প্রাচীনকাল হতেই সমৃদ্ধ জনপদ বাহরাইন

আনিসুর রহমান এরশাদ

পারস্য উপসাগরের অবস্থিত ৫১টি প্রাকৃতিক দ্বীপ এবং ৩৩টি কৃত্রিম দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত দেশ বাহরাইন। মধ্যপ্রাচ্যের এই দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে একসময় বলা হতো স্বর্গদ্বীপ। এশিয়ার তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। আরব উপদ্বীপের পূর্ব উপকূল থেকে ২৪ কিমি দূরের এই দেশটিতেই প্রথম তেলের সন্ধান পাওয়া যায়। শোধনাগারও তারাই প্রথম তৈরি করে। তেলসম্পদের কারণে অর্থনৈতিকভাবে দেশটি সমৃদ্ধ। প্রায় ৫,০০০ বছর আগেও বাহরাইন একটি বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল। আজ জানাব মধ্যপ্রাচ্যের এই অন্যতম ধনী দেশ সম্পর্কে।

একনজরে

পুরো নাম: কিংডম অব বাহরাইন
বৃহত্তম শহর ও রাজধানী: মানামা
সরকারি ভাষা : আরবি
রাষ্ট্রধর্ম: ইসলাম

সরকার: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
বাদশাহ: হামাদ বিন ইসা আল-খলিফা
রানী: সাবিকা বিন্ত ইব্রাহিম আল-খলিফা
প্রধানমন্ত্রী: সালমান বিন হামাদ বিন ইসা আল-খলিফা (ক্রাউন প্রিন্স)

আইনসভা: জাতীয় পরিষদ
স্বাধীনতা লাভ: ১৫ আগস্ট ১৯৭১
আয়তন: মোট ৭৭৮.৩ বর্গকিলোমিটার
জনসংখ্যা: ১৭ লাখ ৪৭ হাজার ৪৬২ জন
মুদ্রা: বাহরাইনি দিনার (ইঐউ)

অবস্থান

বাহার শব্দের অর্থ সাগর আর বাহরাইন অর্থ দুইটি সাগর। ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র বাহরাইনের অবস্থান দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় পারস্য উপসাগরের পশ্চিম দিকে। এই দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপের দৈর্ঘ্য ৫৫ আর প্রস্থ ১৮ কিলোমিটার।

এর পশ্চিমে সৌদি আরব এবং পারস্য উপসাগরের ২০০ কিলোমিটার উত্তরে ইরান। কাতার দক্ষিণ-পূর্বে। সবচেয়ে বড় দ্বীপটিও বাহরাইন নামে পরিচিত। দ্বীপটির বেশির ভাগ অংশ মরুময় ঊষর নিম্নভূমি। কেবল উত্তরের উপকূলে এক চিলতে সমভূমি আছে যেখানে দেশটির রাজধানী মানামা অবস্থিত।

পতাকা

বাহরাইনের পতাকায় বামপাশে লালরঙের মাথায় পাঁচটি সাদা ব্যান্ড আছে। এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ। ২০০২ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি বর্তমানে প্রচলিত পতাকাটি গ্রহণ করা হয়। ২০০৪ সালে বাহরাইন সবচেয়ে দীর্ঘ পতাকা তৈরি করে গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলেছিল। পতাকাটির দৈর্ঘ্য ছিল ১৬৯.৫ মিটার এবং প্রস্থ ৯৭.১ মিটার।

রাজনীতি

বাহরাইনের আইনসভা দুই-কক্ষবিশিষ্ট। নিম্ন কক্ষের সদস্যরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসেন। ঊর্ধ্বকক্ষ তথা শুরা কাউন্সিলের সদস্যদের রাজা নিয়োগ দেন। বাদশাহই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। প্রশাসন ও সেনাবাহিনীতেও বাদশাহর কাছের লোকজনকেই নিয়োগ দেওয়া হয়।

ইতিহাস

বাহরাইন প্রাচীনকাল হতে সমৃদ্ধ জনপদ হিসাবে পরিচিত। আরব উপদ্বীপে বাহরাইনে ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম তেল আবিষ্কার হয়। এরপর বাহরাইন পারস্য উপসাগরের প্রথম তেল-ভিত্তিক অর্থনীতি গঠন করে। ১৯৭১ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ১৭৮৩ সাল থেকেই বাহরাইন শাসন করে খলিফা পরিবার। বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিট অবস্থান করছে।

অর্থনীতি

বাহরাইনের অর্থনীতি প্রধানত পেট্টোলিয়াম উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও রিফাইনিং এর উপর নির্ভরশীল। দেশটির ব্যাংকিং খাতও শক্তিশালী। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হওয়ায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এখানে সদরদপ্তর স্থাপন করেছে।

পর্যটন খাত অনেক উন্নতি সাধন করেছে। অ্যালুমিনিয়াম রফতানি করে। জাহাজ নির্মাণ করে। কিছু শাকসব্জী এবং খেজুর জন্মে। ভেড়া, ছাগল, মুরগি এবং গবাদি পশু পালন করা হয়।

ধর্ম

বাহরাইনের সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা স্বীকৃত। এখানে অনেকগুলো চার্চ রয়েছে। হিন্দু ও ইহুদিদের প্রার্থনাগৃহও রয়েছে। এখানে আছে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মানুষের কথা বলার অধিকার। বাহরাইনি এবং প্রবাসীদের মধ্যেও বিবাহ হয়। বাহরাইনের ৭০% মুসলমান।

খ্রিস্টান ধর্মের ১৫ শতাংশ এবং হিন্দু ধর্মের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষের বাস এদেশে। এছাড়াও বাহাই, বৌদ্ধ, শিখ, ইত্যাদি বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী আছে। জনসংখ্যার ৬০ শতাংশেরও বেশি স্থানীয়। এখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোতে ফার্সি, উর্দু এবং হিন্দি ভাষাও প্রচলিত।

মানামা

মানামা বাহরাইনের রাজধানী ও প্রধান শহর। এটি দেশটির সর্বাপেক্ষা জনবহুল শহর। মানামাকে ১৯৫৮ সালে একটি মুক্ত বন্দর হিসাবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৯৭১ সালে এটি বাহরাইনের রাজধানী হিসাবে ঘোষিত হয়। মানামার গুদাইবিয়া মসজিদ খুবই চমৎকার।

মানামা ছাড়াও অন্য শহরগুলো হচ্ছে- বুদাইয়া, আআলি, সিত্রা, আর-রিফা, আমওয়াজ, জাল্লাক, আল-ঘার্বি, দিয়ার আল-মুহাররাক, ইসা টাউন, জিধাফস, আল বুদাইয়ী ও মদিনাত হামাদ টাউন ইত্যাদি। এছাড়া ছোট ছোট অনেক শহর ও পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে।

কিং ফাহদ কসওয়ে

সৌদি আরবের মূলভূমির সঙ্গে কিং ফাহদ কসওয়ে নামক ২১ কিলোমিটার সেতু দ্বারা যুক্ত বাহরাইন। আরব সাগরে এই ব্রিজটি তৈরী হয়েছে দুই দেশের যৌথ অর্থায়নে। সৌদি আরবের ১০ কিলোমিটার এবং বাহারাইনের ১০ কিলোমিটার বাদ দিয়ে বাকি যে এক কিলোমিটার থাকে সেখানেই গড়ে তোলা হয়েছে নয়াভিরাম বিনোদন কেন্দ্র। সেটি লাখ লাখ ভ্রমণ পিয়াসীদের বিনোদন কেন্দ্র। সাগরের বুকে সবুজ ঘাসে ছেয়ে গেছে স্থানটি। সেখানে অবস্থিত টাওয়ারে উঠে দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হন সাগরের বিশালতা দেখে।

ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার

বাহরাইন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম আকাশচুম্বী ভবন, যেটির নকশায় উইন্ড টারবাইন রয়েছে।

জীবনবৃক্ষ

বাহরাইনে ৪০০ বছরের পুরানো মেসকিট বৃক্ষ পরিচিত জীবনবৃক্ষ নামে। যা একাকী বাহরাইনের মরুভূমির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্বের কোথাও এমন বৃক্ষ দেখা যায় না।

বাহরাইন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

বাহরাইন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শহরের তথা দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম বিমানবন্দর।

আল-ফাতিহ মসজিদ

বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ আল-ফাতিহ মসজিদ ৫০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। একইসাথে মসজিদটি ২০০৬ সালে বাহরাইনের জাতীয় গ্রন্থাগারেও পরিণত হয়। এখানে প্রায় ৭০০০ এরও বেশি বই রয়েছে।

বাহরাইন দুর্গ

কালাআত আল বাহরাইন (বাহরাইন দুর্গ) উত্তরের উপকূলে অবস্থিত। দুর্গের পাশে একটি যাদুঘর রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে প্রাচীন দিলমুন আমল থেকে শুরু করে ইসলামী যুগের অনেকগুলি নিদর্শন।

দর্শনীয় স্থান

বাহরাইনের আরো দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে- আল-আলির রাজকীয় সমাধি, অসংখ্য ঐতিহাসিক সমাধি, আরাদ দুর্গ, বার্বিয়ার মন্দির, মুহরাকের পুরানো শহর, সর মন্দির, বাহরাইন আন্তর্জাতিক সার্কিট, দিরাজ মন্দির, জানবিয়া উট ফার্ম, আল আরিন বন্যজীবন পার্ক এবং বাতাসের টাওয়ার, বাহরাইন গেট, কয়েন যাদুঘর, আল চামিস মসজিদ, জাতীয় যাদুঘর কোরান যাদুঘর, ঐতিহ্য কেন্দ্র, লেগুন পার্ক, রিফ আইল্যান্ড, ইসলামিক সেন্টার, গোল্ড সিটি, থিয়েটার, আর্ট গ্যালারী, শেখ ওংধসা বিন আলী হাউস এবং ওরিয়েন্টাল বাব মনামার আল বাহরাইনের বাজার।

নাগরিক সুবিধা

বাহরাইন সরকার নাগরিকদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করে। বৃদ্ধদের জীবনযাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পেনশন প্রদান করে। ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের পড়ালেখা করা বাধ্যতামূলক। দেশটির স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য পড়ালেখা একদম ফ্রি।

গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ

বাহরাইন দ্বীপপুঞ্জ ছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ রয়েছে। নবীহ সালেহ সীতারার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। জিদ্দা দ্বীপ, উম্মে সাবান এবং উম্মে আন নাসান এর উত্তরে অবস্থিত। অন্যতম বৃহত্তম দ্বীপপুঞ্জ হাওয়ার কাতারের উপকূলে অবস্থিত। নবীহ সালেহে বেশ কয়েকটি মিষ্টি জলের ঝর্ণা রয়েছে যা দ্বীপের খেজুর বাগানে সেচ দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।

জিদ্দার পাথুরে দ্বীপটিতে পূর্বে কারাগার ছিল তবে এখন অবকাশযাপন কেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। হাওয়ার এবং এর নিকটবর্তী পনেরোটি ছোট দ্বীপগুলি খুবই চমৎকার। হাওয়ার উনিশ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং প্রায় দেড় কিলোমিটার প্রশস্ত। আল গারুম দ্বীপপুঞ্জসহ অন্যান্য দ্বীপগুলি জনশূন্য এবং বিভিন্ন প্রবাসী পাখির জন্য বাসা বাঁধার স্থান।

আচরণ

বাহরাইনিরা বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ। কারো সাথে কথা বলার সময় হাসি মুখে এবং চোখে চোখ রেখে কথা বলেন। কথা বলার সময় আশে পাশে তাকানোটাকে বাহরাইনিরা অভদ্রতামূলক আচারণ হিসেবে গন্য করেন। সাক্ষাতের শুরুতে কথা বলার সময় বাহরাইনি পুরুষেরা একে অপরের সাথে মুসাফা বা হ্যান্ডসেক করেন।

বিদায়ের সময় একে অপরের কপাল বা কপোলে চুমু খান। আর মহিলারা খুব কাছের হলে একে অপরকে দুই হাতে জড়িয়ে ধরে এবং চুমু দিয়ে বিদায় জানায়। বাহরাইনিরা তাদের খুব কাছের বন্ধুদেরকে জন্মদিন, ঈদ, হজ, রমজানকে কেন্দ্র করে একে অপরকে উপহার দিয়ে থাকে।

আরবী শব্দে কথা বলতে পারা লোকদেরকে সেদেশের লোকেরা আলাদাভাবে কদর করে থাকে। বাহরাইনিরা ব্যবসায়িক কোন মিটিং শুরুর আগে একে অপরের স্বাস্থ্য ও পরিবারে খোজ খবর নিয়ে থাকে।

খাবার

বাহরাইনে প্রচলিত কিছু সাধারণ খাবার হচ্ছে- বালালীত- মিষ্টি জাফরানের নুডলস যার উপরে অমলেট দেওয়া থাকে। বেইজ আল্কিতা- বাদামের গুড়া ও চিনি দিয়ে তৈরী ভাজা বিস্কুট। এক ধরণের ডিমের আকৃতির হওয়ায় একে সেই ডিমের নামে নামকরণ করা হয়েছে। বিরিয়ানী- একটি সাধারণ খাবার যা খুব মশলা দিয়ে রান্না করা হয়। প্রধান উপাদান চাল সঙ্গে থাকে মুরগী অথবা ভেড়া বা ছাগল।

ফিরগা- সাদা চাল যা টমেটো, আলু এবং বেগুন দিয়ে রান্না করা হয়। গ্যাবাউট- ঘন মাংসের ঝোলে মেশানো আটা দিয়ে তৈরী করা হয়। গার্স ওগালি-একটি ঐতিহ্যবাহী পিঠা যা ডিম, ময়দা, চিনি এবং জাফরান দিয়ে তৈরী করা হয়। প্রথাগতভাবে চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। ঘুরাইবা- আটা, ঘি, চিনি গুড়ো এবং এলাচ মিশিয়ে তৈরী করা এক ধরণের বিস্কুট যা সাধারণত আরবীয় কফির সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। হারেস- গম মাংসের সঙ্গে রান্না করে পেষা হয় উপরে এক ধরণের চিনি ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

জিরেশ- মুরগী বা বকরী, টমেটো এবং মশলা দিয়ে রান্না করে মিশ্রিত করে তৈরী করা হয়। খাবেস- আটা ও তেল সহযোগে তৈরি মিষ্টিজাতীয় খাবার। লুগাইমাত- জাফরান সিরাপে ডোবানো ঈষ্টের ভাজা পিঠা। চিনি, লেবু এবং জাফরান দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। মাকবুশ- ছাগল, মুরগী বা মাছ দিয়ে তৈরী খাবার যার উপরে সুগন্ধি চাল ছড়ানো থাকে এবং মুরগী বা ছাগলের মশলা যুক্ত ঝোল দিয়ে রান্না করা হয়। মাহ্যোয়া- এক ধরণের মাছের সস।

মাগলুবা- মাংস, আলু এবং বেগুন দিয়ে রান্না করা হয়। মারগুগ- সব্জির স্ট্যু যাতে সাধারণত স্কোয়াশ এবং বেগুন থাকে। মুমাওয়াশ- চাল সবুজ ডাল দিয়ে রান্না করা হয় এবং উপরে শুকনো চিংড়ি দেওয়া হয়। মুতাব্বাক সামাক- ভাতের উপর পরিবেশিত মাছ। অধিক মশলাযুক্ত মাছের ঝোল দিয়ে ভাত রান্না করা হয়। কুজি- বাহরাইনী ভেড়ার রোস্ট যা ভাত, মাংস, ডিম এবং অন্যান্য উপকরণ দিয়ে সাজানো থাকে।

জালাবিয়া- একধরণের জিলাপী যা চিনি, লেবু ও জাফরানের দ্রবণ বা সিরাপে চুবিয়ে তৈরী করা হয়। কাহওয়াহ হচ্ছে জাতীয় পানীয়। তবে অতিথী আপ্যায়নে চা পরিবেশন করা হয়। অন্যান্য পানীয়ের মধ্যে আছে লবন, দইয়ের পানীয় এবং কোমল পানীয়।

সংস্কৃতি

খালিজি লোক সঙ্গীত সমগ্র বাহরাইন জুড়ে জনপ্রিয়। এছাড়া শহুরে ঘরানার সাওত সঙ্গীতও বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আলি বাহার বাহরাইনের বিখ্যাত গায়কদের মধ্যে একজন। আল এখওয়া তার সঙ্গীত দলের নাম।

অ্যারাবস গট ট্যালেন্ট কর্তৃক ২০১১ সালে নির্বাচিত ক্ষুদে সংগীত শিল্পী হালা আল তুরক বাহরাইনে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তার ইউটিউব মিউজিক ভিডিও সমূহ খুবই জনপ্রিয়। তার গাওয়া ২০১৫ সালের গান ‘লিভ ইন দ্য মোমেন্ট’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় । তার গান নামী এবং জা’আল ক্বামার একটি গান হিসেবে প্রযোজিত হয়, যদিও পারতপক্ষে এই দুটি গান আলাদা।

পরিবার.নেট

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *