অকুতোভয় বীরদের দেশ ফিলিস্তিন

আনিসুর রহমান এরশাদ

ফিলিস্তিনে বসবাসরত মানুষের প্রতিটা দিন কাটে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। প্রতিদিন ধরপাকড়, বুলডোজার, রকেট হামলা, মৃত্যুর মিছিল, লাশ নিয়ে প্রতিবাদী মানুষের ঢল- এসব নিত্যঘটনা! এত সঙ্কট, এত অনিশ্চয়তা ও এত বিপদাপদের মধ্যেও জীবনতো কাটাতে হয় তাদের।

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েও খাওয়া-পরার জন্য ভাবতে হয়, কাপড় পরিষ্কার থেকে শুরু করে ঘরদোর ঝাড়-মোছ করা, বিয়ে-সন্তান-ভালোবাসা; ধ্বসে পড়া দালানের নিচ থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়াতে হয় খাবারের দোকানের সামনে।

ইসরাইলি তাণ্ডব, অত্যাচারী দখলদারদের রক্তচক্ষু ও কারফিউয়ে অনেক কিছু থামলেও থামে না জীবনের চাকা। ফিলিস্তিনিদের সেই জীবনটা আসলেই অমানবিক! তাদের কত স্বপ্ন বিবর্ণ হচ্ছে সুযোগ-সুবিধার অভাবে। দিনের পর দিন সংগ্রামরত ফিলিস্তিনিরা। জালিমের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই যেন শেষ হবার নয়। আজ জানাব অকুতোভয় লড়াকু যোদ্ধাদের দেশ ফিলিস্তিন সম্পর্কে।

একনজরে ফিলিস্তিন

রাজধানী : জেরুসালেম
প্রশাসনিক বেন্দ্র: রামাল্লাহ
বৃহত্তর শহর: গাজা সিটি
সরকারি ভাষা: আরবি

জাতীয়তাসূচক বিশেষণ: ফিলিস্তিনি
সরকার: বিধিসম্মত আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র¿
রাষ্ট্রপতি: মাহমুদ আব্বাস
প্রধানমন্ত্রী: মোহাম্মদ শিতায়হে

পার্লামেন্টের স্পীকার: সেলিম জানাউন
আইন-সভা: জাতীয় পরিষদ
আয়তন: ৬ হাজার ২০ বর্গকিমি
জনসংখ্যা: ৫১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬ জন
স্বাধীনতা ঘোষণা: ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮

ফিলিস্তিনের পশ্চিমে গাজা উপত্যকা দিয়ে মিশর, পূর্ব দিকে জর্ডান এবং মৃত সমুদ্রের উত্তরে, ভূমধ্যসাগর উত্তরে এবং বেশিরভাগ ইসরাইল দ্বারা বেষ্টিত। ফিলিস্তিনের স্থল অঞ্চলটি মূলত পার্বত্য এবং সমুদ্র উপকূলীয় সমভূমি, জর্ডান খন্দক এবং একটি মালভূমি সহ পাহাড়ি অঞ্চল নিয়ে গঠিত। ফিলিস্তিনের সরকারি অফিসিয়াল ভাষা আরবি এবং ইসরাইলি শেকেল। জর্দানীয় দিনার অর্থ প্রদানের পদ্ধতি হিসাবে ব্যবহৃত হয়, কারণ রাষ্ট্রটির নিজস্ব মুদ্রা নেই।

ইতিহাস

ফিলিস্তিন ভূখণ্ডটি ঐতিহ্যগতভাবে খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর ও জর্ডান নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল এবং সংলগ্ন কিছু এলাকা নিয়ে বিরাজমান ছিল। ১৯৪৮ সালের ১৫ মে এক দিনে লাখো ফিলিস্তিনিকে তাদের হাজার বছরের আবাসভূমি থেকে সীমাহীন অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়ে উৎখাত করা হয়। সেই ভূমিতে বহিরাগত ইহুদিদের জন্য প্রতিঠা করা হয় ইসরাইল।

দিনটিকে ফিলিস্তিনিরা ‘বিপর্যয়’ বা ‘নাকবা’ দিবস হিসেবে বিবেচনা করে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ এখনো চলছে। প্রতারিত, ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত, ভাগ্যবিড়ম্বিত ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। এই সংগ্রাম বিরতিহীনভাবে চলছে। আজও অধরা স্বাধীন ফিলিস্তিনের স্বপ্ন।

অর্থনীতি

ফিলিস্তিনের অর্থনীতি মূলত জলপাই তেল উৎপাদনের উপর ভিত্তি করে। প্রায় ১২ মিলিয়ন জলপাই গাছ দেশের ভূখণ্ডে রয়েছে। চামড়াজাত পণ্য, টেক্সটাইল এবং সিরামিক পণ্যও উৎপাদিত হয়। ইসরাইলের সাথে উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পর্যটন খুব কম।

বৃহত্তম শহরগুলো

দেশটির বৃহত্তম শহরগুলির মধ্যে রয়েছে গাজা, পূর্ব জেরুসালেম, বেথলেহেম, চ্যান ইউনিস, রাফাহ, জাবালিয়া, হিব্রন, জেরিকো এবং নাবলাস। দেশটি পশ্চিম তীর বা পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা এবং পূর্ব জেরুসালেম নিয়ে গঠিত। জনসংখ্যার বেশিরভাগ মুসলিম।

ফিলিস্তিন জাতীয় কর্তৃপক্ষের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কোন শহর বা পৌরসভাকে শহর বা পৌরসভা হবে কিনা সে ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তবে ফিলিস্তিনের কোন শহর বা নগর মর্যাদা অর্জনের জন্য কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চলের নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশিকা নেই।

গাজা উপত্যকা এবং সমস্ত ফিলিস্তিনের বৃহত্তম শহর হলো গাজা শহর এবং পশ্চিম তীরে বৃহত্তম ফিলিস্তিনের শহর হেব্রন। বেইট জালাহা এবং বিট সাহুরের সাথে বেথলেহেম মহানগর অঞ্চল যুক্ত। রামাল্লাহ এবং আল-বীরহও প্রায়শই একটি শহর হিসাবে বিবেচিত হয়।

দর্শনীয় স্থানগুলো

ফিলিস্তিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে- বেথলেহমে যিশুখ্রিস্টের জন্মের চার্চ। জেরিকোর শহরের দেয়াল। বিইট হ্যাননের আল-নসর মসজিদ। সামেরিয়া শহরের ধ্বংসাবশেষ। তাবোর পর্বত। খ্রিস্টান শহর বেথলেহমের ধন্য ভার্জিনের বেসিলিকা। সেন্ট নিকোলাস চার্চ। মারিয়েনব্রুন্নেন। যাজকক্ষ ক্ষেত্র। বীট সাহুরের জলাশয়। বেন সাহুরের ফ্রিডম থিয়েটার।

গাজা সিটির সমুদ্র বন্দর। বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলির অন্যতম হিব্রন। ইব সমুদ্র। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৫০ মিটার নীচে বিশ্বের গভীরতম শহর নাবলাস। বাতিঘর স্কোয়ার। সংস্কৃতির দার্বীস প্রাসাদ। জামাল আবদেল নাসের মসজিদ। রামাল্লার সিংহ স্মৃতিসৌধ। পুরাতন শহর।

দুধের গ্রোটো। ক্রব স্কয়ার। স্টার স্ট্রিট। গ্রাফিতি চিত্রগুলি। জ্যাকির প্যালেস হোটেল। ওমর মসজিদ। কিং ডেভিডের ফোয়ারা। কিং ডেভিড চার্চ। ক্যাথারিন চার্চ। আল-ম্যাডবাস। বেথলেহমের আহ স্কয়ার। হিব্রোনের আব্রাহাম মসজিদ এবং মাচপেলা গুহা।

গাজা

গাজা হচ্ছে ফিলিস্তিনি-অধ্যুষিত এমন একটি এলাকা যা পশ্চিম তীর থেকে বিচ্ছিন্ন। এই এলাকাটি ৪১ কিলোমিটার বা ২৫ মাইল দীর্ঘ এবং ১০ কিলোমিটার চওড়া। একদিকে ভূমধ্যসাগর, তিন দিকে ইসরাইল ও দক্ষিণ দিকে মিসরের সিনাই সীমান্ত। ফিলিস্তিনের বৃহত্তম ও বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলির অন্যতম গাজা।

গাজা উপত্যকায় অবস্থিত শহরটি ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং বৃহত্তম সমুদ্রবন্দরটি ভূমধ্যসাগরের বন্দর নগরীতে অবস্থিত। খ্রিস্টপূর্ব কমপক্ষে পঞ্চদশ শতাব্দী পূর্বে এখানে জনবসতি স্থাপিত হয়েছিল। গাজার পুরো ইতিহাস জুড়ে বিভিন্ন শাসক এবং সাম্রাজ্যের আধিপত্য রয়েছে।

প্রাচীন মিসরীয়রা প্রায় ৩৫০ বছর ধরে এটি শাসন করার পরে ফিলিস্তিনীরা এটিকে তাদের পেন্টাপোলিসের অংশ করেছিল। গাজার জনবসতি স্থাপনের ইতিহাসটি ৫০০০ বছরের পুরানো।

আধুনিক শহরটির বেশিরভাগ অংশ পাহাড়ের নিচে সমতলে নির্মিত হয়েছে, বিশেষত উত্তর এবং পূর্ব দিকে গাজার শহরতলি তৈরি করেছে। সৈকত এবং গাজা বন্দরটির ৩ কিলোমিটার অবস্থিত শহরের পশ্চিমে এবং এর মধ্যবর্তী স্থান পুরোপুরি নিচু পাহাড়ের উপর নির্মিত।

১১৮৭ সালে সালাউদ্দিন আয়ুবী শহর জয় করে আরব ও তুর্কি সৈন্যদের একত্রিত করেছিলেন। গাজায় কোনো ইহুদি নেই। গাজা গভর্নরেট ফিলিস্তিনের ১৬টি গভর্নরেটের একটি গভর্নরেট।

এটি উত্তর মধ্য গাজা উপত্যকায় অবস্থিত যা ইসরাইলের সীমানা, আকাশসীমা এবং সমুদ্র অঞ্চল বাদে ফিলিস্তিন দ্বারা পরিচালিত। গভর্নরেটে একটি বড় শহর, তিনটি ছোট শহর এবং বেশ কয়েকটি শরণার্থী শিবির রয়েছে।

উন্মুক্ত কারাগার

গাজাকে পৃথিবীর বৃহত্তম উন্মুক্ত কারাগার বলা হয়। কারণ এখানে মানুষের মধ্যে ব্যাপক দারিদ্র্য আর বেকারত্ব, আর কঠোর সীমান্ত প্রহরা আর চেক পয়েন্ট পেরিয়ে বাইরে যাবার সুযোগও অতি সীমিত।

গাজার লোকেরা কিছু খাদ্য সাহায্য পায়, কিন্তু তা সত্বেও এখানে পাঁচ লক্ষর বেশি লোক মাঝারি থেকে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

আবাসনের ঘাটতিও প্রকট। সমুদ্রে তীর থেকে একটা নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে গাজার মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতেও পারেন না। ইসরাইল-ঘোষিত সীমান্ত-সংলগ্ন প্রায় একমাইলের বাফার জোনে ফিলিস্তিনিরা চাষবাস করতে পারে না।

রাওয়াবি

ফিলিস্তিনে প্রথম আধুনিক শহরের নাম রাওয়াবি। একেবারে কাগজে কলমে নকশা করে, বিপুল পয়সা খরচ করে তৈরি এই স্বপ্নের শহর। পশ্চিম তীরের রামাল্লার কাছেই অবস্থান রাওয়াবির। আরবি এই শব্দটির অর্থ হচ্ছে পাহাড়।

পরিকল্পিত শহরটি তৈরির পেছনে খরচ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চল্লিশ হাজার মানুষ বসবাসের উপযোগী করে তৈরি শহরটি। বিদ্যালয়, হাসপাতাল, থিয়েটার, হোটেল, মসজিদ- সবই আছে আধুনিক এই শহরে।

এখানে ১২৪ থেকে ২৩০ বর্গ মিটার আকারের অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়া যায়। ফলে অবিবাহিত কিংবা সন্তানসহ বিবাহিত দম্পতি অনায়াসে থাকতে পারেন এই শহরে। গড়ে ১৮০ বর্গ মিটার আকারের একটি অ্যাপার্টমেন্টের বিক্রিয় মূল্য এক লাখ দশ হাজার মার্কিন ডলার।

নাবলুস

নাবলুস গভর্নরেট পশ্চিম তীরের কেন্দ্রীয় পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত জেরুসালেমের ৫৩ কিমি উত্তরে অবস্থিত ফিলিস্তিনের একটি প্রশাসনিক জেলা। এটা নাবলুস শহর এলাকা জুড়ে অবস্থিত যা গভর্নরেটের মুহ্ফাজা (আসন) হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখযোগ্য এলাকাগুলো হচ্ছে-আকরাবা, আশির ছাই-শামালিয়া, বিটা, হুয়ারা, জামমাইন, কাবালান, সেবাস্তিয়া ও বাইট ফুরিক ইত্যাদি।

হেবরন

হেবরন হচ্ছে একটি প্যালেস্টাইনী শহর পশ্চিম তীরের দক্ষিণাংশে অবস্থিত; জেরুসালেমের ৩০ কিমি দক্ষিণে এর অবস্থান।

জুদাইন পর্বতের উপর অবস্থিত এই শহরটির উচ্চতা সমুদ্র-সমতল হতে ৯৩০ মিটার উর্ধে। এটি পশ্চিম তীরের সর্ববৃহৎ শহর এবং গাজার পর ফিলিস্তিনের ২য় বৃহত্তম প্রদেশ।

ইসরাইলীরা মূলত ঐতিহাসিক ইহুদি কোয়ার্টারে বাস করে, যা ১৯২৯ সালের হেবরনের গণহত্যার আগে থেকেই ছিল। শহরটির ১৯৯৪ সালে প্যাট্রিয়ার্কস গণহত্যার গুহাও পরিচিত।

বেথলেহম

বেথলেহম অনেক ঐতিহাসিক আকর্ষণ সহ একটি খুব মনোরম এবং শান্ত শহর। পর্যটকরা মসিহের পবিত্র চার্চ ঘুরে দেখেন। বেথলেহাম হল পশ্চিম তীর অঞ্চলের একটি শহর।

এই শহরে প্রধানত খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা বসবাস করে। খ্রিষ্টানদের ধারণা- এই শহরেই যীশু খ্রিষ্টের জন্ম হয়েছিল। শহরটির নামের উৎপত্তি আরবি শব্দ ‘বাইত লহম’ থেকে যার অর্থ হচ্ছে ‘মাংসের ঘর’।

রামাল্লাহ

জেরুসালেমের উত্তরে রামাল্লাহ শহরে ফিলিস্তিনের সরকারি সদর দপ্তর। বর্তমানে ফিলিস্তিন জাতীয় কর্তৃপক্ষের বিধিসম্মত (ডি ফেক্টো) প্রশাসনিক রাজধানী। যেখান থেকে ফিলিস্তিনের প্রশাসন তার কাজকর্ম করে থাকে।

পশ্চিম তীরে অবস্থিত শহরটি জেরুসালেম থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে এবং সমুদ্র সমতল থেকে ৮৮০ মিটার উচুতে অবস্থিত। এটি ঐতিহাসিকভাবে একটি আরবীয় খ্রিস্টান শহর। বর্তমানে এটি মুসলমান অধ্যুষিত শহর। সংখ্যালঘুদের মধ্যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় অন্যতম।

 জেরুসালেম

ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরাইলের দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জেরুসালেমকে ইহুদি, মুসলমান ও খ্রিস্টান তিন ধর্মের অনুসারীরাই পবিত্র শহর হিসেবে দেখে। ১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ইসরাইল পূর্ব জেরুসালেম দখলে নেয়; অন্যদিকে ফিলিস্তিনিরা পূর্ব জেরুসালেমকেই তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী বলে দাবি করে আসছে।

২০১১ সালে ইউনেস্কো বিবৃতি দেয় যে তারা পূর্ব জেরুসালেমকে অধীকৃত ফিলিস্তিনি এলাকার অংশ বলে গণ্য করে। পশ্চিম তীর একটি ভূবেষ্টিত অঞ্চল এবং ফিলিস্তিন রাজ্যের পূর্ব অংশ; মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডানের নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এই এলাকা জর্ডানের অংশ ছিল।

১৯৬৭ সালে ইসরাইল এটি দখল করে নেয়। পরে এটি ফিলিস্তিনের অংশ হয়। জাতিসঙ্ঘের ১৮১ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে জেরুসালেম একটা আন্তর্জাতিক জোন। আর পূর্ব জেরুসালেম হলো ইসরাইলের অবৈধভাবে দখল করা ভূমি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সেখানেই মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে এনেছে।

রন্ধনশৈলী

ফিলিস্তিনের রন্ধনশৈলীর রয়েছে দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। আব্বাসীয়দের এবং তুর্কি রন্ধনপ্রণালীর দ্বারা ফিলিস্তিনি রন্ধনশৈলী দারুণভাবে প্রভাবিত হয়। এটি লেবানন, সিরিয়া এবং জর্দানীসহ অন্যান্য লেভান্তিনি রান্নার অনুরূপ।

 

 

 

About পরিবার.নেট

পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘পরিবার ডটনেট’ এর যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে। পরিবার ডটনেট এর উদ্দেশ্য পরিবারকে সময় দান, পরিবারের যত্ন নেয়া, পারস্পরিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করা, পারিবারিক পর্যায়েই বহুবিধ সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করে সমাজকে সুন্দর করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পরিবার ডটনেট চায়- পারিবারিক সম্পর্কগুলো হবে মজবুত, জীবনে বজায় থাকবে সুষ্ঠুতা, ঘরে ঘরে জ্বলবে আশার আলো, শান্তিময় হবে প্রতিটি গৃহ, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মানবিক মান-মর্যাদা-সুখ নিশ্চিত হবে । আগ্রহী যে কেউ পরিবার ডটনেট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো বিষয়ে লেখা ছাড়াও পাঠাতে পারেন ছবি, ভিডিও ও কার্টুন। নিজের শখ-স্বপ্ন-অনুভূতি-অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে পারেন সবার মাঝে। কনটেন্টের সাথে আপনার নাম-পরিচয়-ছবিও পাঠাবেন। ইমেইল: poribar.net@gmail.com

View all posts by পরিবার.নেট →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *