ্ভব। ভূতাত্ত্বিকদের ধারণা প্রথমে প্রায় সোয়া কোটি বছর আগে চট্টগ্রাম ও আরাকান পর্বতমালার উত্থানের সাথে সাথে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ও তৎসংলগ্ন ডুবো দ্বীপটির উত্থান হয়। আরাকান ও মূল ভূখন্ডের সাদৃশ্য রয়েছে। আদিশিলা এবং স্বাদুজলের প্রাণীর প্রাপ্যতা এই বিশ্বাসকে আরও সুদৃঢ় করেছে। হাজার হাজার বছর পূর্বে সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি সমুদ্রতলদেশ হতে জেগে উঠেছে। ভৌগোলিক কারণে অনেক সময় দ্বীপগুলো সমুদ্রের গর্ভে হারিয়ে যায় এবং পরবর্তীকালে জাগতে শুরু করে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপ এর বালুর পাহাড় ও চট্টগ্রামের বেলেপাথর গঠন প্রণালী ও পাথর থেকে এ প্রমাণ মেলে।

সেন্টমার্টিনে জনসংখা ও পেশা

সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ এর জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজারের মত। জনগণের প্রধান পেশা মাছ ধরা ও চাষাবাদ।

সেন্টমার্টিনে যাতায়াত

দ্বীপটির বেশির ভাগই বালুময়, নেই কোন উন্নত রাস্তা ঘাট ও যানবাহন, স্বাদু পানির জন্য রয়েছে কয়েকটি পুকুর ও নলকূপ। যান্ত্রিক নৌকা, মাছ ধরা ট্রলারে করে ১৫/২০ কিঃমিঃ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় উপজেলা শহরে। অবশ্য বর্তমানে কিছু বেসরকারি ট্যুরিস্ট কোম্পানীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মোটরবোট, সীট্রাক এবং লঞ্চের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় পর পর টুরিস্ট ও যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু সমুদ্র একবার উত্তাল হলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাতায়াত প্রায় দশ পনের দিন বন্ধ থাকে।

সেন্টমার্টিনে শিক্ষা ও চিকিৎসা

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ এর অধিবাসিীরা প্রকৃতির নিঃসর্গের গর্বিত পরিবেশে বসবাস করেন। সঙ্গে রয়েছে নানা সুখ, দুঃখ, হাসি কান্না আনন্দ বেদনা প্রেম প্রীতি ভালবাসা। অধিবাসীরা সকলেই প্রায় অর্ধশিক্ষিত, এখানে রয়েছে একটি মাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি উচ্চ বিদ্যালয়। চিকিৎসার তেমন কোন ভাল ব্যবস্থা নেই।

সেন্টমার্টিনে উৎপন্ন কৃষিজ দ্রব্য

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বালুময় নোনা মাটির যে অংশ কিছুটা উর্বর সেখানে ধান, পেঁয়াজ, আলু, বাদাম, মরিচ ও তরমুজ উৎপন্ন হয়। এছাড়া নারকেল, সুপারি ও বাঁশ প্রচুর পরিমাণে হয়।

সেন্টমার্টিনে পর্যটন হোটেলসমূহ

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে রাত যাপনের জন্য বেশ কয়েকটি হোটেল গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে হোটেল নিঝুম, প্রাসাদ প্যারাডাইস ও শ্রাবণী বিলাস উল্লেখযোগ্য। সেন্ট মার্টিন দ্বীপে রাত যাপনের জন্য আগে থেকে হোটেলে সীট বুকিং দেয়া না থাকলে হঠাৎ সীট পাওয়া কঠিন। তবে ঢাকা থেকেও হোটেলে সীট বুকিং দেয়া যায়। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন নিজেদের উদ্যোগে পর্যটন শিল্পকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। প্রয়োজনে বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরকেও উৎসাহিত করে এমন কিছু নীতি নির্ধারণ করতে পারে।

সেন্টমার্টিনে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।

প্রবাল দ্বীপ কেন?

বাংলাদেশের সমুদ্রোপকূলবর্তী অঞ্চলে সৃষ্ট একমাত্র প্রবাল দ্বীপ বলে পরিচিত এ সেন্ট মার্টিন দ্বীপ নিয়ে সবার মুখেই একটি প্রশ্ন এই দ্বীপটিকে কেন প্রবাল দ্বীপ বলা হয়? সেন্ট মার্টিন দ্বীপ মূল ভূখন্ডের অংশ হয়েও কিভাবে ইহা প্রবাল দ্বীপ হলো এটা অনেকেরই প্রশ্ন। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পূর্ব ও পশ্চিমে তাকালে অসংখ্য প্রবাল দ্বীপ দেখা যায়। কোন কোন প্রবাল বাগানে নতুন প্রবাল বেড়ে চলছে আবার অনেক জায়গায় প্রবাল সরে গেছে। পেছনে দেখা যায় চুন জাতীয় পাথরের বিরাট বিরাট সমতল ক্ষেত্র।

এগুলো থেকে মনে হয় দ্বীপটি যে সময় সামান্য পানির নিচে ছিল, তখনকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিল প্রবাল জন্মানোর উপযুক্ত সময়। সমুদ্রের যে অংশের পানি স্বচ্ছ সে অংশে ডুবে আছে এমন শক্ত চুনা বা কাঁকড়যুক্ত পাথর যাতে সূর্যের আলো পৌঁছতে পারে এবং সেখানকার তাপমাত্রা ১৫-২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর মধ্যে হলে প্রবালকীট গিয়ে আস্তানা গাড়তে পারে। বছরের পর বছর প্রবালকীটের তৈরি চুনাপাথরের পাহাড়ই কালের আবর্তে সমুদ্রের জলসীমা ভেদ করে উত্তাল তরঙ্গকে ফাঁকি দিয়ে তরঙ্গের সাথে আড়ি খেলার জন্য দ্বীপের সৃষ্টি করে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রবালের সমারোহ এমনিভাবেই হয়েছে ভূবিজ্ঞানীদের ধারনা।

প্রবাল দ্বীপটির গুরুত্ব

বাংলাদেশে সেন্ট মার্টিন দ্বীপটির গুরুত্ব সত্যই পরিসীম। দু’টো কারণে গুরুত্বের দাবিদার।
ক) প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যতা
খ) কৌশলগত সামরিক ভূখন্ড বলে

সেন্টমার্টিনে প্রাকৃতিক সম্পদ

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে চুনাপাথর, নানা প্রকার পাথর, তেজস্ক্রিয় খনিজ পদার্থ যেমন- রেডিয়াম, নানা প্রকার শৈবাল, ঝিনুক, শামুক ও বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ উল্লেখযোগ্য। দ্বীপটির চারদিকেই রয়েছে বিভিন্ন আকৃতি ও প্রকৃতির পাথরখন্ড। পাথরগুলো সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গের সাথে যুদ্ধ করে টিকিয়ে রেখেছে প্রকৃতির লীলাভূমি এই ক্ষুদ্র দ্বীপটিকে।

সমুদ্রের তলদেশে অনেক দূর পর্যন্ত এ পাথর বিস্তৃত রয়েছে। পাথর ছাড়াও এ দ্বীপে রয়েছে প্রচুর সিলিকা। এ সিলিকা কাঁচ তৈরি ও অন্যান্য কম্পিউটার ও মোবাইল শিল্পে চিপস্ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এ দ্বীপে রয়েছে নানা প্রকার সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল – যা অত্যন্ত পুষ্টিকর- তাই মানুষ, গবাদিপশু ও হাঁসমুরগির খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

শৈবাল, ঝিনুক ও শামুকের এত প্রাচুর্যতা কেন?

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে নানাবিধ সামুদ্রিক শৈবাল, ঝিনুক এবং শামুক ও প্রবাল জাতীয় প্রাণীদের প্রাচুর্যতা পরিলক্ষিত হয়। বিষয়টি চিন্তা করলেই দিবালোকের মত স্পষ্ট হয়ে উঠে। বঙ্গোপসাগরে এত বিস্তীর্ণ সমুদ্রোপকূলবর্তী এলাকার অন্য কোথাও কেন এসব শৈবাল, ঝিনুক ও শামুক পাওয়া যায় না? আসলে সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গের কারণে, বালুময় সমুদ্র সৈকতে, সামুদ্রিক শৈবাল, ঝিনুক, শামুক ও প্রবাল কোথাও স্থিরভাবে দাঁড়াতে পারে না। এসব প্রাণী ও উদ্ভিদ অগভীর পানির নিচে কোন শক্ত অবলম্বনকে আশ্রয় করেই সামুদ্রিক স্রোত ও ঢেউকে মোকাবেলা করতে পারে। তাই সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আশে পাশে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট পাথরগুলোই এসব বিচিত্র উদ্ভিদ ও প্রাণীসমুহের আবাস্থল বা আশ্রয়স্থল।

কৌশলগত সামরিক ভূখন্ড

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অবস্থান সামরিক কৌশলগত দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামরিক কৌশলগত কারণে এই দ্বীপকে সামরিক ঘাটি এবং গভীর সমুদ্রে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের উপযুক্ত স্থান হিসেবে ব্যবহার করার জন্য পরাশক্তিগুলো উঠে পড়ে লেগেছে। এ ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে আমাদের দেশের সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদেরকে বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলকে।

সেন্টমার্টিনে সমস্যা

অনেক সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমস্যাগুলো সম্ভাবনাময় কোনো কিছুকে ধংবসের দিকে নিয়ে যায়। আমাদের ক্ষুদ্র সেন্ট মার্টিন দ্বীপও তেমনি ব্যতিক্রম নয়। নিম্নে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সমস্যাগুলো তুলে ধরা হলঃ

১। দ্বীপে বসবাসকারী এবং বিশেষ করে মূলভূখন্ড ও মিয়ানমার থেকে আগত এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এসব বড় বড় পাথরের টুকরাকে সাইজ করে শীলা, পাটা, নুড়া ও শোপীচ, বানিয়ে বিক্রি করছে। ক্রমাগত এবং অপরিকল্পিতভাবে পাথর, প্রবাল দ্বীপ থেকে নিশ্চিন্ন হলে পরিবেশগত বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

২। কোন কোন স্থানে সামুদ্রিক শৈবালগুলো ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে এসে স্তুপাকারে সমুদ্র তীরে পড়ে থাকে। বিনাব্যবহারে পড়ে থেকে এসব শৈবালগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

৩। মিয়ানমার সন্নিকটে হওয়ায় অনেক মিয়ানমার অধিবাসী নিজেরা খাদ্য হিসেবে খাওয়ার জন্য এবং হাঁস মুরগী ও গবাদী পশুকে খাওয়ানোর জন্য নৌকা ভর্তি করে এসব সামুদ্রিক শৈবাল সেদেশে নিয়ে যাচ্ছে।

সেন্টমার্টিনে সম্ভাবনা

শত সমস্যার মাঝে ও কিছুটা সম্ভাবনা লুকায়িত থাকে। সেন্টমার্টিন সমস্যার আবর্তে দিশেহারা সত্যিই, কিন্তু নিু লিখিত সম্ভাবনাগুলো ফেলে দেবার মত নয়।

১. উপযুক্ত উদ্যোগ নেয়া হলে দ্বীপটিকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যায়, যা দেশী বিদেশেী পর্যটকদের আকৃষ্ট করার অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবঙ বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখা সম্ভব।

২. সামুদ্রিক মৎস্য আহরণের পোঁতাশ্রয় হিসেবে দ্বীপটির ব্যবহার ও গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

৩. শৈবাল, ঝিনুক ও শামুকের সংগ্রহ ও সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবাদী পশু ও হাঁস মুরগীর পুষ্টিকর খাদ্য তৈরী করা যায়।

৪. বড় বড় পাথরকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।

উপসংহার

সর্বোপরি সেন্টমার্টিন প্রকৃতির এক অতুলনীয় দ্বীপ। চর্তুদিক অতল সাগর, নীল সাগরজল। কবি তাঁর কল্পনার রাজ্য ছাড়িয়ে সপ্তরঙ্গের পাখায় ভর করে বর্ণনা করে তাঁর নয়নাভিরাম অপূর্ব শোভা। ভুগোলবিদগণ ভৌগোলিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বর্ণনা করে সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রকৃতি ও মানুষ সম্পদকে এবং এদের স্থানিক বিন্যাসকে নিয়ে পাথরের নীচে নরম মোলায়েম বালু, মাথার উপরে অসীম নীল আকাশ সবদিকে সীমাহীন শুভ্র ফেনাময় সাগরজল। সারাটা দ্বীপেই সারাক্ষণ শোঁ শোঁ আওয়াজ, সাগরের তর্জন গর্জন।

সব কিছু মিলে সত্যই সেন্টমার্টিন দ্বীপ অপূর্ব। কিন্তু যেভাবে পাথর আহরণ শুরু হয়েছে তাতে কি এই অপূর্ব সৌন্দর্য বিরাজমান থাকবে? তাই আগামী দিনে এই দ্বীপবাসীকে তথা সমগ্রদেশবাসীকে সচেতন হয়ে আইন প্রয়োগ করে অবৈধভাবে পাথর আহরণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তবেই সম্ভব হবে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমস্ত সম্পদকে সমাজ ও সভ্যতার উন্নয়নে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। সেইজন্য বিশেষজ্ঞ ও ভু-বিজ্ঞানীদের পরামর্শ অনুসারে বাস্তবোচিত উদ্যোগ নেয়া উচিত। প্রয়োজনে দেশী ও বিদেশী পরামর্শদাতা নিয়োগ করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগেেনা যেতে পারে।

তথ্য নির্দেশ

  1. The Pakistan Observer: 1981: “A place in The Sem,” Dhaka.
  2. Records of the Geological Survey of Pakistan: Vol. X, Ptz-B. Geology of Martin’s Island. Geological Survey of Pakistan, 1964.
  3. Haque, Monirul (Unpublished Abstract): 1975, “On The Agen of The Tertiaus Bed Rock, of the Martin’s Island”
  4. Haque, Monirul: 1981: “Geology of the Martin’s Island” Bangladesh Journal of Scientific Research, Vol. 2, Pt. B. Dhaka.
  5. Martin’s Island, Resource Study Report (Unpublished): SPARRSO, Dhaka.
  6. Khan: F.H.: 1983: “Geology of The Mahalaya Valley” Bangladesh Journal of Geology, Vol. 2. Dhaka.
  7. MWRN, De Silva: 1983: “Management of Coral Ecosystems in South Asia, ESCAP/SACEP Symposium, Dhaka.
  8. Shafi, And Quddus, M.N.A: 1978: “Turtles of St. Martin’s Island with a Mote on it fishers” (Unpublished).
  9. Proceeding of The National Seminar on The Protection of Marin Environment and Related Ecosystem: 1979, Dhaka.
  10. Shamsuddin S. Dara and Ahmed, R: 1975: “ Martin’s Island-a Micro regional Study with special reference to land use settlement” (Unpublished).
  11. Chowdhury Abjad Hossain: 1975: “Demographic Profile of St. Martin’s Island (Unpublished).
  12. Pritchard, C.H. Pater: 1969: The Survival Status of Ridley Sea Turtles in American Waters, “Biological Conservation. Vol. 2, Bo. 1, Oct.
  13. The Daily Naya Diganta: February 15, 2009, Page No. 16 & Page No. 5
  14. Website: http://travel.discoverybangladesh.com/travel-St.Martins-nijhum-island.html

লেখক পরিচিতি: এম আবু বকর সিদ্দিক, ট্রেজারার, নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার, নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: [email protected]

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published.