পর্যটকদের চাহিদানুযায়ী মানসম্মত হোটেল

বিশ্বের নামি-দামি সব চেইন হোটেল রেস্টুরেন্টসহ এখন আমাদের দেশেও গড়ে উঠেছে ছোট বড় হোটেল, রিসোর্ট ও ট্যুর ট্রাভেলস কোম্পানি। এই খাতে দক্ষ মানব সম্পদের পাশাপাশি তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ধরনের শ্রম ও পরিবেশ উপযোগী কর্মকান্ড। ১৯৯০-এর দশকের পর থেকে হোটেল শিল্পে যে পরিবর্তন এসেছে তা অনুকরণীয়। রাজধানীসহ সারাদেশেই মানসম্মত হোটেলের সংখ্যা বেড়েছে। হোটেল ব্যবসা রাজধানী থেকে জেলা-উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবছর রাজস্ব খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আনন্দময় ভ্রমণ ও অবসর যাপনের নিরাপদ আশ্রয়  হোটেল। পর্যটকদের চাহিদানুযায়ী মানসম্মত হোটেল পর্যটন শিল্প বিকাশে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।

এক নজরে দেখে নিন লুকিয়ে রাখুন

সোনারগাঁও হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিঃ

প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় পাঁচ তারকা হোটেল। উন্নত গ্রাহক সেবা এবং সর্বাধুনিক সুবিধা সংযোজনের নিরন্তর প্রচেষ্টায় দেশি-বিদেশি গ্রাহকদের কাছে ইতোমধ্যেই অর্জন করেছে ব্যাপক আস্থা। অন্যান্য পাঁচ তারকা হোটেলের তুলনায় এই হোটেলের খরচও একটু কম।

ঠিকানা ও যোগাযোগঃ প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের ঠিকানাঃ ১০৭, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা-১২১৫। টেলিফোন-৮৮০-২-৮১১০০৫, ফ্যাক্স-৮৮০-২-৮১১৩৩২৪, ই-মেইল [email protected] ওয়েবসাইট-www.panpacific.com/Dhaka
হলরুমঃ এই হোটেলে বড় ধরনের ডিনার পার্টি অথবা বিশাল সমাবর্তন অনুষ্ঠান কিংবা মিটিং বা ভোজসভার জন্য রয়েছে বিশাল হলরুম। হলরুমে ১২০০ লোকের সমাগম হতে পারে। হলরুম ভাড়ার জন্য যোগাযোগঃ ফোন-৮১১১০০৫, মোবাইল-০১৭৩০০১৪১৭৭, ই-মেইল[email protected]

সোনারগাঁও হোটেলের রুম ভাড়া
ডিলাক্স টুইনঃ আয়তন ২৮ বর্গমিটার। এতে রয়েছে ফ্ল্যাট স্ক্রীন এলসিডি টিলিভিশন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, ক্যাবল টেলিভিশন চ্যানেলস। এর ভাড়া ১২০ ডলার। তবে ১৪০ ডলার ভাড়ারও ডিলাক্স টুইন রয়েছে।
প্রিমিয়ার কিংঃ এর আয়তন ২৮ বর্গ মিটার। অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ, লেড টিভি, ক্যাবল টেলিভিশন চ্যানেলস। নতুন সুবিধার মধ্যে রয়েছে সুইমিং পুল বা সিটি ভিউ সুবিধা । এছাড়াও বাড়তি সুবিধা হিসেবে রয়েছে বিনামূল্যে চা, কফি ও নাস্তা সরবরাহ। এর ভাড়া ১৬০ ডলার।
প্রিমিয়ার টুইনঃ প্রিমিয়ার কিং এর মতো সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন। এর ভাড়াও ১৬০ ডলার।

প্যাসিফিক সিঙ্গেলঃ রুমের আয়তন ২৮ বর্গমিটার । প্যাসিফিক লাউঞ্জে রয়েছে অত্যন্ত আরামদায়কভাবে নিযুক্ত নানাবিধ সুযোগ। এর ভাড়া ১৮০ ডলার।
প্যাসিফিক টুইনঃ প্যাসিফিক সিঙ্গেলের অনুরূপ সুবিধা সংবলিত। এর ভাড়া ২০০ ডলার।
জুনিয়র স্যুইটঃ ৫৬ বর্গ মিটার আয়তনের কিং সাইজ বেড সিটি ভিউ। রয়েছে ইলেকট্রনিক নিরাপদ রুমে আলাদা থাকার জায়গা। ভাড়া ২২০ ডলার। আবার, ২৪০ ডলার ভাড়ারও জুনিয়র স্যুইট রয়েছে এই হোটেলে।
এক্সিকিউটিভ কিং স্যুইটঃ ৬৩ বর্গ মিটার আয়তনের আরামদায়ক সুইমিং পুল বা সিটি ভিউ সুবিধা সংবলিত রুম। এর ভাড়া ২৯০ ডলার। অন্যদিকে, ৩১০ ডলার ভাড়ার এক্সিকিউটিভ কিং স্যুইটও রয়েছে এই হোটেলে।

বাঙ্গালী স্যুইটঃ ছয় বা ততোধিক অতিথিদের জন্য সুইমিং পুল সুবিধা বা সিটি ভিউ কিং বেড রুম সংবলিত এই স্যুইটের আয়তন ৮৪ বর্গমিটার। এর ভাড়া ৩৯০ ডলার। আবার, ৪১০ ডলার ভাড়ার বাঙ্গালি স্যুইটও রয়েছে।
রুম সংখ্যা, বুকিং ব্যবস্থা এবং বুকিং বাতিলঃ এই হোটেলে মোট ৩০৪টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ আছে। বুকিংয়ের জন্য সরাসরি যোগাযোগ করতে হয় কিংবা ফোন, ই-মেইল অথবা অনলাইনেও বুকিং করা যায় রুমের অগ্রিম বুকিং বাতিল করতে হলে বুকিংয়ের নির্দিষ্ট দিনের একদিন পূর্বে তা বাতিল করতে হবে। তবে কোন চার্জ কাটা হয় না।

রুম ব্যবহারের শর্তাবলীঃ রুম ভাড়ার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী থাকা সত্ত্বেও রুমের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত লোকজন বা শিশুদের জন্য কিংবা এরূপ ঘটনার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে। এছাড়াও রুমের ভাড়া রুমের সহজ প্রাপ্তির উপর নির্ভর করে এবং ক্ষেত্র বিশেষে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।

সুযোগ-সুবিধা এবং সেবা সমূহঃ এই হোটেলের হেলথ ক্লাবে রয়েছে স্বয়ং সম্পূর্ণ ব্যায়ামাগার, রয়েছে মেসেজ ট্রিটমেন্টসহ স্যোনা এবং ষ্টীম রুম। বিনোদন পিয়াসীরা উপভোগ করতে পারবেন ঝাঁকালো সুইমিং পুল, টেনিস কোর্ট এবং স্কোয়াশ কোর্ট। এখানকার হেলথ ক্লাবে শিশু এবং বয়স্কদের জন্য রয়েছে নির্দেশক। বিউটি ট্রিটমেন্ট এবং চুলের জাঁকজমক সাজের জন্য রয়েছে সেলুন। এছাড়াও বিয়ের কনের সজ্জা, স্কিন কেয়ার, হেয়ার কাট, ফেসিয়াল এবং অন্যান্য বিউটি ট্রিটমেন্টের আয়োজন রয়েছে কাউন্টিএন্ড বিল্ডংয়ের তৃতীয় তলায়। অতিথিদেরকে দেয়া হয় সজীবকারক চা এবং কফি।

হোটেলে যে সুবিধা সমূহ পাওয়া যায়। ১। এয়ার লাইন ট্রাভেল এজেন্সীজ। ২। ব্যাংক । ৩। স্যুভেনির এবং হস্তশিল্পের দোকান । ৪। কার্পেটের দোকান। ৫। জুয়েলারী দোকান। ৬। বুক ষ্টল। ৭। আর্ট গ্যালারি। ৮। ফটোগ্রাফী শপ। ৯। বাণিজ্যিক অফিস। ১০। প্রহরা ব্যবস্থা। ১১। লিমুজিন রেন্টাল। ১২। স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৩। লন্ড্রি সেবা। ১৪। শপিং আর্কেড। ১৫। গলফ কোর্স। ১৬। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ভাড়া ভিত্তিক অফিস।

নন-বোর্ডার সুবিধাঃ এই হোটেলের নন-বোর্ডার অতিথিদের জন্য সুইমিং পুল ব্যবহার তথা হেলথ ক্লাবের সদস্য হওয়ার সুবিধা রয়েছে। সদস্য ফি ১ বছরের জন্য ১,২০,০০০/= টাকা, ৬ মাসের জন্য ৮৪,০০০/= টাকা। প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে ১ দিনের জন্য ১,৩০০/=টাকা এবং শিশুদের ক্ষেত্রে ৭০০/= টাকা। সদস্যরা বছরের যে কোন সময় সাঁতার কাটতে পারবে। এছাড়াও সুইমিংপুলে নারী, শিশু ও বড়দের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। ১২ বা তদূর্ধ্ব বয়স্কদের জন্য ১ মাসের প্রশিক্ষণ খরচ ১৫,০০০/= টাকা এবং ১২ বছরের নীচে শিশুদের ১ মাসের প্রশিক্ষণ খরচ ১২,০০০/= টাকা। সপ্তাহে চারদিন করে ১৬টি ক্লাস। যোগাযোগ নং-৮১১১০০৫
অতিথিদের জন্য হেলথ ক্লাব সুবিধাঃ অতিথিদের জন্য সুইমিংপুল, হেলথ ক্লাব ফ্রি। হেলথ ক্লাবের জন্য বাহিরের অতিথিদের অর্থ প্রদান করতে হয়। সে তথ্য কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলে দিবে।

ভিড়ঃ সাধারণত পর্যটন কাল শীতকালেই ভিড় বেশি হয়।
হোটেল প্রাঙ্গনে অন্যান্য স্থাপনাঃ হোটেলটির পাশেই রয়েছে ব্যাংক ও সৌদি এয়ারলাইন্স অফিস ও Money Exchange এর অফিস।
পরিবহন সুবিধাঃ নিজস্ব পরিবহনের ব্যবস্থা রয়েছে তার জন্য আগে থেকে যোগাযোগ করতে হয়।
বিল পরিশোধঃ এখানে কার্ডের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করা যায়। সেক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড গ্রহন করা হয়। তাছাড়া বিদেশি মুদ্রা যেমন-ইউরো, পাউন্ড, রিয়েল ইত্যাদি গ্রহন করা হয়।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল

নির্মাণ সংক্রান্ত কাজের কারণে বর্তমানে এই হোটেলটি বন্ধ রয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে নতুন নামে হোটেলটি চালু হবে। ঢাকার পুরাতনতম পাঁচ তারকা হোটেল হচ্ছে রুপসী বাংলা হোটেল দীর্ঘদিন এই হোটেলটি শেরাটন হোটেল নামে পরিচিত থাকলেও কিছুদিন আগে ব্যবস্থাপনার হাত বদল হয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আসার পর নাম পরিবর্তন ঘটে।

অবস্থানঃ হোটেলটির অবস্থান বেশ আকর্ষণীয় এবং কিছুটা অভিজাত এলাকায় বলা যায়। কাছেই বিখ্যাত রমনা পার্ক এবং জাতীয় জাদুঘর। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, বসুন্ধরা সিটি শপিং সেন্টার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসও বেশি দূরে নয়। এছাড়া হোটেলটির চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত স্থাপনা ও স্থান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখান থেকে মাত্র ১৬ কিঃ মিঃ দূরে অবস্থিত। শাহবাগ মোড় থেকে ৫০০ গজ উত্তর দিকে এগিয়ে পূর্ব পাশে হোটেলটি অবস্থিত।

বিভিন্ন ধরনের সম্মেলন, সভা, প্রদর্শনী, ভোজ সভা, ঘরোয়া ভোজন, বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজনের সুযোগ রয়েছে হোটেলটিতে। বড় আয়োজনের জন্য রয়েছে ‘উইন্টার গার্ডেন’ এবং ‘গ্র্যান্ড বলরুম’ যা সম্মেলন, প্রদর্শনী, মেলা ইত্যাদি আয়োজনের জন্য আদর্শ। এছাড়া রয়েছে বিভিন্ন সুবিধা সম্পন্ন মিটিং রুম, বকুল চামেলী, পলাশ, শিমুল এবং মার্বেল রুম। আরও রয়েছে অভিজাত বোর্ড রুম ডালিয়া।

ঠিকানাঃ ১, মিন্টু রোড, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। ফোন- ৮৩৩০০০১। ফ্যাক্স- ৮৩১২৯৭৫। ই-মেইল- [email protected] ওয়েব সাইট- www.ruposhibangla.com. চিঠি লেখার ঠিকানাঃ জিপি ও বক্স নং- ১, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
অনলাইন বুকিংঃwww.ruposhibanglahotel.com সাইটে গিয়ে নাম সহ কিছু সাধারণ তথ্য প্রদানের মাধ্যমে বুকিং দেয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন হয়।

ভেতরের দোকানঃ হোটেলের ভেতরেই কেনাকাটার জন্য দোকান আছে। সেই সাথে আছে উপহার সামগ্রী এবং চিত্রকর্মের জন্য আলাদা দোকান।
রুম ভাড়াঃ সিঙ্গেল- ১৬৮ ইউ.এস.এ ডলার,ডাবল-১৯৪ ইউ.এস.এ ডলার, সুইট- ৪৫৩ ইউ.এস.এ ডলার।
বেডঃ কিং এবং কুইন সাইজ বেডের পাশাপাশির রোল অ্যাওয়ে বেড রয়েছে। এছাড়া রয়েছে শিশু বিছানার ব্যবস্থা। হোটেল কক্ষে চা-কফি বানানোর সুবিধা থাকছে। সে সাথে রেফ্রিজারটর, মাইক্রোওয়েভ ওভেন এবং মিনিবার সুবিধাও রয়েছে। প্রত্যেক তলায় ফায়ার এলার্ম, ধোঁয়া সনাক্তকরণ যন্ত্র এবং অগ্নিকান্ডের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানি ছুঁড়ে দেবার ব্যবস্থা আছে। সে সাথে নিরাপত্তার জন্য কক্ষগুলোতে ইলেক্ট্রনিক লকের ব্যবস্থা আছে।

বিনোদনের জন্যঃ এল সি ডি/ এল ই ডি টেলিভিশনে স্যাটেলাইট চ্যানেল উপভোগের সুযোগ রয়েছে। হোটেলের উম্মুক্ত স্থানে এবং সভাকক্ষগুলোয় ওয়াইফাই ইন্টারনেট সুবিধা আছে। আর প্রত্যেক অতিথির কক্ষে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ ও রয়েছে।

হোটেলের অভ্যন্তরীন রেস্টুরেন্ট ও লাউঞ্জ
দি ভিন্টেজ রেস্টুরেন্টঃ সময়সূচি সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত (শুক্রবার বন্ধ)।
স্পেশালিটি লাউঞ্জঃ চা-কফি এবং হালকা খাবার। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
দি লবি ক্যাফেঃ সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
বীথিকাঃ খাবার-স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক। সকাল ৬.৩০ মিনিট থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
বারঃ খাবারঃ বার মেন্যু। বিকাল ৪টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শুক্রবার বন্ধ।

আর্টিয়াম লাউঞ্জঃ খাবারঃ চা-কফি, হালকা খাবার এবং বার মেন্যু। সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
ইতালীয় বারঃ খাবারঃ ইতালীয় খাবার। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা খোলা থাকে।
ভোজসভা আয়োজনঃ ভোজসভা আয়োজনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবা, ভিডিও কনফারেন্স সুবিধা, সভার জন্য মাইক্রোফোন, এলসিডি প্রোজেক্টরসহ অডিও ভিজ্যুয়াল বিভিন্ন সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হয়। অবশ্য এই সুবিধা পেতে হলে অন্তত ২৪ ঘন্টা আগে জানাতে হয়।
উন্টার গার্ডেনঃ ‘উন্টার গার্ডেন’ রুপসী বাংলা হোটেলের বৃহত্তম হলরুম, ৯৬০০ বর্গফুট আয়তনের এই রুমে ১০০০ লোকের স্থান সংকুলান করা যায়। আর ভোজসভা ঢঙে ৫০০ লোকের স্থান সংকুলান করা যায়।

গ্রান্ড বলরুমঃ ৩৮০০ বর্গফুটের এই হল রুমে সভা আয়োজন করতে গেলে ৪০০ লোকের স্থান সংকুলান করা যায়। আর ভোজ সভা ঢঙে ২৫০ জনের স্থান সংকুলান করা যায়। আর সামনে অতিরিক্ত ১১৯০ বর্গফুট জায়গা আছে। যেখানে প্রদর্শনী বা অন্য আয়োজন করা যায়।
টপ অব দি পার্কঃ ক্ষুদ্র পরিসরে সভা বা আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজনের জন্য এটি আদর্শ। সম্মেলন ঢঙে ৫০ জন এবং ভোজসভা ঢঙে ৪০ জন পর্যন্ত বসতে পারে এখানে।
চ্যামেলীঃ পশ্চিমাংশে অবস্থিত এই কনফারেন্স কক্ষে ভোজসভা ঢঙে ৫০ জন বসতে পারে।
বকুলঃ পশ্চিমাংশে অবস্থিত আরেকটি কনফারেন্স সেন্টার হচ্ছে বকুল যেখানে ১০৬ জন থিয়েটার ঢঙে বসতে পারে।
পলাশ এবং শিমুলঃ এই দু’টি কক্ষের েেয়কানটিতে ৩৪ জন লোকের সভা আয়োজন করা যায়।
ডালিয়াঃ ২২ জন লোক বসার সুবিধা রয়েছে। বেশ প্রশস্ত এই বোর্ডরুমে।
মার্বেল রুমঃ মার্বেলের মেঝে এবং ঝাড়বাতির আলোয় মনোরম পরিবেশে সম্মেলন কিংবা ভোজ সভা আয়োজনের জন্য এটি উত্তম। থিয়েটার ঢঙে ১৫০ জন এবং ভোজসভা ঢঙে ৯০ জন বসতে পারে এখানে।

খাবারঃ আমদানিকৃত গরুর মাংস, পোলট্রি, সামুদ্রিক খাবার, ওয়াইন, বিয়ার, স্পিরিটসহ বিভিন্ন আকর্ষণ রয়েছে এখানকার মেন্যুতে। গুরুত্বপূর্ণ খেলাসমূহ দলবেঁধে উপভোগের জন্য রয়েছে বড় পর্দার ব্যবস্থা আছে। আর পুরো এলাকাটিতে ওয়াইফাই ইন্টারনেটের ব্যবস্থা আছে।
সুবিধাঃ অনুবাদক সেবা, সেক্রেটারিয়াল সেবা, এটিএম মেশিন, ফটোকপি, প্রিন্ট আউট নেয়া, মুদ্রা বিনিময়, কম্পিউটার ভাড়া ইত্যাদি দিয়ে থাকে হোটেল কর্তৃপক্ষ। লন্ড্রি, ড্রাই ক্লিনিং, সংবাদপত্র, মেডিকেল সুবিধা আছে। ফ্রন্ট ডেস্ক ২৪ ঘন্টা চালু থাকে। ২৪ ঘন্টা নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা দেয়া হয়। আর লকার সুবিধাও এবং দ্রুত চেক ইন ও চেক আউট সুবিধা দেয়া হয়।

পরিবহনঃ বিমান বন্দরে আসা-যাওয়ার জন্য শাটল সার্ভিস পাওয়া যায়। আর গাড়ি ভাড়া এবং লিমুজিন সুবিধাও থাকছে। যারা নিজেই গাড়ি চালান তাদের জন্য গাড়ি পার্কিং সুবিধা রয়েছে। স্কোয়াশ, টেবিল টেনিস, লন টেনিস, আউটডোর পুল, স্টীম বাথ, ব্যায়ামাগার ইত্যাদি সুবিধা আছে।
বিমানবন্দরেঃ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের ৩য় তলায়ও হোটেলটির পক্ষ থেকে কিছু বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। সেখানকার মনোরম পরিবেশ বিশ্রামের পাশাপাশি চা-কফি, হালকা খাবার, কেবল টিভি, বাথরুম, আন্তর্জাতিক পত্রিকা-ম্যাগাজিন ইত্যাদির পাশাপাশি এ্যালকোহলিক পানীয়ের ব্যবস্থাও আছে।

রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল

ঢাকার প্রথম সারির তারকা হোটেলগুলোর একটি হচ্ছে রেডিসন হোটেল। ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন সংলগ্ন এই হোটেল ভবনের স্থাপত্যশৈলী যে কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।
ঠিকানা ও অবস্থানঃ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে কূটনৈতিক পাড়ার নিকটে ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনের ঠিক দক্ষিণ পাশেই এর অবস্থান। ঠিকানা- রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল ঢাকা, এয়ারপোর্ট রোড, জোয়ারসাহারা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা- ১২০৬। ফোন- ৮৭৫৪৫৫৫, ফ্যাক্স- ৮৮-০২-৮৭৪৫৫৫৪, ৮৭৫৪৫০৪। ই-মেইল- [email protected] ওয়েব সাইট-www.radissonblu.com

বুকিংঃ বুকিং এর জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা থেকে টোল ফ্রি কল করা যেতে  পারে। ১৮০০ ৩৯৫ ৭০৪৬ নম্বরে আর সিঙ্গাপুর থেকে টোল ফ্রি কল করা যেতে পারে ৮০০ ৬১৬ ১২৮৩ নম্বর। আর সরাসারি ঢাকা অফিসেও যোগাযোগ করা যেতে পারে। ই-মেইল করা যেতে পারে [email protected] এই ঠিকানায়। এছাড়া ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে অনলাইনেও বুকিং দেয়া যায়।
হোটেলটির কক্ষগুলো সম্পর্কেঃ হোটেলটিতে ২০৪টি কক্ষ এবং স্যুইট আছে। কক্ষগুলোয় কিং, কুইন এবং ডবল বেল, ওয়্যারড্রব, চা/কফি প্রস্তুত করা, স্যাটেলাইট সংযোগসহ টেলিভিশন এবং উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা আছে। প্রতিদিনের নাস্তা, লন্ড্রি এবং ড্রাই ক্লিনিং, বিমানবন্দর থেকে পরিবহন সান্ধ্যকালীন ক্যানাপী এবং পানীয়ের ব্যবস্থা আছে। লাউঞ্জ এবং কক্ষ থেকে লোকাল ফোন কল করার সুবিধাও আছে।

ডিলাক্স রুম-২৮ বর্গফুটের এই সুসজ্জিত কক্ষগুলোয় টেবিল, ওয়্যারড্রব, চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাব এর ব্যবস্থা আছে। এখানে একটি কুইন অথবা দু’টি ডবল বেড থাকে।
আটরিয়াম রুম-৩৬ বর্গফুটের এই কক্ষগুলোয় একটি কিং অথবা দু’টো ডবল বেড থাকে। সাথে বড় ডেস্ক, চেয়ার ওয়্যারড্রোব ইত্যাদি থাকে। সাধারণ গেস্ট রুমের জন্য ২২৫ ডলার, স্পেশাল প্যাকেজের জন্য ২৭০ ডলার, স্পা প্যাকেজসহ ২৮৫ ডলার খরচ হবে।
বিজনেস ক্লাস রুম- ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যারা নিয়মিত ভ্রমণ করেন তাদের কথা বিবেচনায় রেখে বিজনেস ক্লাস রুম সাজানো হয়েছে। এখানে প্রতিদিন সকালের নাস্তা পরিবেশন করা করা হয়। এছাড়া সাপ্তাহিক পত্রিকা, লন্ড্রি এবং ড্রাই ক্লিনিং সুবিধা দেয়া হয়। দিনের যে কোনো সময় বিজনেস ক্লাস লাউঞ্জে কাটাতে পারেন বিজনেস ক্লাস রুমের অতিথিগণ। আর প্রতি সন্ধ্যায় কানাপি এবং পানীয় উপভোগ করতে পারেন। আর অন্যান্য হোটেলের মতই ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা থাকছে। ৩২০ ডলার খরচ হবে এখানে এক রাত কাটাতে।
এক্সিকিউটিভ স্যুইট- এটি হোটেলের আট তলায় অবস্থিত। এখানে অত্যন্ত সুপরিসর জায়গা আছে। এখানকার গ্রাহকগণ বিজনেস ক্লাসের সব সুবিধাই ভোগ করেন। এছাড়া ক্লাব লাউঞ্জের সুবিধা পান এরা। ৬২৫ ডলার খরচ হবে এখানে এক রাত কাটাতে।

খাদ্য ও পানীয়ের জন্য ৭টি আউটলেট আছে এখানে-
ওয়াটার গার্ডেন ব্র্যাসারি- প্রতিদিন সকাল ৬ঃ ৩০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
সাবলাইম রেস্টুরেন্ট- নাস্তা, হালকা খাবার, লাঞ্চ ইত্যাদি পরিবেশিত হয় এখানে।
সাবলাইম রেস্টুরেন্ট- প্রতিদিন সকাল ৬ঃ ৩০ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে। টাটকা বাংলাদেশি বিভিন্ন মেন্যু পরিবেশিত হয় এখানে।
চিট চ্যাট- প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ফিটনেস সেন্টারের পাশে অবস্থিত এই আউটলেট থেকে মিল্কশেক এবং স্যান্ডউইচের মত হালকা খাবার পরিবেশিত হয়। বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেবার জন্য এটি আদর্শ।

ব্লেজ এন্টারটেইনমেন্ট লাউঞ্জ এন্ড বার-একতলায় অবস্থিত এই আউটলেটটি শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ঃ ৩০ টা থেকে রাত ১২ঃ ৩০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বিলিয়ার্ড এবং মঞ্চ বিনোদনের ব্যবস্থা আছে।
দি সিগার বার- এই আউটলেটটি শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ঃ ৩০ টা থেকে রাত ১২ঃ ৩০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বিশ্বের সেরা পানীয়, সিগারেট এবং হালকা খাবারের ব্যবস্থা আছে।
এছাড়া হোটেলটির উন্মুক্ত স্থানগুলোয় তার বিহীন ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করেন অতিথিরা।
সুন্দরী স্পাঃ দেহ মনের চাঙা ভাব আনার জন্য নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য স্পা এর ব্যবস্থা আছে এখানে। দেহ এবং মুখমন্ডলের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এ্যারোমাথেরাপী এবং রিফ্লেক্সোলজির সুযোগ আছে।

এখানকার অতিথিরা আউটডোরপুলে শরীর চর্চা, টেনিস খেলা এবং কুর্মিটোলা গলফ কোর্টে গলফ খেলার সুযোগ পান। একটি অত্যাধুনিক জিমনেসিয়ামও আছে।
আমেরিকা এবং উত্তর ইউরোপসহ বিভিন্ন মহাদেশের খাবার পরিবেশিত হয় এখানে।
বিভিন্ন সেবাঃ এই হোটেলে অতিথিরা গড়ে ২ দিনের কম সময় থাকেন। তাই তাদের জন্য দ্রুত লন্ড্রি সেবা দেয়া হয়। রাত ৮টায় কাপড় দিলে সেদিন রাতে সেটা গ্রাহককের হাতে পৌঁছে দেয়া হয়। এছাড়া রয়েছে বিনে পয়সায় ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ, চা/কফি বানানোর ব্যবস্থা, ২৪ ঘন্টার মিনি বার এবং রুম সার্ভিস, স্যাটেলাইট চ্যানেলসহ রিমোট কন্ট্রোলড টেলিভিশন, স্ব নিয়ন্ত্রিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সরাসরি ডায়াল করার সুবিধাসহ টেলিফোন ব্যবস্থা। কেউ সকালে দ্রুত বেরোতে চাইলে তিনি সকালের নাস্তা প্যাকেটেও নিয়ে যেতে পারেন।

ইভেন্ট আয়োজনঃ এখানে ৩০,০০০ বর্গফুটের স্পেস রয়েছে। যেখানে বিয়ের অনুষ্ঠান, ভোজ সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আয়োজন করা যায়। এখানে অনুষ্ঠানগুলোর জন্য ক্যাটারিং সার্ভিস দেয়া হয়। এছাড়া রয়েছে খঈউ প্রোজেক্টর। কেউ চাইলে ২০ ডালারের বিনিময়ে একদিনের জন্য উচ্চগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা নিতে পারেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারেঃ [email protected], [email protected], [email protected] ই-মেইল ঠিকানায়।
সুন্দরী স্পা সেবা
ম্যাসাজঃ ট্রেডিশনাল থাই ম্যাসাজ ৬০ মিনিট ২৫০০ টাকা, ৯০ মিনিট ৩৫০০ টাকা। থাই হারবাল ম্যাসাজ ৯০ মিনিট ৪২০০ টাকা। এ্যারোমাথেরাপী ৬০ মিনিট ৩৪০০ টাকা, ৯০ মিনিট ৫০০০ টাকা। সুইডিশ ম্যাসাজ ৬০ মিনিট ৩৪০০ টাকা, ৯০ মিনিট ৫০০০ টাকা। এ্যান্টি স্ট্রেস নেক, শোল্ডার এন্ড ব্যাক ম্যাসাজ ৩০ মিনিট ১৮৫০ টাকা, ৬০ মিনিট ৩৬০০ টাকা।
ওয়াক্সিংঃ লিপ/চিন/ব্র ওয়াক্স (প্রতিটি) ১৫ মিনিট ৬০০ টাকা, আন্ডারআর্ম ওয়াক্স ২০ মিনিট ২০ মিনিট ৭৫০ টাকা, আর্মস ওয়াক্স ৪৫ মিনিট ১১০০ টাকা, ব্যাক ওয়াক্স ৪৫ মিনিট ১৪০০ টাকা, হাফ লেগ ওয়াক্স ৩০ মিনিট ১৩৫০ টাকা, ফুল লেগ ওয়াক্স ৪৫ মিনিট ২১৫০ টাকা।

ওয়েস্টিন ঢাকা

ঢাকার নতুনতর পাঁচ তারকা হোটেলগুলোর মধ্যে দ্য ওয়েস্টিন হোটেল অন্যতম। প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্বল্পতর সময়ের মধ্যেই হোটেলটি গ্রাহক ও অতিথি শ্রেণির নিকট অর্জন করেছে নিবিড় আস্থা। আবার হোটেল কর্তৃপক্ষও আস্থা ধরে রাখার নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠাকালঃ ইউনিক গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান দ্য ওয়েস্টিন হোটেলটি ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু।
ঠিকানা ও যোগাযোগের নাম্বারঃ গুলশান দুই নম্বর গোল চক্কর থেকে ২০০ গজ সামনে গুলশান ১নং গোল চক্করের রাস্তার ডান পার্শ্বে দ্য ওয়েস্টিন হোটেল অবস্থিত। প্লট নং-০১, রোড নং-৪৫, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২, ফোন ৮৮০-২-৯৮৯১৯৮৮, ওয়েব সাইট-www.westin.com

হোটেলের রুম সুবিধাঃ হোটেলটির রুমগুলোর সাধারণ সুবিধার মধ্যে রয়েছে দ্রুতগতির ইন্টারনেট, ক্যাবল চ্যানেল, ফ্ল্যাট স্ক্রীন, এলসিডি টেলিভিশন, ডুয়েল লাইন টেলিফোন এবং আলাদা বাথ ও শাওয়ার সমৃদ্ধ বাথরুম।
কিং স্যুইটঃ বিভিন্ন রেটের কিং স্যুইট রয়েছে। কিং স্যুইটগুলোর সাধারণ সুবিধার মধ্যে রয়েছে বিনামূল্যে ইন্টারনেট, বোতলজাত মিনারেল ওয়াটার, বিনামূল্যে হেলথ ক্লাব সুবিধা, বিনামূল্যে সংবাদপত্র সরবরাহ, কফি বা চা প্রস্তুতকারক যন্ত্র, হেয়ার ড্রায়ার প্রভৃতি। স্যুইটের আয়তন ও সুবিধার তারতম্যের উপর ভিত্তি করে ভাড়াও বিভিন্নরকম হয়, যেমন, কোনটির ভাড়া ২১৯ ডলার, কোনটির ভাড়া ২২৯ ডলার এবং কোনটির বা ৩০০ ডলার। আলাদা ভ্যাট এবং সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য। কিং স্যুইটের বাইরে রয়েছে এক্সিকিউটিভ স্যুইট, চেয়ারম্যান স্যুইট এবং প্রেসিডেন্সীয়াল স্যুইট। এক্সিকিউটিভ স্যুইটে রয়েছে; চমৎকার বাথরুম সহ মাস্টার বেডরুম এবং আলাদা থাকার জায়গা। চেয়ারম্যান স্যুইটে রয়েছে আলাদা থাকা, খাওয়া, বেডরুম এবং ব্যক্তিগত বাথরুমের সুবিধা। সমকালীন শিল্পকর্ম এবং রুম সজ্জা সমৃদ্ধ প্রেসিডেন্সীয়াল স্যুইটে রয়েছে আলাদা বসার জায়গা, খাবার কক্ষ, এবং ১০ জনের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কনফারেন্সের জায়গা। এছাড়াও রয়েছে ব্যক্তিগত লাইব্রেরি ও ছোট্র রান্নাঘর।
কক্ষ সংখ্যা ও শীতাতপ ব্যবস্থাঃ হোটেলটিতে মোট ২৪১টি কক্ষ রয়েছে। হোটেলটি কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।

অন্যান্য সুবিধা-সমূহঃ কপিয়ার, ফ্যাক্স সার্ভিস, ব্যায়ামগার, সুইমিং পুল, লাগেজ স্টোরেজ, স্মোক ডিটেকটর, চিকিৎসা সেবা, কারেন্সী এক্সচেঞ্জ, রেন্ট-এ-কার, ২৪ ঘন্টা সতর্ক প্রহরা, বেবী সিটিং সার্ভিস, সান্ড্রি শপ, বাণিজ্যিক কেন্দ্র, প্রিন্টিং, জ্যাকুজি, স্যোনা ও ষ্টীম রুম, স্পা, বিউটি সেলুন, এটিএম বুথ, লিমুজিন সার্ভিস, বহুভাষী স্টাফ, ট্যুর সার্ভিস, এয়ার লাইন সংরক্ষণ, রেস্টুরেন্ট, লন্ড্রি সার্ভিস, চিলড্রেন্স পুল, লাউঞ্জ ক্যাফে।
রুম বুকিংঃ অনলাইনে, ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে বা সরাসরি যোগাযোগ করে রুম বুকিং করা যায়।
চেক ইন/আউট সময়ঃ এই হোটেলে চেক ইন টাইম বিকেল ৩টা এবং চেক আউট টাইম সকাল ১১টা।
বুফে লাঞ্চ ও ডিনারঃ এই হোটেলে বুফে লাঞ্চ রেট ২,৫০০ টাকা এবং ডিনার রেট ৩,২০০ টাকা

ভিড়ঃ সাধারণত শীতকালে ভিড় বেশি হয়।
হেলথ ক্লাবঃ বোর্ডার এবং নন-বোর্ডার উভয়েই এই হেলথ ক্লাবের সদস্য হতে পারেন।
হেলথ ক্লাবের ফিঃ ১ বছরের জন্য ৭৫,০০০.০০ টাকা। ৬ মাসের জন্য ৫০,০০০.০০ টাকা। ৩ মাসের জন্য ৪০,০০০.০০ টাকা। ১ মাসের জন্য ১,৮০০.০০ টাকা। ১ দিনের জন্য ১,৬০০.০০ টাকা। সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত যে কোন সময়, এই ছাড়া ৫ থেকে ১২ বছরের শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। খরচ পড়বে প্রায় ১৫,০০০.০০ টাকা, ১ ঘন্টা করে ১৬টি ক্লাস নেওয়া হয়। যোগাযোগ-ফোন ঃ ৯৮৯১৯৮৮
বিদ্যুৎ ব্যবস্থাঃ সরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি হোটেল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা রয়েছে।

আগ্রাবাদ হোটেল লিঃ

হোটেল আগ্রাবাদ আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রামের প্রথম চার তারকা হোটেল। এতে মোট ১০১টি লাক্সারিয়াস রুম ও স্যুট রয়েছে। এখানে প্রচুর বিদেশি নাগরিক অবস্থান করে। গ্রাহকের সুবিধার জন্য হোটেলের পাশেই কয়েকটি ট্রাভেল এজেন্সিসহ কিছু মার্কেট রয়েছে। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় এবং ঐতিহ্যবাহী বিলাসবহুল হোটেল হিসেবে বিখ্যাত ‘হোটেল আগ্রাবাদ’। চট্টগ্রামে পেনিনসুলা হোটেল নির্মিত হওয়ার আগে পর্যন্ত চট্টগ্রামে দেশি-বিদেশি ভিভিআইপিদের আগমন ঘটলে তারা অবস্থান করতেন হোটেল আগ্রাবাদে।
এই হোটেলের মালিক চট্টগ্রামের খ্যাতনামা নারী নেত্রী এবং দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশিষ্ট নারী শিল্প উদ্যোক্তা।
অন্যান্য সুবিধাঃ স্পা সেন্টার, সুইমিংপুল, ড্রিনক বার, রেস্তোরা।

হোটেল রাজমনি ঈসাখাঁ ইন্টারন্যাশনাল

তিন তারকা বিশিষ্ট হোটেল রাজমনি ঈসা খাঁ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে। এটি ব্যক্তি মালিকানাধীন হোটেল। কাকরাইল কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ৩০০ গজ পূর্ব দিকে, রাজমনি সিনেমা হলের ১০০ গজ উত্তর পশ্চিম দিকে এবং বিজয় নগর ট্রাফিক সিগন্যালের পশ্চিম পাশে এটি অবস্থিত। এর ঠিকানা ৮৯/৩, ভিআইপি রোড কাকরাইল, ঢাকা।
অনুসন্ধানঃ হোটেলের যে কোন তথ্যের জন্য রয়েছে অনুসন্ধান ডেস্ক, যা হোটেলের প্রধান গেট দিয়ে প্রবেশের পর ১০ গজ উত্তরে অবস্থিত। গ্রাহক সেবার জন্য এখানে সার্বক্ষণিক ২৪ জন লোক রয়েছেন। যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ- ফোন- ৮৩২২৪২৬-৯, ফ্যাক্স ৪৪-০২-৮৩১৫৩৬৯। E-mailt [email protected] ওয়েবঃ httpt //www.hotelrazmoni.com

হোটেল ভবন এবং রেস্টুরেন্টঃ ১২ তলা বিশিষ্ট হোটেল ভবনটির ৩য় তলা থেকে হোটেল শুরু এবং ১২ তলা পর্যন্ত বিস্তৃত। হোটেল ভবনটির ৪র্থ তলায় রয়েছে ২টি হল রুম, যাদের ধারণ ক্ষমতা ৩০০ জন করে। লোক সংখ্যার অনুপাতে ভাড়া কম-বেশি হলেও সর্বনিম্ন ভাড়া ৫০,০০০ টাকা। এখানে হল রুমগুলোই কনফারেন্স রুম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, আলাদা কনফারেন্স রুম নেই। হল রুমের জন্য বুকিং দিতে হলে প্রথমে অনুসন্ধান ডেস্কে যোগাযোগ করতে হয় এবং মূল ভাড়ার ৫০% অগ্রিম পরিশোধ করতে হয়। হোটেলটির ৫ম তলায় রয়েছে স্টাফদের থাকার রুম এবং রেস্টুরেন্ট। বাকি তলার ফ্লোর গুলোতে রয়েছে ৭৫টি করে থাকার রুম। অতিথিদের রুমগুলি এসিযুক্ত ও আন্তর্জাতিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন। ৫ম তলায় রেস্টুরেন্টে ভোক্তার চাহিদা মাফিক নাস্তা, লাঞ্চ ও ডিনারের বিভিন্ন আইটেম প্রস্তুত করা হয়। বিভিন্ন আইটেমের দাম এদের লভ্যতার উপর নির্ভর করে কম-বেশি হয়। এখানে দেশি খাবার ছাড়াও চাইনিজ, থাই, ইন্ডিয়ান, ইতালি, সিঙ্গাপুরীসহ বিভিন্ন দেশের খাবার পাওয়া যায়।

শীতাতপ ব্যবস্থাঃ হোটেলটি কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এখানে সরকারি বিদুৎ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি হোটেল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় শক্তিশালী জেনারেটর রয়েছে।
রুম বুকিং ব্যবস্থাঃ এই হোটেলে রুম বুকিংয়ের জন্য অনুসন্ধান ডেস্কে­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­­ যোগাযোগ করতে হয়। তবে বুকিংয়ের জন্য ব্যক্তির যে কোন ধরনের পরিচয়পত্র, ঠিকানা এবং বিদেশিদের জন্য পাসপোর্টসহ পূর্ণ ঠিকানা আবশ্যক।
বিশেষ উপলক্ষ্যে ভিড়ঃ বিশেষ উপলক্ষ্যে যেমন- কোন ক্রীড়া উৎসব, দেশীয় বা আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন প্রভৃতিতে ভিড় বেশি হয়। এছাড়া শীতকালে ভিড় বেশি হয়।
পরিবহন ব্যবস্থা ও রেন্ট-এ-কার সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থায় রয়েছে দুটি মিনিবাস। অগ্রিম বুকিং এবং শর্ত সাপেক্ষে হোটেল কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এয়ারপোর্টে অতিথি আনা-নেওয়া করে। এই হোটেলে রেন্ট-এ-কার সুবিধা আছে। এ সুবিধা পেতে হলে অনুসন্ধান ডেস্কে যোগাযোগ করতে হয়।
রুম ভাড়াঃ রুম ভাড়া হিসেবে সুপিরিয়র সিটি ভিউ রুম (ডাবল) এর ভাড়া ৩,৬০০ টাকা (+১৫% ভ্যাট) এবং ডিলাক্স সিটি রুম (সিঙ্গেল) এর ভাড়া ২৭,৫০ টাকা (+১৫% ভ্যাট)।

অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাঃ হোটেলের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে নিজস্ব গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা, যাতে ২০টির অধিক গাড়ি পার্ক করা যায়। বিদেশি অতিথিদের চলাচলের সুবিধার্থে রয়েছে গাইডের ব্যবস্থা। বোর্ডারদের নিরাপত্তার জন্য ২৪ ঘন্টা লোক নিয়োজিত থাকে। কোন গেস্ট অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের পর প্রয়োজনে নিকটস্থ উন্নত চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে আরও রয়েছে ফরেইন মানি এক্সচেঞ্জ সুবিধা। তবে এখানে শুধু ডলার বিনিময় হয়। এই বিনিময়ের হার বাইরের হারের সমান। এখানে প্রতিটি ফ্লোরেই ফায়ার এক্সিট ব্যবস্থা রয়েছে।
নন-বোর্ডার সুবিধাঃ এই হোটেলে বোর্ডারদের পাশাপাশি নন-বোর্ডারদের জন্যও কিছু সুবিধা রয়েছে। এখানে নন-বোর্ডাররা বোর্ডারদের মতোই রেস্টুরেন্ট সুবিধা ভোগ করতে পারে। এছাড়াও হোটেল ব্যবস্থাপনার উপরে সারা বছরই এখানে বিভিন্ন ধরনের কোর্স করানো হয়, যা সবার জন্যই উন্মুক্ত। কোর্সগুলোর মধ্যে রয়েছে ১ মাস মেয়াদি রান্নার প্রশিক্ষণ, যার খরচ পড়বে ৭,৫০০ টাকা, বোর্ডার সেবার উপর ১ মাস মেয়াদি কোর্স যার খরচ ৬,০০০ টাকা, রিসিপসনের উপর ১ মাস মেয়াদি কোর্স রয়েছে,যার খরচ ৬,০০০ টাকা এবং ১ মাস মেয়াদি আরও কিছু কোর্স করানো হয়, যাদের প্রতিটির খরচ ৬,০০০ টাকা।

হোটেল ওয়াশিংটন লিঃ

হোটেল ওয়াশিংটন লিঃ ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত একটি আবাসিক হোটেল। এই হোটেলটিতে দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের বোর্ডারদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। গুলশান ১ নম্বর গোল চক্কর থেকে গুলশান ২ এর দিকে যাওয়ার পথে ১০০ গজ পশ্চিম দিকে হাতের ডান পাশে সিলভার টাওয়ার এর পাশেই হোটেল ওয়াশিংটন অবস্থিত।
ঠিকানাঃ ৫৬, গুলশান এভিনিউ বা/এ, বীর উত্তম শওকত সড়ক রোড নং ১৩২, গুলশান ১, ঢাকা-১২১২। ফোনঃ ৮৮৫১৪৬৭-৭২, ৮৮৫০০৯১-৯৪। ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৯৮৯৪৯১৫। হটলাইনঃ ০১৮১৯-২৩১৯৫৯। ই-মেইলঃ [email protected]; [email protected] ওয়েব সাইটঃ www.washingtonbd.com

হোটেল ভবনঃ সম্পূর্ণ হোটেল ভবনটি ৮ তলা। নিচতলায় প্রবেশ মুখের সাথেই অনুসন্ধান ডেস্ক, অনুসন্ধান ডেস্কের সাথে রয়েছে অফিস রুম। এছাড়া নিচতলায় রয়েছে ফাস্ট ফুড শপ ও সিঁড়ি এবং লিফট। নিচতলার এক পাশে রয়েছে গাড়ির গ্যারেজ।
অবশিষ্ট ফ্লোরগুলোতে রয়েছে রেস্টুরেন্ট/ডাইনিং রুম, কনফারেন্স রুম, গেমস জোন এবং বোর্ডারদের থাকার ব্যবস্থা।
অনুসন্ধান ডেস্কঃ হোটেলের অনুসন্ধান ডেস্কটি ভবনের নিচ তলায় প্রবেশ মুখের সাথেই অবস্থিত। অনুসন্ধান ডেস্কে সার্বক্ষণিক ৪ জন ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করেন।
রুমগুলো ও ভাড়াঃ এই হোটেলর সকল রুমই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। সর্বমোট রুমের সংখ্যা ১০১টি। রুমগুলোতে রয়েছে এটাচড বাথরুম, ঠান্ডা ও গরম পানি ব্যবস্থা। টেলিফোন, ইন্টারনেট সার্ভিস, লন্ড্রি সার্ভিস সুবিধা।

রুমের ধরনঃ ভাড়া (ইউ.এস ডলার) প্রিমিয়াম সিঙ্গেল $ ১০০, ডিলাক্স টুইন $ ১৩০, জেআর অ্যাম্বাসিডর স্যুট $ ১৩০, অ্যাম্বাসিডর স্যুট $ ১৫০, প্রেসিডেন্ট স্যুট $ ২২০। বিশেষ প্রয়োজনে এক্সট্রা বেডের প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত $ ১০ ডলার পরিশোধ করতে হয়।
রুম বুকিংঃ রুম খালি থাকা সাপেক্ষে ন্যূনতম ৭ দিন আগে সরাসরি কিংবা ফোনের মাধ্যমে রুম বুকিং দেয়া যায়। দেশীয় বোর্ডারদের রুম বুকিংয়ের সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্টের প্রথম ৫ পাতার ফটোকপি জমা দিতে হয়। রুম বুকিং এর সময় ১ দিনের ভাড়ার ৫০% অগ্রিম পরিশোধ করতে হয়।
খাবার দাবারঃ হোটেলটিতে নিজস্ব রেস্টুরেন্ট/ডাইনিং রুম রয়েছে। বোর্ডার চাইলে রেস্টুরেন্টে গিয়ে কিংবা অর্ডার দিয়ে রুম সার্ভিস সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন। রেস্টুরেন্টে ইন্ডিয়ান, থাই, চাইনিজ, এরাবিয়ান, কন্টিনেন্টাল, বাংলাদেশি সকল ধরনের খাবার সরবরাহ করা হয়। খাবারের বিল খাবারের মেন্যুর উপর নির্ভর করে। খাবারের বিলের সাথে ১৫% ভ্যাট ও ৭% সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করতে হয়।

পরিবহন ব্যবস্থাঃ বোর্ডারদের এয়ারপোর্ট আনা নেওয়া করার জন্য নিজস্ব ৩টি গাড়ি রয়েছে। এজন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয়। ব্যক্তিগত ভ্রমণে গাড়ি সরবরাহের কোন ব্যবস্থা নেই।
বিনোদন ব্যবস্থাঃ সকল রুমের বিনোদনের জন্য স্যাটেলাইট সংযোগসহ রঙ্গিন টিভি রয়েছে। বাংলা/ইংরেজি পত্রিকা সরবরাহ করা হয়। সাইবার ক্যাফের ব্যবস্থা রয়েছে।
গেমস ও হেলথ জোনঃ হোটেলটিতে বোর্ডারদের খেলাধুলার জন্য একটি বিলিয়ার্ড জোন রয়েছে।
আর স্বাস্থ্য পরিচর্যার জন্য নিজস্ব একটি ব্যায়ামাগার রয়েছে। গেমস জোন ও হেলথ জোন ব্যবহারের জন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয় না।
স্বাস্থ্য সেবাঃ এই হোটেলটিতে অবস্থানরত কোন বোর্ডার অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে। বোর্ডার চাইলে ডাক্তার কল করে আনা হয়।
মানি এক্সচেঞ্জঃ হোটেলের বোর্ডার চাইলে বাইরে থেকে লোক আনিয়ে এক্সচেঞ্জ এর ব্যবস্থা করা হয়। বিনিময় মূল্য মার্কেট রেট অনুযায়ী হয়ে থাকে।
বিল পরিশোধঃ এই হোটেলের সকল প্রকার বিল ক্যাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও পরিশোধ করা যায়। ক্রেডিট কার্ডগুলোর মধ্যে ভিসা, মাস্টার ও সকল প্রকার এটিএম কার্ড গ্রহণ করা হয়।

সেমিনার রুমঃ এই হোটেলটিতে ৫০, ১০০ ও ১৫০ সিটের ৩টি সেমিনার রুম রয়েছে। সেমিনার রুম ব্যবহারের জন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয় না।
নিরাপত্তাঃ প্রতি ফ্লোরে রয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, সিকিউরিটি গার্ড ব্যবস্থা। অগ্নি নির্বাপনের জন্য প্রতি ফ্লোরে রয়েছে সিলিন্ডার, বালির বালতি, ফায়ার এক্সিট ব্যবস্থা। ভি.আই.পি বোর্ডারদের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনে থানা পুলিশের সহায়তা নেয়া হয়।
বিবিধঃ নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য রয়েছে নিজস্ব জেনারেটর ব্যবস্থা। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়। হোটেলের এক ফ্লোর থেকে অন্য ফ্লোরে যাতায়াতের জন্য সিঁড়ির পাশাপাশি ২টি লিফট রয়েছে।
ব্যাংকঃ হোটেল ভবনের বিপরীত পাশে এন.সি.সি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ও কমার্সিয়াল ব্যাংকের শাখা রয়েছে।

বেস্ট ওয়েস্টার্ন লা ভিঞ্চি হোটেল

এটি একটি তিন তারকা হোটেল। বাংলাদেশ এবং ইটালী এর যৌথ উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত এবং পরিচালিত হয়। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম হোটেল ‘Best Western International’ এর একটি রিজিওনাল শাখা। এটি এর গ্রাহক এবং পর্যটকদের নিকট বাংলাদেশ এবং ইটালীয় দেশের আতিথেয়তা উপস্থাপন করে থাকে।
ঠিকানা এবং অবস্থানঃ ৫৪, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ ফোনঃ ৮৮০২-৯১১৯৩৫২, ফ্যাক্সঃ ৮৮০২-৯১৩১২১৮ ইমেইলঃ [email protected], [email protected] ওয়েব সাইটঃ www.lavincihotel.com

সুবিধাসমূহঃ অতিথি এবং পর্যটকদের জন্য এখানে স্যুট এবং এক্সিকিউটিভ ডিলাক্স রুম রয়েছে। রয়েছে সুপ্রশস্ত লবি এবং লাউঞ্জ। মার্জিত রেস্টুরেন্ট। কফি শপ এবং মিনিবার। রুফ টপ বার। সর্বাধিক সুবিধা সম্পন্ন কনফারেন্স হলরুম। অডিও/ভিজ্য়্যুাল ইকুইপমেন্ট ব্যঙ্কুয়েট স্পেস, কারেন্সী এক্সচেঞ্জ, সেফটি ডিপোজিট প্রোবলেম। ২৪ ঘন্টা বিজনেস সেন্টার সুবিধা। লবিতে এবং রুমে প্রতিদিনের দৈনিক পত্রিকা রাখার ব্যবস্থা। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। ১২ তলায় অবস্থিত ফিটনেস সেন্টার, সোনা এবং জুকুজি। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। লন্ড্রী সার্ভিস। এয়ারপোর্ট থেকে অতিথি পরিবহনের জন্য নিজস্ব গাড়ি রয়েছে। হোটেলের ১২তম তলায় রয়েছে রেন্ট এ কার অফিস। ট্রাভেল ডেস্ক। ২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আউটসাইড ক্যাটারিং। এয়ারপোর্টে নিজস্ব রিসিপশন বুথ। ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সুবিধা।

রুমঃ এখানে রয়েছে সর্বাধুনিক সুবিধাসহ ৮টি স্যুট এবং ৫১টি গেস্টরুম। সমস্ত রুমই এসিযুক্ত। অধুমপায়ীদের জন্য এখানে আলাদা ফ্লোর রয়েছে। রুমের ধরন এবং ভাড়া নিম্নরূপঃ এক্সিকিউটিভ ডিলাক্স ৯৪ ইউ এস ডলার, এক্সিকিউটিভ ডিলাক্স (টুইন) ১০২ ইউ এস ডলার, লা ভিনসি স্যুট ইউ এস ডলার ১০২, লা ভিনসি স্যুট (টুইন) ইউ এস ডলার ১২৭। ১০% সার্ভিস চার্জ এবং ১৫% ভ্যাট আলাদা পরিশোধ করতে হয়। কমপক্ষে ৩ দিন পূর্বে থেকে রুম বুকিং দিতে হয়। বুকিং দেয়ার সময় ৫০% ভাড়া পরিশোধ করতে হয়।
রয়েছে রুম সুবিধা, লকার সুবিধা। স্যাটেলাইট টেলিভিশন, ইস্ত্রী এবং ইস্ত্রী বোর্ড। চা এবং কফি তৈরির মেশিন। রিমোট কন্ট্রোলসহ এসি। ওউউ টেলিফোন। ইন্টারনেট। মিনি বার। ধোঁয়া নির্ণায়ক এবং ফায়ার এক্সটিংগুইসার। বাথরুমে হেয়ার ড্রায়ার সুবিধা। এলার্ম ক্লক।

রেস্টুরেন্ট এবং বারঃ লা ভিনসি ভবনের ১৩ তলায় রয়েছে ‘খরমযঃ ওঃধষু’ নামক রেস্টুরেন্ট। এখানে থাই, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান, কন্টিনেন্টাল এবং বাংলাদেশি খাবার পাওয়া যায়। এছাড়াও রয়েছে কফি শপ এবং লবি লাউঞ্জ। এখানে আন্তর্জাতিক মানের বিয়ার, ওয়াইন পাওয়া যায়। এখানে জনপ্রতি ব্রেকফাস্টের মূল্য ৪০০ টাকা, লাঞ্চের মূল্য ১০০০ টাকা এবং ডিনারের মূল্য ১২০০ টাকা।
ব্যাঙ্কুয়েট, মিটিং এবং কনফারেন্সঃ কর্পোরেট মিটিং, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, সামাজিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি আয়োজনের জন্য এখানে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ব্যাঙ্কুয়েট এবং কনফারেন্স হল। সারাদিনের জন্য হলরুমের আনুমানিক ভাড়া কমপক্ষে ৩০,০০০ টাকা এবং কনফারেন্স রুমের ভাড়া ১৫,০০০ টাকা।
বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে নগদ টাকায় বিল পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া এটিএম কার্ড, ভিসা কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডে বিল পরিশোধ করা যায়।

হোটেল অর্কিড প্লাজা

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মতিঝিলের সংলগ্ন এলাকায় আন্তজার্তিক মানের ডুলেক্স আবাসিক হোটেল ‘হোটেল আর্কিড প্লাজা’। এই হোটেলটিতে দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের বোর্ডারদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেলটি ১১ তলা বিশিষ্ট।
ঠিকানা ও অবস্থানঃ ৭১, নয়াপল্টন (ভিআইপি রোড), ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। ফোনঃ ৯৩৩০৮২৯, ৯৩৩১৮৩২, ৯৩৩২৩৬৮, ৯৩৩৩৪৭৭। ফ্যাক্সঃ ৮৮০-২-৯৩৩২৩৬৯। ইমেইলঃ [email protected], [email protected] ওয়েবসাইটঃ www.hotelorchardplaza.com
বুকিংঃ সরাসরি, টেলিফোন এবং মেইলের মাধ্যমে বুকিং-এর পাশাপাশি অনলাইনে বুকিং দেওয়া যায়।

হোটেলের সুবিধাসমূহঃ ২৪ ঘন্টা ফ্রন্ট ডেস্ক, ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস রিমেট কন্ট্রোল সিস্টেম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমসমূহ। রয়েছে- কানেকটিং রুমের ব্যবস্থা, অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা, রিকিয়ুষ্ট এর মাধ্যমে বিনামূল্যে এয়ার পোর্ট পর্যন্ত পিকআপ ব্যবস্থা, প্রতিদিনের পত্রিকার ব্যবস্থা, প্রতিটি রুমে ইলেক্ট্রনিক নিরাপদ বক্সের ব্যবস্থা, ঠান্ডা ও গরম পানি সুবিধা, আই ডি ডি টেলিফোন সুবিধা, প্রতিটি রুমে টেলিভিশন সহ ক্যাবেল চ্যানেল, ইন্টারনেট ওয়াই-ফাই এবং ব্রডবেন্ড সংযোগ ব্যবস্থা, লন্ড্রি সুবিধা, ফ্রি হেলথ ক্লাব যেখানে রয়েছে ব্যয়ামাগার, পুল টেবিল, সুনা, স্ট্রিম বাথ, গাড়ি ভাড়া করার ব্যবস্থা, টুর সার্ভিস, ফ্রি পার্কিং সুবিধা, ফাস্ট এইড বক্স। বেনকিউট এবং কনফারেন্স রুম ব্যবস্থা রয়েছে। ২৪ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের সুব্যবস্থা রয়েছে।

রুম সমূহ ও ভাড়াঃ এই হোটেলে ৩৬টি বেড রয়েছে। ভাড়া- প্রিমিয়ার সিঙ্গেল $ ৮০, ডুলেক্স টুইন $ ৯০, ডুলেক্স ডাবল $ ৯০, এক্সকিউটিভ $ ১৫০, এক্সট্রা বেড $ ১৫। উপরে উল্লে­খিত সকল ভাড়ার সাথে ৫% সার্ভিস চার্জ এবং ১৫% ভ্যাট যোগ হবে। বাবা-মায়ের সাথে অনুর্দ্ধ ১২ বছর পর্যন্ত শিশু বিনামূল্যে থাকতে পারবে। গ্রুপ এবং লং লিভিং এর ক্ষেত্রে আলাদা ভাড়া।
কনফারেন্স/বেনকিউট রুমঃ বিভিন্ন ধরনের সভা, সেমিনার ও সংবাদ সম্মেলনের জন্য একটি কনফারেন্স রুম রয়েছে। হোটেলটির ৪র্থ তলায় কনফারেন্স/বেনকিউট রুম রয়েছে। যেখানে একসাথে ১৫০ জন লোকের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। মডার্ণ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ওভারহেড প্রজেক্টর এবং কর্ডলেস মাইক্রোফোনের ব্যবস্থা রয়েছে।
হেলথ ক্লাবঃ এই হোটেলে জিনমেসিয়াম, পুল টেবিল, সুনা, স্ট্রিম বাথের ব্যবস্থা রয়েছে।

রেস্টুরেন্টঃ হোটেলের ১১ তলায় ‘স্কাই টাচ রেস্টুরেন্ট’ রয়েছে। রেস্টুরেন্টটির বৈশিষ্ট্য- এলার্কাটে মেনুতে খাওয়ার ব্যবস্থা। বুফে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। (শনিবার-বৃহস্পতিবার) রেস্টুরেন্টটি সকাল ৬ঃ ৩০ থেকে রাত ১০ঃ ৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে। এডভান্স টেবিল বুকিং করা যায়। বুকিং এর জন্য রিসেপশনে যোগাযোগ করতে হয়।
পরিবহন সুবিধাঃ বোর্ডার চাইলে এয়ারপোর্ট টু হোটেল যাতায়াতের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এই সুবিধা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
বিল পরিশোধঃ এই হোটেলটির যাবতীয় বিল ক্যাশ ডলার বা ডলারে মূল্যায়িত ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। ভিসা, আমেরিকান এক্সপ্রেস ও মাস্টার কার্ড গ্রহণযোগ্য।
জেনারেটরঃ রাত-দিন ২৪ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য হোটেলের নিজস্ব জেনারেটর রয়েছে।

হোটেল গুলশান ইন

বেসরকারি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হোটেল গুলশান ইন ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই হোটেলটিতে দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের বোর্ডারদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। মহাখালী তিতুমীর কলেজ থেকে ৫০ গজ উত্তর দিকে এবং গুলশান ১ নম্বর ডি.সি.সি মার্কেটের ২৫ গজ পশ্চিম দিকে এই হোটেলটি অবস্থিত।
ঠিকানাঃ হাউজ # ৯, রোড # ১৮, গুলশান # ১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোনঃ ৯৮৯৫০৭৩, ফ্যাক্সঃ ৯৮৯৩৬০০, হটলাইনঃ ০১৬৮১-১৮৭০৫৮ ই-মেইলঃ [email protected] ওয়েব সাইটঃwww.gulshaninn.com
হোটেল ভবনঃ সম্পূর্ণ হোটেল ভবনটি ৫ তলা। গ্রাউন্ড ফ্লোরে গাড়ির গ্যারেজ, ২য় তলার এক পাশে অনুসন্ধান কেন্দ্র এবং অপর পাশে ডাইনিং রুম অবস্থিত। অবশিষ্ট ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম তলায় বোর্ডারদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
অনুসন্ধান ডেস্কঃ হোটেলের অনুসন্ধান ডেস্কটি ভবনের ২য় তলায় সিঁড়ি দিয়ে উঠে হাতের ডানপাশে অবস্থিত। অনুসন্ধান ডেস্কে সার্বক্ষণিক ২ জন ব্যক্তি অবস্থান করেন।

রুমগুলোঃ এই হোটেলের সকল রুমই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। স্যুট ও ডিলাক্স এই দুই ক্যাটাগরীর ডাবল সিঙ্গেল মিলিয়ে মোট ১৮টি রুম রয়েছে। স্যুট ক্যাটাগরীর রুম সংখ্যা ৮টি এবং ডিলাক্স ক্যাটাগরীর রুম সংখ্যা ১০টি। স্যুট রুমগুলোতে রয়েছে ২টি ডাবল বেড ও ২টি সিঙ্গেল বেড, এটাচড বাথ, সোফা, ড্রেসিং টেবিল। ডিলাক্স রুমগুলোতে রয়েছে ১টি ডাবল বেড ও ২টি সিঙ্গেল বেড, এটাচড বাথ, সোফা, ড্রেসিং টেবিল।।
রুমের ভাড়াঃ স্যুট ৬,০০০ টাকা, ডিলাক্স ২,৫০০ টাকা।
রুম বুকিংঃ রুম খালি থাকা সাপেক্ষে ন্যূনতম ৩ দিন আগে সরাসরি কিংবা ফোনের মাধ্যমে রুম বুকিং দেয়া যায়।
দেশিয় বোর্ডারদের রুম বুকিংয়ের সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দিতে হয়। রুম বুকিং এর সময় ১ দিনের ভাড়ার ৫০% অগ্রিম পরিশোধ করতে হয়।
খাবার দাবারঃ হোটেল ভবনের ২য় তলায় নিজস্ব ডাইনিং রুম রয়েছে। বোর্ডার চাইলে ডাইনিং রুমে গিয়ে কিংবা অর্ডার দিয়ে রুম সার্ভিস সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।

বোর্ডারদের পছন্দানুযায়ী সকল ধরনের খাবার তৈরি করে দেওয়া হয়, সম্ভব না হলে বাইরে থেকে আনিয়ে দেয়া হয়। এর জন্য আলাদা কোন সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হয় না। শুধুমাত্র খাবারের বিল পরিশোধ করলেই হয়। খাবারের বিল খাবারের মেনুর উপর নির্ভর করে।
পরিবহন ব্যবস্থাঃ বোর্ডারদের এয়ারপোর্ট আনা নেওয়া করার জন্য নিজস্ব ১২ সিটের একটি মাইক্রোবাস রয়েছে। এজন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয়।
বিনোদন ব্যবস্থাঃ সকল রুমের বিনোদনের জন্য স্যাটেলাইট সংযোগসহ রঙ্গিন টিভি রয়েছে। বোর্ডার চাইলে বাংলা/ইংরেজি পত্রিকা সরবরাহ করা হয়।
কমন রুমঃ নিজস্ব একটি কমন রয়েছে। যার ধারণ ক্ষমতা ৩০ জন। কমন রুমে সভা, সেমিনার আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। কমন রুম ব্যবহারের জন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয় না।
বিল পরিশোধঃ এই হোটেলর সকল প্রকার বিল ক্যাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও পরিশোধ করা যায়। ক্রেডিট কার্ডগুলোর মধ্যে ভিসা, মাস্টার ও সকল প্রকার এটিএম কার্ড গ্রহণ করা হয়।

নিরাপত্তাঃ প্রতি ফ্লোরে রয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, সিকিউরিটি গার্ড ব্যবস্থা। অগ্নি নির্বাপনের জন্য রয়েছে সিলিন্ডার, বালুর বাক্স, ফায়ার এক্সিট ব্যবস্থা।
কিভাবে যাবেন? গুলিস্তান, ফার্মগেট থেকে ৬ নম্বর বাসে, মিরপুর ১০ নম্বর থেকে একুশে পরিবহন, আলিফ পরিবহন যোগে কিংবা সি.এন.জি অটোরিক্সা, মোটর সাইকেলে করে গুলশান ১ নম্বর গোলচত্ত্বরের পাশেই অবস্থিত গুলশান ১ ডি.সি.সি. মার্কেটের ২৫ গজ পশ্চিম দিকে এই হোটেলটি অবস্থিত।
বিবিধঃ নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য রয়েছে নিজস্ব জেনারেটর ব্যবস্থা। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়।
ব্যাংকঃ হোটেল ভবনের সাথেই রয়েছে এন.সি.সি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর গুলশান ১ শাখা।

এরো-লিংক ইন্টারন্যাশনাল লিঃ

ঢাকার অভিজাত উত্তরা এলাকায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠিত ‘হোটেল এরো-লিংক ইন্টারন্যাশনাল লিঃ’। এটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আবাসিক হোটেল। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালে। এই হোটেল ভবনটি ৫ তলা বিশিষ্ট। হোটেলটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এতে মোট রুম রয়েছে ৩৬টি।
অবস্থানঃ উত্তরা রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স থেকে উত্তর দিকে টঙ্গী যাওয়ার পথে আমির কমপ্লেক্সের পাশ দিয়ে রবীন্দ্র স্মরণীর দিকে পূর্ব দিকে যে সড়কটি রয়েছে সেই সড়ক দিয়ে কিছুট পথ এগোলেই এই হোটেলটির দেখা মিলবে।
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ হাউজ # ৩৭, রোড # ১৫, সেক্টর # ৩, রবীন্দ্র স্মরণী, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। ফোনঃ ৮৯১৬০৫২, ৮৯২০৪১০ মোবাইলঃ ০১১৯৯-৮০২৯০১ ফ্যাক্সঃ ০২-৮৯২০৪১০ ই- মেইলঃ [email protected]
অনুসন্ধান ডেস্কঃ হোটেল আগত ও অবস্থানরত বোর্ডারদের সহযোগিতা কল্পে হোটেলের প্রবেশ দ্বারের সাথেই অনুসন্ধান ডেস্ক অবস্থিত। সেখানে সার্বক্ষণিক ২ জন অভ্যর্থনাকারী নিয়োজিত থাকেন।

হোটেলের সুবিধাসমূহঃ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। স্যাটেলাইট সংযোগ সহ রঙ্গীন টেলিভিশন। ইন্টারনেট সংযোগ। সকল রুমে ঠান্ডা ও গরম পানি সরবরাহ ব্যবস্থা। রুম ভিত্তিক আইডিডি টেলিফোন সুবিধা। লন্ড্রি ও ড্রাই ক্লিনিং সার্ভিস। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। ২৪ ঘন্টা রেস্টুরেন্ট সার্ভিস। ভিসা এবং ইমিগ্রেশন সার্ভিস। এয়ার টিকেটিং এবং কনফার্মিং। এয়ারপোর্ট টু হোটেল এবং হোটেল টু এয়ারপোর্ট পরিবহন সুবিধা। রেন্ট এ কার ব্যবস্থা।
রুম সমূহ ও ভাড়াঃ এই হোটেলটিতে এসি ও নন-এসি উভয় ধরনের রুম রয়েছে। রুমগুলোর ধরন- সিঙ্গেল, ডাবল, ফ্যামিলি, সুইট। রুম ২ ধরনের এসি ও নন-এসি। সিঙ্গেল রুম এসি ১,০০০/- ও নন-এসি ৬০০/-; ডাবল রুম এসি ১,৫০০/- ও নন-এসি ১,০০০/-; ফ্যামিলি রুম এসি ২,৫০০/- ও নন-এসি ১,৫০০/-; সুইট ২,৫০০/-।
রুম বুকিংঃ এই হোটেলটিতে রুম বুকিংয়ের জন্য ৩ দিন আগে যোগাযোগ করতে হয়। রুম বুকিংয়ের সময় অগ্রিম বুকিং মানি প্রদানের তেমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে পুণরায় বুকিং নিশ্চিত করতে ১ দিন আগে যোগাযোগ করতে হয়। আর বাতিল করতে চাইলে কমপক্ষে ১ দিন আগে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। দেশি-বিদেশি সকল বোর্ডারদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য।

রেস্টুরেন্টঃ বোর্ডারদের খাবার ব্যবস্থা হিসেবে হোটেলের ৩য় তলায় সু-সজ্জিত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নিজস্ব একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। রেস্টুরেন্টে বাংলা, ইন্ডিয়ান, চাইনিজ, ইতালিয়ান খাবার পাওয়া যায়। খাবারের বিল মেন্যুর উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। রেস্টুরেন্টটি শুধুমাত্র বোর্ডারদের জন্য। এখানে নন-বোর্ডাররা কোন সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন না।
পরিবহন সুবিধাঃ বিদেশি বোর্ডারদের এয়ারপোর্ট থেকে আনা-নেয়ার জন্য ১৪ সিটের একটি মাইক্রোবাস রয়েছে। এর জন্য আলাদা কোন বিল প্রদান করতে হয় না। এর বিল রুম ভাড়ার সাথে সংযুক্ত। এটি শুধুমাত্র এয়ারপোর্ট টু হোটেল সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এছাড়া বোর্ডারদের গাড়ির প্রয়োজন হলে রেন্ট-এ কার লিংক রয়েছে। সেক্ষেত্রে হোটেল কর্তৃপক্ষ মিডিয়া হিসেবে ভূমিকা পালন করে থাকে। গাড়ির ভাড়া দূরত্ব ও সময় ভেদে নির্ধারিত হয়ে থাকে। সাধারণত ঘন্টা প্রতি ৪০০ টাকা ভাড়ায় গাড়ি ভাড়া করা যায়।
মানি এক্সচেঞ্জঃ বিদেশি বোর্ডারদের বিশেষ সুবিধার্থে হোটেলটিতে মানি এক্সচেঞ্জ সুবিধা রয়েছে। বর্তমান বাজার মূল্যের উপর ভিত্তি করে বিনিময় হার নির্ধারিত হয়।

বিনোদন ব্যবস্থাঃ হোটেলে অবস্থানরত বোর্ডারদের বিনোদনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা। সকল রুমেই রয়েছে স্যাটেলাইট সংযোগসহ রঙ্গীন টেলিভিশন, ইন্টারনেট সংযোগ, দৈনিক পত্রিকা (বাংলা ও ইংরেজি)।
বিল পরিশোধঃ এই হোটেলটির যাবতীয় বিল ক্যাশের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়। কোন প্রকার ক্রেডিট কার্ডের ব্যবস্থা এখানে নেই।
জেনারেটর ও লিফটঃ রাত-দিন ২৪ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য হোটেলের নিজস্ব জেনারেটর রয়েছে। তবে লোডশেডিংয়ের সময় জেনারেটর এর সাহায্যে এসি চালানো হয় না। আর হোটেলের এক ফ্লোর থেকে অন্য ফ্লোরে যাতায়াতের জন্য ১টি লিফট রয়েছে।
নিরাপত্তা ও অগ্নি-নির্বাপন ব্যবস্থাঃ বোর্ডারদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিতকল্পে পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োজিত রয়েছে। আর অগ্নি-নির্বাপনের জন্য রয়েছে অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্রপাতি ও প্রতি ফ্লোরে রয়েছে ১টি করে ফায়ার এক্সিট।

হোটেল এসকট

ঢাকার অভিজাত বারিধারা এলাকায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠিত ‘হোটেল এসকট’। এটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আবাসিক হোটেল। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে। হোটেলটি ১৩ তলা বিশিষ্ট। আমেরিকান হাইকমিশন থেকে ৫০০ গজ দক্ষিণ দিকে এগিয়ে হাতের বাম পাশে এই হোটেলটি অবস্থিত।
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ হাউজ # ১৩, রোড # ৮, ব্লক # কে, বারিধারা, ঢাকা-১২১২। ফোনঃ ৯৮৮৫৫৫৩-৪, ৯৮৮৫৫৬১ ফ্যাক্সঃ ০২-৯৮৯৭৩৯৭ ই-মেইলঃ [email protected] ওয়েবসাইটঃwww.ascottdhaka.com
অনুসন্ধান ডেস্কঃ হোটেল আগত ও অবস্থানরত বোর্ডারদের সহযোগিতা কল্পে হোটেলের প্রবেশ দ্বারের সাথেই অনুসন্ধান ডেস্ক অবস্থিত। সেখানে সার্বক্ষণিক ৩ জন অভ্যর্থনাকারী নিয়োজিত থাকেন।

হোটেলের সুবিধাসমূহঃ রুমভিত্তিক রিমোট কন্ট্রোল শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। স্যাটেলাইট সংযোগ সহ এলসিডি রঙ্গীন টেলিভিশন। আই ডি ডি টেলিফোন সুবিধা। ওয়াই-ফাই সুবিধাসহ ইন্টারনেট সংযোগ। অডিও সিস্টেম। ঠান্ডা ও গরম পানি সুবিধা। ফুল বাথ টাব ও শাওয়ার। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। ২৪ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। রুম ভিত্তিক মিনি ফ্রিজ। সুইমিং পুল ও জিম। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের সুব্যবস্থা।
রুম সমূহ ও ভাড়াঃ এই বিলাসবহুল হোটেলটিতে এসকট সিঙ্গেল, এসকট ডিলাক্স, এসকট প্রিমিয়াম, এসকট প্রিমিয়াম টুইন, এসকট রয়েল সুইট, এসকট এক্সিকিউটিভ টুইন ক্যাটাগরির রুমের সমন্বয়ে মোট ৮৪টি রুম রয়েছে। রুমগুলোতে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধাগুলো হলো-

রুমের ভাড়া (ইউএস ডলার)ঃ এসকট সিঙ্গেল ১১০.০০, ডিলাক্স ১২০.০০, প্রিমিয়াম ১৪৫.০০, প্রিমিয়াম টুইন ১৬৫.০০, রয়েল সুইট ২০০.০০, এসকট এক্সিকিউটিভ ৩৩০.০০, এক্সট্রা বেড ২০.০০। সকল রুমের ভাড়ার সাথে ১০% সার্ভিস চার্জ ও ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য। অনুর্ধ্ব ৮ বছরের ২ জন শিশু পিতামাতার সাথে হোটেলে অবস্থান করতে পারবেন। এর জন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয় না। তবে তাদের সকল খাবারের জন্য আলাদা চার্জ প্রদান করতে হয়।

রুম বুকিংঃ এই হোটেলের রুম বুকিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক। হোটেলের ওয়েবসাইট www.ascottdhaka.com এই ঠিকানায় ভিজিট করে রিজার্ভেশন মেনুতে ক্লিক করলেই রুম বুকিং এর জন্য ফরম পাওয়া যাবে। সেখানে রুমের ধরন, রুমের নাম্বার, কয়জন বোর্ডার অবস্থান করবেন, সাথে কোন বাচ্চা থাকবে কিনা, বিশেষ কোন চাহিদা, চেক-ইন ও চেক-আউটের সম্ভাব্য তারিখ ও ব্যক্তিগত তথ্যাবলী সংযুক্ত পূর্বক সাবমিট করে রুমি বুকিংয়ের জন্য আবেদন করতে হয়। পরবর্তীতে বোর্ডারের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা ও বোর্ডারদের চাহিদাকৃত সুযোগ সুবিধা প্রদানে পারঙ্গম হলে এবং রুম খালি থাকা সাপেক্ষে হোটেল কর্তৃপক্ষ ফিরতি ম্যাসেজের মাধ্যমে রুম বুকিং নিশ্চিত করে থাকে। দেশ-বিদেশি সকল বোর্ডারের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। এছাড়া ফোনের মাধ্যমে রুম বুকিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। রুম বুকিংয়ের জন্য ০১৯২৬-৬৩৩৮৫৪ এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে হয়।

বোর্ডার আপ্যায়ন ও খাওয়া-দাওয়াঃ নতুন আগত বোর্ডারদের হোটেল কর্তৃক ওয়েলকাম ড্রিংকস ও কফি দ্বারা আপ্যায়ন করা হয়। এছাড়া বোর্ডারদের নিয়মিত ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের জন্য সুপরিসর, পরিপাটি রেস্টুরেন্ট সুবিধা বিদ্যমান। রেস্টুরেন্টটি হোটেলের ১ম তলায় অবস্থিত। হোটেলে ইন্ডিয়ান, চাইনিজ খাবারের পাশাপাশি বাংলা খাবারও পরিবেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। রুম ভাড়ার সাথে শুধুমাত্র ব্রেকফাস্ট সংযুক্ত। অন্যান্য খাবারের বিল বোর্ডারকে আলাদা পরিশোধ করতে হয়। নন-বোর্ডাররাও রেস্টুরেন্ট সুবিধা ভোগ করতে পারেন। তবে রাত ১০.৩০ টা পর্যন্ত। আর বোর্ডারদের জন্য রেস্টুরেন্টটি ২৪ ঘন্টাই খোলা। বোর্ডার ও নন-বোর্ডার সকল ক্ষেত্রে খাবারের মূল্য একই। বোর্ডারগণ চাইলে রুম সার্ভিস সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।

পরিবহন সুবিধাঃ বোর্ডার চাইলে এয়ারপোর্ট টু হোটেল যাতায়াতের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। অবশ্য এর জন্য আলাদা চার্জ প্রদান করতে হয়। এছাড়া অন্য কোন প্রয়োজনে গাড়ির প্রয়োজন হলে হোটেল কর্তৃপক্ষ রেন্ট-এ কারের মাধ্যমে গাড়ির সংস্থান করে থাকে। ভাড়ার হার ঘন্টা প্রতি ৬০০ টাকা।
বিনোদন ব্যবস্থাঃ হোটেলে অবস্থানরত বোর্ডারদের বিনোদনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা। সকল রুমেই রয়েছে স্যাটেলাইট সংযোগসহ রঙ্গীন টেলিভিশন, সাউন্ড সিস্টেম, ইন্টারনেট সংযোগ, দৈনিক পত্রিকা (বাংলা ও ইংরেজি) আর কেন্দ্রীয়ভাবে রয়েছে সাইবার ক্যাফে, বিনোদন রুম যার ধারণক্ষমতা ৫০ জন।

সুইমিং পুল ও হেলথ ক্লাবঃ এই হোটেলে বোর্ডারদের সুবিধার্থে সুদৃশ্য সুইমিং পুল ও অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সজ্জিত হেলথ ক্লাব রয়েছে। সুইমিং পুল ও হেলথ ক্লাব সুবিধা ভোগ করার জন্য আলাদা কোন চার্জ দিতে হয় না। এই সুবিধা শুধুমাত্র বোর্ডারদের জন্য প্রযোজ্য। নন-বোর্ডাররা এই সুবিধা ভোগ করতে পারেন না।
জেনারেটর ও লিফটঃ রাত-দিন ২৪ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য হোটেলের নিজস্ব জেনারেটর রয়েছে। আর হোটেলের এক ফ্লোর থেকে অন্য ফ্লোরে যাতায়াতের জন্য ২টি লিফট রয়েছে। এটি হোটেলের প্রবেশ মুখের বাম পাশে অবস্থিত।
অডিটোরিয়ামঃ বিভিন্ন ধরনের সভা, সেমিনার ও সংবাদ সম্মেলনের জন্য একটি কনফারেন্স রুম রয়েছে। ২০ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও মোটরাইজড স্কীন। ডিজিটাল কনফারেন্সিং সিস্টেম। ৪২ ইঞ্চি প্লাজমা এলসিডি টিভি। এছাড়া ১০০ জন লোক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সুন্দর সাজানো গোছানো একটি বেনকুয়েট হল রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন ধরনের পারিবারিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে।

ভাড়াঃ কনফারেন্স রুম ১৫,০০০/- বেনকুয়েট হল ১৮,০০০/-মিটিং রুম ৮,০০০/-। সকল ক্ষেত্রে রুম ভাড়ার সাথে ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।
বিল পরিশোধঃ এই হোটেলটির যাবতীয় বিল ক্যাশ ডলার বা ডলারে মূল্যায়িত ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। ভিসা, আমেরিকান এক্সপ্রেস ও মাস্টার কার্ড গ্রহণযোগ্য।
নিরাপত্তা ও অগ্নি-নির্বাপন ব্যবস্থাঃ বোর্ডারদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিতকল্পে পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োজিত রয়েছে। আর অগ্নি-নির্বাপনের জন্য রয়েছে অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্রপাতি ও প্রতি ফ্লোরে রয়েছে ৬ টি করে ফায়ার এক্সিট। প্রতি ফ্লোরে দুই পাশে ২টি করে এবং মাঝখানে ২টি ফায়ার এক্সিট রয়েছে।
এটিএম বুথঃ হোটেলের ৪০ গজের মধ্যে ডিবিবিএল, ব্র্যাক, ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক এর এটিএম বুথ রয়েছে।

হোটেল অবকাশ

১৯৪৭ সালে সরকারি মালিকানাধীন হোটেল, ‘হোটেল অবকাশের’ যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন হোটেলটি পরিচালনা করে থাকে। সরকারী তিতুমীর কলেজ থেকে মূল সড়ক ধরে পূর্ব দিকে ১০০ গজ এগোলেই হাতের বাম পাশে পাওয়া যাবে এই হোটেলটি। ঠিকানাঃ ৮৩-৮৮ মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা- ১২১২। যোগাযোগঃ ফোন- ৮৮৩৩২২৯, ৮৮৩৪৬০০, ফ্যাক্স-৮৮৩৯০০।
অনুসন্ধান ডেস্কঃ অন্তত পাঁচজন ব্যক্তি দিন-রাত ২৪ ঘন্টা অনুসন্ধান ডেস্কে দায়িত্ব পালন করেন। ফোন- ৮৮০-২-৮৮১১১০৯, ৯৮৯৯২৮৮, ফ্যাক্স- ৮৮০-২-৮৮১১১৫০।
বুকিং দেয়াঃ ফোনে বা ফ্যাক্সের মাধ্যমে বুকিং দেয়া যায়। বিদেশি নাগরিকগণের জন্য ফ্যাক্সের মাধ্যমে বুকিং দেবার ব্যবস্থা থাকলেও স্থানীয়দের ক্ষেত্রে বুকিং দেবার সময় অগ্রিম টাকা দিতে হয়। শীতমৌসুমে ভিড় একটু বেশি হয়। সেজন্য একটু আগে থেকে বুকিং দিতে হয়।
রুম সমূহঃ চারতলা বিশিষ্ট হোটেলটিতে মোট ৩৫টি রুম আছে, এর মধ্যে রিলাক্স রুম ২২টি এবং স্ট্যান্ডার্ড রুম ১৩টি। একতলায় অভ্যর্থনা কেন্দ্র, ৩য় ও ৪র্থ তলা জুড়ে আছে ন্যাশনাল এন্ড ট্যুরিজম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

ডিলাক্স রুমঃ ডিলাক্স রুমের ক্ষেত্রে প্রতিদিনের ভাড়া ৩,০০০ টাকা। রুমগুলো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এছাড়া রুমগুলোতে ঠান্ডা ও গরম পানি, কেবল সংযোগসহ টেলিভিশন, আইএসডি ফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, ইত্যাদি সুবিধা আছে। প্রতিটি ডিলাক্সরুমে মিনি ফ্রজার আছে।
স্টান্ডার্ড রুমঃ স্টান্ডার্ড রুমের সুযোগ-সুবিধা ডিলাক্স রুমের মতই তবে রুমগুলো আয়তনে একটু ছোট আর ফ্রিজার নেই। প্রতিদিনের ভাড়া ২,২০০ টাকা।
রুমের ভাড়ার সাথে ব্রেকফাষ্ট যুক্ত নয়। তবে হোটেলটিতে একটি রেস্টুরেন্ট আছে, কেউ চাইলে সেখান থেকে রুমেই খাবার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া একটি কফি শপও আছে। রেস্টুরেন্টটিতে আমেরিকান ব্রেক ফাষ্ট, ইন্ডিয়ান ও চাইনিজ এছাড়াও বাংলাদেশি লাঞ্চ ও ডিনারের ব্যবস্থা আছে। বাংলাদেশি খাবারের মধ্যে রয়েছে জুস অথবা ফ্রুটস। হোটেলটির রেস্টুরেন্টে নন বোর্ডার ও বোর্ডারদের জন্য আলাদা কোন সুবিধা নেই। সবাই একই রকম সুবিধা ভোগ করে থাকে। তবে বোর্ডাররা ইচ্ছা করলেই রুমে খাবার আনিয়ে নিতে পারেন।

সভা, সেমিনার, মেলা, প্রদর্শনী ও সংবাদ সম্মেলন আয়োজনঃ সভা, সেমিনার, মেলা, প্রদর্শনী ও সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের জন্য অর্ধদিবসের ভাড়া ৭,০০০ টাকা থেকে ১৪,০০০ টাকা। কনফারেন্স হলে আসন সংখ্যা ৪৫ টি, পূর্ণ দিবসের ভাড়া ৭০০০ টাকা এবং অর্ধদিবসের ভাড়া ৪৬০০ টাকা। বেনকুইট হলের আসন সংখ্যা ১০০টি পূর্ণ দিবসের ভাড়া ১৪,০০০ টাকা এবং অর্ধদিবসের ভাড়া ৯৫০০ টাকা। এখানে সম্মেলন আয়োজন করতে গেলে ২০০ লোকের বসার ব্যবস্থা করা সম্ভব।
ব্যাংকের বুথঃ হোটেলটির কাছেই ডাচ বাংলা ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও এশিয়া ব্যাংকের বুথ আছে।
পরিবহনঃ এই হোটেলের এয়ারপোর্ট থেকে অতিথিদের আনা-নেয়ার নেওয়ার ব্যবস্থা নেই, গাড়ি ভাড়ার ব্যবস্থাও নেই। নিজ দায়িত্বের পরিবহনের ব্যবস্থা করতে হয়।
অগ্নি নিরাপত্তাঃ ভবনটির দুই পাশে ২টি, মাঝে এবং সামনে একটি করে মোট চারটি জরুরি নির্গমণ সিঁড়ি আছে।
অন্যান্য তথ্যঃ টেলিভশন, পত্রিকা, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেট ইত্যাদির ব্যবস্থা আছে। হোটেলটিতে প্রবেশের সময় হাতের বাম পাশে দু’টি লিফট রয়েছে। লোডশেডিং এর সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা চালু রাকার জন্য জেনারেটর আছে। হোটেলটিতে নগদ টাকায় বিল পরিশোধ করতে হয়। ডলার, ইউরো, পাউন্ড ইত্যাদি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় করা হয় না।

হোটেল লেক ক্যাসেল লিমিটেড

এটি আন্তর্জাতিক মানের আবাসিক হোটেল। ২০০০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঠিকানা এবং অবস্থান-বাড়িঃ ১/এ, সড়কঃ ৬৮/এ, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২। ফোনঃ ৮৮১২৮১২, ৮৮১৪১৩৭, ৮৮১৪৯১৫, ৮৮২৯৫০৩, ৮৮১৬১৮৬-৯০ ফ্যাক্সঃ ৮৮০২-৯৮৮৪৬৭৫ ইমেইলঃ [email protected], [email protected] ওয়েবসাইটঃ www.hotellakecastle.com
অতিথি বা বোর্ডারদের জন্য সার্ভিস এবং সুবিধাসমূহঃ ৬০টি রুম। সবগুলো রুমই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ২৪ ঘন্টা প্রহরী সুবিধা। ভিআইপি এসিস্টেন্ট। চেক ইন/চেক আউটের সময় বর্ধিত করার সুবিধা। জরুরি মুহুর্তে ডাক্তারের সুবিধা। সকল রুমেই মিনি বার সুবিধা। এনডব্লিউডি/আইএসডি/লোকাল কল করার সুবিধা। স্যাটেলাইট চ্যানেলযুক্ত টেলিভিশন সুবিধা। ২৪ ঘন্টা সিকিউরিটি সুবিধা সিসিটিভি ক্যামেরাসহ। সেফটি ডিপোজিট বক্সের সুবিধা। গিফট শপ। ঠান্ডা এবং গরম পানির ব্যবস্থা। ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সুবিধা। বহুভাষিক কর্মকর্তা। হোটেলে লিমুজিন গাড়ি ভাড়া সুবিধা। কুরিয়ার সার্ভিস সুবিধা।

শারীরিকভাবে অক্ষম এমন অতিথির জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা। কম্পিউটারাইজড বিলিং পদ্ধতি/ক্রেডিট কার্ড স্যাটেলমেন্ট। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। কনফারেন্স সুবিধা। ভ্রমণ বা ট্যুর করার সুবিধা।
রুম এবং স্যুটঃ এখানে মোট রুম সংখ্যা ৬০টি। রুমগুলো (১) স্ট্যান্ডার্ড রুম; ভাড়া- ইউ .এস. এ ডলার ৮০++ (২) ডিলাক্স রুম; ভাড়া ইউ.এস.এ ডলার ১০০++ (৩) সুপার ডিলাক্স রুমঃ ভাড়া ইউ.এস.এ ডলার ১২৫++ এবং (৪) স্যুট- এই ৪ ধরনের হয়ে থাকে। প্রত্যেকটি রুমই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।

রুম সুবিধাঃ এখানে রুম ভাড়ার সাথে যেসকল সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলো হচ্ছেঃ রুমের প্রবেশের পরপরই পানীয় এবং ফ্রুট বাস্কেট প্রদান; স্থানীয় দৈনিক ইংরেজি পত্রিকা; লোকাল টেলিফোন করার সুবিধা; শিশুর দোলনা; এয়ারপোর্ট থেকে বোর্ডার পরিবহনের জন্য পিকআপ গাড়ি; গাড়ি পার্কিং সুবিধা; ফ্লাইট রিকনফার্মেশন; ঠান্ডা এবং গরম ব্রেকফাস্ট বুফে; কাপড় ইস্ত্রী করার সুবিধা এবং জুতো পলিশের ব্যবস্থা; হেলথ ক্লাব ব্যবহার; সেফটি ডিপোজিট বক্স সুবিধা;
লবিঃ আকর্ষণীয় ইন্টেরিয়র ডিজাইনকৃত এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সপ্রশস্ত লবি রয়েছে।
রেস্টুরেন্টঃ বোর্ডারদের আপ্যায়ন এবং খাওয়া-দাওয়ার জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রেস্টুরেন্ট- ‘লেক ভিউ রেস্টুরেন্ট’। রেস্টুরেন্ট হোটেলের নীচতলায় অবস্থিত। এখানে থাই এবং ইন্ডিয়ান খাবার পরিবেশন করা হয়। সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রেস্টুরেন্ট সুবিধা ভোগ করা যায়।

হেলথ ক্লাবঃ শরীর এবং মন সুস্থ্য রাখতে এখানে অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন জিম এবং হেলথ ক্লাব রয়েছে। এখানে ব্যায়ামের সহযোগী সবধরনের যন্ত্রপাতি রয়েছে।
কনফারেন্স হলঃ সামাজিক এবং ব্যবসায়িক যে কোন অনুষ্ঠান, পার্টি, মিটিং, সেমিনার করার জন্য এখানে কনফারেন্স হলরুম রয়েছে।
ব্যবসায়িক সুবিধাঃ বোর্ডার ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ সমাধানের জন্য রয়েছে বিজনেস সেন্টার। বিজনেস সেন্টার বোর্ডারদের যেসকল সুবিধা দিয়ে থাকে সেগুলো হলোঃ প্রাইভেট বোর্ডরুম। সেক্রেটারিয়াল সার্ভিস। ফটোকপি। ইন্টারনেট সার্ভিস। ফ্যাক্স সার্ভিস। কুরিয়ার সার্ভিস। স্ক্যানিং এবং কালার প্রিন্টিং।

ট্যুর এবং সাইট পরিদর্শনঃ এখানে বোর্ডারদের ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা, দৃষ্টিনন্দন স্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা পরিদর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকার মধ্যে যেমন লালবাগ কেল্ল­া, আহসান মঞ্জিল, বঙ্গভবন এবং ঢাকার বাইরের কক্সবাজার, সুন্দরবন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করানো হয়। বাঙ্গালী জাতির অতীত ঐতিহ্য অতিথিগণের নিকট তুলে ধরা হয়।

হোটেল লেকশোর

ঢাকার বাণিজ্যিক এবং ডিপ্লে­াম্যাটিক জোনে যে কয়টি আন্তর্জাতিকমানের আবাসিক হোটেল রয়েছে লেকশোর হোটেল তাদের মধ্যে একটি। এটি ১৯৯১ সালে যাত্রা শুরু করে। উষ্ণ আতিথেয়তা, নিরাপত্তা এবং চমৎকার, উপাদেয় রন্ধনপ্রণালী হোটেলটিকে বৈশ্বিক খ্যাতি এনে দিয়েছে।
ঠিকানা- বাড়িঃ ৪৬, সড়কঃ ৪১, গুলশানঃ ০২, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোনঃ ৮৮০২-৮৮৫৯৯৯১, ৮৮৬১৭৮৭ ফ্যাক্সঃ ৮৮০২-৮৮৬০৫৩৪ ইমেইলঃ [email protected] ওয়েবসাইটঃ httpt //www.lakeshorehotel.com.bd
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে বনানী ১১ নং সড়কের শেষ প্রান্তে গিয়ে গুলশান-বনানী লিং রোড (ব্রীজ) এর পূর্ব পাশে গিয়ে ১৫০ গজ সামনে এগোলে হাতের ডান পাশে এটি অবস্থিত।

রুম এবং স্যুটঃ এখানে ৬০টি বিলাসবহুল এবং সুপ্রশস্ত রুম এবং স্যুট রয়েছে। রুমগুলোর ডিজাইন মার্জিত এবং আধুনিক। রুমগুলো সর্বাধিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন। এখানে সাধারনত ৬ ধরনের রুম বা স্যুট রয়েছে। নিম্নে রুম বা স্যুটের বিবরণ প্রদান করা হলোঃ
এক্সিকিউটিভ ডিলাক্স (Executive Deluxe) রুমের সংখ্যা মোট ৩০টি। প্রতিটি রুম ১৮৪ বর্গফুট বিশিষ্ট।
এক্সিকিউটিভ প্রিমিয়াম ডিলাক্স (Executive Premium Deluxe) রুমের সংখ্যা মোট ৫টি। প্রতিটি রুম ২২০ বর্গফুট বিশিষ্ট। রুমের ফ্লোরগুলো বিদেশি মার্বেল দ্বারা মোড়ানো।
এক্সিকিউটিভ টুইন স্যুটগুলো (Executive Twin Suite) ২৮৪ বর্গফুট বিশিষ্ট। এই স্যুটের মধ্যেই মাস্টার বেডরুম এবং অন্যান্য লিভিং রুম আলাদা থাকে। এই স্যুট থেকে গুলশান লেক উপভোগ করা যায়।
স্টুডিও এপার্টমেন্ট (Studio Apartment) ৩৭৩ বর্গফুট বিশিষ্ট। এই এপার্টমেন্টের মধ্যেই রান্নাঘর এবং ডাইনিংরুম পৃথকভাবে রয়েছে।।
ক্রাউন স্যুট (Crown Suite) ৪৫৬ বর্গফুট বিশিষ্ট। এখানে কিচেন আলাদা, ডাইনিং রুম, মাস্টার বেডরুম এবং লিভিং রুম রয়েছে।
প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট (Presidential Suite )ঃ এটি ৫৮০ বর্গফুট বিশিষ্ট। স্যুটটিতে সমসাময়িক আর্টওয়ার্ক এবং সাজসজ্জা রয়েছে। বাসঘরের আসনবিন্যাস বেশ আরামদায়ক।
চেক ইন সময় ২টা। চেক আউট সময় ১২টা। রুম ভাড়ামূল্যের সাথে সার্ভিস চার্জ ১০% এবং ভ্যাট ১৫% পৃথকভাবে পরিশোধ করতে হবে। কর্পোরেট ডিসকাউন্ট পাওয়া যা।

সুযোগ-সুবিধাঃ হোটেলটি রুম এবং স্যুটসমূহের যেসকল সুযোগ-সুবিধা রয়েছে সেগুলো হলোঃ প্রত্যেকটি রুম এবং স্যুট শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। রুমগুলোতে স্যাটেলাইট চ্যানেলযুক্ত এলসিডি টেলিভিশন এবং ডিভিডি প্লেয়ার রয়েছে। রয়েছে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা। আন্তর্জাতিক টেলিফোনে কল করার সুবিধা সম্পন্ন টেলিফোন ব্যবস্থা রয়েছে। প্রত্যেকটি রুমেই রয়েছে ইলেক্ট্রনিক সেফ ডিপোজিট সুবিধা রয়েছে। দৈনিক পত্রিকা। ঢিলা পোষাক, হেয়ার ড্রায়ার এবং রুম চপ্পলের ব্যবস্থা। অনুরোধের ভিত্তিতে ডাবা। টেবিল ডেস্ক এবং টেবিল ল্যাম্প সুবিধা। জুতো পালিশের সামগ্রী, ইস্ত্রী এবং ইস্ত্রী রাখার বোর্ড। রুমগুলো বড় জানালা এবং বারান্দাযুক্ত। এখান থেকে গুলশান লেক উপভোগ করা যায়। চা কফি তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক কেটলি অন্যান্য ব্যবস্থা।
বিভিন্ন ধরনের পানীয় সমৃদ্ধ মিনি বার। ফলমূল সংগ্রহের ঝুড়ি। দৈনিক লন্ড্রি সার্ভিস। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। ২৪ ঘন্টা প্রহরীযুক্ত। ২৪ ঘন্টা বৈদ্যুতিক সুবিধাসম্পন্ন।
অতিথি আপ্যায়ন এবং খাওয়া-দাওয়াঃ অতিথিদের আপ্যায়ন এবং খাওয়া-দাওয়ার জন্য এখানে রয়েছে গোল্ডেন গুস রেস্টুরেন্ট। এখানে থাই, ইন্ডিয়ান এবং জাপানী ডিশের সাথে দৈনিক বুফে এবং আলা কার্টের সুব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও এখানে কফি শপ, বেবি শপ এবং মিনি বার রয়েছে।

সামাজিক এবং কর্পোরেট পার্টিঃ সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং কর্পোরেট পার্টি বা মিটিংয়ের জন্য এখানে রয়েছে সুপ্রশস্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভেন্যু, যেমন- (১) লা ভিটাঃ ১৮৫০ বর্গফুট; (২) ইকেবানাঃ ৭৮০ বর্গফুট; (৩) সমাধানঃ ৬৫০ বর্গফুট। ভেন্যুর অন্যান্য সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে; (১) পিএ সিস্টেম; (২) মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর; (৩) ওভারহেড প্রজেক্টর; (৪) ল্যাপটপ; (৫) ইন্টারনেট; (৬) ক্যাসেটে রেকর্ডিং সুবিধা; (৭) ফ্লিপ চার্ট পেপার; (৮) মার্কার; (৯) ফটোকপি; (১০) কম্পিউটার প্রিন্ট; (১১) স্টেজ; (১২) প্যাড এবং পেন এবং (১৩) পডিয়াম। প্রতিটি ভেন্যু ৩৫০ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। ভেন্যু বুকিংয়ের জন্য (+৮৮০২) ৮৮৫৯৯৯১, ৮৮৬১৭৮৭, ৮৮৬০৫১৯, ৮৮৬১৭৮৩-৯২ নম্বরে যোগাযোগ করতে হয়।
স্বাস্থ্য সুরক্ষাঃ এখানে অতিথিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য রয়েছে সোয়াসদি হেলথ কেয়ার এবং স্পা সেন্টার। এখানে থাইল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। এখানে যেসকল চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়ে থাকেঃ Herbal treatment; Aromatherapy; Reflexology; Aromatic scrubs; Medical herbal steam treatment; Aromatic scrubs; Medicinal herbal steam treatment; Facial and body mask treatment; Cellulite reduction therapy; Regular beauty and health treatments;

ট্রাভেল এবং ট্যুরঃ এখানে আগত অতিথিদের জন্য লেকশোর ট্যুর এবং ট্রাভেলসের মধ্যমে বিভিন্ন ট্যুর কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ঢাকার ঐতিহাসিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করানো হয়। সদরঘাট নদীঘাট, নীলকুঠি, লালবাগ কেল্ল­া, ঢাকেশ্বরী মন্দির, আহসান মঞ্জিল, চন্দ্রিমা উদ্যান, ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁও, বঙ্গভবন সহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শনের মাধ্যমে বাঙ্গালী জাতির অতীত ইতিহাস তুলে ধরা হয়। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত শপিং মল, মার্কেট এবং কাঁচাবাজার পরিদর্শন এবং ধারণা প্রদান করা হয়। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায়, অঞ্চলে অবস্থিত সুন্দর এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাসমুহ পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। যেমন- পৃথিবী বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, পতেঙ্গা, ষাট গম্বুজ মসজিদ, সুন্দরবন, চা-বাগান, কুয়কাটাসহ বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।
অগ্নি-নির্বাপন ব্যবস্থাঃ এখানে প্রতি ফ্লোরে ৩টি করে ফায়ার এক্সিটের ব্যবস্থা রয়েছে। গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নিজস্ব সুপ্রশস্ত পার্কিং প্লেস রয়েছে। এখানে ১৫ থেকে ২০টি গাড়ি পার্ক করা যায়।

দি শ্যালেট লাক্সারী হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট

দি শ্যালেট (The Chalet Luxury Hotel & Restaurant) একটি বিলাসবহুল আবাসিক হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট। ১৯৯৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে বিদেশি বোর্ডারদের পাশাপাশি দেশি অভিজাত শ্রেণির বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
ঠিকানাঃ বাড়িঃ ৫/এ, সড়কঃ ৩২, গুলশানঃ ০১, ঢাকা। ফোনঃ ৮৮১৫৬৮৯, ৯৮৮২৭৪৬ ফ্যাক্সঃ ০২-৯৮৮৬৭৭৫, মোবাইলঃ ০১৭১১-৪৫৭০৮৯। ইমেইলঃ [email protected], ওয়েবঃ www.dhakachalet.com
অনুসন্ধান ডেস্কঃ হোটেলের অনুসন্ধান ডেস্কটি ভবনের নিচ তলায় প্রবেশ মুখের সাথেই অবস্থিত। এখানে সার্বক্ষণিক একজন দায়িত্ব পালন করে থাকেন। হোটেল সম্পর্কে জানতে এবং অনুসন্ধানে উক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে হয়। অনুসন্ধানের জন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বরঃ ০১৯৪২-৭০৩৭১৪

রুম ও ভাড়াঃ এখানে ফ্লোর সংখ্যা ৫টি। প্রত্যেকটি ফ্লোরে ৪টি করে রুম বা কক্ষ রয়েছে। এখানে মোট ১৬টি রুম এবং প্রত্যেকটি রুম এসিযুক্ত, বিলাসবহুল। এখানে স্ট্যান্ডার্ড, ডিলাক্স এবং সুপারডিলাক্স এই তিন ধরণের রুম রয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড রুমের দৈনিক ভাড়া মাঃ ডঃ ৪০, ডিলাক্স রুমের দৈনিক ভাড়া মাঃ ডঃ ৫০ এবং সুপার ডিলাক্স রুমের দৈনিক ভাড়া মাঃ ডঃ ৬০। রুমগুলোতে অত্যাধুনিক সুবিধা সহ রয়েছে সংযুক্ত বাথরুম, ঠান্ডা ও গরম পানির ব্যবস্থা, টেলিফোন, ইন্টারনেট সার্ভিস, লন্ড্রি সার্ভিস সহ আরো অনেক সুবিধা। এছাড়া প্রতিটি রুমেই রয়েছে মিনি বার এবং ক্যাবল টিভি দেখার ব্যবস্থা।
রুম বুকিংঃ অতিথি বেশি হলে কমপক্ষে ৩ দিন আগে রুম বুকিং দিতে হয়। রুম বুকিং দিতে রুম ভাড়ার ৫০% অগ্রিম পরিশোধ করতে হয়। বিদেশি এবং দেশি উভয় ধরণের বোর্ডারের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। বিদেশি বোর্ডারদের রুম বুকিংয়ের সময় বৈধ পাসপোর্ট এবং নাগরিকত্ব সনদ দেখাতে হয়। এছাড়া রুম খালি থাকার ভিত্তিতে রুম ভাড়া দেওয়া হয়।

রেস্টুরেন্ট এবং লবি সুবিধাঃ এখানে নিজস্ব সজ্জিত এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লবি এবং রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এই রেস্টুরেন্টে ইউরোপীয়ান-আমেরিকান-চাইনীজ-থাই-এশিয়ান-লোকাল এবং ইন্ডিয়ান সহ কন্টিনেন্টাল এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল কুজিন পরিবেশিত হয়। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস সুবিধায় রুমে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে ১২০ জন অতিথির বসে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
কমপ্লি­মন্টারী সার্ভিসগুলোঃ এখানে রুম বুকিংয়ের সাথে আগত অতিথিকে সফট ড্রিংক আপ্যায়ন করানো হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের ফলমূল পরিবেশন করা হয় নাস্তার সাথে। এছাড়া অন্যান্য সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে সেফটি ডিপোজিট বক্স, ফ্লাইট রি-কনফার্মেশন, দৈনিক পত্রিকা, স্থানীয় টেলিফোন এবং ফ্যাক্স করার সুবিধা, জুতা পলিশ এবং ইন্টারনেট সার্ভিস। উল্লেখ্য যে, এই সার্ভিসগুলো একদম ফ্রী।
বিনোদন এবং অবকাশ যাপন সুবিধাঃ অবসরে বিনোদন এবং অবকাশ যাপন সুবিধায় এখানে বিভিন্ন ধরনের ক্লাব রয়েছে। ক্লাবগুলো হলো; দি আমেরিকান ক্লাব, কানাডিয়ান ক্লাব, ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব এবং অন্যান্য বেসরকারি পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত ক্লাব যা হোটেলের নিকট দূরত্বেই অবস্থিত।

অন্যান্য সুবিধা এবং ব্যবস্থাদিঃ অন্যান্য সুবিধা এবং ব্যবস্থাদির মধ্যে রয়েছে সাশ্রয়ী মূল্যে আইএসডি কল এবং ফ্যাক্স করার ব্যবস্থা, বিজনেস সেন্টার, জরুরি মূহুর্তে ডাক্তার সেবা, বহুভাষী কর্মকর্তা, লন্ড্রী এবং পরিবহন তত্বাধায়ক সুবিধা, লিমুজিন সার্ভিস এবং অত্যাধুনিক সেলুন শপ।
পরিবহন ব্যবস্থাঃ বোর্ডারদের এয়ারপোর্ট আনা নেওয়া করার জন্য নিজস্ব গাড়ি রয়েছে। এজন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয়। এছাড়া ব্যাক্তিগত ভ্রমরে প্রয়োজনে হোটেলের নিজস্ব রেজিস্টার্ড রেন্ট-এ-কার ফ্যাসিলিটি রয়েছে।
মুল্য পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে রুম ভাড়া নগদ টাকায় পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া এখানে সকল ধরনের মেজর ক্রেডিট কার্ডে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।
মিটিং এবং ক্যাটারিং সার্ভিসঃ এখানে কনফারেন্স, সেমিনার, মিটিং এবং ক্যাটারিং সার্ভিসের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক সুবিধা সম্পন্ন কনফারেন্স রুম। কনফারেন্স রুমে ১০০ জনের বেশি লোকের স্থান তৈরির সুবিধা রয়েছে। কনফারেন্স রুমটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, অডিও ভিজ্যুয়াল ইকুইপমেন্ট সংযুক্ত।

মানি এক্সচেঞ্জঃ হোটেলের মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থা রয়েছে। বোর্ডার চাইলে বাইরে থেকে লোক আনিয়ে এক্সচেঞ্জ এর ব্যবস্থা করা হয়। বিনিময় মূল্য মার্কেট রেট অনুযায়ী হয়ে থাকে।
নিরাপত্তাঃ প্রতি ফ্লোরে রয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, সিকিউরিটি গার্ড ব্যবস্থা। অগ্নি নির্বাপনের জন্য প্রতি ফ্লোরে রয়েছে সিলিন্ডার, বালির বালতি, ফায়ার এক্সিট ব্যবস্থা। ভি.আই.পি বোর্ডারদের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনে থানা পুলিশের সহায়তা নেয়া হয়।
বিবিধঃ নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য রয়েছে নিজস্ব জেনারেটর ব্যবস্থা। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়।
রুম সার্ভিস, ফুড এবং বেভারেজের অবস্থান হোটেলের নিচতলায়। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ এবং ডিনারের মেন্যু সরবরাহ করা হয়। এখানে ইনডোর খেলাধুলার সুবিধা রয়েছে। যেমন; বেড মিন্টন, দাবা, কেরাম, টেনিসসহ অন্যান্য খেলার সুবিধা রয়েছে। হোটেলে নিচ তলায় রয়েচে ১টি কমন রুম। এখানে ৫০ জন বসার ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে বিনোদনের ব্যবস্থা। এখানে লিফট রয়েছে মোট ২টি। হোটেলটির নিকটস্থ ব্যাংক বুথগুলো হচ্ছে শাহজালাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

ঢাকা মিড টাউন হোটেল

বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত অতিথিদের উন্নত আবাসিক সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করে থাকে এই রেস্ট হাউজটি। এটি একটি বেসরকারি হোটেল। এটি ১৯৯০ ইং সালে গুলশানে প্রতিষ্ঠিত হয়। রেস্ট হাউজটির নাম ‘ঢাকা মিড টাউন হোটেল’।
লোকেশনঃ গুলশান ১ নম্বর গোল চক্কর থেকে ১৫০ গজ পশ্চিম দিকে রোড নাম্বার ৪৩০ এর মধ্যে অবস্থিত।
ফ্লোরঃ মোট ৪টি ফ্লোর রয়েছে। প্রতি ফ্লোরে ৬টি করে রুম আছে। সিঙ্গেল, ডাবল দুই ধরনের রুম আছে। সিঙ্গেল রুমের ভাড়া ২,০০০ টাকা এবং ডাবল রুমের ভাড়া ২,৫০০ টাকা। সকল রুম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। সেন্ট্রাল এসির ব্যবস্থা রয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে এসি চলে না।

অনুসন্ধান ডেস্কঃ অনুসন্ধান ডেস্ক হোটেলে প্রবেশ করতেই সামনে। ডেস্কে সার্বক্ষণিক ১ জন থাকে। যোগাযোগ নম্বর- ৯৮৮০৪৩৭, ৯৮৮০৯৫৯। এখানে শুধু থাকা যায়। খাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা- নিজস্ব জেনারেটর আছে। রুম বুকিং দেওয়ার নিয়ম হচ্ছে ফোনে অথবা সরাসরি বুকিং দেওয়া যায়। ১ দিন পূর্বে বুকিং দিলেই হয় এবং বুকিং সময় ৫০% দিলেই হয়, না দিলেও হয়। বিদেশিদের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের ফটোকপি দিলেই হয়। সব সময় একই রকম ব্যবস্থা থাকে। বিল পরিশোধের পদ্ধতি ক্যাশ টাকা। রেন্ট-এ-কার কোম্পানীর গাড়ি ২৪ ঘন্টার জন্য ভাড়া করা যায়। ভাড়ার হার দূরত্ব ও সময়ের উপর নির্ভর করে। বোর্ডার চাইলে রেন্ট-এ-কার কোম্পানীর ব্যবস্থা করে দেওয়া যায়। এই বিল্ডিং-এ ফায়ার এক্সিট ব্যবস্থা আছে তবে তা ফ্লোর ভিত্তিক নয়। এই প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে নিকটবর্তী ব্যাংকের বুথ হল সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক এর বুথ।
কনফারেন্স রূমঃ এটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ। এখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মিটিং, বিয়ে, বিবাহ বার্ষিকী, জন্মদিনের অনুষ্ঠান ইত্যাদি হয়ে থাকে। এর ধারণক্ষমতা ২৬০ জন থেকে ৩৫০ জন।

কোয়ালিটি ইন (আবাসিক হোটেল গুলশান)

দেশের ঢাকার বাইরে থেকে আসা মানুষের উন্নত থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এই আবাসিক হোটেলে ‘কোয়ালিটি ইন’ এ। এটি ২০০৩ ইং সালে গুলশানে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি বেসরকারি হোটেল। হোটেলটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। মোট ফ্লোর ৫টি। প্রতিটি ফ্লোরে রুম রয়েছে ২০টি। মোট সিট ৮০টি।
ঠিকানা ও লোকেশনঃ বাড়ি# ৬, রোড # ৫০, গুলশান #২, ঢাকা # ১২১২। এটি ল্যাবএইড থেকে ৫০০ গজ উত্তর পশ্চিম কোণে হোটেলটি অবস্থিত।
হোটেলে বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে এসি চালানো হয়। প্রতিটি ফ্লোরে ফায়ার এক্সিট আছে।
অনুসন্ধান ডেক্সঃ অনুসন্ধান ডেস্কটি হোটেলের নিচতলার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। ডেক্সে সর্বদা দুইজন লোক দায়িত্ব পালন করেন। অনুসন্ধান ডেস্কের যোগাযোগ নাম্বার হল- ০২-৮৮১৩৩২০, ০১৭১৪৩৫৫৫০০, ৮৮৩২২৪৯, ৮৮১৪৬৭৫, ৮৮৩২২৫০

হোটেলের ৬ষ্ঠ তলায় ফুড এন্ড বেভারেজ ও হোটেলটির রেস্টুরেন্ট রয়েছে। কমন হোটেলটি নিচতলায় অবস্থিত।
রুম বুকিং দেওয়ার সময় সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে দিতে হবে। বিদেশিদের ক্ষেত্রে বুকিং দেওয়ার সময় পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হবে। বছরের সব সময়ই হোটেলটির মধ্যে ভিড় থাকে। অগ্রিম বুকিং দেওয়ার জন্য ৫০% অগ্রিম দিতে হবে।
বোর্ডারদের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য হোটেলের নিজস্ব কোন পরিবহন ও রেন্ট-এ-কার এর ব্যবস্থা নেই। এয়ারপোর্ট থেকে আনার জন্য কোন সার্ভিস নাই। বিল ক্যাশের মধ্যে দিতে হয়। বিনোদনের জন্য আলাদা রুম রয়েছে। সেখানে বসার জন্য সোফাসেট, চেয়ার রয়েছে এবং এক সাথে ৩০ জন বসতে পারে। দেখা ও পড়ার জন্য টিভি ও বিভিন্ন পত্রিকা রয়েছে। হোটেলের পূর্ব পাশে ১টি লিফট রয়েছে। সভা, সেমিনার, মেলা, প্রদর্শনী, সংবাদ সম্মেলনের আলাদা কোন ব্যবস্থা নেই। টেনিস খেলার কোন ব্যবস্থা নেই। হোটেল থেকে ৪০০ গজ দক্ষিণ পূর্ব পাশে ইসলামী ব্যাংক রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ফোন নম্বরঃ ৯৮৮১৮৮৬, ৯৮৮১৮৮৮, ৮৮৩২২৪৯, ৮৮৩২২৫০, ৮৮৩৩১৩৪, ৮৮১৪৬৭৫। মোবাইলঃ ০১৭১৪৩৫৫৫০০, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৮৮১৩৩২০, E-mail: [email protected], Web: www.qualityinbd.com

হোটেল গোল্ডেন ডিয়ার

সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে দেশি ও বিদেশি অতিথিদের উন্নত থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে ২০০০ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘Hotel Golden Deer Ltd’
লোকেশনঃ গুলশান ২নং মসজিদ থেকে ২০০ গজ পশ্চিমে গুলশান লেকের পাড়ে হাতের বাম পাশে অবস্থিত। ঠিকানা হচ্ছে- রোড # ৩৫/এ, (Lake Side) বাড়ি # ৩১/এ, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।
ফ্লোরঃ এই হোটেলে মোট পাঁচটি ফ্লোর রয়েছে। প্রতি ফ্লোরে ২৪ থেকে ২৫টি রুম আছে। এছাড়া হোটেলের সব রুমেই এসি সুবিধা রয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে এসি চালানো হয়। এই হোটেলে সরকারি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া এই হোটেলে দুটি বিকল্প বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। এই হোটেলের নিজস্ব জেনারেটর ব্যবস্থা আছে। পূর্ব দক্ষিন কোনে লিফট রয়েছে। হোটেলের রুমভাড়ার তালিকা দেওয়া হল।

অনুসন্ধান ডেস্কঃ হোটেলের নিচ তলায় অনুসন্ধান ডেস্ক অবস্থিত। সার্বক্ষণিক দুজন অতিথিদের সেবায় নিয়োজিত থাকে।যোগাযোগ ব্যবস্থা হচ্ছেঃ ফোনঃ ৯৮৮০৮৬৬, ৯৮৮১০৯৩, ৯৮৯৩২২৫, ৯৮৮৪৩০২, ৯৮৮২৬৪১, ৯৮৮৬৮৯২, ৮৮১২৪৪৩। ফ্যাক্সঃ ৮৮০-২-৮৮২৬২৫৯। ই-মেইলঃ [email protected], [email protected]। ওয়েবঃ www.goldendeerbd.com
এর প্রতিটি ফ্লোরে ৪ থেকে ৫ জন রুম সার্ভিস আছে। ব্রেক ফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার, বুফে লাঞ্চরুম ভাড়ার সাথে যুক্ত না। এর জন্য অতিথিদের আলাদা চার্জ দিতে হবে। Hotel Golden Deer এর প্রধান কোন মেন্যু নেই। বোর্ডারদের চাহিদা মাফিক মেন্যু তৈরি করা হয়।
বিনোদনের জন্য টিভি, পত্রিকার ব্যবস্থা রয়েছে। এর জন্য বাড়তি চার্জ দিতে হয় না।
Hotel G.D এর রুম পেতে হলে ১০ দিন আগে বুকিং দিতে হবে। ৫০% অগ্রিম দিতে হবে। বিদেশি বোর্ডারদের ক্ষেত্রে একই নিয়ম। কিন্তু বিদেশি বোর্ডারদের অগ্রিম রির্জাভেশন পেতে হলে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সাথে আনতে হবে। এখানে শীত সিজনে বেশি ভির হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ১ মাস আগে রির্জাভেশন দিতে হয়।
এখানে একটি কমনরুম আছে। যার ধারন ক্ষমতা প্রায় ৫০ জন।

এই হোটেলের বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে ক্যাশ, ক্রেডিট কার্ড, ডলার, ইউরো পাউন্ড প্রযোজ্য। এখানে প্রতিটি ফ্লোরের উত্তর পশ্চিম কোনে ফায়ার এক্সিটের পথ রয়েছে। এই হোটেলের অগ্নি নির্বাপনের ২৪টি সিলিন্ডার আছে। এই হোটেলে সভা, সেমিনার, মেলা, প্রদর্শনী, সংবাদ সম্মেলনের ব্যবস্থা নেই। বোর্ডারদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য চিকিৎসকের ব্যবস্থা রয়েছে।
ভি,আই,পি ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ রুমের ব্যবস্থা রয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। বোর্ডারদের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য Hotel Golden Deer-এর নিজস্ব পরিবহন আছে। তাদের দুটি NOAH গাড়ি আছে এবং ২ জন ড্রাইভার আছে। দূরত্ব ও দিনভেদে ভাড়া তবে তা আলোচনা সাপেক্ষে করা হয়।

এই হোটেল এয়ারপোর্ট থেকে বোর্ডার আনা নেয়া করে থাকেন। এর জন্য বোর্ডারের আলাদা চার্জ প্রদান করতে হয়। এই হোটেলের পরিচিত রেন্ট-এ-কার কোম্পানীর ব্যবস্থা আছে। ২৪ ঘন্টার জন্য ভাড়া নেওয়া যায় এবং এর বেশি সমও ভাড়া নেওয়া যায়। আলোচনার মাধ্যমে ভাড়া ঠিক করতে হয়।
Hotel Golden Deer-এর বাইরে কোথাও বেড়াতে গেলে নিজস্ব গাইড সরবারহের ব্যবস্থা আছে। এর জন্য আলাদা চার্জ দিতে হয়। রুম ভাড়ার সাথে চার্জ সংযুক্ত না।

হোটেল জাকারিয়া ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড

মহাখালীস্থ হোটেল জাকারিয়া ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ঢাকায় আগত অতিথিদের আবাসিক সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে। তিতুমীর কলেজ থেকে ২৫ গজ পূর্বে রাস্তার উত্তর পাশে হোটেল জাকারিয়া ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এর অবস্থান।
ঠিকানাঃ ৩৫, বীর উত্তম একে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা- ১২১২। ফোন- ০২- ৮৮২৫০০৩, ৮৮২৫০০৪, ৮৮৩১৮৫৪, ফ্যাক্স- ৮৮-০২-৯৮৬২৫২৭, ই-মেইল- [email protected], ওয়েব- www.hotelzakariabd.com

হোটেল ভবনঃ হোটেল ভবনটি ৫ম তলা বিশিষ্ট। হোটেল ভবনের নিচতলায় রয়েছে গাড়ি রাখার স্থান, লিফট, সিঁড়ি ও অনুসন্ধান কেন্দ্র। ২য় তলা থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত মোট ২৮টি রুম রয়েছে। এই হোটেলে এস, নন এসি উভয় ধরনের রুমই রয়েছে।
রুম বুকিংঃ রুম খালি থাকা সাপেক্ষে যে কোনো সময় বুকিং দেওয়া যায়। রুম বুকিংয়ের সময় ৫০% অগ্রিম বিল পরিশোধ করতে হয়। রুমে উঠার সময় দেশ অতিথিকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিদেশি অতিথিকে পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দিতে হয়।
খাবার ব্যবস্থাঃ এই হোটেলে অতিথিদের খাবার ব্যবস্থা রয়েছে। অতিথি চাইলে রুমে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। খাবার রুমে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১২.৫০% সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হয়।

বিল পরিশোধঃ এখানে ডলার, যে কোনো ক্রেডিট কার্ড ও ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।
পরিবহনঃ নিজস্ব একটি গাড়ি রয়েছে। সেটি দিয়ে অতিথিদের বিমানবন্দর থেকে হোটেলে আনা নেওয়া করা হয়ে থাকে। বিমান বন্দর থেকে হোটেলের গাড়িতে আসা যাওয়ার জন্য কোন চার্জ দিতে হয় না।
নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা নেই। তবে বিভিন্ন রেন্ট-এ-কারের সাথে এই হোটেল কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ রয়েছে। অতিথিদের প্রয়োজনে গাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। একদিনের জন্য একটি প্রাইভেট কার ব্যবহারের খরচ পড়ে ২,৫০০ টাকা ও একটি ঐধরপব গাড়ির খরচ পড়ে ৩,৫০০ টাকা। অতিথিদেরকে গাড়ির জ্বালানি খরচ বহন করতে হয়।

রিগস ইন হোটেল

বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত রিগস ইন হোটেল ১৯৯৮ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে। হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত অনুসন্ধান ডেস্কে সার্বক্ষণিক দুই জন লোক দায়িত্ব পালন করে। গুলশান ১ এর পশ্চিম দিকে অবস্থিত পোস্ট অফিসের গলি দিয়ে ৫০ গজ এগিয়ে হাতের বাম পাশে রিগস ইন হোটেল অবস্থিত।
ঠিকানাঃ বাড়ি# ৯, রোড# ২৩/এ, গুলশান- ১, ঢাকা-১২১২। ফোন-৮৮১৩৪৯৬, ৮৮২৭৩২২, ফ্যাক্স- +৮৮-০২-৮৮১১৮৮৫, ই-মেইল- [email protected], ওয়েবসাইট- www.rigsinn.com
ভবনঃ হোটেলটি ৫ ফ্লোর বিশিষ্ট ভবনে অবস্থিত। এখানে বোর্ডারদের থাকার জন্য ৩০টি রুম রয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম এবং সাথে অর্থোপেডিক বেড রয়েছে। রয়েছে ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। প্রত্যেক রুমে আলাদা মিনি ফ্রিজ, ওয়াল কার্পেটিং, সেফটি লকার এবং স্যাটেলাইটের সংযোগসহ এলসিডি টিভি। উপরে ওঠা নামার জন্য সিঁড়ি ছাড়াও অনুসন্ধান ডেস্কের পিছনে দুটো লিফট রয়েছে।

বুকিং পদ্ধতিঃ স্ব-শরীরে এসে, ফোন ও ই-মেইলের সাহায্যে রুম বুকিং দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ৩ দিন আগে বুকিং দিতে হয়। ই-মেইলের মাধ্যমে করলে ফিরতে মেইলে বুকিং এর তথ্য জানিয়ে দেয়া হয়। শীতকালে বেশি ভিড় হয়ে থাকে।
রেস্টুরেন্টঃ হোটেলের নিচতলার পশ্চিম পাশে রেস্টুরেন্টে অবস্থিত । এখানে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের জন্য থাই, চাইনিজ, ইউরোপিয়ান, ইংলিশ, ইন্ডিয়ান ও কমপ্লে­মেটরি খাবার পাওয়া যায়। খাবারের মেন্যু অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়ে থাকে।
রুম ভাড়ার সাথে ব্রেকফাস্ট যুক্ত থাকে। রেস্টুরেন্ট সুবিধার ক্ষেত্রে নন বোর্ডাররা বোর্ডারদের মত একই ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে।
অন্যান্য সুবিধাঃ হোটেলের প্রথম তলায় হেলথ ক্লাব এর ব্যবস্থা রয়েছে। হেলথ ক্লাবটি শুধুমাত্র বোর্ডাররা ব্যবহার করে থাকে। এখানে ইনডোর ও আউটডোর গেমস এর ব্যবস্থা রয়েছে। স্কোয়াশ এবং টেনিস খেলার ব্যবস্থা রয়েছে। অন কল-এ ডক্টর-এর ব্যবস্থা রয়েছে। ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে।

এখানে দুটো কনফারেন্স রুম রয়েছে। ছোট রুমের প্রতিদিনের ভাড়া ৭,৫০০ টাকা এবং বড় রুমের প্রতিদিনের ভাড়া ১১,৫০০ টাকা। এখানে সভা, সেমিনার ও মেলার আয়োজন করার ব্যবস্থাও হয়ে থাকে। তবে এটার ভাড়া আলোচনা সাপেক্ষে হয়ে থাকে।
অতিথি এয়ারপোর্ট থেকে আনা নেওয়ার জন্য হোটেলের নিজস্ব দু’টি শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত ১২ সিটের মাইক্রোবাস রয়েছে। বোর্ডারের চাহিদা মতো এখান থেকে ২৪ ঘন্টার জন্য রেন্ট-এ-কার এর ব্যবস্থাও করা হয়ে থাকে। ঘন্টা প্রতি চার্জ ৫৫০ টাকা।
বিবিধঃ এখানে টাকা ও ডলারে বিল পরিশোধ করা যায়। এছাড়া মাষ্টার কার্ড, ভিসা কার্ড এবং দেশের সকল ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমেও বিল পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে। লোডশেডিং এর সময় নিজস্ব জেনারেটরের সাহায্যে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়। প্রত্যেক ফ্লোরের সিঁড়িতে ফায়ার এক্সিট এর ব্যবস্থা রয়েছে। বিনোদনের জন্য স্যাটেলাইট সংযোগসহ এলসিডি টিভি চ্যানেল, ইন্টারনেট সার্ভিস এবং দৈনিক বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকার ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল সেন্টার পয়েন্ট

বাড়ি-২/এ, সড়ক-৯৫, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২। গুলশান ২ গোলচক্কর থেকে বারিধারামুখী রাস্তার সামান্য দুরে ভি আই পি স্টুডিও এর বিপরীত দিকে এটি অবস্থিত। হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৫০টি।
যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ ৮৮১৪৪৫৮, মোবাইলঃ ০১৭১২-০৭৫৯১৬
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের সাথে সাথে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও হোটেলের রুম ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ পরিশোধ করা যায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ এখানে নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং এর নিজস্ব ব্যবস্থা রয়েছে।
অন্যান্য সুবিধাঃ এখানে সভা বা কনফারেন্স বা পার্টি করার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে জিম / হেলথ ক্লাব রয়েছে।

হোটেল ডি মেরিডিয়ান লিঃ

বেসরকারি মালিকানায় ১৯৮৯ সাল হোটেল ডি মেরিডিয়ান লিঃ প্রতিষ্ঠিত। অনুসন্ধান ডেস্কে সার্বক্ষণিক ২ জন লোক থাকে। বাড়ি # ১১, সড়ক # ১২, সেক্টর # ৬, উত্তরা, ঢাকা। ফোন- ৮৯১৯২০১, ৮৯৬০৯৪৫, মোবাইল- ০১৮২৩-০৬৩৩৫৮, ফ্যাক্স- ৮৮-০২-৮৯১১৯১৬, ই-মেইল- [email protected]
ভবনঃ এটি ৫ম তলা হোটেল। এখানে মোট রুম সংখ্যা হল ২৮টি। প্রতিটি রুম টাইলস করা। প্রতিটি রুমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে। স্প্লিট টাইপ সেন্ট্রাল এসি রয়েছে। রয়েছে ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। প্রত্যেক রুমে আলাদা মিনি ফ্রিজ, ওয়াল কার্পেটিং, সেফটি লকার এবং স্যাটেলাইটের সংযোগসহ এলসিডি টিভি। উপরে ওঠা নামার জন্য সিঁড়ি ছাড়াও অনুসন্ধান ডেস্কের পিছনে একটা লিফট রয়েছে।

রেস্টুরেন্টঃ হোটেলের ৫ম তলায় রেস্টুরেন্টের অবস্থান। এখানে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্রেকফাস্ট- রুটি, পরটা, খিচুড়ি, খাসির কলিজা, ডিম, ভাজী, ডাল। লাঞ্চ ও ডিনার- ভাত, মাছ, বিরানী, তেহারী, খাসীর মাংস, গরুর মাংস, মুরগীর মাংস, সবজী, ভর্তা, ডাল এবং খিচুড়ি। এখানে বুফে লাঞ্চ বা ডিনারের ব্যবস্থা নেই।
রুম বুকিংঃ ২ দিন রুম পূর্বে বুকিং দিতে হয়। স্বদেশি ও বিদেশিদের জন্য আলাদা কোন নিয়ম কানুন নেই। সকল ঋতুতে একই রকম ভিড় থাকে।
সুবিধাঃ হোটেলের নিচতলায় একটি জিম রয়েছে। বোর্ডাররা বিনে পয়সায় জিম ব্যবহার করতে পারে।
ক্যাশ টাকার মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। বিনিময়কৃত মুদ্রার মধ্যে টাকা, ডলার, পাউন্ড, ইউরো, রিয়াল গ্রহণ করা হয়।

পরিবহনঃ হোটেলের নিজস্ব পরিবহন সুবিধা রয়েছে। এখানে ১২ সিটের একটি শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাস রয়েছে। মাইক্রোবাস দিয়ে এয়ারপোর্ট থেকে অতিথি আনা ও নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
বিবিধঃ লোডশেডিং এর সময় নিজস্ব জেনারেটরের সাহায্যে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়। প্রত্যেক ফ্লোরের সিঁড়িতে ফায়ার এক্সিট এর ব্যবস্থা রয়েছে। বিনোদনের জন্য স্যাটেলাইট সংযোগসহ এলসিডি টিভি চ্যানেল, ইন্টারনেট সার্ভিস এবং দৈনিক বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকার ব্যবস্থা রয়েছে। নন বোর্ডাররা এখানে রেস্টুরেন্ট বা জিমের কোন সুবিধা পায় না। এখানে বেকারি, সুইমিং পুল, বার, ডিসকো, চেইনশপ, আউটডোর ও ইনডোর গেমস, সুভ্যেনির শপ এবং ফরেন মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থা নেই।

হোটেল শাদ ইন্টারন্যাশনাল

১৯৯৪ ইং সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। গুলিস্তান মোড়ে গিয়ে নবাবপুর ঢুকতে হাতের ডান দিকে এটি অবস্থিত। ১৪৪ নবাবপুর রোড, ঢাকা-১১০০।
যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ ৯৫৫৫৬৬০, মোবাইলঃ ০১৭১৫-৯৪১১৪৪
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ১২০টি। রুমের দৈনিক ভাড়- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল), ২৫টি, ৫৫০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল), ১৫টি, ১০০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল), ৬০টি, ৪০০ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল), ৩০টি, ৬০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা নেই। নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করতে হয়।

হোটেল ইসরাত টু স্টার

২০০৫ ইং সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নবাবপুর পোস্ট অফিসের বিপরীত দিকে এটি অবস্থিত। ঠিকানাঃ ২২৩ নবাবপুর রোড, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ ৯৫৬৫২৪৫
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৮০টি।
দৈনিক ভাড়া ০১. নন এসি রুম (সিঙ্গেল), ৬০টি, ২১০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা। ০২. নন এসি রুম (ডাবল), ২০টি, ৩৩০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।

ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ নিজস্ব ডাইনিং/রেস্টুরেন্ট সুবিধা নেই। তবে হোটেলটির নীচে/নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।

হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা নেই। নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করতে হয়।

হোটেল জবেদা ইন্টারন্যাশনাল

২০০৩ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। গুলিস্তান মোড় থেকে টিপু সুলতান রোড যাওয়ার পথে এটি অবস্থিত। ১৩৮/১৩৯ নবাবপুর রোড, ঢাকা-১১০০।
যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ ০১৯১৫-৯৫৪৬৪৩, ০১৯১৪-৪২৬৯৫০
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৩০টি। দৈনিক ভাড়া ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল), ৩টি, ১০০০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল), ৫টি, ১৫০০ টাকা। ০৩.নন এসি রুম (সিঙ্গেল), ১২টি, ৫০০ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল), ১০টি, ৭০০ টাকা।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার।

ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা নেই। নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করতে হয়।

হোটেল ইন্টারকম (আবাসিক)

২০০৬ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি নন-এসি আবাসিক হোটেল। সায়েদাবাদ রেলগেট থেকে ৩০০ গজ পূর্ব দিকে প্রধান সড়কের দক্ষিণ পাশে এই আবাসিক হোটেলটি অবস্থিত। হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৪৫টি।
যোগাযোগঃ ৮৯/এ, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা-১১০০। ফোনঃ ৭৫৪২৮৫২। মোবাইলঃ ০১৮১৮-৫৪০৮৩০।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, টুথব্রাশ ও পেস্ট।

ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নীচে/নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
চেক ইন / চেক আউটের সময়ঃ দুপুর ১২.০০ টা।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।

হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা নেই। নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করতে হয়।

হোটেল সেল নিবাস (আবাসিক)

২০০৯-১০ ইং সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আবাসিক হোটেল। ধানমন্ডি ল্যাব এইড হাসপাতাল থেকে গ্রীন রোড যাওয়ার পথে সড়কের ডান পাশে এই আবাসিক হোটেলটি অবস্থিত। ঠিকানা- সেল গ্রীন সেন্টার, ৩০, গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫। যোগাযোগঃ ফোনঃ ৮৬১০৭৭৮
রুমের ধরন এবং ভাড়াঃ- দৈনিক ভাড়া ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল), ২,১০০ টাকা ০২. এসি রুম (ডাবল), ৩,১০০ টাকা।
সুবিধার বিবরণঃ রুমগুলোতে রয়েছে- ০১. ডিশ টিভি- সকল রুম ০২. টেলিফোন ০৩. ইন্টারনেট ০৪. ইন্টারকম ০৫. ড্রেসিং টেবিল ০৬. টেবিল চেয়ার।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব ডাইনিং ব্যবস্থা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
হেলথ ক্লাবঃ এখানে জিম/হেলথ ক্লাব রয়েছ।

কনফারেন্স সুবিধাঃ এখানে ১৫০ জনের জন্য পার্টি / সভা / কনফারেন্স করার জন্য ০১টি হল রুমের ব্যবস্থা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের সাথে সাথে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও হোটেলের রুম ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ পরিশোধ করা যায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ সিসিটিভির পাশাপাশি হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল আম্বালা ইন (আবাসিক)

এটি একটি আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত আবাসিক হোটেল। সিটি কলেজ থেকে জিগাতলা যাওয়ার পথে রাইফেল স্কয়ারের সন্নিকটে সড়কের বাম পাশে এই আবাসিক হোটেলটি অবস্থিত। ঠিকানাঃ হাউজ # ৩৯, রোড # ২, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫। যোগাযোগ- ফোনঃ ৮৬১০৫০২, ৮৬১৯৩৭৩, ই-মেইলঃ [email protected], ওয়েব সাইটঃwww.ambalainn.net
রুমের ধরন, সংখ্যাঃ দৈনিক ভাড়া ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ২,১০০ টাকা, ০২. এসি রুম (ডাবল) ৩,২০০টাকা।
সুবিধার বিবরণঃ রুমগুলোতে রয়েছে- ০১. ডিশ টিভি ০২. টেলিফোন ০৩. ইন্টারনেট ০৪. ইন্টারকম ০৫. ড্রেসিং টেবিল ০৬. টেবিল চেয়ার।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব ডাইনিং ব্যবস্থা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
চেক ইন/চেক আউটের সময়ঃ দুপুর ১২টা।
কনফারেন্স সুবিধাঃ এখানে ৫০ জনের জন্য পার্টি/সভা/কনফারেন্স করার জন্য ১টি হল রুমের ব্যবস্থা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের সাথে সাথে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও হোটেলের রুম ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ পরিশোধ করা যায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক

এটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত আবাসিক হোটেল। গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজার থেকে উত্তর দিকে পল্টন যাওয়ার পথে জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন পীর ইয়ামেনী মার্কেট ভবনে এই আবাসিক হোটেলটি অবস্থিত। ঠিকানা-২১৯, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বরণী, জিপিও, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগঃ ফোনঃ ৯৫৫৫৪৭০, ৯৫৬৫২২০
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৬৫ টি। দৈনিক ভাড়া ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ৬০০ টাকা ০২. এসি রুম (ডাবল) ১,০০০ টাকা ০.৩ নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৪০০ টাকা ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ৬০০ টাকা
সুবিধার বিবরণঃ ০১. ডিশ টিভি ০২. টেলিফোন ০৩. ইন্টারকম ০৪. ড্রেসিং টেবিল ০৫. টেবিল চেয়ার

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব ডাইনিং ব্যবস্থা/রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।

হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিএখানে ক্যাশের সাথে সাথে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও হোটেলের রুম ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ পরিশোধ করা যায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল কর্ণফুলী (আবাসিক)

বাংলাদেশ সচিবালয়ের পিছন দিকে সেগুন বাগিচা স্কুল লেনে এই আবাসিক হোটেলটি অবস্থিত। ঠিকানা- ২২/এ, তোপখানা রোড, ঢাকা। যোগাযোগ- ফোনঃ ৯৫৬০৬৫০, ৯৫৫৮৫২৮
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৩৮টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ২০টি, ৪০০ টাকা ০২. নন এসি রুম (ডাবল), ১৮টি, ৬০০ টাকা।
সুবিধার বিবরণঃ ০১. ইন্টারকম ০২. ড্রেসিং টেবিল ০৩. টেবিল চেয়ার।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
চেক ইন / চেক আউটের সময়ঃ দুপুর ১২.০০ টা।

কনফারেন্স সুবিধাঃ এখানে কনফারেন্স সুবিধা নেই।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।

হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনাল

৫৭/১/সি, পশ্চিম পান্থপথ লেক সার্কাস, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫। পান্থপথ স্টার হসপিটালের সামনে এটি অবস্থিত। যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ -৯১২৫৯০৮, মোবাইলঃ -০১৯২২-৫২৩৭৫৭।
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ১০ টি। দৈনিক ভাড়া-০১. এসি রুম (সিঙ্গেল), ২টি, ১০০০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ২টি, ১৫০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল), ৪টি, ৭০০ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল), ২টি, ১০০০ টাকা।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা টেলিফোন। ইন্টারকম সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা।

ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।

হোটেল রয়্যাল প্যালেস (প্রাঃ) লিঃ

৩১/ডি তোপখানা রোড, ঢাকা। যোগাযোগ- ল্যান্ড ফোনঃ -৭১৬৮৯৭২
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৮২টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ১৮টি, ১৫০০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ৪৪টি, ২২০০ টাকা থেকে ৪৮০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ২০টি, ১১৫৫ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল), ১৫৭৫ টাকা।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন।
এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে শ্যাম্পু, গিজার, সাওয়ার ট্রে।

ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব ডাইনিং ব্যবস্থা / রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন। এছাড়াও হোটেলটির নিকটে ভালো মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের সাথে সাথে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও হোটেলের রুম ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ পরিশোধ করা যায়।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে।
অন্যান্য সুবিধাঃ এখানে ৫০ জনের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কনফারেন্স রুম রয়েছে।

হোটেল স্কাই গার্ডেন

নাহার প্ল­াজা (১১ তম তলা), ২৬, সোনারগাঁও রোড, ঢাকা। ইষ্টার্ণ প্লাজা মার্কেটের বিপরীত পাশে এটি অবস্থিত। যোগাযোগ- ল্যান্ড ফোনঃ ৯৬১৫৮৪৬, ৮৬২৮৭২১, মোবাইলঃ ০১৭৫৩-৮৫৬৩৭৬।
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৮০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ২০টি, ৮০০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ১০টি, ১৮০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৩০টি, ৬০০ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ২০ টি, ১০০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব ডাইনিং ব্যবস্থা / রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন। এছাড়াও নিকটে ভাল মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা নেই। নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করতে হয়।

হোটেল ফার্মগেট (আবাসিক)

৮২ পশ্চিম তেজতুরী বাজার, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। ফার্মগেট বাসস্ট্যান্ডে আনন্দ / ছন্দ সিনেমা হলের পাশে এটি অবস্থিত। যোগাযোগ- ল্যান্ড ফোনঃ ৯১২০৬১২, মোবাইলঃ ০১৭১২-৮৪৮৩৯৪, ই-মেইলঃ [email protected]
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৮৬টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ২২ টি, ১২০০ টাকা ০২. এসি রুম (ডাবল) ২২টি, ১৫০০ টাকা ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ২১টি, ৮০০ টাকা ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ২১টি, ১০০০ টাকা।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট। নামজের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে।

ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত / নন এসি ডাইনিং ব্যবস্থা / রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন। এছাড়াও নিকটে ভালোমানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ সিসিটিভি ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল সম্রাট আবাসিক

২৩/৩ তোপখানা রোড, ঢাকা। সচিবালয়ের বিপরীত পাশে এটি অবস্থিত। যোগাযোগ- ল্যান্ড ফোনঃ ০১৭৩২-৪৭৭৬১৬, ই-মেইলঃ [email protected]
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৪০টি। দৈনিক ভাড়া-০১. এসি রুম (ডাবল) ২টি, ১২১০ টাকা ০২. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ১২টি, ৩৭৫ টাকা ০৩. নন এসি রুম (ডাবল) ২৬টি, ৫১০ টাকা।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।

ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নীচে / নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।

হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল মেহরান (আবাসিক)

২০০৪ ইং সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি নন-এসি আবাসিক হোটেল। ৪৭/১, করাতীটোলা, সায়েদাবাদ, ঢাকা ১০০০। সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ডের বিপরীত পাশে এই আবাসিক হোটেলটি অবস্থিত। যোগাযোগ-মোবাইলঃ ০১৭৪২-২০৪৯১৫
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৬০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৪০টি, ২০০-৩০০ টাকা ০২. নন এসি রুম (ডাবল) ১০টি, ৪৫০ টাকা ০.৩ নন এসি রুম (সিঙ্গেল) কিন্তু থাকবে ২ জন ১০টি, ৩০০ টাকা ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) কিন্তু থাকবে ১ জন ৫টি, ৪০০ টাকা ০৫. নন এসি রুম (ডাবল) কিন্তু থাকবে ৪ জন ০৫ টি, ৫০০ টাকা

সুবিধার বিবরণঃ কোন রুমগুলোতে রয়েছে- ০১. ডিশ টিভি ০২. ড্রেসিং টেবিল ০৩. টেবিল চেয়ার
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, টেলিভিশন। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নীচে/নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

চেক ইন / চেক আউটের সময়ঃ দুপুর ১২টা।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।

ফারস হোটেল ও রিসোর্ট

ফোর স্টার হোটেলের সকল সুবিধা দিয়ে ঢাকার ঠিক কেন্দ্রেই গড়ে উঠেছে ফারস হোটেল ও রিসোর্ট। সব ধরনের ভ্রমণকারীদের জন্যই এর সুব্যবস্থা করা হয়েছে। ফারস হোটেল ও রিসোর্টের রয়েছে ১৫৪টি আন্তর্জাতিক মানের রুমের সুব্যবস্থা। বিশেষ করে ব্যবসায়িক কাজে আসা পর্যটকদের জন্য ফারস হোটেল ও রিসোর্টে রয়েছে বাড়তি সুবিধা। তাছাড়া ফারস হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে সব ধরনের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন, সদরঘাট রিভার পোর্ট, জাতীয় জাদুঘর, জাতীয় থিয়েটার হল, শপিং মল ও গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট ইত্যাদি স্থান ফারস হোটেল ও রিসোর্টের খুবই নিকটে অবস্থ্তি এবং নিয়মিত যানবাহনের সুবিধা রয়েছে ফারস হোটেল ও রিসোর্টের লোকেশনে।

ঢাকার ভালো মানসম্পন্ন ফোর স্টার হোটেল ক্যাটাগরিতে পর্যটকদের সর্বাত্মক সেবা দিতে প্রস্তুত ফারস হোটেল ও রিসোর্ট। ঢাকার হোটেলগুলোতে আসা পর্যটকদের বিশাল একটি অংশ কেবল ব্যবসায়িক কাজ সম্পন্ন করতেই বাংলাদেশে আসে। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য ছাড়া ফারস হোটেলে আগত বাংলাদেশ ভ্রমণে আসা পর্যটকদের পরিমান পাঁচ-দশ শতাংশ। আর পুরোটাই ব্যবসা কেন্দ্রিক পর্যটক যারা পাঁচ-সাত দিন করে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ফারস হোটেলে অবস্থান করে।

ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ফারস হোটেল ও রিসোর্টে আগত পর্যটকদের মাঝে চীন ও ইউরোপিয়ানরাই বেশি। ব্যবসায়িক পর্যটকদের আতিথিয়েতায় সুইমিংপুল, স্পা, ক্লাভ, রেস্টুরেন্টসহ ফোর স্টার হোটেলের সকল ধরণের সুবিধাই রয়েছে। ফারস হোটেলের খাবার মেন্যুর বুফে রয়েছে ১১১টি আইটেম যা বাংলাদেশে হোটেল শিল্পে এই প্রথম। বাংলা, ইন্ডিয়ান, চাইনিজ, থাইল্যান্ড, মিক্সড মেন্যু মিলিয়ে ১১১টি স্বাদের খাবার আইটেম রয়েছে এ বুফে। হোটেল শিল্পে খাবার একটি বড় দিক। আর এখানেই ফারস হোটেল অনেক এগিয়ে রয়েছে। ফারস হোটেলের ১১১টি বুফে মেন্যু ছাড়াও রুম সার্ভিস ও স্পেশাল খাবার মেন্যুর ব্যবস্থা রয়েছে। পর্যটকরা এতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পের অগ্রগতিতে ফারস হোটেল ও রিসোর্টের একাগ্রতা বেশ উজ্জ্বল। হোটেল সুবিধা ছাড়াও সাইট পরিদর্শন, ট্রান্সপোর্ট সুবিধা থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ভ্রমণের সর্বাত্মক সহায়তায় বদ্ধ পরিকর ফারস হোটেল ও রিসোর্ট। বিস্তারিত জানতে ফারস হোটেল বাংলাদেশ লিখে েেয়ত পারেন ফারস হোটেল ও রিসোর্টের নিজস্ব সাইট httpt //farshotelbd.com/ রয়েছে।

হোটেল লা মেরিডিয়ান

আয়তন ও রুমের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে পাঁচ তারকা হোটেল এখন লা মেরিডিয়ান ঢাকা। ‘ডেস্টিনেশন আনলক’ শ্লে­াগান নিয়ে পরিচালিত বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের মালিকানাধীন অভিজাত হোটেল লো মেরিডিয়ানের পরিচালনায় রয়েছে আন্তর্জাতিক হোটেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান স্টারউড হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড, ইনকরপোরেশন। ১৯৭২ সালে মূলত এয়ার ফ্রান্সের মালিকানায় ফ্রান্সে লা মেরিডিয়ানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। ২০০৫ সালে এটি স্টারউড অধিগ্রহণ করে। শুরুতে লা মেরিডিয়ান ইউরোপের বাইরে মধ্যপ্রাচ্যে হোটেল ব্যবসা শুরু করলেও পরে তারা অন্যান্য অঞ্চলে যাত্রা করে। এখন দক্ষিণ এশিয়ায় রয়েছে লা মেরিডিয়ানের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি। লো মেরিডিয়ান ব্র্যান্ডের বিশ্বজুড়ে একশটিরও বেশি হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। ইলি, এলইজিও আর গ্রুপ, জনি উজিনি, গ্রে ম্যালিন ও নোভেল ভাগ এর মত বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে গ্লোবাল পার্টনারশীপ এর মধ্য দিয়ে অসংখ্য পর্যটন স্থানে লা মেরিডিয়ান নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে।

আধুনিক নকশার শৈল্পিক হোটেল লা মেরিডিয়ানের গ্রাহকেরা পান ভিন্ন ধরনের স্বাদ। খাবার থেকে শুরু করে সাজসজ্জায় রয়েছে দেশিয় ঐতিহ্যের ছোঁয়া। এর কক্ষগুলোর আয়তন অপেক্ষাকৃত বড়। এই হোটেলটি ঢাকার শিল্প-সংস্কৃতিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়। লা মেরিডিয়ান হচ্ছে এমন একটি ব্র্যান্ড যা দেশীয় আতিথেয়তার মাধ্যমে অতিথিদের চাহিদা অনুযায়ী একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা দেয়। এখানে অতিথিরা প্রতিটি মুহূর্তকে নতুনভাবে আবিষ্কার করবেন। হোটেলটি শিল্প কেন্দ্রিক আধুনিক ডিজাইন, নতুন নতুন খাবার ও দেশীয় সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে যা ব্র্যান্ড হিসেবে লা মেরিডিয়ানের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ সব বৈশিষ্ট্য গ্রাহকদেরকে চমৎকার ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা দেয় ও অতিথিদের আস্থাকে আরো দৃঢ় করে। লা মেরিডিয়ান একই সময়ে একজন গ্রাহক এই নীতিতে বিশ্বাস করে।
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের দুই কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত লা মেরিডিয়ান ঢাকায় আছে ৩০৪টি গেস্টরুম ও স্যুটস ছাড়াও রয়েছে ছয়টি রেস্তোরাঁ, দুটি ব্যাংকুয়েট হল ও ছয়টি মিটিং রুম। হোটেলের কক্ষগুলো ৪০ বর্গমিটার থেকে ৩১৫ বর্গমিটারের আয়তনের।

হোটেলটিতে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছে স্পা এসএম; ফিটনেস সেন্টারের পাশাপাশি ১৬ তলায় রয়েছে একটি সুইমিং পুল। ফ্রেঞ্চ ব্র্যান্ডটির বিভিন্ন সুবিধা হোটেলটিকে অতিথিদের জন্য চমৎকার একটি গন্তব্যে পরিণত করেছে। এখানে অতিথিরা প্রতিটি মুহূর্তকে নতুনভাবে আবিষ্কার করবেন। এছাড়াও এখানে আছে অতিথির চাহিদানুযায়ী আন্তর্জাতিক ও দেশীয় খাবার।
এতে আছে, লাইভ-কিচেন সমৃদ্ধ একটি ডাইনিং রেস্টুরেন্ট যেখানে সারাদিনই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় খাবারগুলো পাওয়া যাবে। ফেভোলা, স্পেশাল ইটালিয়ান রেস্টুরেন্ট যেখানে ওলেয়া এরমত বেশকিছু বিচিত্র স্বাদের ইতালিয়ান খাবার পাওয়া যাবে। ফিফটিন এভাব, চমৎকার ভিউ সমৃদ্ধ একটি আধুনিক লাউঞ্জ বার। দিনের বেলায় সাধারণ কফিশফ হলেও ল্যাটিচিউড রাতের বেলায় একটি চমৎকার সময় কাটানোর স্থান হয়ে ওঠে। স্পা হচ্ছে হোটেলটির অন্যতম একটি প্রধান আকর্ষণ। আরও রয়েছে আধুনিক লাউঞ্জ ‘বার ফিফটিন এভাব’।

লা মেরিডিয়ান ঢাকা, ৭৯/এ কমার্শিয়াল এরিয়া, এয়ারপোর্ট রোড, নিকুঞ্জ ২, খিলক্ষেত, ঢাকা ১২২৯, বাংলাদেশ। বিস্তারিত তথ্যে অথবা বুকিং এর জন্য ভিজিট করতে পারেন www.lemeridien.com/dhaka ।
লা মেরিডিয়ানের প্রাণকেন্দ্র এর নতুন ও রুপায়িত ঐতিহ্যসমৃদ্ধ লবি। এই লবিটিকে বিভিন্ন শিল্প ও সংস্কৃতি দিয়ে সাজানো হয়েছে। এখানে আছে রংহীন একটি কাঠের আর্টওয়ার্ক যা ঢাকা শহরের ক্রস সেকশনগুলোর অ্যারিয়াল ভিউ প্রদর্শন করছে। এছাড়াও এই আর্টওয়ার্কটি হোটেলটির নির্মীয়মান সময়কেও ধরে রেখেছে।

গ্র্যান্ড ঢাকা হোটেল

ঢাকার উত্তরায় আন্তজার্তিক মানের আবাসিক হোটেল ‘গ্র্যান্ড ঢাকা হোটেল’। সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই হোটেলটিতে দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের বোর্ডারদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেলটি ৬ তলা বিশিষ্ট।
ঠিকানা ও যোগাযোগ-বাসা ৮/এ, রোড ৭/ডি, সেক্টর ৯, মেইন সড়ক, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০। মোবাইলঃ ০১৮২২-৮৯৪০৬২, ০১৮৩৯-৯৯১৫৬০, ফোনঃ ৮৯১৯৭২০। ইমেইলঃ [email protected], ওয়েবসাইটঃwww.granddhakahotel.com। ইউকে অফিস- ২১৪ টাউয়ার ব্রিজ রোড, লন্ডন এসই১ ২আপ, ফোনঃ ০০৪৪-২০৭৪৩৭৩৮৬।
বুকিংঃ সরাসরি, টেলিফোন এবং মেইলের মাধ্যমে বুকিং-এর পাশাপাশি অনলাইনে বুকি দেওয়া যায়।

সুবিধাসমূহঃ প্রতিটি রুম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, স্ট্যান্ড বাই জেনারেটর, প্রতিটি রুমে টেলিভিশন সহ ক্যাবেল চ্যানেল, খাবার ব্যবস্থা (থাই, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান এবং বাংলাদেশি), ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, বিজনেস সেন্টার, পত্রিকা (বাংলা/ইংরেজি), ফ্লাইট ইনফরমেশন, ফাষ্ট এইড সার্ভিস, ইন্টারনেট ওয়াই-ফাই এবং ব্রডবেন্ড সংযোগ ব্যবস্থা, লন্ড্রি সুবিধা, বিমানবন্দর পিক/ড্রপ।
রুমসমূহ ও ভাড়াঃ প্রতিটা রুম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। রুম গুলোতে এলসিডি টেলিভিশন, ইন্টারনেট ওয়াই ফাই ও ব্রডব্যান্ড কানেকশন, ইন্টারন্যাশনাল কল সুবিধা, মিনি ফ্রিজ-এর সুবিধা রয়েছে।

শর্ত সমূহঃ চেক ইন টাইম- দুপুর ২টা, চেক আউট টাইম- দুপুর ১২টা, প্রতিটি রেটের সাথে ১০% সার্ভিস চার্জ যুক্ত, ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য
রেস্টুরেন্টঃ হোটেলটির সর্ব উপরের তলায় রয়েছে ‘লা স্পাইস রেস্টুরেন্ট’। এখানে ১০০টির উপরে আইটেম-এর খাবার পাওয়া যায়। কন্টিনেন্টাল, থাই, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান ক্রসাইন খাবার পাওয়া যায়।
বিল পরিশোধঃ এই হোটেলটির যাবতীয় বিল ক্যাশ ডলার বা ডলারে মূল্যায়িত ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। ভিসা,আমেরিকান এক্সপ্রেস ও মাস্টার কার্ড গ্রহণযোগ্য।
জেনারেটরঃ রাত-দিন ২৪ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য হোটেলের নিজস্ব জেনারেটর রয়েছে।
এটিএম বুথঃ হোটেলটির সন্নিকটে ডাচ-বাংলা ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের এটিএম বুথ রয়েছে।

গোধূলী গেস্ট হাউজ

পাহাড় আর অরণ্যের সমন্বয়ে অপরূপ সৌন্দর্যের শহর বন্দর নগরী চট্টগ্রাম- দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিকট একটি জনপ্রিয় স্থান। চারিদিকে সুউচ্চ পাহাড়ের মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া মেঠো সড়কপথ, ফয়েজ লেকের ঝলমল পানি, ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ এবং শাপলা শালুকের উপস্থিতি চট্টগ্রামকে করেছে মনোমুগ্ধকর। চট্টগ্রামের এই নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক প্রায়শইঃ চট্টগ্রাম যাতায়াত করে থাকে। এই শহরে রয়েছে চমৎকার কতকগুলো গেস্ট হাউজ। তন্মধ্যে গোধূলী গেস্ট হাউজ অন্যতম। নগরীর এসি বাস কাউন্টারের পাশেই শহরতলীতে গড়ে উঠেছে গোধূলী গেস্ট হাউজ । সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই গেস্ট হাউজে রয়েছে ঘরোয়া পরিবেশ, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রেস্টুরেন্ট, উন্নত মানের ফিটিংস, হট ওয়াটার, ইন্টারনেট, পিক আপ সুবিধা সহ নানা সুবিধা। গেস্ট হাউজটি পর্যটকদের কাঙ্খিত ট্যুরের সকল ধরনের সহযোগীতা করে থাকে।

ঠিকানা এবং অবস্থানঃ ৪৯৭, জাকির হোসেন রোড, খুলশী, চট্টগ্রাম ৪২২৫। ফোনঃ ০০৮৮-০৩১-৬৩৭১৮৪, ফ্যাক্সঃ ০০৮৮-০৩১-৬৩৭১৮৪, মোবাইলঃ ০১৯১৪-২৪০৭৩০, ০১৭১২-৮০২১৪৫, ইমেইলঃ [email protected], ওয়েবঃ www.godhulibd.com হটলাইন-০১৯১৪-২৪০৭৩১, ০১৯৭৬-১২৩০১৭।
প্রতিটি রুমে যা রয়েছেঃ শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ঠান্ডা গরম পানির সুবিধা সম্বলিত বাথরুম, স্যাটেলাইট কানেকশন সংযুক্ত ৪২ ইঞ্চি এলসিডি টেলিভিশন, প্রাইভেট রেফ্রিজারেটর (মিনি বার), টেলিফোন সুবিধা, ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, রেস্টুরেন্ট সুবিধা, ইন্টারনেট সুবিধা।

সুযোগ-সুবিধাঃ রয়েছে কমপ্লি­মেন্টরি সুবিধা, লন্ড্রি সার্ভিস, মেডিকেল সার্ভিস, প্রয়োজনে ডাক্তারী চেক আপ, সেফটি লকার, কনফারেন্স এবং ব্যাঙ্কুয়েট সার্ভিস, রেন্ট এ কার, ট্রাভেল রিজার্ভেশন। ফ্যাক্স, ইমেইল এবং ইন্টারনেট; সুপ্রশস্ত এবং নিরাপদ গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা, স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর, ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, কন্টিনেন্টাল / বাংলাদেশি নাস্তা, দৈনিক পত্রিকা, ইন্টারনেট সার্ভিস, জুতো পলিশের ব্যবস্থা, রুমগুলোতে ফলের ঝুড়ি।
রুমের ধরণ এবং ভাড়াঃ ০১. লাক্সারী স্যুট ৪,৫০০ ০২. ডিলাক্স স্যুট ৪,০০০.০০ ০৩. এক্সিকিউটিভ স্যুট ৩,৫০০.০০ ০৪. ডিলাক্স কাপলস ৩,০০০ ০৫. এক্সিকিউটিভ কাপলস ২,৫০০ ০৬. এক্সিকিউটিভ সিঙ্গেল ১,৮০০

হোটেল ‘সি পার্ল’

আন্তর্জাতিক মানের ‘টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’ লিমিটেড কক্সবাজারের ইনানী বিচের জালিয়াপালং এলাকায় সমুদ্রের কোল ঘেঁষে ১৫ একর জমির ওপর নির্মিত হয়েছে। এর পাশেই সরকারি উদ্যোগে নির্মিত কক্সবাজার ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মেরিন ড্রাইভ রোড। বিশ্ববিখ্যাত লোভার গ্রুপ অব হোটেলস’ এর গোল্ডেন টিউলিপ হসপিটালিটি ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড ‘রয়েল গোল্ডেন টিউলিপ’র চেইনে এই রিসোর্টটি নির্মাণ করা হয়েছে। রয়েল গোল্ডেন টিউলিপ বিশ্বের ৪০টি দেশে এক হাজারের বেশি হোটেল পরিচালনা করছে।

‘সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’ লিমিটেডও আর্ন্তজাতিক মানেই পরিচালিত হবে। এতে ৪৯৩টি কক্ষে এক সঙ্গে থাকা যাবে ৬শ’ জন। রয়েছে ৪টি রেস্টুরেন্ট। যার প্রতিটি কক্ষের ন্যূনতম ভাড়া প্রতি রাত ৯ হাজার টাকা। যেখানে থাকা যাবে ৪ জন। একই খরচে সকালের নাস্তাও মিলবে। এ ধরনের কক্ষে রয়েছে দু’টি টয়লেট, খাবার প্লেট, গ্লাস, চামচ, রান্নার চুলা থেকে শুরু করে কিচেনের সব সরঞ্জাম। হোটেলটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো-প্রতিটি কক্ষ থেকেই সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ দেখা যায়। আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রের সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত এ হোটেলটিতে দু’টি কৃত্রিম ‘প্রাইভেট বিচ’ রয়েছে। যার একটি বিদেশি পর্যটকদের, অন্যটি দেশি পর্যটকদের জন্য।

এ হোটেলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ডেসটিনেশন স্পা ও বিভিন্ন ধরনের খাবার ব্যবস্থা। ঐতিহ্যবাহী থাই স্পা ও নানা প্রকারের অ্যারোমা থেরাপি, আইসক্রিম স্টল, পার্লার, কন্টিনেন্টাল, প্যান এশিয়ান, ইতালিয়ান ও বাঙালিসহ হরেক স্বাদের খাবার আইটেম। আরও আছে-বড় দুইটি সুইমিং পুল, থাই স্পা, নিজস্ব ব্যবস্থাপনার সমুদ্র সৈকত, ফিটনেস সেন্টার, শিশুদের জন্য থ্রিডি ভিডিও গেইমস কর্নার, দেশের সানকিন বার, ইন্টারন্যাশনাল বার, লবি জুস বার ও ক্যাফে। এছাড়া, রয়েছে ১০ হাজার বর্গফুটের মিলনায়তন। যেখানে দেশি ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের ব্যবস্থা। যার ধারণ ক্ষমতা এক হাজার জন। হোটেলটি নির্মাণে প্রায় পাঁচশ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আছে বেশ কয়েক ধরনের স্পা’র ব্যবস্থা। পার্ল’র সদস্য হতে ছয় থেকে আট লাখ টাকা ফি লাগবে। বিনিময়ে দুইশ দেশের আড়াই হাজার হোটেল ও রিসোর্টে বছরে সাত দিন বিনাখরচে থাকা-খাওয়ার সুবিধা পাবেন সদস্যরা।

কক্সবাজারে ছোট বড় প্রায় ৪৫০টি আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। যেখানে মোট ২৭ হাজার কক্ষ রয়েছে। এরপরও পর্যটন মৌসুমে পর্যটকদের থাকার সংকট তৈরি হয়। সারা বছরে কয়েক লাখ দেশি-বিদেশি পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণে আসেন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক অনুষ্ঠানসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠান এখানে হয়ে থাকে। এমতাবস্থায় এই হোটেলটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

কর্ণফুলী গেস্ট হাউজ

কর্ণফুলী গেস্ট হাউজ একটি চার তারকা বিশিষ্ট রিসোর্ট। রিসোর্টটি সমুদ্র থেকে ১০০০ ফুট উচ্চতায় পাহাড়ের উপরে অবস্থিত। সুউচ্চ পাহাড়ের উপর থেকে পর্যটকগণ পাহাড়ের নির্মল বাতাস উপভোগ করতে পারে এবং রিসোর্টে রিল্যাক্স করতে পারে। মজাটাই ভিন্নরকম। কোলাহল মুক্ত এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরোয়া পরিবেশ, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রেস্টুরেন্ট, উন্নত মানের ফিটিংস, হট ওয়াটার, ইন্টারনেট, পিক আপ সুবিধাসহ নানা সুবিধা। রিসোর্টটি পর্যটকদের কাক্সিক্ষত ট্যুরের সকল ধরনের সহযোগীতা করে থাকে।
ঠিকানা এবং অবস্থানঃ ৮, সুরসন রোড, আসকর দিঘীর নিকটে, চট্টগ্রাম ৪২২৫। ফোনঃ ০০৮৮-০৩১-২৮৫২৯৬৭-৮, ফ্যাক্সঃ ০০৮৮-০৩১-২৮৫২৮৯৩, মোবাইলঃ ০১৭১২-৮০২১৪৫, ০১৮১৫-৫৭৯৪৭০। ইমেইলঃ [email protected], ওয়েবঃ www.karnafully.com

রুমের ধরণ এবং ভাড়াঃ ভাড়া-০১. ডিলাক্স রুম ৪,২০০, ০২. এক্সিকিউটিভ রুম ৩,২০০ ০৩. এক্সট্রা পারসন ৬৫০। রুমের সুবিধাগুলোঃ রয়েছে- ২১ ইঞ্চি টেলিভিশন, সুতির বিছানার চাদর এবং পালক দিয়ে তৈরি পুরু নরম লেপ, ইন রুম সার্ভিস/অনুরোধ ক্রমে ডিভিডি সংযোজন, ভয়েস মেইল সার্ভিস, আলট্রা প্লাস বাথরোবস, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ, ইন রুম সেফটি, মিনি বার। রয়েছে কমপ্লি­মেন্টরী সার্ভিস, কন্টিনেন্টাল / বাংলাদেশি নাস্তা, দৈনিক পত্রিকা, ইন্টারনেট সার্ভিস, পিক আপ সার্ভিস, লন্ড্রি সার্ভিস, প্লেন টিকিট / ট্রেইন / বাস টিকেটস রি-কনফার্মেশন, গাড়ি পার্কিং সুবিধা, জুতা পলিশ এর ব্যবস্থা।
বিদেশি অতিথি এবং কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের জন্য বিশেষ সুবিধাঃ ইন হাউজ সেমিনার, ডিজিটাল প্রজেকশন এবং সাউন্ড সিস্টেম, গাইড, পিক আপ সার্ভিস, দোভাষী পরিসেবা, রেন্ট এ কার, সংবাদ সম্মেলন এবং মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, ইলেক্ট্রনিক্স ফ্যাক্স, মিনি বার / শীশা প্যালেস, ভ্রমণকারীদের চেকে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা।

গেস্ট হাউজের অন্যান্য সেবাগুলোঃ বার/লঞ্জি, বিনামূল্যে গাড়ি পার্কিং সার্ভিস, হেয়ার ড্রায়ার, মিনি বার, মিটিং করার সুবিধা, লন্ড্রি সার্ভিস, অনুরোধক্রমে মোবাইল ফোন সুবিধা, দোভাষী পরিসেবা
রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ গেস্ট হাউজের টপ ফ্লোরে রয়েছে সুসজ্জিত রেস্টুরেন্ট। দ্বিতীয় তলায় ডাইনিং স্পেস। রেস্টুরেন্টে দেশি খাবারের পাশাপাশি থাই-চাইনীজ-জুচয়ান এবং ইন্ডিয়ান ফুড পাওয়া যায়। রেস্টুরেন্টটি সকাল ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
কনফারেন্স হলঃ কনফারেন্স হলটি সুসজ্জিত। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ফ্ল্যাট মনিটর, রাইটিং বোর্ড এবং সাউন্ড সিস্টেম সম্বলিত। এখানে থাই ফুড পরিবেশন করার ব্যবস্থা রয়েছে।
রুম বুকিং পলিসিঃ অতিথি আগমনের ১৪ দিনের মধ্যে যদি রুম বুকিং বাতিল করা হয় তাহলে এক রাতের থাকার সমপরিমাণ চার্জ কর্তন (ভ্যাট/ট্যাক্স সহ) করে অবশিষ্ট টাকা ফেরত দেওয়া হয়। অতিথি আগমনের ৩ দিনের মধ্যে রুম বুকিং বাতিল করতে চাইলে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে হয়।

হোটেল সিটি হোমস্

ঢাকায় আগত দেশি-বিদেশি অতিথিদের আবাসিক সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে হোটেল সিটি হোমসের যাত্রা শুরু। আজমপুর বাসস্ট্যান্ড ওভারব্রীজের পূর্ব পাশের রাস্তায় অবস্থিত উত্তরা টেলিফোন ভবনের ১৫০ গজ পূর্বের উত্তরমুখী রাস্তার পূর্ব পাশে হোটেল সিটি হোমস এর অবস্থান। ঠিকানা-সিটি হোমস, বাড়ি# ৪, রোড# ৩/বি, সেক্টর# ৬ (আজমপুর), উত্তরা, ঢাকা। ফোন- ০২- ৮৯৫১৪৬৩, ৮৯৩১২৮০, ফ্যাক্স- ৮৮-০২-৮৯৩১৪৬৫, ই-মেইল- [email protected], ওয়েব- www.hotel.info, www.hotelcityhomes.com।
রুমঃ এই হোটেলে মোট ২৬টি রুম রয়েছে। রুমগুলো স্যুইট, ডিলাক্স ও স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

ভাড়াঃ স্যুইট ২ বেড কাপল ৪,০০০ টাকা। ডিলাক্স ১ বেড সিঙ্গেল, ১ বেড কপল ২,০০০+ ভ্যাট। স্ট্যান্ডার্ড ২ সিঙ্গেল বেড ১,৮০০ +ভ্যাট।
হোটেল ভবনঃ হোটেল ভবনটি ৬ তলা বিশিষ্ট। নিচতলায় অনুসন্ধান ও অভ্যর্থনা কেন্দ্র, বিজনেস সেন্টার, গাড়ি পার্কিং ও লিফট রয়েছে। ২য় তলা থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরীর রুম রয়েছে। ৬ষ্ঠ তলায় একটি কনফারেন্স রুম রয়েছে। নিচতলায় অবস্থিত অনুসন্ধান কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক তিনজন লোক দায়িত্ব পালন করে।
বুকিংঃ রুম খালি থাকা সাপেক্ষে যে কোনো সময় বুকিং দেওয়া যায়। রুম বুকিংয়ের সময় ৫০% অগ্রিম বিল পরিশোধ করতে হয়। রুমে উঠার সময় দেশি অতিথিকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিদেশি অতিথিকে পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দিতে হয়।
বিল পরিশোধঃ এখানে শুধুমাত্র ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।

কনফারেন্স রুমঃ এখানে একটি কনফারেন্স রুম রয়েছে। কনফারেন্স রুমের ধারণ ক্ষমতা ৩০ জন। কনফারেন্স রুম হোটেলের ৬ষ্ঠ তলায় অবস্থিত।                                                                                                                                                                                                                                                               খাবার ব্যবস্থাঃ এই হোটেলের ডাইনিংয়ে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। অতিথি চাইলে খাবার রুমে আনিয়ে খেতে পারে। তবে রুমে খাবার আনানোর জন্য খাবারের মূল্যর অতিরিক্ত কোন চার্জ দিতে হয় না। অতিথিগণ চাইলে বাইরে অন্য কোথাও খেতে পারেন। এখানে বাংলা ও চাইনিজ খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। অতিথির অর্ডারের পর খাবার তৈরি করা হয়।
বিদ্যুৎ ব্যবস্থাঃ এই হোটেলে সরকারি বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।
পরিবহনঃ এই হোটেলের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শুধুমাত্র বিমানবন্দর থেকে অতিথিগণকে নিয়ে আসা হয়। অতিথিগণ যদি হোটেলের সহায়তায় কোথাও েেয়ত চায় তাহলে হোটেল কর্তৃপক্ষ সিএনজি অথবা ট্যাক্সি ক্যাব এর ব্যবস্থা করে দেয়। হোটেলের গাড়ীতে করে বিমান বন্দর থেকে অতিথিদের আসার জন্য কোন চার্জ দিতে হয় না।

অগ্নি নির্বাপণঃ অগ্নি নির্বাপনের জন্য প্রত্যেক তলায় দুটি করে ফায়ার এক্সটিংগুইসার রয়েছে।
বিবিধঃ হোটেলের কর্তৃপক্ষ ফরেন মানি এক্সচেঞ্জ করে থাকেন। এই হোটেলে শীতের সময় বেশি ভিড় থাকে। পত্রিকা অনুসন্ধান ডেস্কে থাকে তবে কেউ চাইলে তার রুমে দিয়ে আসা হয়। অনুসন্ধান ডেস্কের পাশে বিজনেস সেন্টারে ব্রডব্যান্ডের সংযোগ রয়েছে। অতিথিগণ চাইলে ব্যবহার করতে পারে। এর জন্য কোন চার্জ দিতে হয় না।

সুন্দরবন হোটেল

দুই তারকা আবাসিক হোটেলগুলোর মধ্যে সুন্দরবন হোটেল অন্যতম। এই হোটেলটির বেশ পরিচিতি ও সুনাম রয়েছে। এটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যক্তিমালিকানাধীন এই হোটেলটি আলহাজ্জ কাদের এন্ড সন্স লিঃ এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। বাংলামোটর মোড়ে অবস্থিত ওভার ব্রীজের বাম পাশের সড়ক দিয়ে সামনে গিয়ে যে তিন রাস্তার মোড় রয়েছে তার ডান দিকে সামান্য একটু সামনে পান্থকুঞ্জ পার্কের বিপরীত পাশে এই হোটেলটি অবস্থিত।
ঠিকানাঃ ১১২, বীর উত্তম সি.আর. দত্ত রোড, ঢাকা – ১২০৫। পিএবিএক্সঃ ৯৬৬৫০৬০, ৮৬৩১৩১৮, ৮৬৩১৪০২-০৫ ফোনঃ ৮৬৩১৩৯৪-৫, ৫০৯৮২৫, ৯৬৭৫৫১৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৬১৩৩৪১ ই-মেইলঃ [email protected]

রুম সংখ্যা, রুমের ধরন ও ভাড়াঃ এই হোটেলটিতে বোর্ডারদের নিকট ভাড়া দেওয়ার জন্য মোট ১০০টি রুম রয়েছে। সকল রুমই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। প্রতিটি রুমের সাথে আলাদা বাথরুম ও বারান্দা রয়েছে। বিনোদনের জন্য রয়েছে টেলিভিশন ও জরুরি প্রয়োজনে টেলিফোনে ব্যবস্থা রয়েছে। ভাড়া-ডাবল রুম ৪,৭০০/-, সিঙ্গেল রুম ৪,২০০/-
খাবার ব্যবস্থাঃ হোটেলটিতে অবস্থানরত বোর্ডারদের সুবিধার্থে এখানে একটি রেস্টুরেন্ট আছে। দেশি-বিদেশি সকল প্রকার বোর্ডারদের কথা বিবেচনা করে রেস্টুরেন্টটিতে বাংলা, ইন্ডিয়ান, চাইনিজ ও ইংলিশ খাবার পাওয়া যায়। খাবারের মূল্য মেন্যু অনুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে। এই রেস্টুরেন্টটিতে নন- বোর্ডারগণও খাওয়া দাওয়া করতে পারলেও কোন প্রকার বুফে ব্যবস্থা এখানে নেই। উক্ত রেস্টুরেন্টটি গ্রাউন্ড ফ্লোরে অভ্যর্থনা কেন্দ্রের বিপরীত পাশে অবস্থিত।

অগ্রিম বুকিং ব্যবস্থাঃ এখানে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে রুম ভাড়া নেওয়ার পাশাপাশি ফোন, ফ্যাক্স, ই-মেইলের মাধ্যমে অগ্রিম রুম বুকিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। এক্ষেত্রে ন্যূনতম ২ থেকে ৩ দিন আগে যোগাযোগ করতে হবে এবং সেই সাথে রুমের একদিনের সম্পূর্ণ ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। দেশি ও বিদেশি সকল বোর্ডারদের ক্ষেত্রে একই ধরনের নিয়ম প্রযোজ্য।
হলরুমঃ হোটেলটির গ্রাউন্ড ফ্লোরে একটি হলরুম রয়েছে। ২০০ জন লোক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই হলরুমটি বিভিন্ন ধরনের পার্টি ও অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়। বুকিং এর ক্ষেত্রে অনুসন্ধান ডেস্কে যোগাযোগ করতে হয়। ভাড়ার হার খাবারের মেন্যু ও লোক সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়ে থাকে।
অন্যান্য সেবাঃ হোটেলটিতে সুইমিংপুল, জিম ও হেলথ ক্লাব এর ব্যবস্থা নেই। তবে বিদেশি বোর্ডারদের কথা বিবেচনা করে এখানে ফরেন মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেলটির গ্রাউন্ড ফ্লোরে মানি এক্সচেঞ্জ পয়েন্ট অবস্থিত। বিনিময় হারের ক্ষেত্রে বাইরের সাথে খুব বেশি তারতম্য হয় না। এছাড়া এখানে কোন প্রকার ইনডোর ও আউটডোর গেমস এর ব্যবস্থা, নিজস্ব পরিবহন ও রেন্ট এ কার ব্যবস্থাও নেই। এয়ারপোর্ট আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে পরিবহনের ব্যবস্থা বোর্ডারকেই করতে হয়। হোটেলের ভিতরে বেকারী, বার, ডিসকো বার, চেইনশপ, সূভ্যেনির শপ নেই।

বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাঃ হোটেলটির বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে সরকারি সংযোগের পাশাপাশি নিজস্ব বিকল্প বিদ্যুৎ ও জেনারেটর ব্যবস্থা রয়েছে। অগ্নি নির্বাপণের জন্য প্রতি ফ্লোরে একটি করে ফায়ার এক্সিট এর ব্যবস্থা আছে।
বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এই হোটেলটির সকল প্রকার বিল নগদ টাকায় পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করার কোন ব্যবস্থা নেই।
অনুসন্ধান ডেস্ক- এর অবস্থানঃ হোটেলে আগত বোর্ডার ও দর্শনার্থীদের সহযোগীতা করার জন্য হোটেলের অনুসন্ধান ডেস্কটি হোটেলের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অবস্থিত। প্রধান প্রবেশ পথের সোজাসুজি অবস্থানে এটি অবস্থিত। সার্বক্ষণিক ৫ জন লোক ডেস্কে অবস্থান করে।
বিবিধঃ কর্তৃপক্ষের অফিসটি হোটেলের ৫ম তলায় অবস্থিত। হোটেলের বাইরে বিশেষ কোন সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয় না।

বেঙ্গল ইন হোটেল

২০০৭ সালে বেসরকারি মালিকানায় যাত্রা শুরু করে বেঙ্গল ইন হোটেল। হোটেলের অনুসন্ধান ডেক্সে সার্বক্ষণিক দুইজন দায়িত্ব পালন করে থাকে। বিল ক্যাশ ছাড়াও সকল ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করার ব্যবস্থা রয়েছে। এই হোটেলে শুধু ডলারের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।
অবস্থানঃ গুলশান-১ ডি সি সি মার্কেটের বিপরীত পাশে টিএন্ডটি অফিসের দক্ষিণ পাশের রাস্তা দিয়ে ১০০ গজ এগিয়ে হাতের বাম পাশে বেঙ্গল ইন হোটেল অবস্থিত। ঠিকানাঃ বাড়ি# ৭, রোড# ১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২। ফোন নম্বরঃ ৮৮-০২-৯৮৮০২৩৬, ৯৮৮০৬১০। ই-মেইলঃ [email protected]

ভবন ও রুমসমূহঃ হোটেলটি ৫ তলা ভবনে অবস্থিত। সর্বমোট রুম সংখ্যা ৩৪টি। প্রত্যেক রুমেই স্প্লিট এসি রয়েছে। মোট চার ধরনের রুম রয়েছে। ধরনগুলো হলো- বেঙ্গল স্যুইট, টুইন ডিলাক্স, সুপার ডিলাক্স এবং ডিলাক্স। বেঙ্গল স্যুইট এ বেডরুম ছাড়াও একটি সিটিং রুমের ব্যবস্থা রয়েছ। এছাড়া রুমগুলোতে পড়ার টেবিল, লকার, ল্যাগেজ টেবিল, টিভি, সোফা, ইন্টারনেট সংযোগ এবং ডাবল বেড রয়েছে।
রুম বুকিংঃ অগ্রিম রিজার্ভেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। সরাসরি বা ফোনের মাধ্যমে রুম বুকিং করা যায়। দিতে হয়। নির্দিষ্ট তারিখের ২ দিন আগে বুকিং কনফার্ম করতে হয়। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ভিড় বেশি থাকে। সেক্ষেত্রে রুম খালি থাকা সাপেক্ষে অগ্রিম বুকিং দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেলের সুবিধা সম্পর্কে জানার প্রয়োজনে হোটেলের ই-মেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হয়। ফিরতি মেইলের মাধ্যমে হোটেলের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়ে থাকে।

ভাড়ার হারঃ আগের দিন দুপুর ১২টা থেকে পরদিন দুপুর ১১.৫৫ মিনিট পর্যন্ত ভাড়ার হার নিম্নরুপ-বেঙ্গল স্যুইট ১৪৫ ইউএস ডলার। টুইন ডিলাক্স ১১৫ ইউএসডলার। সুপার ডিলাক্স ১০৫ ইউএস ডলার। ডিলাক্স ৯৫ ইউএস ডলার। এছাড়া এক্সট্রা বেড ৭৫ ইউএস ডলার। রুম ভাড়ার সাথে ব্রেকফাস্ট যুক্ত থাকে।
কমপ্লে­মেটরি সার্ভিসঃ নিউজ পেপার। টেলিফোন (লোকাল)। ব্রেকফাষ্ট। ইলেক্ট্রিক লকার রুম। ওয়াইফাই থ্রি ব্রড ব্রকসিস রুম। মিনারেল পানি। ড্রিংকস প্র্যারাইভাল। ফিটনেস মেন্টারুফ টপ। কালার টিভি। ড্রাই ক্লিনিং সার্ভিস। এয়ার কন্ডিশন সাথে নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ। কার সার্ভিস ইত্যাদি।
রেস্তোরাঃ ভবনের ২য় তলায় রেস্তোরা রয়েছে। এখানে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের ব্যবস্থা রয়েছে। ভারতীয় , চায়নিজ ও বাংলাদেশি খাবার পাওয়া যায়। এই রেস্তোরাতে বোর্ডারগণ ২৪ ঘন্টা সার্ভিস পেলেও নন বোর্ডারদের জন্য রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্তই সেবা প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।

বিনোদনঃ বিনোদনের জন্য টেলিভিশন, বাংলা ও ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিন। ওয়াই ফাই সংযোগ সহ সাইবার ক্যাফের ব্যবস্থা রয়েছে। ৬৫ জনের ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি কমনরুম রয়েছে।
পরিবহনঃ ২০ সিটের দু’টি মাইক্রোবাস রয়েছে। ঘন্টা প্রতি ৪৫০ টাকা চার্জে পরিবহন সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। এয়ারপোর্ট থেকে মেহমান আনা- নেওয়া এবং ঢাকা ও দেশের যে কোনো স্থানে পরিবহন সেবা পাওয়া যায়। রেন্ট-এ-কারের ব্যবস্থাও করা হয়ে থাকে। ভাড়া আলোচনা সাপেক্ষে।
বিবিধঃ ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় হেলথ সেন্টার ও ফিটনেস সেন্টার রয়েছে। লোডশেডিং এ নিজস্ব জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়। জেনারেটরে এসি চলে। ফরেন মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থা নেই। প্রতি ফ্লোরে ফায়ার এক্সিট রয়েছে। ভবনে উঠা নামার জন্য সিঁড়ি ছাড়াও একটি মাত্র লিফট রয়েছে।

হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনাল

ঢাকার অন্যান্য স্থানের মত ঢাকার ফকিরাপুল এলাকাও আবাসিক হোটেল রয়েছে। এ ফকিরাপুল এলাকায় ১৯৯৫ সালে হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয়। দৈনিক বাংলা মোড় থেকে ৩০ গজ উত্তরে রাস্তার পূর্ব পাশে অবস্থিত। (ফকিরাপুল পানির ট্যাংক এর ২০ গজ দক্ষিণে রাস্তার পূর্ব পাশে অবস্থিত)। ঠিকানা- ২৮/২, ডি.আই.টি এক্স রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০, মোবাইল- ০১৭২৯-৮৮৭১৮০
ভবন ও হোটেল কম্পাউন্ডঃ এই হোটেলটি ১৪ তলা ভবনের ২য় তলা থেকে ১১ তলা পর্যন্ত বিস্তৃত। নিচতলায় রিসিপশন ও ওয়েটিং রুম রয়েছে। ওয়েটিং রুমে বসার ব্যবস্থা রয়েছে। বসার জন্য সোফা রয়েছে, এই সোফায় ৫ জন অতিথি বসতে পারে।
রুম ও রুম ভাড়াঃ এই হোটেলে মোট ৬৯টি রুম রয়েছে। এর মধ্যে ডবল রুম ২৪টি, সিঙ্গেল রুম ১৫টি, ভিআইপি রুম ২টি ও এসি রুম ৮টি।
রুমঃ ভাড়া (টাকা)-এসি রুম (সিঙ্গেল) দু’জন থাকা যায় ৪৫০, এসি রুম (ডবল) ৮০০, এসি রুম (ডবল) ৪ জন থাকা যায় ১,৫০০, এসি রুম (ডবল) ৬ জন থাকা যায় ২,০০০, ননএসি (সিঙ্গেল) ৩৫০, ননএসি (ডবল) ৬০০।

রুমের সুবিধাঃ এই হোটেলের প্রত্যেক রুমে স্যাটেলাইট চ্যানেল সহ টেলিভিশন, গিজার, ড্রেসিং টেবিল, চেয়ার টেবিল, সাবান ও লন্ড্রি সার্ভিসের সুবিধা রয়েছে। শুধুমাত্র এসি রুমে টেলিফোন ও বাথটাব সুবিধা রয়েছে। প্রতিটি রুমে এটাচ বাথরুম রয়েছে। সকল রুমের জন্য রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
খাবার সুবিধাঃ এই হোটেলের ২য় তলায় রেস্তোঁরা এবং মিনি চাইনিজ রয়েছে। এখানে শুধু হোটেলের বর্ডারগণ খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন। এই রেস্তোঁরার খাবার মেন্যুগুলো হলো- সকালের নাস্তাঃ খাবারের নাম- তন্দুরী রুটি, পরোটা, ভাজি, মুগডাল, বুটডাল, চিকেন স্যুপ, গিলা কলিজা, মাটন ভূনা খিচুড়ি, মাটন পায়া, মাটন কলিজা, মগজ ভূনা, বিফ ভূনা, সিঙ্গারা/ সমুচা, চিকেন সমুচা, চা, তেহারী।
দুপুর ও রাতের খাবারঃ খাবারের নাম- পাতলা নান, স্পেশাল নান, গার্লিক নান, বাটার নান, পেশোয়ারী নান, প্লেন রাইচ (কাটারী ভোগ), কাচ্চি বিরিয়ানী, চিকেন বিরিয়ানী, মাটন ভূনা খিচুড়ি, চিকেন ঝাল ফ্রাই (দেশি মোরগ), চিকেন রেজালা, চিকেন রোস্ট, চিকেন মসাল্লাম, চিকেন দোঁ পিয়াজো, মাটন রেজালা, কবুতর, হাঁস, মাটন কারী, মাটন ডাল, গোস্তত, মাটন গ্লাসি, মিক্সড ভেজিটেবল, মসুরের ডাল, বোরহানী, করলা ভাজি, লাল শাক, কলমি শাক, পুইশাক, পালং শাক।

মাছের নাম-পাবদা মাছ, রূপচাঁদা মাছ, চিংড়ি মাছ, আইড় মাছ, চিতল মাছ, ইলিশ মাছ, রুই মাছ, বোয়াল মাছ, বাইলা মাছ, মাগুর মাছ, শিং মাছ, কাচকি মাছ, বাইং মাছ ইত্যাদি।
ভর্তার আইটেমঃ ভর্তার নাম-শুটকি ভর্তা, চিংড়ি ভর্তা, টাকি ভর্তা, কলা ভর্তা, বেগুন ভর্তা, আলু ভর্তা, শিম ভর্তা, টমেটো চাটনি, টমেটো, চাটনি, ডিম ভর্তা, পটল ভর্তা, কুমড়া ভর্তা, ধনিয়া ভর্তা।
স্ন্যাকস্ আইটেমঃ খাবারের নাম- চিকেন গ্রিল, চিকেন টিক্কা, মাটন বটি কাবাব, বিফ শিক কাবাব, পেশোয়ারী পরোটা, মোগলাই পরোটা, সফট্ ড্রিংকস, লাচ্চি, ফালুদা, তাজা ফলের জুস, দধি, পুডিং।

গাড়ি পার্কিংঃ এই হোটেলে আন্ডার গ্রাউন্ডে গাড়ি পার্কিং সুবিধা রয়েছে। এখানে ২৫ টি গাড়ি পার্ক করা যায়। গাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে হোটেলের নিজস্ব লোক রয়েছে।
অগ্নি নির্বাপণঃ এই হোটেলে অগ্নি নির্বাপণের জন্য প্রতি তলায় একটি করে অগ্নি নির্বাপণযন্ত্র রয়েছে। জরুরি বের হওয়ার জন্য ফায়ার এক্সিট রয়েছে।
বিবিধঃ হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী রয়েছে। ২৪ ঘন্টা জেনারেটর সার্ভিস পাওয়া যায়। হোটেল ৩য় তলায় নামায পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ২৪ ঘন্টা লিফট সার্ভিস পাওয়া যায়।

ঢাকা মিড টাউন হোটেল

বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত অতিথিদের উন্নত আবাসিক সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করে থাকে এই রেস্ট হাউজটি। এটি একটি বেসরকারি হোটেল। এটি ১৯৯০ ইং সালে গুলশানে প্রতিষ্ঠিত হয়। রেস্ট হাউজটির নাম ‘ঢাকা মিড টাউন হোটেল’। গুলশান ১ নম্বর গোল চক্কর থেকে ১৫০ গজ পশ্চিম দিকে রোড নাম্বার ৪৩০ এর মধ্যে অবস্থিত।
ফ্লোরঃ মোট ৪টি ফ্লোর রয়েছে। প্রতি ফ্লোরে ৬টি করে রুম আছে। সিঙ্গেল, ডাবল দুই ধরনের রুম আছে। সিঙ্গেল রুমের ভাড়া ২,০০০ টাকা এবং ডাবল রুমের ভাড়া ২,৫০০ টাকা। সকল রুম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। সেন্ট্রাল এসির ব্যবস্থা রয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে এসি চলে না।
অনুসন্ধান ডেস্কঃ অনুসন্ধান ডেস্ক হোটেলে প্রবেশ করতেই সামনে। ডেস্কে সার্বক্ষণিক ১ জন থাকে। যোগাযোগ নম্বর- ৯৮৮০৪৩৭, ৯৮৮০৯৫৯

বিদ্যুৎ ব্যবস্থা- নিজস্ব জেনারেটর আছে। রুম বুকিং দেওয়ার নিয়ম হচ্ছে ফোনে অথবা সরাসরি বুকিং দেওয়া যায়। ১ দিন পূর্বে বুকিং দিলেই হয় এবং বুকিং সময় ৫০% দিলেই হয়, না দিলেও হয়। বিদেশিদের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের ফটোকপি দিলেই হয়। সব সময় একই রকম ব্যবস্থা থাকে। ফরেন মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থা নেই। বিল পরিশোধের পদ্ধতি ক্যাশ টাকা। রেন্ট-এ-কার কোম্পানীর গাড়ি ২৪ ঘন্টার জন্য ভাড়া করা যায়। ভাড়ার হার দূরত্ব ও সময়ের উপর নির্ভর করে। বোর্ডার চাইলে রেন্ট-এ-কার কোম্পানীর ব্যবস্থা করে দেওয়া যায়। এই বিল্ডিং-এ ফায়ার এক্সিট ব্যবস্থা আছে তবে তা ফ্লোর ভিত্তিক নয়। এই হোটেলে লিফট নেই। বাইরে কোথাও বেড়াতে গেলে নিজস্ব গাইড সরবরাহের ব্যবস্থা নেই। এই প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে নিকটবর্তী ব্যাংকের বুথ হল সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক এর বুথ।
কনফারেন্স রূমঃ এটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ। এখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মিটিং, বিয়ে, বিবাহ বার্ষিকী, জন্মদিনের অনুষ্ঠান ইত্যাদি হয়ে থাকে। এর ধারণক্ষমতা ২৬০ জন থেকে ৩৫০ জন।

হোটেল অরচার্ড প্লাজা

রাজধানীর মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা সংলগ্ন নয়াপল্টনে হোটেল অরচার্ড প্ল­াজার অবস্থান। এই ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে সভা, সেমিনার ছাড়াও বিয়ের মত সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন করার সুযোগ আছে।
ঠিকানা ও অবস্থানঃ নয়াপল্টনে গাজী ভবনের বিপরীতে হোটেল অরচার্ড প্লাজার অবস্থান। ঠিকানা-৭১, নয়াপল্টন (ভিআইপি) রোড, পল্টন, ঢাকা- ১১০০। ফোন- ৯৩৩০৮২৯, ৯৩৩১৮৩২, ৯৩৩২৩৬৮ ফ্যাক্সঃ ৯৯০-২-৯৩৩২৩৬৯ ই-মেইল[email protected], [email protected] ওয়েবসাইটঃ www.hotelorchardplaza.com
অনুসন্ধান ডেস্কঃ সব সময় অন্তত দুই জন থাকেন অনুসন্ধান ডেস্কে। হোটেলের গেট দিয়ে প্রবেশ করতেই এটি চোখে পড়ে। এই হোটেলের অনুসন্ধান ডেস্ক ২৪ ঘন্টা সেবা দিয়ে থাকে। ফোন- ৮৮-০২-৯৩৩২৩৬৯, মোবাইল- ০১৮১৯-৪১১২৬৫।

হোটেলটি সম্পর্কেঃ ১২ তলা বিশিষ্ট এই হোটেলে মোট ৮৪টি কক্ষ আছে। কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আছে হোটেলটিতে। কক্ষগুলোয় গ্রাহকগণ রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে নিজ নিজ কক্ষের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। প্রতিটি কক্ষেই ইন্টারনেট সংযোগ নেবার জন্য পোর্ট আছে, যেখান থেকে ল্যাপটপের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। এছাড়া ওয়াই ফাই-এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগও আছে। প্রতিটি কক্ষে স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সংযোগসহ টেলিভিশন এবং মিনি ফ্রিজ রয়েছে, সেই সাথে রয়েছে মাল্টি চ্যানেল অডিও সিস্টেম। রুমগুলোয় ঠান্ডা ও গরম পানির ব্যবস্থা এবং ফুল বাথ টাব ও শাওয়ার আছে। প্রতিটি কক্ষেই ইলেকট্রনিক ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। হোটেল লবি একটি ধূমপানমুক্ত এলাকা।

রুমের ধরন ও ভাড়ার পরিমাণঃ ভাড়ার পরিমাণ (USD)-Premier Single ৭০ ডলার, Deluxe Double ৮০ ডলার, Deluxe twin ৮০ ডলার, Executive Suite ১৫০ ডলার, Extra Bed ১০ ডলার। এছাড়া ১৫% ভ্যাট এবং ৫% সার্ভিস চার্জ। রুম ভাড়ার সাথে ব্রেকফাস্টও যুক্ত।
বুকিং প্রনালীঃ Online G Sales and marketing বিভাগে reservation request  করতে হয়। তারপর কর্তৃপক্ষ confirmation বার্তা পাঠায়। দেশি ও বিদেশিদের ক্ষেত্রে একই নিয়ম অনুসরণ করা হয়। সরাসরিও বুকিং দেয়া যায়। সাধারণত জানুয়ারি হতে মার্চ মাসে বেশি ভিড় হয়। এক্ষেত্রে অগ্রিম বুকিং দেয়ার সুযোগ আছে।
পরিবহনঃ নিজস্ব পরিবহন সুবিধা আছে, আলোচনার মাধ্যমে ভাড়া নির্ধারন করা হয়। এয়ারপোর্ট থেকে আসার জন্য পরিবহন ব্যবস্থা আছে, এর জন্য আলাদা ফি দিতে হয় না। আলোচনা সাপেক্ষে অন্য জায়গার জন্য গাড়ি সুবিধা দেওয়া হয়।
বিল দেয়ার পদ্ধতিঃ নগদ ছাড়াও ক্রেডিট কার্ড এবং মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে বিল দেয়া যায়। মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থা নেই। তবে বিভিন্ন কার্ড ব্যবহার করা হয়।

নিরাপত্তাঃ ভবনটির প্রতিটি ফ্লোরের দুই পাশে দুটি এবং মাঝে দু’টি করে মোট ৪টি ফায়ার এক্সিট আছে। ফায়ার এলার্ম, স্মোক ডিটেক্টর, এবং অগ্নিকান্ডের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানি ছুড়ে দেবার ব্যবস্থা আছে। হোটেলটিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আধুনিক মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার করা হয়।
কনফারেন্স রুমঃ সভা, সেমিনার ও সংবাদ সম্মেলনের জন্য ১৫০ জনের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি কনফারেন্স রুম আছে। এটি ৪ তলায় এবং আলোচনা সাপেক্ষে ভাড়া স্থির করা হয়। গায়ে হলুদ, বিয়ের অনুষ্ঠান, জন্মবার্ষিকী, ইত্যাদি সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা যায় এখানে।

স্কাই টাচ রেস্টুরেন্টঃ এটি ১২ তলায় অবস্থিত, সুদক্ষ শেফ এর তৈরি আরবীয়, বাংলাদেশি, দক্ষিণ এশীয় এবং দূর প্রাচ্যের বিভিন্ন মেন্যু পরিবেশিত হয় এখানে। এছাড়া বেকারী এবং মিনি বার আছে যেখানে বোর্ডার এবং নন বোর্ডাররা সমান সুবিধা ভোগ করে।
হেলথ ক্লাবঃ শুধু বোর্ডারদের জন্য একটি হেলথ ক্লাব আছে। এখানে বোর্ডাররা বিনা খরচে এটি ব্যবহার করতে পারে। এখানে স্টীম বাথের ব্যবস্থাও আছে। তবে স্কোয়াশ, টেনিস এসবের ব্যবস্থা নেই, নেই সুইমিংপুল।
অন্যান্য তথ্যঃ লকার এবং লন্ড্রি সার্ভিসের ব্যবস্থাও আছে। নিজস্ব জেনারেটর এর ব্যবস্থা আছে। বিনোদনের পত্রিকা ও ম্যাগাজিন, সাইবার ক্যাফে আছে। দু’টি লিফট আছে। হোটেলটিতে প্রবেশের সময় হাতের বামে এগুলো পাওয়া যায়। এখানে ব্র্যাক ব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের বুথ আছে। এছাড়া একটু দূরেই আছে ইসলামী ব্যাংকের বুথ।

গার্ডেন রেসিডেন্স

দেশি এবং বিদেশি অতিথিদের হোটেলে অবস্থান আরামদায়ক করার লক্ষ্যে ২০০৭ সালে গার্ডেন রেসিডেন্স এর যাত্রা শুরু হয়। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের খুব কাছে অবস্থিত এই তারকা বিশিষ্ট হোটেলে রয়েছে ২৪ ঘন্টা রেস্টুরেন্ট সুবিধা, ভাড়া গাড়ির বহর, ট্রাভেল এবং ট্যুর অপারেটর ব্যবস্থা, রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ৩৭টি ডিলাক্স রুম। প্রতিটি রুমেই রয়েছে ইন্টারনেট এবং স্যাটেলাইট চ্যানেল সমৃদ্ধ রঙ্গিন টেলিভিশন। হোটেলটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।

ঠিকানা এন্ড অবস্থানঃ গার্ডেন রেসিডেন্স Garden Residence, www.gardenresbd.com ঢাকা অফিস-বাড়ি ১৩, সড়ক ০৪, সেক্টর ০১,উত্তরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। ফোনঃ ৮৯৩২৪৬৪, ৮৯৩২০৭৬ ফ্যাক্সঃ ৮৯৫৩০২৬। ইমেইলঃ [email protected] । সিলেট অফিস-এসটিএস ট্রাভেলস, মানরু শপিং সেন্টার (দ্বিতীয় তলা), ২৪/এ, চৌহাটা, সিলেট-৩১০০। ফোনঃ +৮৮-০৮২১-৮১৫৩৪১ ফ্যাক্সঃ +৮৮-০৮২১-২৮৩২৩৯০, ইমেইলঃ [email protected]। ইউনাইটেড কিংডম অফিস-সিলেট ট্রাভেল সার্ভিসেস; ২৪৯, উইলমশো রোড, ম্যানচেস্টার, এম১৪ ৫এলডব্লি­উ। ফোনঃ +৪৪ ১৬১ ২৫৬ ৪০৪০, ফ্যাক্সঃ +৪৪ ১৬১ ২৫৬ ৪০০৪, ইমেইলঃ [email protected]

হোটেলের রুম এবং ভাড়াঃ এখানে স্যুট রুম রয়েছে ৫টি, সুপার ডিলাক্স রুম রয়েছে ১০টি এবং ডিলাক্স রুম রয়েছে ১০টি। রুমগুলোর ভাড়া নিম্নরূপঃ ভাড়া (ডলার) ০১. ইকোনমি ডিলাক্স (সিঙ্গেল) ২৫ ++ ০২. ডিলাক্স (টুইন) ৩০++ ০৩. সুপার ডিলাক্স ৪০++ ০৪. ফ্যামিলী ডিলাক্স ৪৫++ ০৫. মিনি স্যুট ৫০++ ০৬. কর্পোরেট স্যুট ৮০++। উপরে বর্ণিত স্যুটগুলোতে পৃথক বেড বসাতে উল্লে­খিত ভাড়া মূল্যের সাথে ১০ ডলার যোগ করতে হবে।

কমপ্লি­মেন্টারী সার্ভিসগুলোঃ স্বাগত পানীয়, দৈনিক পত্রিকা, সকালের নাস্তা, লকার ব্যবস্থা, এয়ারপোর্ট পিক-আপ।
অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যঃ রুমগুলোতে চেক ইন এবং চেক আউট সময় দুপুর ১২টা। কর্পোরেট এবং গ্রুপ থাকার ক্ষেত্রে এবং দীর্ঘ সময় থাকার জন্য বিশেষ প্যাকেজ রয়েছে। হোটেলের সকল সেবার বিল ১৫% ভ্যাট এবং ৫% সার্ভিস চার্জসহ পরিশোধ করতে হয়।
সুবিধাসমূহঃ ২৪ ঘন্টা জেনারেটর সুবিধা, সম্পূর্ণভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, ছোট ফ্রিজ, আইডিডি ফোন সার্ভিস, ইন্টারনেট সংযোগ, স্যাটেলাইট চ্যানেল সমৃদ্ধ রঙ্গিন টেলিভিশন। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, গরম এবং ঠান্ডা পানির সুবিধা, ২৪ ঘন্টা লিফট সুবিধা, মানি এক্সচেঞ্জ সার্ভিস, অগ্নি প্রতিরোধ এবং নির্বাপণ ব্যবস্থা, গাড়ি পার্কিং সুবিধা।

হোটেল গোল্ডেন ডিয়ার

সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে দেশি ও বিদেশি অতিথিদের উন্নত থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে ২০০০ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘Hotel Golden Deer Ltd.’ গুলশান ২নং মসজিদ থেকে ২০০ গজ পশ্চিমে গুলশান লেকের পাড়ে হাতের বাম পাশে অবস্থিত। ঠিকানা হচ্ছে- রোড # ৩৫/এ, (খধশব ঝরফব) বাড়ি # ৩১/এ, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।
ফ্লোরঃ এই হোটেলে মোট পাঁচটি ফ্লোর রয়েছে। প্রতি ফ্লোরে ২৪ থেকে ২৫টি রুম আছে। এছাড়া হোটেলের সব রুমেই এসি সুবিধা রয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে এসি চালানো হয়। এই হোটেলে সরকারি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া এই হোটেলে দু’টি বিকল্প বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। এই হোটেলের নিজস্ব জেনারেটর ব্যবস্থা আছে। পূর্ব দক্ষিণ কোনে লিফট রয়েছে।
অনুসন্ধান ডেস্কঃ হোটেলের নিচ তলায় অনুসন্ধান ডেস্ক অবস্থিত। সার্বক্ষণিক দুজন অতিথিদের সেবায় নিয়োজিত থাকে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা হচ্ছে- ফোনঃ ৯৮৮০৮৬৬, ৯৮৮১০৯৩, ৯৮৯৩২২৫, ৯৮৮৪৩০২, ৯৮৮২৬৪১, ৯৮৮৬৮৯২, ৮৮১২৪৪৩ ফ্যাক্সঃ ৮৮০-২-৮৮২৬২৫৯ ই- মেইলঃ [email protected], [email protected] ওয়েবঃwww.goldendeerbd.com

এর প্রতিটি ফ্লোরে ৪ থেকে ৫ জন রুম সার্ভিস আছে। ব্রেক ফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার, বুফে লাঞ্চরুম ভাড়ার সাথে যুক্ত না। এর জন্য অতিথিদের আলাদা চার্জ দিতে হবে। Hotel Golden Deer এর প্রধান কোন মেন্যু নেই। বোর্ডারদের চাহিদা মাফিক মেন্যু তৈরি করা হয়।
বিনোদনের জন্য টিভি, পত্রিকার ব্যবস্থা রয়েছে। এর জন্য বাড়তি চার্জ দিতে হয় না। যদি কোনো বোর্ডার রেডিসন, গলফ ধরনের সুবিধা পেতে চায় তার জন্য চার্জ দিতে হবে। Hotel Golden Deer এর রুম পেতে হলে ১০ দিন আগে বুকিং দিতে হবে। ৫০% অগ্রিম দিতে হবে। বিদেশি বোর্ডারদের ক্ষেত্রে একই নিয়ম। কিন্তু বিদেশি বোর্ডারদের অগ্রিম রির্জাভেশন পেতে হলে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সাথে আনতে হবে।
এখানে শীত সিজনে বেশি ভির হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ১ মাস আগে রির্জাভেশন দিতে হয়। এখানে একটি কমনরুম আছে। যার ধারন ক্ষমতা প্রায় ৫০ জন। হোটেলের বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে ক্যাশ, ক্রেডিট কার্ড, ডলার, ইউরো পাউন্ড প্রযোজ্য। এখানে ফরেন মানি এক্সচেইঞ্জের ব্যবস্থা নেই। এখানে প্রতিটি ফ্লোরের উত্তর পশ্চিম কোনে ফায়ার এক্সিটের পথ রয়েছে। এই হোটেলের অগ্নি নির্বাপনের ২৪টি সিলিন্ডার আছে।

বোর্ডারদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য চিকিৎসকের ব্যবস্থা রয়েছে। ভি,আই,পি ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ রুমের ব্যবস্থা রয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। বোর্ডারদের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য Hotel Golden Deer -এর নিজস্ব পরিবহন আছে। তাদের দুটি ঘঙঅঐ গাড়ি আছে এবং ২টি ড্রাইভার আছে। দূরত্ব ও দিনভেদে ভাড়া তবে তা আলোচনা সাপেক্ষে করা হয়। এই হোটেল এয়ারপোর্ট থেকে বোর্ডার আনা নেয়া করে থাকেন। এর জন্য বোর্ডারের আলাদা চার্জ প্রদান করতে হয়।
এই হোটেলের পরিচিত রেন্ট-এ-কার কোম্পানীর ব্যবস্থা আছে। ২৪ ঘন্টার জন্য ভাড়া নেওয়া যায় এবং এর বেশি সময় ভাড়া নেওয়া যায়। আলোচনার মাধ্যমে ভাড়া ঠিক করতে হয়। Hotel Golden Deer -এর বাইরে কোথাও বেড়াতে গেলে নিজস্ব গাইড সরবারহের ব্যবস্থা আছে। এর জন্য আলাদা চার্জ দিতে হয়। রুম ভাড়ার সাথে চার্জ সংযুক্ত না।

হোটেল ৭১

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বিজয়নগরে ২০ তলা বিশিষ্ট একটি ভবনে হোটেল ৭১ অবস্থিত। হোটেলটি দ্বিতীয় তলায় রয়েছে মনকাড়া বিজয় ভাস্কর্য। হোটেল ৭১ এর একটি ব্যান্কুয়েট হল ‘আম্রকানন’ এবং একটি রেস্টুরেন্ট ‘স্বাধিকা’ রয়েছে। আম্রকাননে সজ্জিত রয়েছে কাঠে খোদাই করা বাহান্ন থেকে একাত্তর পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ভাষা আন্দোলনের সচিত্র প্রতিবেদন। স্বাধিকা রেস্টুরেন্টে রয়েছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের বাংলাদেশের মানুষের কষ্টকর জীবনযাপনের সচিত্র প্রতিবেদন সম্বলিত পোড়ামাটির কারুকাজ। হোটেল ৭১ তিন তারকা বিশিষ্ট আবাসিক হোটেল।
ঠিকানা এবং অবস্থানঃ হোটেল ৭১, কাইজুদ্দিন টাওয়ার, ১৭৬, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি (পুরাতন ৪৭, বিজয়নগর), ঢাকা ১০০০। ফোনঃ +৮৮-০২-৮৩১৬৫৯৮, ৮৩১৯৯৬২, ৮৩১২৩১৮, ৮৩১২৩৭৮, ৮৩১৭৪৮৯, ৮১৩৭৪১৯, ৮৩১১২৩৮, ৮৩১১২৫৯, হটলাইনঃ ০১৭৫০-০৭৬৯৩৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৩৪৩৭২২ ইমেইলঃ রহভড়@যড়ঃবষ৭১নফ.পড়স, ওয়েবঃ িি.িযড়ঃবষ৭১নফ.পড়স

রুমের ধরণ, মূল্য এবং সুবিধাঃ স্যুট রুম (৭০০-৬৫০ বর্গফুট)- ০১. স্যুট স্বদেশ, মাঃ ডঃ ১২০ ০২. স্যুট মুক্তি, মাঃ ডঃ ১০০ ০৩.স্যুট বিজয়, মাঃ ডঃ ৯০। সুবিধাঃ একটি বেড, ছোট রান্নাঘরসহ ডাইনিং, গরম এবং ঠান্ডা পানির সুবিধা সম্বলিত শাওয়ার, স্যাটেলাইট চ্যানেল সমৃদ্ধ ২১ ইঞ্চি ফ্ল্যাট টেলিভিশন, ছোট ফ্রিজ, ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক ফোন কল এবং ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস।
শাপলাঃ সুপার ডিলাক্স বেড (৩০০ বর্গফুট), রুম ভাড়া মাঃ ডঃ ৭০। সুবিধাঃ একটি বেড, ছোট রান্নাঘরসহ ডাইনিং, গরম এবং ঠান্ডা পানির সুবিধা সম্বলিত শাওয়ার, স্যাটেলাইট চ্যানেল সমৃদ্ধ ২১ ইঞ্চি ফ্ল্যাট টেলিভিশন, ছোট ফ্রিজ, ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক ফোন কল এবং ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস।
লাল সবুজঃ ডিলাক্স টুইন বেড (২৭৫ বর্গফুট), রুম ভাড়া মাঃ ডঃ ৬৫। সুবিধাঃ ডাবল বেড, ছোট রান্নাঘরসহ ডাইনিং, গরম এবং ঠান্ডা পানির সুবিধা সম্বলিত শাওয়ার, স্যাটেলাইট চ্যানেল সমৃদ্ধ ২১ ইঞ্চি ফ্ল্যাট টেলিভিশন, ছোট ফ্রিজ, ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক ফোন কল এবং ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস।

একতারাঃ প্রিমিয়ার সিঙ্গেল রুম (২২৫ বর্গফুট), রুম ভাড়া মাঃ ডঃ ৪০। সুবিধাঃ একটি বেড, ছোট রান্নাঘরসহ ডাইনিং, গরম এবং ঠান্ডা পানির সুবিধা সম্বলিত শাওয়ার, স্যাটেলাইট চ্যানেল সমৃদ্ধ ২১ ইঞ্চি ফ্ল্যাট টেলিভিশন, ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক ফোন কল এবং ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্যঃ ০১. বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা-বি বি লেটেস্ট টেকনোলজি এবং দু’টি শক্তিশালী জেনারেটর। ০২. শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা-হোটেলটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ০৩.পানি সরবরাহ ব্যবস্থা- স্বয়ংক্রিয় চাপ ব্যবস্থা এবং আমেরিকার জঙ প্রযুক্তি ব্যবহারের পানি বিশুদ্ধকরন ব্যবস্থা। ০৪. নিরাপত্তা ব্যবস্থা- আকস্মিক আগুন নেভানোর জন্য জল কলের ব্যবস্থা, গরম এবং ধোঁয়া চিহ্নিত করার যন্ত্র, ফায়ার এলার্ম এবং ফায়ার এক্সিট, সিসিটিভি, মেটাল ডিটেক্টর, কার সার্চিং মিরর, সেন্সর ডোর এবং দক্ষ নিরাপত্তা কর্মী।

‘আম্রকানন’ ব্যান্কুয়েট হলঃ হোটেল ৭১ এর দশম তলায় ব্যান্কুয়েট হল ‘আম্রকানন’ অবস্থিত। আম্রকাননে ধারন ক্ষমতা ২৫০ জন। আম্রকাননের সুবিধাগুলো হলোঃ মডার্ন সাউন্ড সিস্টেম, স্থায়ী স্টেজ, গ্রীনরুম, আধুনিক সম্বলিত পৃথক রান্নাঘর। এখানে সামাজিক এবং অফিসিয়াল যে কোনো পার্টি আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। লাঞ্চ বা ডিনারের আয়োজনের স্পেস ভাড়া মাঃ ডঃ ৪০ (প্রতি স্লট)।
‘স্বাধিকা’ রেস্টুরেন্টঃ হোটেল ৭১ এর এগারো তলায় রেস্টুরেন্ট ‘স্বাধিকা’ অবস্থিত। রেস্টুরেন্টটিতে বাংলা, চাইনিজ, থাই, ইন্ডিয়ান, তন্দুর এবং কন্টিনেন্টাল কুজিন পরিবেশন করা হয়। এখানে সামাজিক এবং অফিসিয়াল যে কোনো পার্টি আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে।
কনফারেন্স রুম ‘গেট টুগেদার’ঃ ১৬ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি কনফারেন্স রুম রয়েছে। এখানে সামাজিক এবং অফিসিয়াল যে কোনো পার্টি আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। লাঞ্চ বা ডিনারের আয়োজনের স্পেস ভাড়া মাঃ ডঃ ৫০ (প্রতি স্লট)।

কফি শপ ‘কিছুক্ষণ’ঃ কফি শপ ‘কিছুক্ষন’ এ বেকারি, নানা স্বাদের কফি, ফাস্ট ফুড, পেস্ট্রি, পানীয়, জুস এবং এপিটাইজার পাওয়া যায়।
বিউটি পার্লার ‘সাজগোজ’ঃ এখানে রূপচর্চায় চুল এবং ত্বকের যত্ন নিতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ একটি বিউটি পার্লার রয়েছে। এখানে রয়েছে দক্ষ বিউটিশিয়ান। পুরুষ এবং মহিলাদের পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে।
জিমনেসিয়ামঃ এখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং সুবিধা সম্বলিত জিম রয়েছে।
বিজনেস সেন্টারঃ কম্পিউটার কম্পোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল, টেলিফোন, ফ্যাক্স, ফটোকপি ইত্যাদি কাজের জন্য বিজনেস সেন্টার রয়েছে।
লন্ড্রিঃ এখানে লন্ড্রি সার্ভিস রয়েছে। লন্ড্রি সার্ভিস গ্রহণের সময় সকাল ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত এবং ডেলিভারি দেওয়ার সময় রাত ৮টা পর্যন্ত।
গাড়ি পার্কিংঃ এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নিজস্ব পার্কিং স্পেস রয়েছে। এখানে ৪০টি গাড়ি পার্ক করা যায়। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য কোন চার্জ দিতে হয়না।

হোটেল ভিক্টোরী ইন্টারন্যাশনাল ডিলাক্স হোটেল

হোটেল ভিক্টোরী আন্তর্জাতিক মানের একটি ডিলাক্স হোটেল। মতিঝিল এবং জিরো পয়েন্টের সামনে নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টোরী অবস্থিত। ঠিকানা- ৩০/এ, ভিআইপি রোড, নয়া পল্টন, ঢাকা ১০০০। ফোনঃ ৮৮০-২-৯৩৫৩০৫৫, ৯৩৫৩০৮৮, ফ্যাক্সঃ ৮৮০-২-৯৩৫৩৪০০ ইমেইলঃ [email protected] ওয়েবঃ www.hotelvictorybd.net

হোটেলটির অবস্থানঃ হজরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ১৬ কিলোমিটার দুরে। ডিপ্লোমেটিক জোন থেকে ৬ কিলোমিটার দুরে। বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স সেন্টার থেকে ৫ কিলোমিটার দুরে। বসুন্ধরা শপিং মল থেকে ২ কিলোমিটার দুরে। মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা থেকে ১ কিলোমিটার দুরে। কমলাপুর রেইলওয়ে স্টেশন থেকে ১ কিলোমিটার দুরে। জাতীয় জাদুঘর থেকে ১ কিলোমিটার দুরে।
সেবা এবং সুবিধাগুলোঃ ৭৪টি রুম এবং স্যুট। সুপ্রশস্ত লবি লাউঞ্জ। রেস্টুরেন্ট এবং কফি শপ, ব্যাঙ্কুয়েট ও কনফারেন্স হল, মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা। সেফটি লকারের ব্যবস্থা। দুটি এলিভেটর। ২৪ ঘন্টা বিজনেস সার্ভিস সুবিধা। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস। ফায়ার এলার্ম, ফায়ার এক্সটিংগুসার এবং ইমার্জেন্সি এক্সিট, স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর, ২৪ ঘন্টা ডাক্তারের সুবিধা। ২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা প্রহরী। রুমে দৈনিক পত্রিকার আয়োজন। জিম। সেলুন, লন্ড্রি সার্ভিস, এয়ারপোর্ট সার্ভিস এবং গাড়ি ভাড়া। এয়ার টিকেট এর ব্যবস্থা। গাইড সার্ভিস/ট্যুর সম্পর্কিত তথ্য প্রদান।

রুমের ধরন, সুবিধা এবং ভাড়াঃ ভাড়া (মার্কিন ডলারে)- ০১. প্রিমিয়ার সিঙ্গেল ৪০.০০ ০২. ডিলাক্স কাপল ৬০.০০ ০৩. প্রিমিয়ার টুইন ৭০ ০৪. ডিলাক্স টুইন ৮০ ০৫. সুপার ডিলাক্স টুইন ৯০ ০৬. ডিলাক্স ফ্যামিলী রুম ১০০ ০৭. ভিক্টোরী এক্সিকিউটিভ স্যুট ১১০। এখানে সর্বমোট ৭৪টি অতিথি রুম রয়েছে। চেক আউট সময় ১২টা এবং চেক ইন সময় ৩টা। উল্লে­খিত রুম ভাড়ার সাথে ৫% সার্ভিস চার্জ এবং ১৫% ভ্যাট যুক্ত হবে। এছাড়া এখানে ধুমপানমুক্ত রুম রয়েছে। প্রতিটি রুমেই স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক ফোন করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া রয়েছে স্যাটেলাইট চ্যানেল সমৃদ্ধ রঙ্গিন টেলিভিশন, ছোট ফ্রিজ, ডাইনিং স্পেস, ছোট রান্নাঘর, ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস ইত্যাদি।
রুমগুলো সুবিধাঃ স্যাটেলাইট চ্যানেল সমৃদ্ধ রঙ্গিন টেলিভিশন। রুমগুলো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক টেলিফোন করার সুবিধা। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ওয়াইফাই সুবিধাসহ। মিনি বার, ঠান্ডা ও গরম পানির ব্যবস্থা, প্রসাধনী সামগ্রী, হোটেলে আগমনের সাথে সাথে রুমে ফলের ঝুড়ির ব্যবস্থা।

বিজনেস সেন্টারঃ এখানে ২৪ ঘন্টা বিজনেস সেন্টার সুবিধা রয়েছে। বিজনেস সেন্টার টি বোর্ডারদের কম্পিউটার কম্পোজ, ফোন, ফটোকপি, গাড়ি ভাড়া, গাইড সার্ভিস এবং ইমেইল করার সুবিধা দিয়ে থাকে।
রেস্টুরেন্ট ‘কর্ণফুলী’ঃ রয়েছে নিজস্ব রেস্টুরেন্ট কর্ণফুলী। এখানে গালা বুফে লাঞ্চ এবং ডিনার, থাই, ইন্ডিয়ান, ওরিয়েন্টাল, কন্টিনেন্টাল, চাইনিজ, আলা কার্টে মেন্যু অনুযায়ী সাউথ এশিয়ান কুজিন এবং বাংলা খাবার পরিবেশন করা হয়।
রেস্টুরেন্টে কয়েকটি খাবারের নাম এবং মূল্যঃ চিকেন পাকোড়া ১৭০ টাকা, ফিস ফিঙ্গার ১৯০ টাকা, থাই স্যুপ ৯০ টাকা, হট এন্ড সাওয়ার স্যুপ ৯০ টাকা, কোল স্লো সালাদ ১০০ টাকা, টুনা ফিস সালাদ ২২০ টাকা, চিকেন রেশমী কাবাব ৩২০ টাকা, পানির মাখানী ২৫০ টাকা, আলু, মটর ও পনির ২৫০ টাকা, গ্রীল্ড চিকেন ৩২০ টাকা, চিকেন স্যান্ডুইচ ১২০ টাকা, সমুচা (চিকেন/বীফ) ৬০ টাকা, ক্রীম ক্যারামেল ৯০ টাকা, ফ্রুট সালাদ ১০০ টাকা, মিল্ক শেক ১২০ টাকা, আইস কফি ৮০ টাকা।

গুড মর্ণিং রুম সার্ভিস মেন্যুঃ সকাল ৬.৩০ টা থেকে সকাল ১০.৩০ টা পর্যন্ত এই মেন্যুটি পাওয়া যায়। মেনুটি তিন ধরনের হয়ে থাকে। ধরনগুলো নিম্নরূপঃ কন্টিনেন্টাল ব্রেকফাস্ট, আমেরিকান ব্রেকফাস্ট, ভিক্টোরী সানরাইজ। তাজা ফলের রস, টোস্ট/ক্রয়সিনাট, বাটার, জ্যাম/মারম্যালেড, চা/কফি, পরোটা / চাপাতি রুটি, অমলেট, ভেজিটেবল, চা/কফি ইত্যাদি।
কফি শপঃ এখানে একটি সুপরিসর কফি শপ রয়েছে। কফি শপে চা, কফি, তাঁজা ফলের রস, পানীয়, বুফে ব্রেকফাস্ট, হালকা স্ন্যাক্স পাওয়া যায়। এখানে ৮০ জন বসে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কফি শপটি সকাল ৬.৩০ টা থেকে রাত ১০.৩০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
লবি লাউঞ্জঃ লবি লাউঞ্জটি সাধারনত সামাজিক এবং অফিসিয়াল ছোট-বড় পার্টি করার জন্য খুব সুন্দর একটি হল রুম। এখানে বিভিন্ন কনফারেন্স, মিটিং ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। হালকা নাস্তার মধ্যে এখানে চা, কফি এবং লাইট স্ন্যাক্স পরিবেশন করা হয়।
স্যাঙ্গো ব্যান্কুয়েট হলঃ বসার ধারন ক্ষমতা- থিয়েটার স্টাইল ৩৫০ জন, ক্লাসরুম স্টাইল ১৫০ জন, ইউ শেপ ৭০ জন, রিসিপশন স্টাইল ২৫০ জন, ডিনার/ব্যাঙ্গ্কুয়েট ২০০ জন, দৈনিক ভাড়া ৩০,০০০ টাকা।

ভিক্টোরী কনফারেন্স হলঃ বসার ধারন ক্ষমতা-থিয়েটার স্টাইল ১৮০ জন, ক্লাশরুম স্টাইল ৮০ জন, ইউ শেপ ৮০ জন, রিসিপশন স্টাইল ১৫০ জন, ডিনার/ব্যাঙ্গ্কুয়েট ১০০ জন, দৈনিক ভাড়া ২০,০০০ টাকা।
রেন্ট এ কার সার্ভিসঃ ভাড়ার হার- হোটেল থেকে কমলাপুর, মতিঝিল, মালিবাগ, শান্তিনগর, মৌচাক, মগবাজার, শাহবাগ এবং গুলিস্তান পর্যন্ত ৪০০ টাকা। হোটেল থেকে ফার্মগেট, তেঁজগাও, আজিমপুর, রামপুরা, যাত্রাবাড়ি, পুরনো ঢাকা ৬০০ টাকা। হোটেল থেকে গুলশান, বনানী, বাড্ডা, বারিধারা, মহাখালী, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর ৮০০ টাকা। হোটেল থেকে এয়ারপোর্ট, উত্তরা এবং মিরপুর ১২০০ টাকা। ঘন্টা প্রতি গাড়ি ভাড়া করলে প্রতিঘন্টা ৬০০ টাকা হারে পরিশোধ করতে হবে। দৈনিক হিসেবে গাড়ি ভাড়া করতে চাইলে দৈনিক ৩০০০ টাকা হারে গাড়ি ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। গাড়ির অন্যান্য খরচ ব্যাতীত।
লন্ড্রিঃ এখানে লন্ড্রি সার্ভিস রয়েছে। লন্ড্রি সার্ভিস গ্রহণের সময় সকাল ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত এবং ডেলিভারি দেওয়ার সময় রাত ৮টা পর্যন্ত।
গাড়ি পার্কিংঃ এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নিজস্ব পার্কিং স্পেস রয়েছে। এখানে ২৫টি গাড়ি পার্ক করা যায়। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য কোন চার্জ দিতে হয়না।

হোটেল রেডিয়ান (আবাসিক হোটেল)

ঢাকায় আগত দেশি-বিদেশি অতিথিদের থাকার সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৮ সালে হোটেল রেডিয়ান তাদের পথচলা শুরু করে। উত্তরা হাউজ বিল্ডিং থেকে ৩০০ গজ উত্তরে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের দক্ষিণ পাশে হোটেল রেডিয়ানের অবস্থান।
ঠিকানা- বাড়ি# ৮/এ, সেক্টর# ৯, উত্তরা, ঢাকা- ১২৩০এ ফোন- ০৩৮৯৭৭৮৮১০০-২, ফ্যাক্স- ৮৮-০২-৮৯১৯৭২০, মোবাইল- ০১৮২২-৮৯৪০৬২। ই-মেইল- [email protected]
হোটেল সুযোগ-সুবিধাঃ এই হোটেলের সকল রুমই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। প্রত্যেক রুমেই টেলিফোন সংযোগ রয়েছে। হোটেলেই লন্ড্রি সার্ভিস সুবিধা রয়েছে। থাই, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান ও বাংলাদেশি খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। অতিথিদের ২৪ ঘন্টাই রুম সার্ভিস প্রদান করা হয়। এই হোটেলে বিজনেস সেন্টার রয়েছে। অতিথিদের চাহিদামত বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকা সরবরাহ করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। বিভিন্ন রুটের ফ্লাইটের তথ্য সেবা দেওয়া হয়। অতিথিদের প্রয়োজনে মোডেম সরবরাহের ব্যবস্থা হয়ে থাকে।

রুমঃ এই হোটেলে মোট ৪৫টি রুম রয়েছে। এখানে ভিআইপি, লাক্সারী, সুপার ডিলাক্স, ডিলাক্স ও সিঙ্গেল রুম রয়েছে। হোটেল ভবনটি ৪র্থ তলা বিশিষ্ট। নিচতলায় অভ্যর্থনা কেন্দ্র রয়েছে। ২য় তলা থেকে ৪র্থ তলা পর্যন্ত হোটেলের রুমগুলোর অবস্থান।
বুকিংঃ রুম খালি থাকা সাপেক্ষে যে কোনো সময় বুকিং দেওয়া যায়। রুম বুকিংয়ের সময় ৫০% অগ্রিম বিল পরিশোধ করতে হয়। রুমে উঠার সময় দেশি অতিথিকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিদেশি অতিথিকে পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দিতে হয়।
খাবার ব্যবস্থাঃ এই হোটেলের ডাইনিংয়ে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। অতিথি চাইলে খাবার রুমে আনিয়ে খেতে পারে। তবে রুমে খাবার আনানোর জন্য খাবারের মূল্যের অতিরিক্ত কোন চার্জ দিতে হয় না। অতিথিগণ চাইলে বাইরে অন্য কোথাও খেতে পারেন।
বিল পরিশোধঃ এখানে ডলার, যে কোনো ক্রেডিট কার্ড ও ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।
পরিবহনঃ বিভিন্ন রেন্ট-এ-কারের সাথে এই হোটেল কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ রয়েছে। অতিথিদের প্রয়োজনে গাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। একদিনের জন্য একটি প্রাইভেট কার ব্যবহারের খরচ পড়ে ২,৫০০ টাকা ও ঐধরপব গাড়ির খরচ পড়ে ৩,৫০০ টাকা। অতিথিদের-কে গাড়ির জ্বালানী খরচ বহন করতে হয়।

বিদ্যুৎ ব্যবস্থাঃ এই হোটেলে সরকারি বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকলে চার্জার লাইটের দ্বারা আলোর ব্যবস্থা করা হয়।
অগ্নি নির্বাপণঃ অগ্নি নির্বাপনের জন্য প্রত্যেক তলায় দু’টি করে ফায়ার এক্সটিংগুইসার রয়েছে।
বিবিধঃ হোটেলের কর্তৃপক্ষ ফরেন মানি এক্সচেঞ্জ করে থাকেন। এই হোটেলে সব সময় ভিড় থাকে।
হোটেল বায়তুস সামীর ইন্টারন্যাশনাল
১৯৯৫ ইং সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। গুলিস্তান মোড়ে গিয়ে হাতের বাম দিকে নর্থ সাউথ রোডে এটি অবস্থিত। ঠিকানা-১৫৫, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্মরনী, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ -৭১৬২৭৯১।
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ১৫০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ২৫টি, ৫০০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ১৫টি, ১০০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৭০টি, ৩০০ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ৪০টি, ৬০০ টাকা।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।

ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা নেই। নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করতে হয়।

হোটেল গোল্ডেন পিক

১৯৯০ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। আহসান মঞ্জিলের গেট থেকে সোজা সামনে গিয়ে হাতের বাম পাশের গলিতে এটি অবস্থিত। ঠিকানা-৮/২, ওয়াইজ ঘাট রোড, ঢাকা-১১০০। যোগাযোগ- ল্যান্ড ফোনঃ -৭৩৯৩৫৭১, মোবাইলঃ -০১৭১১-০৪৮৫১৫।
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৭০টি। দৈনিক ভাড়া-০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ১৫টি, ৬০০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ৮টি, ৮০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৪০টি, ৩০০ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ৭টি, ৪০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।

হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ সিসিটিভি নেই। তবে হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।

স্যুইট ড্রিম বুটিক হোটেল

২০০০ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কাকলী বাসস্ট্যান্ড থেকে গুলশান ২ নম্বর যাওয়ার পথে বনানী বাজারের পাশে এটি অবস্থিত। ঠিকানাঃ ৬০ কামাল আতাতুর্ক এ্যভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ -৯৮৭৩১৬০, ৮৮৩৬৪৯৬। মোবাইলঃ ০১৭৩০-৭০৬৯৫৮, ০১৭৩০-৭০৬৯৫৯, ০১৭৩০-৭০৬৯৬০, ই-মেইলঃ [email protected], [email protected], ওয়েবসাইটঃ www.hotelsweetdreambd.com
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৫০টি। দৈনিক ভাড়া-০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ৩০টি, ৯,২৪০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ২০টি, ১০,১৫৭ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডাইনিং ব্যবস্থা / রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও নিকটে ভাল মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে । বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের সাথে সাথে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও হোটেলের রুম ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ পরিশোধ করা যায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ সিসিটিভি রয়েছে। হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং এর নিজস্ব ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল ইসলামিয়া ইন্টারন্যাশনাল

সুরাইয়া ম্যানশন, ৩৪ কাকরাইল, ভিআইপি রোড, ঢাকা-১০০০। বিজয়নগর রাজমনি সিনেমা হলের বিপরীত পাশে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ভবনটিতে এটি অবস্থিত। যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ -৯৩৫৫০০৮, ৮৩১৭৩৬৩; মোবাইলঃ -০১৭৩২-২৬৩৮৩৩।
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ২০০টি। দৈনিক ভাড়া-০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ২৫টি, ৬৫০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ২৫টি, ৯০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৩০টি, ৪০০ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ৩৫টি, ৬০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।

হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ এখানে সুপ্রশস্ত গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে।
অন্যান্য সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক জেনারেটর সুবিধা রয়েছে।

হোটেল আশরাফি

১২ আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা-১২১৭। রাজারবাগ পুলিশ কোয়ার্টার ২ নং গেইটের বিপরীত দিকে এটি অবস্থিত। যোগাযোগ-ল্যান্ড ফোনঃ ৯৩৫৩০২১-২৫, মোবাইলঃ ৮৮-০২-৮৩১৬৩০৯। ই-মেইলঃ – [email protected]
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ১২০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ৩০টি, ১৫০০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ৩০টি, ১৮০০ টাকা। ০৩. ডিলাক্স (ডাবল) ২৪০০ টাকা। ০৪. স্ট্যান্ডার্ড (ডাবল) ১৯০০ টাকা।

সুবিধার বিবরণঃ ০১. ইন্টারেনট কানেকশন ০২. ডাইরেক্ট ডায়ালিং টেলিফোন ০৩. রেস্টুরেন্ট এবং রুম সার্ভিস ০৪. গরম পানি এবং ঠান্ডা পানির সরবরাহ ০৫. রেন্ট এ কার ০৬. টেবিল চেয়ার ০৭. বিজনেস সেন্টার ০৮. ড্রাইভারের থাকার ব্যবস্থা ০৯. সেলফ ডিপোজিট লকার ১০. লন্ড্রী / খানসামা সার্ভিস ১১.বারবার শপ ১২. টেলিভিশন/ডিশ টিভি।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডাইনিং ব্যবস্থা / রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন। এছাড়াও নিকটে ভাল রেস্টুরেন্ট রয়েছে।

রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশাপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ এখানে সুপ্রশস্ত গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে। নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থাপনায় ৫টি থেকে ৭টি গাড়ি পার্ক করা যায়।

হোটেল রমনা রেসিডেন্সিয়াল

রমনা ভবন, ৪৫ বঙ্গবন্ধু এ্যভিনিউ, ঢাকা-১০০০। জিরো পয়েন্ট / জিপিও থেকে গোলাপ শাহ মাজার যাওয়ার পথে হাতের বাম দিকে এটি অবস্থিত। যোগাযোগ-ল্যান্ড ফোনঃ ৯৫৬৮৮৭৯, ৯৫৬৮৫৯৫; মোবাইলঃ ০১৭৫০-০০২২৮৯, ০১১৯০-৮৩০২২৪। ই-মেইলঃ [email protected] ফ্যাক্সঃ -৮৮-০২-৯৫৬২৬৪০
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ১৫০টি। দৈনিক ভাড়া-০১.এসি রুম (সিঙ্গেল) ৩০ টি, ১১৫০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ৩৫ টি, ১৭৫০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৩০টি, ৯০০ টাকা। ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ৩৫ টি, ১১০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা নেই। নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করতে হয়।

ইম্পেরিয়াল হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, বিবি এ্যভিনিউ

৩৩-৩৪ বঙ্গবন্ধু এ্যভিনিউ, ঢাকা-১০০০। ১৯৯৮ ইং সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। জিরো পয়েন্ট এর পূর্ব দিকে অর্থাৎ জিপিও ঘেষে স্টেডিয়াম মার্কেট যাওয়ার পথে হাতের ডান দিকে এটি অবস্থিত।
যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ – ৯৫৫৪৭৩২, ৯৫৫৯৫৮০, ফ্যাক্সঃ -৮৮-০২-৯৫৬৩২৯৮। ই-মেইলঃ [email protected] [email protected] ওয়েব সাইটঃ www.imperialhotelbd.com
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ১৫০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ৬০টি, ১৬০০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ৯০টি, ২০০০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডাইনিং ব্যবস্থা/রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন। এছাড়াও নিকটে ভালো মানের রেস্টুরেন্ট রেয়েছে।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।

হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা নেই। নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করতে হয়।
অন্যান্য সুবিধাঃ এখানে ৭০ হতে ৮০ জনের জন্য পার্টি / সভা / কনফারেন্স করার জন্য ১টি হল/কনফারেন্স রুমের ব্যবস্থা রয়েছে। ক্যাটারার এবং ট্যর অপারেটর।

হোটেল গ্রীণ আবাসিক এন্ড রেস্টুরেন্ট, টাউন হল

২০০৩ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ৭ তলা বিশিষ্ট একটি আবাসিক হোটেল। নিচ তলায় গ্রীণ রেস্টুরেন্ট এবং ২য় তলা থেকে ৭ম তলা পর্যন্ত আবাসিক হোটেল। মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের পাশে এটি অবস্থিত। ঠিকানা-১৫/১১ শের শাহ সূরী রোড, মোহাম্মদপুর (টাউন হল), ঢাকা-১২০৭। যোগাযোগ- ল্যান্ড ফোনঃ -৯১১৮৬১২, মোবাইলঃ -০১৭১১-৩০৯০৪৫।
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৭০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ৫টি, ৭৫০ টাকা ০২. এসি রুম (ডাবল) ৩টি, ১০০০ টাকা ০৩.নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৪০টি, ৪৫০ টাকা ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ২২টি, ৬০০ টাকা

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, ড্রেসিং টেবিল, সাবান এবং ইন্টারকম সুবিধা।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে রাত ১১.০০ পর্যন্ত রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের কোন ব্যবস্থা নেই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।

হোটেল শহীদবাগ (আবাসিক), দক্ষিণ শাহজাহানপুর

৮৭২ আউটার সার্কুলার রোড, দক্ষিণ শাহজাহানপুর, রাজারবাগ, ঢাকা। রাজারবাগ পুলিশ কার্যালয়ের সামনে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে এটি অবস্থিত। যোগাযোগ- ল্যান্ড ফোনঃ -৮৩১৫২৬৮, ৯৩৫৮০৬৬; মোবাইলঃ -০১৭৩৭-২২৯৫৪৭
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৫১৭টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ৯৭টি, ৩৫০ টাকা ০২. এসি রুম (ডাবল) ৫২ টি, ২৫০ টাকা ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ২২০টি, ২৫০ টাকা ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ২৫টি, ৩৭৫ টাকা ০৫.এসি রুম (থাকবে ৪ জন) ৩০টি, ১১৯০ টাকা ০৬.এসি রুম সিঙ্গেল (থাকবে ২ জন) ২৫টি, ৪৭৫ টাকা ০৭.নন এসি রুম ডাবল, থাকবে ৪ জন ৬০টি, ৭৫০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, ডিশ চ্যানেল সংযোগ, টেলিভিশন, ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।

হোটেল সেন্টার পয়েন্ট

বাড়ি-২/এ, সড়ক-৯৫, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২। গুলশান ২ গোলচক্কর থেকে বারিধারামুখী রাস্তার সামান্য দুরে ভি আই পি স্টুডিও এর বিপরীত দিকে এটি অবস্থিত।
যোগাযোগ- ল্যান্ড ফোনঃ ৮৮১৪৪৫৮, মোবাইলঃ ০১৭১২-০৭৫৯১৬।

রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৫০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (সিঙ্গেল) ৩০টি, ৬০ ডলার + ১৫% ভ্যাট ০২. এসি রুম (ডাবল) ২০টি, ৭০ ডলার + ১৫% ভ্যাট ০৩. স্যুট ১১০ ডলার + ভ্যাট।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন। ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা।
এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের সাথে সাথে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও হোটেলের রুম ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ পরিশোধ করা যায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ এখানে নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং এর নিজস্ব ব্যবস্থা রয়েছে।
অন্যান্য সুবিধাঃ এখানে সভা বা কনফারেন্স বা পার্টি করার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে জিম / হেলথ ক্লাব রয়েছে।

হোয়াইট হাউজ হোটেল

১৫৫ শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭। রাজারবাগ পুলিশ লাইন ১ নং গেট এর সাথে এটি অবস্থিত।
যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ -৮৩২২৯৭৩-৬, ৮৩১৪৬০১, ৮৩১৪০২০, ৮৩১৭৫৭৯। ই-মেইলঃ [email protected] ওয়েব সাইটঃ www.whitehousehotelbd.com
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৪৯টি। রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।

ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।
বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের সাথে সাথে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও হোটেলের রুম ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ পরিশোধ করা যায়।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে।
অন্যান্য সুবিধাঃ এখানে ২৫ জন থেকে ৩০ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কনফারেন্স রুম রয়েছে যার ভাড়া ৫০০০ টাকা থেকে ৮০০০ টাকা। এখানে জিম / হেলথ ক্লাব রয়েছে। কক্ষগুলো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। গরম এবং ঠান্ডা পানির ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল সিটি প্যালেস আবাসিক

২০০৩ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। গুলিস্তান মোড়ে গিয়ে হাতের বামে সুরিটোলা স্কুল েেয়ত নর্থ সাউথ রোডে এটি অবস্থিত। ঠিকানা- ১৮৫/১, সিদ্দিক বাজার, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ-ল্যান্ড ফোনঃ -৯৫৫৭৫৩৯।
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ১০০টি। দৈনিক ভাড়া ০১. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৭০ টি, ১৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা। ০২. নন এসি রুম (ডাবল) ৩০ টি, ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের প্রতিটি কক্ষেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন।
এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে নগদ টাকায় বিল পরিশোধ করতে হয়। বিল পরিশোধে কোন প্রকার ক্রেডিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে।

হোটেল আল হাবিব (আবাসিক)

২০০০ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যাত্রাবাড়ি-গুলিস্তান ফ্লাই ওভার সংলগ্ন জয়কালী মন্দির থেকে গুলিস্তান মোড়ে এটি অবস্থিত। ঠিকানা- ৫৩/৩, কাপ্তান বাজার, ওয়ারী, ঢাকা। যোগাযোগ-ল্যান্ড ফোনঃ -৭১১৫৪৫৬
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৬০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (ডাবল) ১০টি, ১০০০ টাকা। ০২.নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ১৫টি, ৩০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (ডাবল) ২০টি, ৫০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ প্রতিটি কক্ষেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ এর নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এখানে দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া করে থাকেন।
হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ হোটেলের বিল নগদ টাকায় পরিশোধ করতে হয়। বিল পরিশোধে কোন প্রকার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার গ্রহণযোগ্য নয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে।

র‌্যাডিসন ব্লু চিটাগাং বে ভিউ

র‌্যাডিসন ব্লু চিটাগাং বে ভিউ পাল্টে দিয়েছে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম নগরীকে, নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়, রচনা করছে সোনালি অধ্যায়। পাঁচতারা এ হোটেলকে ঘিরে উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও সম্ভাবনার নতুন স্বপ্ন দেখছে চট্টগ্রাম। প্রায় ৯৮ হাজার বর্গমিটারের এই হোটেলে আছে প্রায় সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, প্রতিটি রুমেই থাকছে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা। আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার পাশাপাশি আছে ইলেকট্রিক ডোর ও সিসি টিভি। ২২তলা বিশিষ্ট পাঁচ তারকা হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু-তে রুম রয়েছে ২৪১টি। এর মধ্যে ২২২টি সুপেরিয়র রুম ১৩টি জুনিয়র স্যুট। ৪টি এক্সিকিউটিভ স্যুট। পুরো হোটেলের ছাদে বিশাল সুইমিং পুল ছাড়াও দু’টি বিশেষ স্যুটে রয়েছে আলাদা সুইমিং পুল। একটির নাম প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট অপরটি রয়েল স্যুট। অষ্টম তলা থেকে ক্যাবিন বয়েছে গেস্টদের জন্য।

এছাড়া পাঁচ তারকা মানের এই হোটেলে থাকছে শপিং আর্কেড যাতে ডিজাইনারদের তৈরি পোশাক, স্বর্ণালঙ্কার, পারফিউমসহ বিভিন্ন সামগ্রী কেনাকাটা করা যাবে। আন্তর্জাতিকমানের ৩টি রেস্তোরাঁসহ আছে পেস্ট্রি শপও। স্পা, বিউটি সেলুন, হেলথ ক্লাব ছাড়াও রয়েছে ২টি টেনিস কোর্ট। তৃতীয় তলায় থাকবে ফরাসী রেস্তোরাঁ, পঞ্চম তলায় থাকবে অরিয়েন্টাল ও বাংলাদেশি খাবার। ইতালির রেস্তোরাঁ থাকবে ২০ তলায়। হোটেলের অতিথিরা ছাড়াও বাইরের অতিথিরাও এসব ডাইনিং ব্যবহার করতে পারবেন বিনোদন ও বাণিজ্যিক উদ্দেশে। বড়, মাঝারি ও ছোট ধরনের অনুষ্ঠান করার জন্য আলাদা আলাদা কনফারেন্স রুম রয়েছে। বহুমাত্রিক ব্যবহারের জন্য আছে ২টি হলরুম যার অতিথি ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৪শ। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক মেজবানকেও গুরুত্ব দিয়েছে র‌্যাডিসন কর্তৃপক্ষ। মেজবান নামে একটি হলও রয়েছে র‌্যাডিসনে। মিটিং রুমের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার নদ-নদী-হ্রদ-দ্বীপের নামে। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যে পরিণত হওয়া একটি আস্ত সাম্পান রাখা হয়েছে লবির পাশে। এসব কারণে অতি অল্প সময়ের মধ্যে দেশ-বিদেশের পর্যটক, অতিথি ও শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের ঠিকানা হয়ে ওঠেছে হোটেলটি।

কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৫ একর জায়গার ওপর সেনা হোটেল ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড তৈরি করেছে হোটেলটি। বর্তমানে এটি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বিশ্বখ্যাত হোটেল ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান কার্লসন। চট্টগ্রাম কেন প্রাচ্যের রানি বোঝা যায় র‌্যাডিসনের টপ ফ্লোরে উঠলে। যেখানে পাহাড়, অরণ্য, সাগর, নদী আর সমতলের নৈসর্গিক যে সৌন্দর্যের পসরা তার তুলনা কই। আন্তর্জাতিক চেন হোটেল হিসেবে র‌্যাডিসন ব্লু বে ভিউ চিটাগাং সাজানো হয়েছে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনায়। যুগের পর যুগ যাবে কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি কখনো পুরোনো হবে না, এমনভাবেই নকশা করা হয়েছে। থোকা থোকা সবুজ। সুপরিসর লবি। দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা, ঝর্নাধারা। আলোর বান। সব মিলে আধুনিক ও নান্দনিকতার দিক থেকে এটিই দেশের সেরা হোটেল এমন অভিমত গ্রাহকদের।

র‌্যাডিসনের নকশাটি এমনভাবে করা হয়েছে যাতে ২৪১টি কক্ষের প্রতিটির জানালা, ব্যালকনি থেকে নৈসর্গিক চট্টগ্রামকে উপভোগ করা যাবে। ২২ তলা মূল ভবনের দুটি বেজমেন্ট বাদ দিয়ে লেবেল গোনা শুরু। লেবেল ৮ থেকে ১৯ এর মধ্যে সব কক্ষ। লেবেল ১৬-১৯ এর কক্ষগুলো কার্লসন’র কার্ডধারীদের জন্য। যেখানে আছে সুপরিসর সব বিজনেস ক্লাসের কক্ষ। লেবেল ১৮ তে রয়েছে সবচেয়ে দামি প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট, রুম নম্বর ১৮১৭। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামি স্যুট রয়েলও এ লেবেলে, নম্বর ১৮০১। এ দুটি স্যুটের সঙ্গে রয়েছে পার্সোনাল সুইমিং পুল। অবশ্য বড় গোলাকার সুইমিং পুলটির যে সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। পাঁচতারা হোটেলের ঐতিহ্যাবাহী সব খাবারের স্বাদের পাশাপাশি এখানকার অতিথিদের জন্য রয়েছে বাঙালি খাবারের ব্যবস্থাও। বর্ণিল সাজানো হয়েছে দেশি স্বাদের খাবারে। যেখানে একসঙ্গে খেতে পারবেন ৯০০ অতিথি। আছে মোহনা বলরুম, যেখানে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেন ১ হাজার ৪০০ অতিথি। এর বাইরে ১৪ জনের মিটিং রুমের নাম রাখা হয়েছে কাপ্তাই, কর্ণফুলী, সেন্টমার্টিন, পতেঙ্গা ও সোনাদিয়া। ছয়জনের মিটিং রুমের নাম হচ্ছে হালদা, নাফ, সাংগু ও সন্দ্বীপ।

হোটেল দি ক্যাপিটাল

১৯৯০ ইং সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঠিকানা-৬৯, নয়াপল্টন, ভি আই পি রোড, ঢাকা-১০০০। জোনাকি সিনেমা হলের উল্টো দিকে এটি অবস্থিত। যোগাযোগ-ল্যান্ড ফোনঃ ৯৩৫০২৪৬, ৮৩১৬৪৩৮, ৯৩৫৮২৬৯, ৮৩৫০৯৮১। মোবাইলঃ ০১৭২১-৫৯৫৫৬৮
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৮০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (ডাবল) ১৬০০ টাকা। ০২. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৬০০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (ডাবল) ১২৫০টাকা।
রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।

ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির ডাইনিং সুবিধা রয়েছে। হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশি/ বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিতে পারেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ সিসিটিভি রয়েছে। এছাড়া হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ হোটেলের ২৪ ঘণ্টা গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা রয়েছে।

বিউটি বোর্ডিং (শ্রীশদাস লেন)

বাংলাবাজার এলাকার এক নম্বর শ্রীশদাস লেনের একটি পুরোনো বাড়ির ভেতরে বিউটি বোর্ডিং অবস্থিত। এখনকার বিউটি বোর্ডিং বাড়িটি ছিল নিঃসন্তান জমিদার সুধীর চন্দ্র দাসের। দেশভাগের আগে সেখানে ছিল সোনার বাংলা পত্রিকার অফিস।কবি শামসুর রহমানের প্রথম কবিতা মুদ্রিত হয়েছিল এ পত্রিকায়। দেশভাগের সময় পত্রিকা অফিসটি কলকাতায় চলে যায়। এরপর পঞ্চাশের দশকে দুই ভাই প্রদাহ চন্দ্র সাহা ও নলিনী মোহন সাহা এই বাড়ি ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলেন বিউটি বোর্ডিং। ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ বিউটি বোর্ডিংয়ে পাকিস্তানি আর্মিদের হাতে নিহত হন প্রহাদ চন্দ্র সাহাসহ ১৭ জন। সেই সময় প্রদাহ চন্দ্রের পরিবার জীবন বাঁচাতে চলে যান ভারতে। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ১৯৭২ সালে প্রদাহ চন্দ্রের স্ত্রী শ্রমতী প্রতিভা সাহা দুই ছেলে সমর সাহা ও তারক সাহাকে নিয়ে বিউটি বোর্ডিং আবার চালু করেন। বিউটি বোর্ডিংয়ের মুখর আড্ডা আগের মতো না থাকলেও খাবার ঘরে এখনো খদ্দেরের ভিড় লেগেই থাকে। নগরের ভোজনরসিকরা এখানে ছুটে আসেন। আর নিয়মিত খান পুরোনো ঢাকার বইয়ের মার্কেটের নানা শ্রেণীর মানুষ।

এখানে যারা আড্ডা দিতেনঃ বিউটি বোর্ডিং এর শুরু থেকেই এখানে থাকা-খাওয়ার চমৎকার ব্যবস্থা থাকলেও খাওয়া-দাওয়ার চেয়ে এখানকার আড্ডাটাই আকর্ষণীয় ছিল সবার কাছে। সামান্য কিছু খেয়েই ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা দেওয়া যেত। নগরের প্রধান প্রকাশনা পাড়া বাংলাবাজারে ছিল দেশের কবি, কথাসাহিত্যিক, শিল্পী, সাংবাদিক, অভিনেতা, সঙ্গীতশিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের নিয়মিত যাতায়াত। বাংলাবাজারের পাশেই বিউটি বোর্ডিং এর অবস্থান হওয়ায় আড্ডা জমে ওঠে এখানে। পঞ্চাশের দশকে নিয়মিত এই আড্ডায় যারা আসতেন তাদের মধ্যে বিখ্যাত মানুষের সংখ্যা অগণিত।

এখানে যারা আড্ডার আসরে আসতেন এদের মধ্যে কবি শামসুর রাহমান, রণেশ দাসগুপ্ত, ফজলে লোহানী, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, শিল্পী দেবদাস চক্রবর্তী, সমরজিৎ রায় চৌধুরী, ব্রজেন দাস, হামিদুর রহমান, বিপ্লব দাশ, আবুল হাসান, মহাদেব সাহা, আহমেদ ছফা, হায়াৎ মাহমুদ, সত্য সাহা, এনায়েত উল্ল­াহ খান, আল মাহমুদ, আল মুজাহিদী, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, ড. মুনতাসীর মামুন, ফতেহ লোহানী, জহির রায়হান, খান আতা, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, সৈয়দ শামসুল হক, জিল্ল­ুর রহমান সিদ্দিকী, নির্মল সেন, ফয়েজ আহমদ, গোলাম মুস্তাফা, খালেদ চৌধুরী, সমর দাশ, ফজল শাহাবুদ্দিন, সন্তোষ গুপ্ত, আনিসুজ্জামান, নির্মলেন্দু গুণ, বেলাল চৌধুরী, শহীদ কাদরী, ইমরুল চৌধুরী, সাদেক খান, ড. বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, শফিক রেহমান, মহিউদ্দিন আহমেদ, আসাদ চৌধুরী, সিকদার আমিনুর হক, জুয়েল আইচ প্রমুখ।। এখানে আড্ডা দিতে আসতেন খান আতাউর রহমান, প্রবীর মিত্র, নায়করাজ রাজ্জাক।

সর্ষে ইলিশঃ এখানে রয়েছে স্টিলের বড় গোলাকার থালায় সাদা ভাত আর মাছের সমারোহ। সর্ষে ইলিশ এখানকার অন্যতম মজাদার তরকারি। এখানকার ইলিশের স্বাদ গ্রহণ করতে আসে দেশি-বিদেশি অনেকেই। ইলিশ ছাড়াও রয়েছে অন্যান্য মাছ, ডাল ও সবজি। এখানে সর্ষে ইলিশ রান্নায় মসলা কম ব্যবহার করা হয়, পেয়াজ-রসুনের ব্যবহার নেই। মাছ মুখে দিয়ে পাওয়া যাবে ইলিশের আসল স্বাদ। ইলিশের সুবাসে মনটা ভরে ওঠে।এক টুকরো মাছে পেটি আর পিঠের দুই অংশই থাকে। তাই এক টুকরোয় পুরো মাছের স্বাদই নেওয়া যায়। বিউটি বোর্ডিং এ সর্ষে ইলিশ রান্না হয় প্রতিদিন। তবে বাজারের বড় মাছ পাওয়া না গেলেও সেদিন আর সর্ষে ইলিশ করা হয় না। এখানে এক টুকরো সর্ষে-ইলিশের দাম ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা। এই পদটি থাকে শুধু দুপুরের খাবারের সময়। দুপুর বারোটা থেকে বিকাল চারটার মধ্যে পাওয়া যায় এই পদটি। ইলিশ ছাড়াও এখানে থাকে বড়-ছোট নানা রকম মাছ ও নিরামিষের সমাহার।

হোটেল ওসমানী ইন্টারন্যাশনাল

১৯৮৫ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। জয়কালী মন্দির থেকে গুলিস্তান মোড়ে (গুলিস্তান ফ্লাই ওভার সংলগ্ন) এটি অবস্থিত। ঠিকানা-২৩, জয়কালী মন্দির রোড, ঢাকা-১২০৩। যোগাযোগ-ল্যান্ড ফোনঃ -৯৫৫৫০৯৫, ৯৫৫৭৬০৫, ৯৫৫২৪৭৭। মোবাইলঃ ০১৭৪৬-৩৯৬৭২০
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৮০টি। দৈনিক ভাড়া- ০১. এসি রুম (ডাবল) ৯২০ টাকা। ০২. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৩৫০ টাকা। ০৩. নন এসি রুম (ডাবল) ৫২০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের প্রতিটি রুমেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব রেস্টুরেন্ট এবং ডাইনিং সুবিধা রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন। এছাড়া নিকটে ভাল মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে নগদ টাকায় বিল পরিশোধ করতে হয়। বিল পরিশোধে কোন প্রকার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার গ্রহণযোগ্য নয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ সিসিটিভি ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে।

হোটেল মিডওয়ে ইন্টারন্যাশনাল (প্রাঃ ) লিমিটেড

১৯৮৫ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নয়াপল্টন বিএনপি অফিসের পাশেই এটি অবস্থিত। ঠিকানা- ৩০, নয়া পল্টন, ভিআইপি রোড, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগঃ ল্যান্ড ফোনঃ ৮৩১৯৩১৫, ৮৩১৯৩৪৫, ৮৩১৯৭৫৩, ৯৩৩১০৮৬ ই-মেইলঃ [email protected]
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৬৬টি। রুমের প্রকৃতি বা ধরণঃ দৈনিক ভাড়া-০১. এসি রুম (ডাবল) ১২০০ টাকা। ০২. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৬০০ টাকা। ০৩.নন এসি রুম (ডাবল) ১০০০ টাকা। ০৪. ডিলাক্স রুম ১৫০০ টাকা। ০৫. সুপার ডিলাক্স রুম ২০০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের প্রতিটি কক্ষেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে ২৪ ঘন্টা। এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব রেস্টুরেন্ট সহ নন এসি ডাইনিংয়ের সুবিধা রয়েছে। এছাড়া হোটেলের নিকটে ভাল রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ এখানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা রয়েছে। এখানে ৫ টি গাড়ি পার্ক করা যায়।

হোটেল সফিনা আবাসিক, হাজী ওসমান গনী রোড

২০০১ ইং সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। আলু বাজার রোডে নাজির বাজার যাওয়ার পথে হাতের ডান দিকে এটি অবস্থিত। ঠিকানা-১৫২ হাজী ওসমান গনী রোড, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ-ল্যান্ড ফোনঃ -৯৫৬২১৩০, মোবাইলঃ -০১৭১৮-২৬৩৬৮৩
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ৬০টি। দৈনিক ভাড়া ০১. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৪০টি, ২০০ টাকা। ০২. নন এসি রুম (ডাবল) ২০টি, ৩০০ টাকা।

রুম সজ্জাঃ হোটেলের সব রুমের ভিতরেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল- চেয়ার, ইন্টারকম।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিকটে ভালো রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে সার্বক্ষণিক রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এই হোটেলে শুধুমাত্র দেশীয় বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল/খরচ পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ হোটেলের নিজস্ব একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে আসছে।

হোটেল আল রাজ্জাক ইন্টারন্যাশনাল

২০০১ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। গুলিস্তান মোড়ে গিয়ে হাতের বামে সুরিটোলা স্কুল থেকে ১০/১৫ গজ সামনে হাতের ডান দিকে এটি অবস্থিত। ঠিকানা-২৯/১, নর্থ সাউথ রোড, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ-ল্যান্ড ফোনঃ -৯৫৬১৯৯০
রুমের ধরন, সংখ্যা এবং ভাড়াঃ হোটেলের মোট রুম সংখ্যাঃ ১০০টি। দৈনিক ভাড়া-০১.এসি রুম (সিঙ্গেল) ২০টি, ৫৫০ টাকা। ০২. এসি রুম (ডাবল) ১৫টি, ৮০০ টাকা ০৩. নন এসি রুম (সিঙ্গেল) ৪৫ টি, ৩০০ টাকা ০৪. নন এসি রুম (ডাবল) ২৫টি, ৫০০ টাকা

রুম সজ্জাঃ হোটেলের প্রতিটি কক্ষেই রয়েছে পরিপাটি সজ্জা, টেবিল-চেয়ার, ইন্টারকম, টেলিফোন, টেলিভিশন।
এছাড়াও রয়েছে লন্ড্রী ব্যবস্থা। স্নান ঘরে রয়েছে তোয়ালে, সাবান, শ্যাম্পু, গিজার, টুথব্রাশ ও পেস্ট।
ডাইনিং এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধাঃ হোটেলটির নিজস্ব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে। এছাড়া হোটেলের নিকটে ভাল মানের রেস্টুরেন্ট আছে। বোর্ডারগণ সেখানে গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন বা অর্ডারের মাধ্যমে রুম সার্ভিস সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
রুম সার্ভিস সুবিধাঃ এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রুম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে।

বোর্ডারদের প্রকৃতিঃ এখানে দেশীয় বোর্ডারদের পাশপাশি বিদেশি বোর্ডারগণ রুম ভাড়া নিয়ে থাকেন।
হোটেল বিল পরিশোধ পদ্ধতিঃ এখানে নগদ টাকায় বিল পরিশোধ করতে হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ এখানে একদল প্রশিক্ষিত ও চৌকস সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। হোটেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা খ্বুই দক্ষতার সাথে পালন করে।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাঃ সামনের রাস্তায় এবং ফুটপাতে নিজ নিজ দায়িত্বে গাড়ি পার্ক করা যায়।

হোটেল সারিনা লিঃ

রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত সারিনা হোটেলের যাত্রা শুরু হয় ১২ বছর আগে ২০০৫ সালে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে এখানে শুরু হয় বুফে। প্রায় ৬০ পদের খাবার মিলবে এই আয়োজনে। বিরিয়ানি কি ডাল মাখানি, পালক পানির কি তাড়কা সবই মিলবে এই রেস্তোরাঁয়। হরেক রকম নান রুটি তো আছেই। বুফের জন্য প্রতিজনকে গুনতে হবে ১৮০০ টাকা। এই হোটেলে আছে চারটি রেস্তোরাঁ। ঠিকানাঃ হাউজ নং ২৭, রোড নং ১৭, বনানী বা/এ, ঢাকা-১২১৩। ওয়েবসাইট www.sarinahotel.com সারিনা হোটেলে রয়েছে চমৎকার সব রেস্তোরাঁ।

সামারফিল্ডসঃ একে মাল্টি কুইজিন রেস্তোরাঁ বলাই ভালো। এখানে সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার আয়োজন থাকে বুফের আদলে। আর বাকি সময় খাবার বেছে নেওয়া যাবে মেন্যু থেকে।
সামারফিল্ডস খোলা থাকে ২৪ ঘণ্টা। লাঞ্চে থাকে প্রধানত ইতালীয়, কন্টিনেন্টাল আর প্যান এশিয়ান খাবারের মিশ্র সমাহার। এখানে দেশি খাবারও রাখা হয়। ভর্তাই থাকে বেশ ক’পদের। আলুভর্তার মতো ডিশ রাখার অন্যতম কারণ এই হোটেলে অবস্থানরত বিদেশি অতিথিদের বাংলাদেশি স্বাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। থাকে বেশ কিছু সালাদও। স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসচেতন অনেক খাদ্য রসিকেরই পছন্দ এই খাবার। পাস্তা বা তান্দুরি চিকেনের সালাদের সঙ্গে মিলবে পেয়ারা আর কাসুন্দির সালাদও।

চেয়ার-টেবিল বেশ ছিমছাম সাজানো আর হইহুল্লে­াড়ও খুব একটা কানে লাগে না। বুফের সাজানো খাবারের মধ্যে দই ও মিষ্টি এখানকার রসুইঘরে বানানো বলে জানা গেল। আছে বেশ কিছু মিঠাই। এরমধ্যে দুতিনটি আবার আরব অঞ্চলের। ১৫৫০ টাকায় ব্রেকফাস্ট আর ১৬০০ টাকায় দুপুরের খাবার খাওয়া যাবে।
রিসোত্তোঃ একটি রাইস ডিশের নামে নামকরণ করা হয়েছে সারিনার ইতালীয় রেস্তোরাঁ। ইতালিয়ান খাবারের বিশেষ প্রচারণার কারণে টেবিলগুলো যেন হয়ে উঠেছে এক একটি পতাকা। টেবিল ক্লথে লাল, সবুজ আর সাদার ব্যবহার হয়েছে।
পাস্তার মধ্যে স্প্যাগেত্তি, রাভিওলি আছে। এখানে পিৎজার সমারোহও আছে বেশ। এই রেস্তোরাঁয় ব্যবহৃত চিজ ও রান্নার বেশ কিছু উপকরণ আমদানি করা হয় ইতালি ও অন্যান্য দেশ থেকে। আরও আছে মাছের ডিশ। আর তিরামিসু নামক ‘স্বর্গীয়’ মিঠাইতো আছেই। কোয়াত্রো ফরমাজ্জি পিৎজা খেলে জিভের জল ঠেকানো মুশকিল হবে। চার রকমের চিজ দিয়ে বানানো হয় এই পিৎজা। ক্রাস্টও বেশ ‘থিন’ আর তাই ইতালীয় ভাবটি বেশ বোঝা যায়। চাবাত্তা, ফোকাচ্চাসহ মিলবে বেশ কিছু ইতালীয় ঘরানার ব্রেড।

এলিটঃ থাই খাবার মিলবে এখানে। আছে একধরনের ‘এক্সিকিউটিভ’ মার্কা অন্দরসজ্জা। বসার ব্যবস্থার জন্য চেয়ারই আছে তিন পদের। একেবারে সোফার আরাম, সাধারণ চেয়ার আর এই দুইয়ের মাঝামাঝি ধরণের বসার ব্যবস্থা। হরেক রকম থাই খাবারের মধ্যে একটি বিশেষ পদ চোখে পড়ল, ‘স্টিমড ফিশ’। এই খাবার তৈরি করা হয় কোনও রকম মসলা ছাড়া! লবণ, লেবু ও এক ধরনের সসে মেরিনেইট করে প্রস্তুত করা হয় রূপচাঁদা মাছ।
মাছের ‘আসল’ স্বাদ পেতে চাইলে এর থেকে ভালো আর কি হতে পারে! এত ‘ন্যাচারাল’ খেতে অভ্যস্ততা যদি কারও না থাকে, তাতেও চিন্তা নেই। আছে সুইট অ্যান্ড সাওয়ারের মতো সুস্বাদু আর মুখরোচক সস! এই রসুই খানা চালানোর দায়িত্বে আছেন এক থাই শেফ। স্টার্টারে ফ্রাইড স্প্রিংরোল বা ফিস কেক বেশ লাগবে। আর স্টিমড ফিশ খেতে চাইলে ৮০৫ টাকার সঙ্গে যোগ হবে ট্যাক্স, ভ্যাট এবং সার্ভিস চার্জ। আর গলদা চিংড়িতেই যদি রসনা বিলাস করতে চান তবে একটু ভারি রাখতেই হবে টাকার ব্যাগ। ২ হাজার টাকা গুনতে হবে। বিফের রেড বা গ্রিন কারি জিভকে শান্তি দেবে বলা যায়।

সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চালু থাকে এই রেস্তোরাঁর রসুইখানা। ৪২ জনের বসবার ব্যবস্থা আছে।
আমৃতঃ সারিনা হোটেলের ভারতীয় রেস্তোরাঁ এটি। ঢুকলেই চোখে পড়বে দুটি জিনিস। একটি হল দেয়ালে মুঘল মিনিয়েচার পেইন্টিংয়ের আদলের চিত্রকর্ম। আর একটি, অন্দরসজ্জায় কলোনিয়াল ঘরানার উপস্থিতি। আমৃত সহজ ভাষায় ভারতীয় উপমহাদেশে বৃটিশরাজের তৈরি ক্লাবের ভেতরকার মতো আবহ আছে পুরোমাত্রায়। এখানে বসতে পারবেন ৬৮ জন। একটি অংশে আছে ‘প্রাইভেট রুম’। ১৬ থেকে ১৮ জনের সংকুলান হবে এই অংশে।

ঢাকা রিজেন্সী হোটেল এন্ড রিসোর্ট

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। সুন্দর, মনোরম একটা পাঁচতারা হোটেল। অনেকেই সেখানে যাচ্ছেন, রাঙিয়ে নিচ্ছেন জীবনের কিছু ক্ষণ! ঢাকা রিজেন্সী বৃটিশ বাংলাদেশিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী। ঠিকানাঃ এয়ারপার্ট রোড, নিকুঞ্জ ২, ঢাকা-১২২৯। ওয়েবসাইটঃ www.dhakaregency.com

সী-গাল হোটেল লিমিটড

দেশীয় ও পাশ্চাত্যের স্বাদ অনুকরণে পর্যটন শহরের তারকা মানের হোটেল সী-গাল দিচ্ছে মানসম্মত সেবা। আলো ঝলমল নির্মল ও স্নিগ্ধ পরিবেশ। সর্বত্র পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতায় ঘেরা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পর্যটন শিল্প বিকাশ ও উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। দেশ ও জাতির সেবা করাই তাদের মূল লক্ষ্য। ইতোমধ্যেই সী-গাল হোটেল পর্যটক ও স্থানীয়দের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান পেয়েছে। সীগালের প্রতি পর্যটক ও স্থানীয়দের এই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে কর্তৃপক্ষ বদ্ধপরিকর।

পর্যটকদের সাথে সী-গাল হোটেলের সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে অনেক আগে থেকেই। এখানকার এক ঝাঁক নবীন-প্রবীণ চৌকষ কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের জন্য তা সম্ভব হয়েছে। পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয়দের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে সী-গাল হোটেল। কারণ ব্যবসায় চেয়ে মানুষের আস্থা অর্জনকে মূল্য বেশি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ঠিকানাঃ হোটল-মোটেল জোন, কক্সবাজার বীচ, কক্সবাজার। ওয়েবসাইট:  httpt //www.seagullhotelbd.com

ওসেন প্যারাডাইস লিমিটড

২০১১ সালে ওসেন প্যারাডাইস হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঠিকানাঃ প্লট নং ২৮ ও ২৯, কলাতলী রোড, কক্সবাজার। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.oceanparadisehotel.com। যোগাযোগঃ+৮৮ ০৩৪১ ৫২৩৭৯, +৮৮ ০১৯৩৮ ৮৪৬৭৬৩-৭ email [email protected]

সায়মন বীচ রিসোর্ট লিঃ

কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা এনেছে পাঁচ তারকা মানের হোটেল ‘সায়মন বিচ রিসোর্ট’। কলাতলী সৈকতের মেরিন ড্রাইভে অবস্থিত সাগরমুখী এই হোটেলটি অসাধারণ সুন্দর। ২২৮ কক্ষের এই হোটেলে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের ১৮০ ডিগ্রি দৃশ্যধারক ১৬টি প্যানারোমা ওশান স্যুট, ২৬টি সাগরমুখী ডিলাক্স স্যুট ও ১৭৬টি সাগর ও পাহাড়মুখী কক্ষ। সবগুলো কক্ষেই এলসিডি টিভি, কেন্দ্রীয় শীততাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, কেন্দ্রীয় ওয়াটার হিটিং সিস্টেম ও রুম কন্ট্রোলারসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। সেবার মান, সুযোগ-সুবিধা ও আরামদায়ক হওয়ার দিক থেকে এটি কক্সবাজারের হোটেলগুলোর মধ্যে অন্যতম।

বেশিরভাগ কক্ষ থেকেই সৈকত দৃশ্যমান; সঙ্গে আছে বিশাল সুইমিং পুল ও বার ডেক। আছে তিনটি রেস্তোরাঁ ও একটি বিশাল ডেকের ফ্রন্ট বার; সঙ্গে সভা, সম্মিলনি প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ম্যারিনা বলরুমে একসঙ্গে ৭০০ জনের বসার ব্যবস্থা আছে। এছাড়াও বিভিন্ন কর্পোরেট আয়োজনের জন্য রয়েছে পাঁচটি ভিন্ন আকারের হলরুম। সায়মন বিচ রিসোর্টের মালিকানা ও পরিচালনায় রয়েছে তৃতীয় প্রজন্মের উদ্যোক্তা পরিবার, যেটি ১৯৬৪ সালে ছোট পরিসরে হোটেল সায়মন প্রতিষ্ঠা করে।
ঠিকানাঃ মেরীন ড্রাইভ রোড, কলাতলী, কক্রবাজার। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.sayemanresort.com/

প্যানিনসুলা চিটাগাং

চট্টগ্রাম নগরীর সুন্দর ও সুবিধাজনক স্থানে অবস্থিত হোটেলটি পাশ্চাত্য আভিজাত্য ও চট্টগ্রামের আতিথেয়তার সংমিশ্রণে সর্বোত্তম সেবা দিচ্ছে। কনফারেন্স, মিটিং ও কর্পোরেট ইভেন্টের জন্য দ্যা পেনিনসুলা চট্টগ্রাম এ আছে আকর্ষণীয় পরিবেশ ।
ঠিকানাঃ ৪৮৬/বি, ও.আর.নিজাম রোড, সি,ডি,এ এভিনিউ, চট্টগ্রাম। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.peninsulactg.com

রোজ ভিউ হোটেল

রোজ ভিউ হোটেলটি এক তারকা বিশিষ্ট। যার নিবন্ধন নং-০৬/০৫ এবং লাইসেন্স নং-০৩/০৬। ঠিকানাঃ প্লট নং ২, ব্লক-বি, শাহজালাল উপশহর, সিলেট। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.roseviewhotel.com/

গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ

চা-বাগান, ঝর্ণা আর বনভূমির আদর লালিত নয়নাভিরাম শহর শ্রীমঙ্গলের ১৩.৬ একর জায়গা নিয়ে সম্পূর্ণ বাংলাদেশি বিনিয়োগে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম পাঁচ তারকা মানের ‘গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এ্যন্ড গলফ’। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে আন্তর্জাতিক মর্যাদার আসনে তুলে ধরতেই গ্রান্ড সুলতানের অভিযাত্রা। রিসোর্টের বিভিন্ন সুবিধাদির মধ্যে রয়েছে আধুনিক সকল সুবিধাসহ ২,০০,০০০ বর্গফুট জায়গার ওপর গড়ে তোলা নয় তলা ভবনের ১৪৫টি কক্ষ, এর মধ্যে ৪৫টি কিং সাইজ আর ৪৩টি কুইন সাইজ কক্ষ। এখানে একটি অসাধারণ নাইন হোল গলফ কোর্স ছাড়াও রয়েছে লন টেনিস, ব্যাডমিন্টন, বিলিয়ার্ড ও টেবিল টেনিস খেলার আয়োজন। এছাড়া শিশুদের জন্য আছে আলাদা খেলার জোন।

রিসোর্টটিতে অ্যামিবা আকৃতির বিশাল সুইমিংপুলসহ সুনিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রার সর্বমোট ৩টি সুইমিংপুল আছে। রিসোর্টে রয়েছে থ্রি-ডি থিয়েটার, যেখানে ৪৪ জন একসঙ্গে বসে এই থিয়েটারে সিনেমা উপভোগ করতে পারবে। দেশের কোন আনন্দ নিবাসে এই প্রথমবারের মত সংযোজিত হয়েছে সুবিশাল পাঠাগার।
রিসোর্টে রয়েছে, ১২০০ জনের সংকুলান সমৃদ্ধ ‘রোশনি মহল’ ও ৭৫০ জনের স্থান সংকুলান সুবিধাসমৃদ্ধ ‘নওমি মঞ্জিল’ নামের ব্যাংকোয়েট হল। এছাড়া রয়েছে ফোয়ারা ডাইন, শাহী ডাইন ও অরণ্য বিলাস নামের ৩৩০ আসন বিশিষ্ট পাঁচ তারকা মানের রেস্টুরেন্ট।

বিশেষ আকর্ষণ আছে গলফ পাহাড়িকা, পুল ডেক ও ক্যাফে মঙ্গল নামে তিনটি দুর্দান্ত ক্যাফে। কর্পোরেট অতিথিদের জন্য আছে ভিন্নমাত্রার সুবিধা। রিসোর্টে তিনটি বিশালাকৃতির দৃষ্টিনন্দন রুচিশীল মিটিং কক্ষ ছাড়াও অত্যাধুনিক সুসজ্জিত জিমনেসিয়ামসহ রয়েছে স্পা, সনা, জ্যাকুজি ও ম্যাসেজ পার্লারের ব্যবস্থা।
ঠিকানাঃ রাধানগর, বালিশীর, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.grandsultanresort.com/

হোটেল পূর্বানী ইন্টারন্যাশনাল লিঃ

হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনাল রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত। ১৩০টি রুম রয়েছে। ঠিকানাঃ ১ নং দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.hotelpurbaniltd.com

গ্রান্ড প্রিন্স হোটেল

সমস্ত ব্যবসায়িক এবং অবসর ভ্রমণকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব সুবিধা সহ একটি আরামদায়ক হোটেল গ্রান্ড প্রিন্স হোটেল । রাত্রি যাপনের জন্য বেশ আরামদায়ক হয়ে উঠেছে এটি। এখানে সবচেয়ে কম ৪৫ ডলারের বিনিময়ে পাবেন ডিলাক্স সিঙ্গেল রুম এবং সর্বচ্চ ১৫০ ডলারের বিনিময়ে পাওয়া যাবে রেসিডেন্টশিয়াল রুম। এছাড়াও প্রিমিয়ার টুইন ৫৫ ডলার, ডিলাক্স টুইন ৬৫ ডলার ও সুপার ডিলাক্স ৭০ ডলারে পাওয়া যাবে। এছাড়াও হোটেলের ৩য় তলায় আছে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত লোকের দ্বারা পরিচালিত রিসিপশন । আবার ৩য় তালাতেই আছে বিজনেস সেন্টার, ব্যবসার জন্য আপ টু ডেট সুবিধাদি এবং বিনোদনমূলক সব ব্যবস্থা।

গ্র্যান্ড প্রিন্স রেস্টুরেন্ট দুটি সুবিধা আছে (২য় তালায় এবং মাঝে ৭ম তলায়)। এদের আছে বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশি, চীনা, এবং থাই রাধুনি। গ্রান্ড প্রিন্স হোটেল এর ছাদের উপরি ভাগে রয়েছে পরিষ্কার জলের খোলা সুইমিং পুল। ৭ম তালায় আরও থাকছে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সহ কনফারেন্স রুম। ৯ম তলায় হেলথ ক্লাবের প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম এবং মেশিন চমত্কার ভাবে সাজিয়ে রেখেছে। ইচ্ছা করলে ৪ ডলারের বিনিময়ে ছাদের উপরিভাগ এবং বাষ্প স্টীম বাথ রুমের সুয়োগ ও নিতে পারেন। এ ছাড়াও আছে কার বা বাস সার্ভিস, এবং মেডিকেল সুবিধা। এবং সকল কর্পোরেট ব্যাক্তির জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড়।
ঠিকানাঃ প্লট নং-০৬ ও ১১ ব্লক-বি, মেইন রোড-০১, মিরপুর-১ (বাসষ্ট্যান্ড), ঢাকা-১২১৬। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.grandprince-dhaka.com

সিক্স সিজনস হোটেল লিঃ

গুলশান লেক ও পার্কের পাশে অবস্থিত। ১৫ তলা এই হোটেলটি অসাধারণ। ঠিকানাঃ হাউজ নং ১৯, রোড নং ৯৬, গুলশান-২, ঢাকা। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.sixseasonshotel.com

কনকর্ড রিসোর্ট আটলান্টিস

তিন তারকা এই রিসোর্টটি বেশ জনপ্রিয়। ঠিকানাঃ ফ্যান্টাসী কিংডম, আশুলিয়া, ঢাকা। ওয়েবসাইটঃ www.fantasy-kingdom.net.bd/resort-atlantis.php

হোটেল টাওয়ার ইন ইন্টারন্যাশনাল লিঃ

হোটেল টাওয়ার ইন ইন্টারন্যাশনাল নগরীর জুবিলি সড়কে অবস্থিত। টাওয়ার ইন হোটেলে ১১০টি কক্ষ আছে। ঠিকানাঃ ১৮৩, জুবলী রোড, চট্টগ্রাম। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.hoteltowerinn.com

ওয়েল পার্ক রেসিডেন্স

বন্দরনগরী চট্টগ্রাম জিইসির মোড়ে অবস্থিত অভিজাত বুটিক হোটেল ওয়েল পার্ক রেসিডেন্স সবসময় বাঙালি ঐতিহ্যকে লালন করে আধুনিক চিন্তাধারার সংমিশ্রনে তুলে ধরার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছে। বিস্তারিত জানতে অথবা বুকিং দিতে মুঠোফোনে ০১৭৩০ ৭৩৫ ৫৫৯ ও ০১৮১৪১ ৭৩৫৫৫৯ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। ঠিকানাঃ প্ল­ট ২, রোড#০১, ও.আর. নিজাম রোড, চট্টগ্রাম। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.wellparkbd.com

হোটেল সী-প্যালেস লিমিটড

হোটেল সি প্যালেস এর গ্রাহকরা তাদের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে হোটেল রিজার্ভেশন করতে পারবেন। ঠিকানাঃ কলাতলী রোড, কক্সবাজার। ওয়েবসাইটঃ httpt //hotelseapalacebd.com

হোটেল সী-ক্রাউন

কক্সবাজারে থ্রী স্টার হোটেল সি ক্রাউন একজন ভ্রমণকারীর সর্বাত্মক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের চেষ্টা করে। দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটক ও ভ্রমণকারীরা যাতে সুন্দরভাবে ভ্রমণ করতে পারে সেব্যাপারে হোটেল কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট আন্তরিক।।
ঠিকানাঃ মেরিন ড্রাইভ রোড, কলাতলী নিউ বীচ, কলাতলী, কক্সবাজার। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.hotelseacrownbd.com

লং বীচ হোটেল লিঃ

কক্সবাজারের মনোরম দৃশ্য ঘেরা লং বিচ হোটেল পাহার এবং সমুদ্র সৈকত এর খুবই নিকটে অবস্থিত, যা অতিথিদের বিশ্বমানের সেবার সাথে প্রাণবন্ত অভিজ্ঞতার যোগান দেয়। লং বিচ হোটেল থেকে মাত্র পাঁচ মিনিট হেঁটেই পৌঁছে যাওয়া যায় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে, যেকারণে হোটেলটি দেশ এবং বিদেশের অনেক দর্শনার্থী আকৃষ্ট করছে। হোটেলটিতে ১০৪টি কক্ষ আছে। ঠিকানাঃ ১৪ কলাতলী রোড, হোটেল-মোটেল জোন, কক্সবাজার।  ওয়েবসাইটঃ httpt //www.longbeachhotelbd.com, হোটেলের হট নম্বরে +০১৭১৫৫৬৬০০৫১

হোটেল দি কক্স টুডে

কক্সবাজারের কলাতলীর সৈকত সংলগ্ন বিলাসবহুল তারকা হোটেল দি কক্স টুডে। প্রায় ৪০০ কামরা সংবলিত দশতলার হোটেলটিতে ঢাকার সোনারগাঁও, র‌্যাডিসন কিংবা ওয়েস্ট ইন হোটেলের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। অধিকন্তু হোটেলটির রুমগুলোর ফিটিংস এবং আয়তন ঢাকার হোটেলগুলোর চেয়ে বড়। বিশেষ করে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট এবং ডিলাক্স স্যুটের জাঁকজমক যে কারোরই ভালো লাগবে।

হোটেলটির স্থাপত্য প্রকৌশলী তার জীবনের প্রথম নকশাটি এত সুন্দর করে করেছেন না দেখলে বুঝা যায় না। হোটেলটি বাইরে ভেতরে খুবই সুন্দর। রুমের স্পেসও ভাল। ফিটিংসগুলোও ভাল। এখানের সব কর্মচারি ও কর্মকর্তাদের ব্যবহারও চমৎকার।
ঠিকানাঃ প্ল­ট-০৭, রোড-০২, হোটেল মোটেল জোন, কলাতলী রোড, কক্সবাজার।

ওয়েবসাইটঃ httpt //www.hotelthecoxtoday.com

ক্যাসেল সালাম

তিন তারকা হোটেল ক্যাসেল সালাম যথেষ্ট ভালো সার্ভিস দিয়ে থাকে। ১৯৯৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঠিকানাঃ ৮, কে,ডি,এ, এভিনিউ, খুলনা। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.hotel-castlesalam.com

হোটেল নাজ গার্ডেন

বগুড়া শহরের নাজ গার্ডেন উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম এবং একমাত্র চারতাঁরা হোটেল এবং রিসোর্ট। বগুড়া শহরে অবস্থিত এই হোটেলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে অতিথীদের সাশ্রয়ী খরচে বিশ্বমানের আতিথেয়তা এবং সেবা প্রদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
ঠিকানাঃ ছিলিমপুর, বগুড়া। ওয়েবসাইটঃ httpt //www.hotelnazgarden.com

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: [email protected]

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *